SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%তায়ালা%' OR titleBn LIKE '%তায়ালা%' OR descriptionEn LIKE '%তায়ালা%' OR descriptionBn LIKE '%তায়ালা%' OR slug LIKE '%তায়ালা%' OR metaTag LIKE '%তায়ালা%' OR metaDescription LIKE '%তায়ালা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করলে সম্মানিত জান্নাত অতি নিকটবর্তী এবং জাহান্নাম অতি দূরবর্তী হয়ে যায় :
হযরত আবূ আইয়্যূব আনসারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন-
جَاءَ رَجُلٌ إلَى النَبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: دُلَّنِيْ عَلَى عَمَلٍ أَعْمَلُهُ يُدْنِيْنِيْ مِنَ الـْجَنَّةِ وَيُبَاعِدُنِيْ مِنَ النَّارِ، قَالَ: تَعْبُدُ اللهَ، لاَ تُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا، وَتُقِيْمُ الصَّلاَةَ وَتُؤْتِيْ الزَّكَاةَ، وَتَصِلُ ذَا رَحِمِكَ، فَلَمَّا أَدْبَرَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنْ تَمَسَّكَ بِمَا أُمِرَ بِهِ دَخَلَ الْـجَنَّةَ.
অর্থ: “জনৈক ব্যক্তি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা ঈমানের একটি বাহ্যিক পরিচয় বহন করে :
হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَ الْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ
অর্থ: যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক ও পরকালে বিশ্বাসী সে যেন নিজ আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করে”। (বুখারী শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ নং: ৬১৩৮)
আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করলে রিযিক্বে ও বয়সে বরকত হয় :
হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত খোলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারককালে সারা বিশ্বজুড়ে মুসলমান বিজয়ের বীরোচিত উপাখ্যান রচনা করে সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার সীমানা সারা পৃথিবীতেই বিস্তৃত করেন। বিশ্ববাসী মুসলমানদের তাক্বত, প্রতিপত্তি এবং ইনসাফ মুবারক সম্পর্কে অবগত হয়। দলে দলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করতে থাকেন।
বিশ্বব্যাপী সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার বিজিত অঞ্চলসমূহের গভর্নর এবং দায়িত্বশীলদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য ডাক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তৎকালীন সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
আখেরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَصْحَابِيْ كَالنُّجُوْمِ فَبِأَيِّهِمْ اِقْتَدَيْتُمْ اِهْتَدَيْتُمْ
অর্থ: “আমার সকল ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম তারকা সাদৃশ্য, উনাদের যে কাউকে তোমরা অনুসরণ করবে, হিদায়েত প্রাপ্ত হবে।”
বাকি অংশ পড়ুন...
২. হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম:
হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (حياة النبى صلى الله عليه وسلم) হায়াত শব্দের অর্থ হচ্ছে জীবন বা জীবনকাল, আর নবী শব্দ মুবারক দ্বারা এখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উদ্দেশ্য। যার অর্থ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হায়াত বা জীবন মুবারক। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পরও হায়াত মুবারকে রয়েছেন অ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ, মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রক বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বীন ইসলামে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বিভিন্ন জায়গায় আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার মহাসম্মানিত নির্দেশ মুবারক দেওয়া হয়েছে। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারীদের নিন্দা করা হয়েছে।
আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার অনেক গুরুত্ব ও ফযীলত মুবারক রয়েছে। যা দুনিয়া ও আখিরাত অর্থাৎ উভয় জাহানের কল্যাণকেই শামিল করে; যা সম্মানিত শরীয়ত উনার আলোকে বিভিন্ন দলীল-আদিল্লাহর দ্বারা সাব্যস্ত।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُم مّ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, উলিল আমর হলেন হযরত ফুকাহায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম।
হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, উলিল আমর হলেন ফকীহগণ ও বিজ্ঞ আলিমগণ।
হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
اَطِيعُوا اللهَ وَاَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاُولِي الاَمْرِ مِنْكُمْ
উনার ব্যাখ্যায় বলেন, উলিল আমর হলেন- বিজ্ঞ আলিম, ফকীহ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুগত্যকারীগণ এবং কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের অনুসরণকারীগণ।
হযরত দ্বহহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি
اَطِيعُوا اللهَ وَاَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاُولِ বাকি অংশ পড়ুন...












