যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে সরকার বিনা দরপত্রে এলএনজি কেনার উদ্যোগ নিয়েছে।
২০২৬ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর মেয়াদে প্রতি বছর ছয়টি করে কার্গো এলএনজি আমদানি কথা চলছে। যা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বা কম মূল্যে নির্ধারণ হয়নি। এবং এমন শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে যা দেশের স্বার্থবিরোধী।
জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
, ২৫ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ১০ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৯ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মন্তব্য কলাম
বিএনপি তার ৩১ দফা ও নির্বাচনী ইশতেহারে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতা গ্রহণের পর কিছুটা ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের শাসনামলে সবচেয়ে বড় অনিয়ম হিসেবে বিবেচনা করা হয় বিনা দরপত্রে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নকে। বিগত সরকার ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বিশেষ বিধান আইন, ২০১০ ’-এর আওতায় এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
অন্তর্বর্তী সরকার বিশেষ বিধানটি বাতিল করায় বিনা দরপত্রে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ সীমিত হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, দরপত্র না হলে কেন এত ভয় প্রতিযোগিতামূলক দামে কোনো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। নিজেদের মতো করে সীমিতসংখ্যক কোম্পানিকে সুযোগ দিলে প্রকৃত দর যাচাই সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি প্রতি ইউনিট এলএনজি গ্যাসে রূপান্তরের জন্য ৪৯ সেন্ট চার্জে পেট্রোবাংলার সঙ্গে চুক্তি করে। এরপর সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির মধ্যে চুক্তি সইয়ের পর একই ধরনের সেবা ৪৮ সেন্টে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে একটি চুক্তি করা হয়।
এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিটের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে আলোচনার সময় নরওয়ের একটি বেসরকারি কোম্পানি গোলার পাওয়ার বাংলাদেশে ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দেয়। একই সঙ্গে একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ এবং এলএনজি সরবরাহের প্রস্তাবও দেয় প্রতিষ্ঠানটি। ওই প্রস্তাবে প্রতি ইউনিট এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তরের চার্জ হিসেবে ৩২ সেন্ট দাবি করা হয়, যা এক্সিলারেট এনার্জির প্রস্তাবিত দরের চেয়ে ১৭ সেন্ট এবং সামিটের চেয়ে ১৬ সেন্ট কম ছিল। অথচ গোলার পাওয়ারের সেই প্রস্তাবে সরকারি অনুমোদন পাওয়া দূরের কথা, আলোচনাতেও স্থান পায়নি। এখনও কি তাই হচ্ছে?
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বর্তমান সরকার বিশেষ বিধানের পরিবর্তে জিটুজি পদ্ধতির মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুযোগ নিচ্ছে। অর্থাৎ দুই দেশের সরকারের পর্যায়ে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। এ ক্ষেত্রেও উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হবে না।
দৈনিক আল ইহসানের হাতে আসা একটি সরকারি নথিতে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি গানভর ইউএসএ এলএলসি থেকে সরকার বিনা দরপত্রে এলএনজি কেনার উদ্যোগ নিয়েছে। গানভর ইউএসএ এলএলসি যুক্তরাষ্ট্রের একটি বেসরকারি কোম্পানি।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের নীতিগত অনুমোদন এবং জিটুজি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ২০২৬ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর মেয়াদে প্রতি বছর ছয়টি করে কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরণের সুপারিশ করা হয়েছে।
যা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বা কম মূল্যে নির্ধারণ হয়নি। এবং এমন শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে যা দেশের স্বার্থবিরোধী।
দৈনিক আল ইহসানের পর্যালোচনায় প্রতিভাত হচ্ছে- ‘দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এখনো আগের নীতিই কার্যকর রয়েছে। শুধু প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি পরিবর্তন করে একই ধরনের কাজ করা হচ্ছে।’
‘সরকারি ক্রয় বিধিমালায় অনেক শর্ত শিথিল করে সরকারি কেনাকাটা সহজ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। কিন্তু এসব শৈথিল্য যতটা না দেশের স্বার্থে ব্যবহার করা হয়, তার চেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় ব্যক্তিস্বার্থে। অতীত অভিজ্ঞতা বিবেচনায় এ ধরনের সুযোগ বন্ধ করা উচিত করা উচিত।’
প্রসঙ্গত, সরকার ব্যয়বহুল এলএনজি গ্যাস আমদানি করলেও এর বিপরীতে প্রাকৃতিক উৎস তথা গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ আহরনে কাজ করছে না। অথচ- ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক পত্রিকা দ্য ডিপ্লোম্যাট রিপোর্ট করেছিল- বাংলাদেশ হচ্ছে এশিয়ার নতুন এনার্জি সুপার পাওয়ার, বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলে মজুদ আছে প্রায় ২০০ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফিট গ্যাস।
এছাড়া, প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছে- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চলে (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন ইইজেড) .১১ থেকে .৬৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস হাইড্রেট (মূলত মিথেন গ্যাস) মজুদ থাকার ইঙ্গিত মিলেছে।
এটি ১৭ থেকে ১০৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাসের সমান।
এছাড়া, দেশের আবিস্কৃত গ্যাসকূপগুলোর যদি সংস্কার করা যায় তাহলে এসব থেকেও বিপুল পরিমাণ গ্যাস পাওয়া সম্ভব। যা দিয়ে বাংলাদেশ বছরের পর বছর গ্যাসের উৎপাদনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো গুরুত্বই দেয়া হচ্ছে না।
জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ইসলাম ও মুসলমান প্রিয় দাবীদার- সর্বশক্তিমান আল্লাহ পাক উনার প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জ্ঞাপনকারী- বিএনপি সরকার কেন মুসলিম বিদ্বেষ, বাঙ্গালী বিদ্বেষ, মুসলমানদের শিক্ষার প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং পতিতালয়ের টাকায় বিত্ত-বৈভব করা রবী ঠগের বন্দনায় পতিত আওয়ামী সরকারের পথেই হাঁটছে!
১৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফের আলোকে- হিন্দুদের পূজায় যাওয়া কুফরি, শিরেকী ও কাট্টা হারাম। পূজায় যারা পাহারা দিবে, শুভেচ্ছা জানাবে তারাও কাফির।
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
‘আমি নিজেও একজন শ্রমিক’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও শ্রমিকদের ক্ষুব্ধ করা হচ্ছে কেন? ‘জাতীয় স্বার্থ সবার আগে’- প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পরও জাতীয় স্বার্থে আন্দোলনকারীদের উপর নির্যাতনের ষ্টীম রোলার কেন? সাবেক সরকারের আমলে প্রধানমন্ত্রী নিজেও বন্দর দেয়ার বিপক্ষে বক্তব্য দিয়ে জনগণকে খুশি করেছিলেন।
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে- আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে। পতিত ইসলাম বিরোধী সরকার কর্তৃক তুলে দেয়া নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদ-
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
এক হিসেব মতে মাত্র সাত হাজার কোটি টাকা ব্যায়েই সব মুসলিম দেশের দুর্ভিক্ষ দূর করা সম্ভব। অথচ সৌদি আরব, আরব-আমিরাত, কুয়েত-কাতার-ব্রুনাইর সুলতানরা এক একজন লাখ লাখ নয়, কোটি কোটি -কোটি টাকার বিলাসিতা করে আর কাফের গায়ক-গায়িকা, নায়ক-নায়িকা ও খারাপ মহিলার পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে। এদের মধ্যে ইসলামী ভ্রাতৃত্ববোধের সঞ্চারে বাংলাদেশকেই অগ্রণী হতে হবে।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
যদি গোবর-গোচনা থেকে বিরত থাকতে চান, তাহলে বিধর্মীদের হোটেলে খাওয়া-দাওয়া থেকে বিরত থাকুন মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা (পূজারী) নাপাক”।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশের বিভিন্ন মহানগর ও জেলায় ২২৭টি এবং রাজধানীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৫৯টি দুর্ধর্ষ গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে।
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রাজধানীসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাংয়ের মাধ্যমে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা ও সম্ভ্রহরণ এবং খুনসহ বড় অপরাধ বেড়েই চলেছে। গুরুতর অপরাধে হাতেনাতে গ্রেফতারের পরও কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এসব কিশোর দুর্বৃত্তদের আবার এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। কিশোর আইনের নমনীয়তার কারণে অনেক অভিযুক্ত দ্রুত জামিনে বের হয়ে পুনরায় অপরাধে জড়াচ্ছে। জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদে শিশু হিসেবে ১৮ বছরের কম বয়সী সকলকে গণ্য করা হয়েছে।
০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের সাথে রাশিয়ার মুনাফেকী নূতনভাবে প্রকাশ পাচ্ছে।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পরমাণু শক্তির বেসামরিক ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। যা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের জন্য চরম হুমকিস্বরূপ এবং বাংলাদেশের জন্য- সময়সাপেক্ষ ব্যায়বহুল ও জটিল
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সারের দাম হচ্ছে আরো বেশী। সব মিলিয়ে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয় কৃষকের কঠিন দুরাবস্থায় আরো বাড়বে মূল্যস্ফীতি জন দুর্ভোগ থেকে এখন দুর্ভিক্ষের দিকে যাচ্ছে দেশ
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












