সুওয়াল:
পবিত্র রমাদ্বান শরীফের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল ‘ছলাতুত তারাবীহ’ আদায়। এই নামায নিয়ে সমাজে ব্যাপক ইখতিলাফ দেখা যায়, অনেক নামধারী মালানা-মুফতী সাহেবরা তারাবীহ নামায ৮ রাকায়াত অথবা ১২ রাকায়াত বলে থাকে। আবার অনেক মসজিদে ৮ রাকায়াত বা ১২ রাকায়াত তারাবীহ আদায়ও করে।
সুওয়াল হলো- ছলাতুত তারাবীহ সংশ্লিষ্ট মাসয়ালা-মাসায়িল ও তারাবীহ নামায কত রাকায়াত এই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عن حضرت على عَلَيْهِ السَّلَامَ و حضرت عمر عَلَيْهِ السَّلَامَ وغيرهما من اصحاب النبى صلى الله عليه وسلم عشرين ركعة.
অর্থ: “ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র তারাবীহ নামায বিশ রাকায়াতই পড়তে হবে। কারণ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি এব বাকি অংশ পড়ুন...
(৩১৯)
وبنحو ما قلنا فى ذلك رُوِى الخبر عن ابن عباس وغيره. حدثنا محمد بن العلاء، قال: حدثنا عثمان بن سعيد، قال: حدثنا بشر بن عُمَارة قال: حدثنا أبو رَوْق عن الضحاك عن ابن عباس: "صراطَ الذين أنعمت عليهم" يقول: طَريقَ من أنعمتَ عليهم بطاعتك وعبادتك من الـملائكة والنبيين والصديقين والشهداء والصالحين الذين أطاعوك وعبَدُوك. حدثني أحمد بن حازم الغفارى قال: أخبرنا عبيد الله بن موسى عن أبي جعفر عن ربيع: "صراط الذين أنعمتَ عليهم" قال: النبيّون. حدثني القاسم قال: حدثنا الحسين قال: حدثني حجاج عن ابن جريج قال: قال ابن عباس: "انعمت عليهم" قال: المؤمنين. حدثنا القاسم قال: حدثنا الحسين قال: قال وكيع: "انعمت عليهم" المسلمين. حدثني يونس بن عبد الأعلى قال أخبرنا ابن وهب قال: قال عبد الرحمن بن زيد في قول الله "صراط الذين أنعمت عليهم" قال: النبيّ صلى الله عليه وسلم ومن معه.
অর্থ: আমাদের উপ বাকি অংশ পড়ুন...
(৩১৬)
قال أبو جعفر: أجمعت الأمة من أهل التأويل جميعًا على أن "الصراط المستقيم" هو الطريق الواضح الذي لا اعوجاج فيه. وكذلك ذلك في لغة جميع العرب.
অর্থ: ইমাম আবূ জা’ফর তাবারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, এ ব্যাপারে সমস্ত মুফাসসিরীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা একমত যে-اَلصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ উনার অর্থ হলো- সেই সরল, সঠিক ও সুস্পষ্ট পথ, যার কোন অংশই বাঁকা নয়। সকল আরবী অভিধানেও শব্দ দু’টির অর্থ অনুরূপ। (জামিউল্ বায়ান ফী তা’বীলিল্ কুরআন অর্থাৎ তাফসীরুত্ তাবারী, পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ: ৫ লেখক: হযরতুল আল্লামা মুহম্মদ বিন মুহম্মদ বিন জারীর বিন ইয়াযীদ বিন কাছীর বিন গালি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ يَزِيْدَ بْنِ بَابَـنُـوْسَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ دَخَلْنَا عَلَى اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ حَضْرَتْ )عَائِشَةَ( الصّـِدِّيْـقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ فَـقُلْنَا يَا اُمَّ الْمُؤْمِنِيْنَ مَا كَانَ خُلُقُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَتْ كَانَ خُلُقُهُ الْقُرْاٰنَ تَـقْرَؤُوْنَ سُوْرَةَ الْمُؤْمِنِيْنَ؟ قَالَتِ اقْـرَأْ {قَدْ اَفْـلَحَ الْمُؤْمِنُـوْنَ} قَالَ حَضْرَتْ يَزِيْدُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَـقَرَأْتُ {قَدْ اَفْـلَحَ الْمُؤْمِنُـوْنَ} اِلٰى {لِفُرُوْجِهِمْ حَافِظُوْنَ} قَالَتْ هٰكَذَا كَانَ خُلُقُ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ.
অর্থ: “হযরত ইয়াযীদ ইবনে বাবানূস রহমতুল্লাহি আলা বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আজ পবিত্র ২২শে রজবুল হারাম শরীফ। আজ হযরত খাজা আবূ তালিব এবং খলীফায়ে সাদিস বাা ষষ্ঠ খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা বাকি অংশ পড়ুন...
৬০ হিজরী শরীফ উনার সম্মানিত ও পবিত্র ২২ রজবুল হারাম শরীফ-এ সাইয়্যিদুনা হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি ছিলেন- জলীলুল ক্বদর ছাহাবী, কাতিবে ওহী, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, খলীফায়ে সাদিস (৬ষ্ঠ খলীফা), ছাহিবুস র্সির অর্থাৎ গুপ্তভেদ জাননেওয়ালা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুনা হযরত মুআবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার ফযীলত মুবারক সম্পর্কে কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
قَدْ سُئِلَ حَضْرَتْ عَبْدُ اللهِ بْنُ الْمُبَارَكِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَيُّهُمَا ا বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ইমামদের ব্যবহৃত পারিভাষিক ভাষাসমূহের পার্থক্য:
হাফিয ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, বিশেষ বিশেষ ইমাম উনাদের বিশেষ বিশেষ পরিভাষা রয়েছে, সেগুলো জেনে রাখা আবশ্যক। (ইখতেছারু উলুমিল হাদীছ ১০৫ পৃষ্ঠা)
সকল ইমাম উনাদের ব্যবহৃত পরিভাষা একই রকম হয় না। একজনের পারিভাষিক ভাষায় যেই বর্ণনা গ্রহণই করা যায় না, আবার অন্য কোন মুহাদ্দিছ উনার সেই ভাষায় তা গ্রহণ করতে কোন সমস্যা থাকে না। কতিপয় উদাহরণ পেশ করা হলো-
(১) আমীরুল মু’মিনীন ফিল হাদীছ ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন কোন রাবী সম্পর্কে বলেন, منكر الحديث ( বাকি অংশ পড়ুন...












