SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আসমা%' OR titleBn LIKE '%আসমা%' OR descriptionEn LIKE '%আসমা%' OR descriptionBn LIKE '%আসমা%' OR slug LIKE '%আসমা%' OR metaTag LIKE '%আসমা%' OR metaDescription LIKE '%আসমা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের সুস্পষ্ট বর্ণনা দ্বারা খেলাধুলাকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا خَلَقْنَا السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا لَاعِبِينَ
অর্থ: আমি আসমান ও যমীন এবং এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে তা ক্রীড়াচ্ছলে অর্থাৎ খেলাধুলার উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করিনি। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬)
এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত ও বিশুদ্ধ কিতাব ‘মুস্তাদরাক লিল হাকিম শরীফ ’উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
অধমের অন্তর ধ্বনি
দুই নয়নের মণি
শাহ নাওয়াসী উলা
শাহ নাওয়াসী ছানী
কাউনাইনের দোনো জামিনদার
মালিকায়ে হাউজে কাওসার
আওলাদে শাফিয়ে মেহশার
হাসনাইন নূরে নূরানী...
আরাবী আমিরা সাজে
এসেছেন বাদশাহী মারকাজে
তাই দরাজ কন্ঠের আওয়াজে
স্বাগতম মাক্কী মাদানী...
মুবারক মীলাদে সেরা ধুম
সকল অধরে তাবাসসুম
যে দিবে কদম পাকে চুম
সেতো জান্নাতি খুব জানি...
কাছীদা শরীফের গুঞ্জনে
আনন্দ যমীন ও আসমানে
ছল্লি আলা জানাই পাক শানে
হামেশা দিবস ও রজনী...
এই গরীবের আবদার সীমাহীন
পবিত্র ছোয়ায় হবো বিলীন
গোলাম বলে কাছে টেনে নিন
কাল হাশরে দানুন হাতছানি...
বাকি অংশ পড়ুন...
শাহী মা অসীমা
শাহী মা আলিমা
আপন আমার আপনজন
মাদানী আম্মাজি কিবলা
মমতার ছোয়া দিয়ে মোর
ঘুচান এই অন্তরের জালা
সেরা দাতা সেরা রাহবার
শাফিয়া মালিকা মাওলা
ভেজি ছলাত ভেজি ছালাম
অনন্তকাল সারাবেলা
নূরে নূরানী অজুদ পাক
ছুরত ছিফতে কুবরা মা
কায়িম মাকামে মামদুহজান
তিনি নিয়ামাতুল উযমা
আখেরী যামানাতে আজ
ছড়ান মাদানী মহিমা
শুভ তাশরীফে এই ভূবন
আলোয় আলোকি উজালা
তারায় তারায় বাহারী সাজ
সারা আসমানে কারুকাজ
যমীন মাঝেও ঈদের আমেজ
আনন্দ সর্বদা বিরাজ
এসেছেন সাইয়্যিদা আম্মা
আমাদের শাহী শিরোতাজ
প্রাণে প্রাণে খুশির জোয়ার
ত্রি-ভুবন ইশকে উতল বাকি অংশ পড়ুন...
নাম মুবারক:
নাম মুবারক: আহমদ।
পিতা উনার নাম: মুহম্মদ।
দাদা উনার নাম: হাম্বল।
উপনাম: আবূ আব্দুল্লাহ।
বংশ পরিচয়:
হযরত আহমদ বিন মুহম্মদ বিন হাম্বল বিন হিলাল বিন আসাদ বিন ইদরীস আশ্ শায়বানী, আল-মারওয়ায়ী আল-বাগদাদী। উনার ১৩ তম পূর্ব পুরুষ শায়বান এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আশ শায়বানী, উনার জন্মভূমি মুরউ এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আল-মারওয়ায়ী, অতঃপর উনার অবস্থান বাগ্দাদ এর দিকে সম্পৃক্ত করায় আল বাগ্দাদী....।
পবিত্র বিলাদত শরীফ ও প্রতিপালন:
ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ১৬৪ হিজরী সনের সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয় বাকি অংশ পড়ুন...
মালিকা মালিকা....
