কথা যতই শ্রুতিমধুর হোক, সমালোচনা যতই ক্ষুরধার হোক, লেখনী যতই ঝাঝালো হোক, তার মূলে যদি দেশ প্রেমই না থাকে তাহলে তা সম্পূর্ণই ব্যবসা আর ভাওতাবাজি।
মার্কিন দূত যে বাংলাদেশকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে গেলো, সরকারকে হুমকী-ধামকি দিলো তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ প্রতিরোধ হলো কৈ? সরকারী দল, বিরোধী দল, তথাকথিত সব ইসলামিক দল থেকে সব সুশীল, চিন্তাশীল, বিশ্লেষক তথা সব মহল কেউই কিন্তু প্রতিবাদ করলো না
দেশ প্রেমিকদের প্রশ্ন? মার্কিন গোর দেশে ঢুকতে পারলো কীভাবে? বের হতে পারলো কেমনে? (১ম পর্ব)
, ২১ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ০৬ ছালিছ, ১৩৯৪ শামসী সন , ০৫ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি:, ২১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) মন্তব্য কলাম
কথক, সমালোচক, বিশ্লেষক, সাংবাদিক, সম্পাদক, রাজনীতিক, আইনজীবি, সাবেক সচিব, আমলা, সুশীল-কুশীল সবাই কথা বলছেন। সমালোচিত হচ্ছেন অথবা অভিনন্দিত হচ্ছেন। কমপক্ষে বহু আলোচিত হচ্ছেন। পরিচিত হচ্ছেন।
কিন্তু কঠিনভাবে যদি প্রশ্ন করা হয়?
সুক্ষ্মভাবে যদি বিচার করা হয়, কেন তারা কথকতা করছেন?
কি উদ্দেশ্যে করছেন?
তাদের বক্তব্যে যুক্তি আছে।
প্রমাণ আছে!
তথ্য আছে
ব্যাখ্যা আছে
ভাষ্য আছে
বিশ্লেষণ আছে
প্রতিক্রিয়া আছে। বাকী সবই আছে
কিন্তু সব কিছুর মূলে নিখাদ দেশ প্রেম, কী আছে?
দেশের স্বার্থে, দেশ রক্ষার্থে তারা কথা বলছেন কী?
যে কথকতা, যে টকশো-পডকাস্ট তারা করছেন
তাতে তাদের টক শো ব্যবসা চলছে
ভিউ হচ্ছে
ভাইরালও হচ্ছে
আর্থিক সুবিধা মিলছে
কিন্তু দেশের কী হচ্ছে?
সরকারের সমালোচনা হচ্ছে
পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধোয়া হচ্ছে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চাছা ছোলা করা হচ্ছে
কিন্তু দেশের ভাবমর্যাদা রক্ষার্থে নিজ নিজ অবস্থান থেকে তারা কী করছে?
অপরদিকে দেশের মালিক যে জনগণ সে জনগণ কী নিজেদের মালিকানার দায়িত্ব পালন করছে?
দেশে কী হচ্ছে সেদিকে নজর রেখেছে?
দেশকে কে বা কারা খুবলে খুবলে খেতে চায় সেদিকে খেয়াল রাখেছে?
দেশকে নিয়ে কারা অবমাননা করল, তুচ্ছতা প্রদর্শন করল সে বিষয়ে দৃষ্টি দিয়েছে?
দেশের ভাবমর্যাদা যারা ক্ষুন্ন করল তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে?
ক্ষমা না চেয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করার পথ তারা আটকে দিয়েছে?
