মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনাদের ঈমানদীপ্ত বেমেছাল আত্মত্যাগ
বীরাঙ্গনা ছাহাবী সাইয়্যিদাতুনা হযরত আসমা বিনতে ইয়াযীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা
, ২৮ শা’বান শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ২১ ‘আশির, ১৩৯০ শামসী সন , ২১ মার্চ, ২০২৩ খ্রি:, ০৭ চৈত্র, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহিলাদের পাতা
বীরাঙ্গনা ছাহাবী সাইয়্যিদাতুনা হযরত আসমা বিনতে ইয়াযীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। নাম মুবারক হযরত আসমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা, কুনিয়াত উম্মে সালমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। বংশধারা হচ্ছে, আসমা বিনতে ইয়াযীদ ইবনে আসকান ইবনে রাফে ইবনে ইমরাউল কাছীর ইবনে যায়েদ ইবনে আবদুল আশহাল ইবনে জসম ইবনে হারেস ইবনে খাযরাজ ইবনে আমর ইবনে মালেক ইবনে আওস। হিজরতের পর তিনি সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন।
একবার তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ছোহবত মুবারকে হাযির হয়ে মুবারক খিদমতে পেশ করেন যে, “ইয়া রসূলাল্লাহ ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য আমার মাতা-পিতা কুরবান হোক। আমি মুসলিম মহিলাদের পক্ষ থেকে পয়গাম নিয়ে এসেছি। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহিলা-পুরুষ সকলের হিদায়াতের জন্য আপনাকে প্রেরণ করেছেন। আমরা আপনার অনুসারী, আপনার প্রতি ঈমান এনেছি। আমাদের এবং পুরুষদের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। আমরা ঘরের মধ্যে অবস্থান করি। অন্যদিকে পুরুষরা সন্তানের লালন-পালন করতে পারেন। পবিত্র হজ্বে যেতে পারেন, সব চেয়ে বড় কথা, মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় জিহাদ করতে পারেন। এসব অবস্থায় আমরা উনাদের সন্তানদের লালন পালন করি। উনাদের মালের হেফাযত করি। কাপড়ের জন্য চরকায় সূতা কাটি। আমরা কি উনাদের সাথে এসব ছাওয়াবের অংশীদার হব না? নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার বক্তব্য শুনে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, দ্বীন সম্পর্কে আপনারা কি কোন মহিলার মুখে এমন বক্তব্য শুনেছেন? সকলে বললেন, একজন নারী এমন প্রশ্ন করতে পারেন, তা আমরা ধারণাও করিনি। তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত আসমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনাকে লক্ষ্য করে বললেন, কোন মহিলা যদি নিজ আহালের বা স্বামীর আনুগত্য করে এবং আহলিয়া বা স্ত্রী হিসেবে নিজ দায়িত্ব পালন করে তবে তিনিও পুরুষের সমান ছাওয়াব লাভ করবেন।” সুবহানাল্লাহ!
তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দরবার শরীফ উনার মধ্যে উপস্থিত থাকতেন। একদিন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দাজ্জাল সম্পর্কে আলোচনা করেন। আলোচনা শুনে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উঠে চলে যান। পুনরায় ফিরে এসে দেখেন, উনার একই অবস্থা। উনাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কাঁদছেন কেন? সাইয়্যিদাতুনা হযরত আসমা বিনতে ইয়াযীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি বললেন, আমাদের অবস্থা তো এই যে বাঁদী আটা মলতে বসেছে, আমাদের ভীষণ ক্ষিধে পেয়েছে। সে রুটি তৈয়ার করে আনার আগেই আমরা অস্থির হয়ে উঠি। দাজ্জালের যামানায় দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে, তখন কিভাবে ধৈর্য ধারণ করবো। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, সেদিন তাসবীহ ও তাকবীর ক্ষিধা থেকে রক্ষা করবে। অতঃপর তিনি বললেন, কান্নাকাটির কোন প্রয়োজন নেই। তখন পর্যন্ত আমি থাকলে আপনাদের হেফাযত করব, অন্যথায় মহান আল্লাহ পাক তিনি সকল মুসলমানকে হেফাযত করবেন।’ সুবহানাল্লাহ
রোম শাসক হেরাক্লিয়াস। আগের সেই আনন্দ আর নেই। সবকিছু কেমন যেন এলোমেলো লাগছে তার। রাতে রাজপ্রাসাদে ঘুমাতে গেলেই রাজ্যের চিন্তা জমা হয় মাথায়। এলোমেলো দুশ্চিন্তা এসে ভিড় করে চেতনায়। নিঃস্ব আরব মুসলমানদের এতো সাহস, এতো শক্তি পেলেন কোথায়। মানছেন না কোনো বাধা। যেদিকে যাচ্ছেন মরু সাইমুমের মতো সবকিছু তছনছ করে ফেলছেন। বাধভাঙ্গা জোয়ারের ন্যায় ধেয়ে আসছেন। সম্মুখে অগ্রসর হচ্ছে ঝড়ো গতিতে। আকাশের বিজলিও যেন উনাদের তরবারির কাছে হার মেনে গেছে। কোনো শক্তিই উনাদের সামনে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। রুখতে পারছে না উনাদের বিজয়। বিপুল শক্তির অধিকারী রোম সৈন্য পর্যন্ত ব্যর্থ হল এই আরব মুসলমানদের কাছে। না, সহ্য করা যায় না আর। দ্রুত ব্যবস্থা একটা নিতেই হবে। দাতভাঙ্গা জবাব দিতে হবে উনাদের। উনাদের শক্তি, সাহস, হিম্মত, একেবারে ভেঙ্গে দিতে হবে। বিজয়ের সাধ চিরতরে মিটিয়ে দেব উনাাদের। চিন্তা করতে লাগল রোম শাসক হেরাক্লিয়াস। কিন্তু কিভাবে? কোন পদ্ধতিতে তা সম্ভব?
