SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%আনহা%' OR titleBn LIKE '%আনহা%' OR descriptionEn LIKE '%আনহা%' OR descriptionBn LIKE '%আনহা%' OR slug LIKE '%আনহা%' OR metaTag LIKE '%আনহা%' OR metaDescription LIKE '%আনহা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার লখতে জিগার, অত্যন্ত স্নেহময়ী বানাত এবং উম্মুল মু’মিনীন সাই বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত ছুমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি এত দীর্ঘ সময় নামাযে দন্ডায়মান থাকতেন যে, উনার পা মুবারক দু’টি ফেটে রক্ত বের হতো। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)
একবার হযরত ইবরাহীম ইবনে রাবীআ’ রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট আসলেন। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু একখানা কাপড়ের একপাশ পরে অন্য পাশ গায়ে জড়িয়ে নামাযে মশগুল ছিলেন। নামায শেষ হলে হযরত ইবরাহীম রহমতুল্লাহি আলাইহি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি এভাবে এক কাপড়ে নামায পড়েন? হযরত আনাà বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন ভয়-ডর শূণ্য দুঃসাহসী। খুব দৌঁড়াতে পারতেন। একবার ‘মাররুজ জাহরান’ নামক স্থানে একটি খরগোশ তাড়া করে ধরে ফেলেন। অথচ উনার সমবয়সী ছেলেরা খরগোশটির পিছনে তাড়া করে ফিরে আসে। বড় হয়ে তিনি নিপুণ অশ্বারোহী ও দক্ষ তীরন্দাজ হন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকের জন্য এবং শরীয়তে উনার প্রগাঢ় ইলিম (জ্ঞান) থাকার জন্য সমাজে উনার যথেষ্ট গুরুত্ব ছিলো। প্রতিটি মানুষ উনাকে সম্মান, শ্রদ্ধা ও মুহব্বত মুবারকের চোখে দেখতো। উনার ছাত্র প্রখ্যাত তাবেয়ী হযরত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضرت انس رضى الله تعالى عنه يَقُوْلُ قَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَبْنِي بأم المؤمنين العاشرة عَلَيْهَا السَّلامُ فَدَعَوْتُ الْمُسْلِمِينَ إِلٰى وَلِيمَتِه أَمَرَ بِالأَنْطَاعِ فَبُسِطَتْ فَأُلْقِيَ عَلَيْهَا التَّمْرُ وَالأَقِطُ وَالسَّمْنُ وَقَالَ حَضرت عَمْرٌ رَضِيَ الله تَعَالَى عَنْهُ و عَنْ أَنَسٍ رَضِيَ الله تَعَالَى عَنْهُ بَنٰى بِهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ صَنَعَ حَيْسًا فِي نِطَعٍ.
অর্থ: “হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল ‘আশিরঠবাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমার মা উনার সম্মানিত আহাল হযরত আবু তালহা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার পক্ষের আবু উমাইর নামে একজন ছোট ছেলে ছিলেন, যিনি আমার বৈপিত্রীয় ভাই। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদের বাড়ীতে আসলে উনার সাথে মাঝে মধ্যে খুশি প্রকাশ করতেন। একদিন দেখলেন, আবু উমাইর মুখ ভার করে বসে আছেন।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জিজ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারকে:
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, সেদিন থেকে আমি দশ বৎসর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক করেছি। এ দীর্ঘ সময়ের মধ্যে তিনি কখনও আমার উপর নারাজ হননি।
আমার কোন কাজের জন্য কখনও বলেননি, এ কাজটি আপনি কেন করলেন? আর আমি এমন কোনও কাজ করিনি, যে কাজের জন্য তিনি কখনও বলেননি, আপনি ভুল করেছেন, খুব খারাপ করেছেন।
এভাবে হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পা বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচিতি:
নাম মুবারক আনাস, কুনিয়াত বা উপনাম মুবারক আবু হামযাহ, লক্বব মুবারক খাদিমু রসূলিল্লাহ, পিতার নাম মালিক ইবনে নদ্বর, মাতার নাম হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা। হযরত উম্মে সুলাইম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার আসল নাম নিয়ে মতভেদ আছে, যেমন সাহলা, রুমায়লা, রুমায়সা ইত্যাদি।
বিলাদত শরীফ ও পারিবারিক জীবন:
মদীনা শরীফের বিখ্যাত খাযরাজ গোত্রের বনু নাজ্জার শাখায় হিজরতের দশ বছর পূর্বে ৬১২ খৃ: সনে হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু পবিত্র বিলাদত শরীফ লাভ করেন। (আল-আ’লাম)
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চাচা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইউনূস তিনি হযরত ইবনে ইসহাক উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, মুশরিকদের পতাকা বহনকারী কাট্টা কাফির তালহা ইবনে আবূ তালহা আবদারী সেদিন যুদ্ধ করার জন্য ময়দানে হাজির হয়ে দ্বন্দ্ব যুদ্ধের আহবান জানাচ্ছিলো। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা তার নিকট থেকে একটু দূরে সরে অবস্থান করছিলেন। সর্বপ্রথম সাইয়্যিদুনা হযরত যুবায়ের ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তার মোকাবিলায় এগিয়ে গেলেন এবং তাকে আক্রমণ করলেন।
এক সময় হযরত যুবায়ের ইবনে আওয়াম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি তার উটের উপর চড়ে বসলেন আর তাকে à বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন যে, “৬ষ্ঠ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৩শে রবীউছ ছানী শরীফ লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার রাতে) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যি বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহাবী, মদীনা শরীফে বনু মাযিন গোত্রে বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন, উপনাম আবু বুসর অথবা আবু ছাফওয়ান, দুই ক্বিবলার দিকে নামায আদায় করেন অর্থাৎ বায়তুল মুকাদ্দাস ও বায়তুল্লাহ শরীফ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার পবিত্র নূরুল মাগফিরাহ মুবারক বা হাত মুবারক উনার মস্তকে স্থাপন করে দোয়া মুবারক করেছিলেন। তিনি, উনার পিতা-মাতা, ভ্রাতা হযরত আতিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু এবং ভগ্নী হযরত আছ-ছাম্মা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা সকলেই ছাহাবী ছিলেন। তিনি একশত বছর বয়সে হিজরী ৯৬ সনে বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন বাকি অংশ পড়ুন...












