SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আসমা%' OR titleBn LIKE '%আসমা%' OR descriptionEn LIKE '%আসমা%' OR descriptionBn LIKE '%আসমা%' OR slug LIKE '%আসমা%' OR metaTag LIKE '%আসমা%' OR metaDescription LIKE '%আসমা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
হযরত হারাম বিন হায়্যান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাথে সাক্ষাত:
হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রতি আমার বিশেষ শ্রদ্ধা ও মুহব্বতের দরুণ উনার দীনতা দেখে আমি কেঁদে ফেললাম। হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও কেঁদে বললেন, হে হারাম বিন হায়্যান! মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনার হায়াত দারাজ করুন। আপনি কি জন্য এখানে এসেছেন এবং কে আপনাকে আমার সন্ধান দিয়েছে? আমি বললাম, আপনি আমার ও আমার পিতার নাম কি করে জানলেন? তিনি বললেন: نَبَّانِىَ الْعَلِيْمُ الْخَبِيْرُ (যাঁর জ্ঞানের অগোচর কিছুই নেই, তিনি আমাকে আপনার সন্ধান জানিয়েছেন)। আমার রূহ আপনার রূহকে চিন বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খাব্বাব ইবনে আরাত রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার বেনযীর দৃষ্টান্ত মুবারক
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হযরত খাব্বাব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে উনার ত্যাগ ও আনুগত্যতার কারণে অত্যন্ত মুহব্বত করতেন। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারককালে একবার তিনি উনার আসন মুবারক-এ হযরত খাব্বাব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে বসিয়ে মুশরিকদের হাতে তিনি যেই কঠিন যুলুম-নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিলেন, সে সম্পর্কে জানতে চাইলেন। তখন হযরত খাব্বাব রদ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত মুবারক ও নছীহত মুবারক রয় বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৬ই ছফর শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ (মঙ্গলবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “গতকাল (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ৫ই ছফর শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ অর্থাৎ লাইলাতুল ইছ বাকি অংশ পড়ুন...
ফিক্বহে হানাফীর মশহূর কিতাব ‘বাদায়িউছ ছনায়িয়ী’তে উল্লেখ রয়েছে-
وَاللَّعِبُ حَرَامٌ فِي الْأَصْلِ إلَّا أَنَّ اللَّعِبَ بِهَذِهِ الْأَشْيَاءِ صَارَ مُسْتَثْنًى مِن التَّحْرِيمِ شَرْعًا لِقَوْلِهِ عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ { كُلُّ لَعِبٍ حَرَامٌ إلَّا مُلَاعَبَةَ الرَّجُلِ امْرَأَتَهُ وَقَوْسَهُ وَفَرَسَهُ}
অর্থ: মূলত সকল খেলাধুলাই হারাম। তবে শরীয়তগতভাবে কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের সাথে লায়িব শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যা মূলত খেলা নয় তা বৈধ করা হয়েছে। এ বিষয়ে দলীল হলো, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِبٍ حَرَامٌ إلَّا مُلَاعَبَةَ الرَّجُلِ امْر বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত আছে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদেরকে লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করেন, আপনারা উভয়ে উওয়ায়েস ক্বারানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সাক্ষাত পাবেন। যখন আপনারা উনার সাক্ষাত পাবেন, তখন আপনারা উনাকে বলবে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول في خطبته إن أصدق الحديث كلام الله وخير الهَدْي هَدْي سيدنا مولانا محمد صلى الله عليه وسلم وشر الأمور مُحْدَثاتها وكل مُحْدَثة بدعة وكل بدعة ضلالة وكل ضلالة في النار
অর্থ : নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মানিত খুত্ববাহ্ মুবারক উনার মধ্যে প্রায়ই ইরশাদ মুবারক করতেন, নিশ্চয়ই সবচেয়ে সত্য কালাম মুবারক হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম মুবারক। আর সর্বোত্তম হিদায়াত মুবারক হচ্ছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্ বাকি অংশ পড়ুন...
এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল এবং মীলাদ শরীফ আয়োজন করা।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনাদের পবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উক্ত সম্মানিত দিবসে সরকারী ছুটি ঘোষণা করা।
রহমাতুল্লিল আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাই পবিত্র রিযামন্দি-সন্তুষ্টি, মুহব্বত-মা’রিফাত মুবারক হাছিলের একমাত্র উছীলা। উনাদের মুবারক উছীলা বা মধ্যস্থতা ব্যতীত কস্মিনকালেও কোন নিয়ামত মুবারক হাছিল করা সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَةْ جَعْفَرَ الصَّادِقِ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّهُ قَالَ نَـحْنُ اٰلُ بَيْتِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَـحْنُ الْوَسِيلَةُ اِلَى اللهِ وَلَا وَسِيلَةَ اِلَى اللهِ اِلَّا عَنْ غَيْرِ طَرِيقِنَا اَوْ مِنْ سِوَانَا
অর্থ: ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
فرأت أنّ القمر وقع في حجرها وقيل رأت الشمس وقعت على صدرها وقصّتها علي أبيها أو زوجها فلطمها وقال أتريدين ملك يثرب وفي رواية ما تمنين إلا هذا الملك الذى نزل
অর্থ: “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ‘আশিরহ্ আলাইহাস সালাম তিনি একবার স্বপ্ন মুবারক-এ দেখলেন যে আকাশের চাঁদখানা উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল আযহার মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কোল মুবারক-এ) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক নিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! অন্য বর্ণনা রয়েছেন- তিনি স্বপ্ন মুবারক-এ দেখেছেন আসমানের সূর্যখানা উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূু বাকি অংশ পড়ুন...