না, এভাবে আক্রমণ করে উনাদের রোখা যাবে না। এবার কৌশলে কিছুটা পরিবর্তন করতে হবে। শুধু রোমান বাহিনীকে দিয়ে হবে না। খ্রিস্টধর্মের নামে যুদ্ধের ডাক দিতে হবে। উস্কে দিতে হবে সকল পাদরিকে। সমগ্রজাতির ধর্মীয় চেতনায় আগুন জ্বালিয়ে দিতে হবে। ধর্মীয় চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে জীবন দিতে ছুটে আসবে সবাই। হ্যাঁ, এবার সাফল্য আসবেই। পেছনের চূড়ান্ত প্রতিশোধ এবার নিতেই হবে।
রোম শাসক হেরাক্লিয়াস তার পরিকল্পনায় পূর্ণ সফলকাম। দারুণ সাড়া পেল এতে। পুরো রোমান সাম্রাজ্যে আলোড়ন সৃষ্টি হয়ে গেল। বাড়তে বাড়তে তাদের সেনা সংখ্যা ২ লাখে পৌঁছে গেল।
বিশাল এই বাহিনী সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হতে লাগল। দারুণ ছন্দে আছে তারা। অবয়বে জিঘাংসার নিদর্শন স্পষ্ট। মুজাহিদ বাহিনী তখন হিমসে অবস্থান করছে। বিশাল বাহিনীর সংবাদ পেয়ে গেলেন উনারা। সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ভাবনায় পড়ে গেলেন। এই মুষ্টিমেয় মুজাহিদ নিয়ে বিশাল বাহিনীর কিভাবে মোকাবেলা করা যায়? কোন পন্থা অবলম্বন করব এখন! হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পরামর্শ করলেন, এই বিশালবাহিনীর মোকাবেলার জন্য হিমস উপযুক্ত স্থান নয়। এর জন্য দরকার বিশাল প্রান্তর। প্রশস্ত মাঠ। তাই ইয়ারমুকের প্রান্তরই সবার পছন্দ হল। ফায়সালা অনুযায়ী মুজাহিদ বাহিনী ইয়ারমুকের দিকে প্রত্যাবর্তন করলেন।
মাত্র ৩৫ হাজার মুসলিম ফৌজ। অপরদিকে ২ লক্ষের বেশি খ্রিস্টান। কিন্তু মুসলমানরা তো অস্ত্র আর সেনাবলে লড়েন না। মহান আল্লাহ পাক উনার সাহায্যই মুসলমানদের প্রধান শক্তি। দীর্ঘ ছয় মাইলজুড়ে খ্রিষ্টানবাহিনীর ছাউনির পর ছাউনি। যেন এর শেষ নেই। বিভিন্ন অঞ্চলের যোদ্ধারা অংশ নিয়েছে। এমনকি আরব সর্দার জাবালা ইবনে আইহাম দুর্ধষ ৬০ হাজার আরব সেনা নিয়ে খ্রিষ্টানবাহিনীর সঙ্গে যোগ দিয়েছে। এতদসত্ত্বেও হেরাক্লিয়াসের অভিপ্রায় ছিল যথাসম্ভব যুদ্ধ এড়িয়ে সন্ধি করার চেষ্টাই বেশি করতে হবে। কিন্তু কোনো ফল হল না। যুদ্ধ বেধে গেল। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে মরণপণ যুদ্ধ এভাবে পাঁচ দিন চলল।
যুদ্ধের তৃতীয় দিনটি ছিল বেশি ভয়াবহ। অত্যন্ত ভয়ানক। সেদিন রোমান বাহিনীর আক্রমণ প্রতিহত করা কঠিন হয়ে দাঁড়াল মুসলিম মুজাহিদদের জন্য। বার-বার মুজাহিদগণ পিছু হটছিলেন। মুসলিম মহিলারা তাদের তিরস্কার ও উৎসাহ-উদ্দীপনা দিয়ে আবার ময়দানে পাঠাচ্ছিলেন। হযরত আবু সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে পিছু হটতে দেখে উনার আহলিয়া হযরত হিন্দা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি মনোবল বাড়ানোর জন্য বললেন, আপনি কোথায় যাচ্ছেন? ফিরে যান। জীবন উৎসর্গ করে দিন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরুদ্ধে যত যুদ্ধ করেছেন এর ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সময় আজ।
মহিলা ছাহাবী উনাদের মধ্যে হযরত উম্মে আবান, উম্মে হাকিম, আসমা বিনতে আবু বকর, হযরত খাওলা, হযরত উম্মে সালামা ও হযরত লুবানা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুন্না উনারা অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তবে এর মধ্যে যার বীরত্ব ছিল তুলনাবিহীন, যার ভূমিকা ছিল সবার ঊর্ধ্বে, যার সাহসিকতা-রণদক্ষতা ছিল অবিস্মরণীয় তিনি হলেন, হযরত আসমা বিনতে ইয়াজিদ ইবনে সাকান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা।