ইয়া মালিকা মাদানী হিলাল
ধরাতে জানাই ইস্তিকবাল
শাহ নাওয়াসী আছ ছালীছা
ছলাত ও ছালাম চিরকাল
মুর্শিদী বাগে খুশির হিল্লোল
আগমনে নব মেহমান
ফাল-ইয়াফরাহু করেন স্বয়ং
রসূল ও খোদা যুল-জালাল
তামাম কায়িনায় ঈদের আমেজ
শোর উঠেছে ঈদ মুবারক
গোলাম- আমাতার কাছিদা পাঠ
অনন্ত সকাল ও বিকাল
তারায় তারায় নীল আসমানে
বাহারী ঝিকিমিকি সাজ
যমীন মাঝেও কোটি জবানে
ধ্বনিত সাইয়্যিদা তলায়াল
দুঃখের যুগের অবসান আজ
দুনিয়ায় এলো সুখেরবান
কুবরা নিয়ামত শাহ নাওয়াসী
আনন্দে মুর্শিদী আহাল
অধম ভিখারী আরজি করি
চাহি আজ নিছবতি বন্ধন
শুকরিয়া রূপে প বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
দিনের শুরুটা হয় সূর্যের আলো দ্বারা। রাতের শুরুটা হয় চাঁদ উঠার দ্বারা। চাঁদ ও সূর্য উভয়ের অবস্থানই আসমানে। আসমান থেকেই বৃষ্টি হয়। কি পার্থিব জীবনে কী মানবীয় জীবনে, আসমানের গুরুত্ব অত্যাধিক। আসমান ছাড়া জীবন অকল্পনী বাকি অংশ পড়ুন...
সমস্ত কায়িনাত একমাত্র যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, যিনি ইমামুল মুরসালীন, যিনি খ¦তামুন নাবিইয়ীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানার্থেই সর্বপ্রকার নিয়ামত মুবারক পেয়েছে, পাচ্ছে এবং অনন্তকাল ধরে পেতেই থাকবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সেই অসংখ্য অগণিত নিয়ামত মুবারকের মধ্যে বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্ব মুবারক হচ্ছেন মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহ বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (২য় অংশ) :
হজ্জের সময় ইহরাম অবস্থায় নিকাব পরিধান করা নিষেধ থাকলেও পরপুরুষ থেকে ইহরামের জন্য পরিহিত চাদর দ্বারা হাত ও মুখ আবৃত করা ফরয। যেমন এ বিষয়ে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ الرُّكْبَانُ يَمُرُّونَ بِنَا وَنَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُحْرِمَاتٌ فَإِذَا حَاذَوْا بِنَا سَدَلَتْ إِحْدَانَا جِلْبَابَهَا مِنْ رَأْسِهَا عَلَى وَجْهِهَا فَإِذَا جَاوَزُونَا كَشَفْنَاهُ-
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মি বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
‘আমার স্বামী ফোনে অন্য মেয়েদের সঙ্গে কথা বলত। এ বিষয়ে কিছু বলতে গেলে প্রায়ই আমাকে মারধর করতেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করি। আমি বুঝতে পারিনি এত জোরে আঘাত লাগবে। পরে চাকু দিয়ে লাশ টুকরো টুকরো করে কয়েক জায়গায় ফেলে দিই। আমি জীবনে কখনো একটা পিঁপড়াও মারিনি। কিন্তু এ ঘটনা কীভাবে ঘটে গেল বুঝতে পারিনি।’
গত জুমুয়াবার (১৫ মে) রাতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী হত্যার কথা স্বীকার করে এসব কথা বলেন শরীয়তপুরের আসমা আক্তার।
পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে র বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ عِدَّةَ الشُّهُوْرِ عِنْدَ اللهِ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا فِىْ كِتَابِ اللهِ يَوْمَ خَلَقَ السَّموتِ وَالْاَرْضَ مِنْهَا اَرْبَعَةٌ حُرُمٌ ذلِكَ الدِّيْنُ الْقَيّمُ
অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট উনার কিতাবে আসমানসমূহ ও যমীনসমূহ সৃষ্টির দিন হতেই গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হারাম (যুদ্ধ-বিগ্রহ নিষিদ্ধ) মাস। এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত হুকুম। (পবিত্র সূরাতুত তাওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩৬)
মহান আল্লাহ পাক উনার ইলমে আযালী এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বেমেছাল ইলিম মুবা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যে ফযীলত মুবারক-
وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ
বুলন্দী শান মুবারক মানুষ কত বর্ণনা করবে? মানুষ তো জানেই না। বর্ণনা করবে কোথা থেকে? যিনি খ্বালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি যে বললেন,
يَا حَبِيْبِ صَـلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنَا وَاَنْتَ وَمَا سِوَاكَ خَلَقْتُ لِاَجْلِكَ
‘আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...