এই সব জ্বলন্ত, ঝাঁঝালো সংক্ষুব্ধ প্রশ্ন উঠেছে- বাংলাদেশে বিশ্ব সন্ত্রাসী ড্রাম্পের বিশেষ দূতের সফরের ঘটনা প্রবাহেই।
তবে দৈনিক আল ইহসানের পর্যবেক্ষণে প্রতিভাত হয়েছে- বাংলাদেশে রাস্ট্রীয় সফরে এসে যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত হাই প্রোফাইল প্রতিনিধি গোর বাংলাদেকে দৃশ্যমান তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে গিয়েছে। নৈশভোজ এবং অন্যান্য অনুষ্ঠান এড়িয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করলো সাদামাটা ভাবে। গুরুত্ব পেলো বাংলাদেশ নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার। প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠকেও দুপক্ষের যৌথ বিবৃতি নাই। প্রধানমন্ত্রীর হাতে গোর তুলে দিয়েছে একটি কাগজ।
গোর তার ওই রাগান্নিত, প্রধান্নিত কিংবা ধমকের প্রকাশ ঘটিয়ে, বুঝিয়েছে যে সে তো আসলে ট্রাম্পের তরফে ধমকাতে এসেছে বাংলাদেশ সরকারকে। সেই জায়গা থেকে যে সে সরতে চাইছে না সেটাও সে স্পষ্ট করেছে।
গোর যে এক রকমের কড়া বার্তা দিতে এসেছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কঠিন বার্তা পৌঁছে দিতে এসেছে, ধমকে সমঝে দিতে এসেছে বাংলাদেশকে। আগেই বলে রাখা হয়েছিল যে গোরের সফর শেষে গোর বা মার্কিন দূতাবাসের তরফে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করা হবে না। তার মানে তাদের ব্রিফিংটা এত সুনির্দিষ্ট, তাদের চাওয়াটা এত সুনির্দিষ্ট, চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোর বাতিল করতে হবে। তিস্তা প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা চলবে না। চীনের সঙ্গে মাখামাখি চলবে না। চীন থেকে এত বেশি সামরিক এবং প্রাযুক্তিক উপকরণ কেনা চলবে না। কিনতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে, না হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বলে দেওয়া জায়গা থেকে।
প্রশ্ন হলো- আমাদের দেশের সব কথা ব্যবসায়ী অথবা কলম বেচাকারী সবাই শুধু সমালোচনা করেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। যে সে কোনো সাংবাদিকদের সব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে না?
কিন্তু সমালোচনার লক্ষ্যস্থল কী শুধু এক জায়গায়?
লেখার শুরুতেই যা বলা হয়েছিল; আলোচনা-সমালোচনা কী নিজের অবস্থানের জন্য না কী দেশ প্রেমের জন্য?
বক্তব্যে ব্যবসায়ীরা, রাজনীতিকরা, মিডিয়া কেউ উচ্চ-বাচ্চ করেনি, কেউ প্রতিবাদ করেনি।
গোর কেন বাংলাদেশকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করলো?
রাষ্ট্রের নৈশভোজকে অবজ্ঞা করল?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সহ খোদ প্রধানমন্ত্রীকে হুমকী-ধামকী দিল?
বাংলাদেশকে অপমান করে সে কীভাবে বাংলাদেশ ত্যাগ করতে পারলো?
বাংলাদেশে প্রবেশের সময় কেনো সে বাধা পেল না?
বাংলাদেশ পার হতেও কেনো সে নিষেধাজ্ঞা পেলো না?
কেনো তার বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ হলো না?
(ইনশাআল্লাহ চলবে)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্ক বছরের পর বছর চালু রেখে এক সময় বিয়ে না করলে দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারায় ধর্ষক হয় পুরুষ।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে এখন চাপ আর চাপ এসব চাপকে- জনগণের নিজের মনে করতে হবে।
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
২০২৬ থেকে ২০৩৯ সাল পর্যন্ত ১৩ বছর মেয়াদে প্রতি বছর ছয়টি করে কার্গো এলএনজি আমদানি কথা চলছে। যা প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে বা কম মূল্যে নির্ধারণ হয়নি। এবং এমন শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে যা দেশের স্বার্থবিরোধী।
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের ৫০ হাজার একরের বেশি জমি ভারতের দখলে। উদ্ধারে নেই সরকারের সক্রিয়তা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
১৯৪৭ সালের বেনিয়া বৃটিশদের দেশবিভক্তির দোহাই দিয়ে এখন পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের ভূখন্ড দাবী করছে উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১৬৮ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ। এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বাংলাদেশের সামরিক কৌশল বাড়ানো উচিত
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বিএনপির নেতা কর্মী বর্তমান উপদেষ্টা মন্ত্রীরা-এমপিরাও, সুদী মহাজন ও বড় চোর, সমকামীমনা, ১২৬ মামলার আসামী, দেশ বিক্রিকারী মার্কিন চুক্তিকারী, ক্ষমতার মসনদে বসে অর্থ লুটকারী, অন্যায় সুবিধা গ্রহণকারী, পাহাড় সম অপরাধ মব-সন্ত্রাসের জনক কুখ্যাত ইউনুসের প্রতি ভীষণ বীতশ্রদ্ধ।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এই কুলাঙ্গার আবারো ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে, রাষ্টের শীর্ষ পদে তথা প্রেসিডেন্ট পদে আলোচনায় আসে কি করে? নেপথ্যে কি মার্কিন দূত গর? অথচ “ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়”- বিএনপির শ্লোগান
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আম্রিকা, চীন, ভারত, রাশিয়া সবার নজর বাংলাদেশের দিকে।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্পের অজুহাতে চলছে শোষণ প্রকল্প।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