যখন রণাঙ্গন পুরোপুরি উত্তপ্ত হয়ে উঠল, যুদ্ধের লেলিহান শিখা যখন দাউ দাউ করে উঠল, তলোয়ারের ঝনঝনানিতে যখন চারদিক মুখরিত হয়ে উঠল, তখন নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলেন না তিনি। ভুলেই গেলেন তিনি একজন নারী। শাহাদাতের অদম্য স্পৃহা উনাকে পাগল করে তুলেছে। অগ্রসর হয়ে গেলেন যুদ্ধের দিকে। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। কিন্তু কী দিয়ে লড়বেন তিনি? উনার নেই কোনো তলোয়ার। বর্শা-বল্লমও নেই উনার হাতে। তীর-ধনুকও নেই। সামনে পেলেন তাঁবুর খুঁটি। তা নিয়েই ঝাপিয়ে পড়লেন শত্রু সারির ভিতর। সর্বশক্তি ব্যয় করে চললেন তিনি শত্রুনিধনের মহড়ায়।
ডানে বামে হামলা করে সম্মুখে অগ্রসর হচ্ছেন। একে-একে নয়জন রোমান সৈন্যকে জাহান্নামে পাঠালেন এই মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। চিরতরে তাদের যুদ্ধের সাধ মিটিয়ে দিলেন।
পাঁচ দিন রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে মুসলমানরা বিজয়ী হলেন। বহু রোমান সেনা প্রাণ হারাল। এক লক্ষাধিক লাশের এক মহাসমাবেশ। পৃথিবীর ইতিহাসে এর নজির পাওয়া দুষ্কর।
রোমানদের অতীতের সব অহঙ্কার, অহমিকা মাটিতে মিশে গেল। চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেল তাদের অহমিকা। অপর দিকে মুসলমানদের জজবা ও উদ্দীপনা আগের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পেল। এ-যুদ্ধে নারীদের ভূমিকা ছিল মনে রাখার মতো। তাদের মধ্যে হযরত আসমা বিনতে ইয়াযীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা-উনার বীরত্ব ছিল অতুলনীয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের এ থেকে শিক্ষা গ্রহণের এবং উনাদের পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।
-উম্মু ফারজানা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহিলাদের সুন্নতী লিবাস, অলংকার ও সাজ-সজ্জা (১৯)
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
হাশরের ময়দানে যে ৫টি প্রশ্নের উত্তর প্রত্যেককেই দিতে হবে
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা বেমেছাল ফযীলত মুবারকের অধিকারী
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পিতা-মাতা উভয়েই দ্বীনদার হওয়া ব্যতীত দ্বীনদার সন্তান আশা করা সম্পূর্ণ বৃথা (১)
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
০৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হীলাহ্ বিবাহ এবং তার শরয়ী ফায়সালা (১)
০৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
নারী সমাজের জন্য একটি জরুরী ফিকির!
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“মৃত্যু দেখে দেখে নসীহত হাছিল করতে হবে”
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব-শরাফত বজায় রাখতে হবে
০৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশ্তে প্রবেশ করবে না
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হযরত সালমা বিনতে হাফসা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহা
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












