SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%ছাহাবী%' OR titleBn LIKE '%ছাহাবী%' OR descriptionEn LIKE '%ছাহাবী%' OR descriptionBn LIKE '%ছাহাবী%' OR slug LIKE '%ছাহাবী%' OR metaTag LIKE '%ছাহাবী%' OR metaDescription LIKE '%ছাহাবী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
৩৭। শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে যেখানে জায়গা খালি পাবে সেখানেই বসে পড়বে। কেননা, আগতদের জন্য শুন্যস্থানই নির্দিষ্ট থাকে। (ফাওয়ায়েদুস্ সালেকীন)
উদ্ধৃত আয়াত শরীফ থেকে আরো একটি বিষয় পরিস্কার যে, কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ কিবলা উনার মজলিসে স্থান সংকুলান না হওয়া কিংবা অন্য কোন কারণে কামিল শায়েখ তিনি যদি কাউকে উঠে যেতে বলেন বা কারো উঠে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন অথবা কাউকে বসার জায়গা করে দিতে বলেন, তাতে কোন প্রকার চূ-চেরা না করে উঠে যাওয়া অথবা জায়গা করে দেয়া আবশ্যক। যা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ, আখিরী রসূল, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছà বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হামদ শরীফ, না’ত শরীফ ও ক্বাছীদা শরীফ পাঠ করা, শোনা ও লেখা প্রত্যেকটিই সুন্নত মুবারক এবং অশেষ ফযীলত মুবারক হাছিলের কারণ। সুবহানাল্লাহ! কেননা, মহান আল্লাহ পাক তিনি ঈমানদার, নেককার ও আল্লাহওয়ালা কবি ও উনাদের কবিতার ছানা-ছিফত বাকি অংশ পড়ুন...
কদু একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদের ফল। সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম তিনি যেখানে মাছের পেট থেকে বের হয়েছেন সেখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি একটি কদু গাছ উদগত করে দিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَنَبَذْنَاهُ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ سَقِيمٌ. وَأَنبَتْنَا عَلَيْهِ شَجَرَةً مِّن يَقْطِينٍ.
অর্থ: “অতঃপর আমি (সাইয়্যিদুনা হযরত ইউনুস আলাইহিস সালাম) উনাকে এক বৃক্ষলতা শূন্য উপকূলে (মাছের পেট থেকে) বের করলাম, তখন তিনি ছিলেন মারিদ্বী শান মুবারকে। আমি উনার (ছাউনী হিসেবে) এক লতাবিশিষ্ট বৃক্ষ (কদু গাছ) উদà§ বাকি অংশ পড়ুন...
(৪৩৯)
{والصديقين} كافاضل صحابة الانبياء عليهم السلام. والصديق: المبالغ فى صدق ظاهره بالمعاملة وباطنه بالمراقبة او الذي يصدق قوله بفعله، {والشهداء} والذين استشهدوا فى سبيل الله {والصالحين} ومن صلحت احوالهم وحسنت اعمالهم.
অর্থ: (ছদিক্বীন) হচ্ছেন হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের মর্যাদাময় সঙ্গীগণ উনারা। ‘ছিদ্দীক’ শব্দখানা ইসমু ফায়িল মুবালাগাহ। যিনি বাহ্যিক আমলে সত্যবাদী এবং আভ্যন্তরীণ ব্যাপারেও সজাগ তিনিই ছিদ্দীক, অথবা যিনি উনার কথাকে স্বীয় কাজ দ্বারা সত্যায়ন করেন তিনিই ছিদ্দীক।
(শুহাদা) যারা মহান আল্লাহ পাক উনার পথে নিজেদের জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছেন উনারাই শুহাদা।
(ছলিহীন) যারা নিজেদের অবঠবাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদের ময়দান থেকে কাফির মুশরিকদের পলায়ন ও মুসলমানদের বিজয়:
عَن حَضْرَتْ الْبَرَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ فَلمَّا لَقِينَاهُمْ هَرَبُوا حتَّى رَأيْتُ النِّسَاءَ يَشْتَدِدْنَ في الْجَبَلِ، رَفَعْنَ عَنْ سُوقِهِنَّ، قد بَدَتْ خلاخِلُهُنَّ،
অর্থ: “হযরত বারা’ ইবনে আযীব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কাফির মুশরিকদের সাথে আমাদের মোকাবেলা হলে তাদের মধ্যে পলায়নের হিড়িক পরে যায়, এমনকি আমি নারীদের দেখি যে, তারা পায়ের গোছা হতে কাপড় উঠিয়ে নিয়ে দ্রুত বেগে পালিয়ে যাচ্ছে। তাদের পায়ের অলংকার দেখা যাচ্ছিলো।” (মানারুল কারী শরহে মুখতাছারে ছহীহ বুখাà বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, এমন কোন রাত্র অতিবাহিত হয় না যে রাত্রে আমি আমার হাবীব (নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উনাকে স্বপ্নে দেখি না, এতটুকু বলে তিনি ক্রন্দন করতে থাকতেন। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কথা মুবারক যখন তিনি স্মরণ করতেন তখন খুব অস্থির ও কাতর হয়ে পড়তেন। একদিন তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নূরুর রহমাহ মুবারক বা চেহারা মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَصْحَابِيْ كَالنُّجُوْمِ فَبِأَيِّهِمْ اِقْتَدَيْتُمْ اِهْتَدَيْتُمْ
অর্থ: “আমার সকল ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম তারকা সাদৃশ্য, উনাদের যে কাউকে তোমরা অনুসরণ করবে, হিদায়েত প্রাপ্ত হবে।”
বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ ثَوْبَانَ رَضِىَ اللّٰهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَ الْفِضَّةَ كُنَّا مَعَ النَّبِىِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِىْ بَعْضِ اَسْفَارِه فَقَالَ بَعْضُ اَصْحَابِه نَزَلَتْ فِىْ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ لَوْ عَلِمْنَا اَىُّ الْمَالِ خَيْرٌ فَنَتَّخِذُه فَقَالَ اَفْضَلُه لِسَانٌ ذَاكِرٌ وَ قَلْبٌ شَاكِرٌ وَ زَوْجَةٌ مُّؤْمِنَةٌ تُعِيْنُه علٰى اِيْمَانِه.
অর্থ: হযরত ছাওবান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, যখন وَالَّذِيْنَ يَكْنِزُوْنَ الذَّهَبَ وَ الْفِضَّةَ এই আয়াত শরীফ নাযিল হলো তখন আমরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আ বাকি অংশ পড়ুন...












