মন্তব্য কলাম
বিগত মিথ্যাবাদী সরকারের কায়দায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও মিথ্যা এবং মুখরোচক মোড়কে এলডিসি উত্তরণের ঘোষণায় অতি উৎসাহী। অথচ এলডিসি উত্তরণের ঘোষণা হবে চরম আত্মঘাতী।
ব্যবসায়ী নেতারা এলডিসি ঘোষণার তীব্র বিরোধী। অন্তর্বর্তী সরকারের- একের পর এক
, ২৩ ছফর শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৯ ছালিছ, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৮ আগস্ট, ২০২৫ খ্রি:, ০৩ ভাদ্র, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) মন্তব্য কলাম
‘দেশের স্বার্থ বিরোধী’ ‘ব্যবসা বিরোধী’ ‘কল-কারখানা বন্ধকারী’ ‘অর্থনীতি ধ্বংসকারী’ ‘দুর্ভিক্ষ আনয়নকারী’
সব পদক্ষেপকে এখনই শক্ত হাতে বন্ধ করতে হবে। ইনশাআল্লাহ! (২য় পর্ব)
বর্তমান সরকার একটি সিদ্ধান্ত জোরালোভাবে গ্রহণ করেছে তা হচ্ছে, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (এলডিসি) থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশের পর্যায়ভুক্ত হবে। জাতিসংঘ থেকে আগেই এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। সরকারও বলছে যে, তারা এটিকে ধরেই সামনের দিকে এগোতে চায়।
যেসব দেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ করেছে, তাদের সবার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ একটি কৌশলপত্র প্রণয়নের বিষয়ে সুপারিশও করেছে। যে কৌশলপত্রটিকে বলা হচ্ছে ঝসড়ড়ঃয ঞৎধহংরঃরড়হ ঝঃৎধঃবমু (ঝঞঝ) বা মসৃণ রূপান্তর কৌশল। বাংলাদেশ সরকার এমন একটি কৌশলপত্র প্রণয়ন করেছে। বর্তমানে কৌশলপত্রটির সঠিক বাস্তবায়নের ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সরকারের সর্বোচ্চ মহল তথা প্রধান উপদেষ্টা নিজে এই কৌশলপত্র বাস্তবায়নের বিষয়টি দেখভাল করছেন।
এই কৌশলপত্রটি বাস্তবায়নের জন্য কয়েকটি কমিটি করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা নিজেই একটি কমিটির প্রধান হিসেবে রয়েছে। এলডিসি বিষয়ে বড় যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার দরকার পড়ে, সে বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা দেখভাল করে। এর বাইরে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে আরও একটি কমিটি করা হয়েছে। যে কমিটির দায়িত্ব হচ্ছে, এলডিসি বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। এছাড়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যে প্রকল্পের আওতায় এসটিএস বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। মোটা দাগে এই তিনটি ধাপে কৌশলপত্রটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। এখন এসটিএস বাস্তবায়নের ইচ্ছা এবং প্রকৃত বাস্তবায়নের মধ্যে কোনো ব্যবধান থেকে যাচ্ছে কি না, সে বিষয়টি একটু খতিয়ে দেখা দরকার।
এলডিসি থেকে উত্তরণের পরে অনেকগুলো কারণে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর দরকার পড়বে। প্রথমত, বাংলাদেশ যদি কোনো দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে চায়, তাহলে আমদানির ওপর থেকে শুল্ক কমাতে হবে। আর আমদানি শুল্ক কমাতে হলে অবশ্যই অভ্যন্তরীণ অন্যান্য উৎস থেকে রাজস্ব বাড়াতে হবে। অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে রাজস্ব বাড়ানোর অর্থ ট্যাক্স ভ্যাট বাড়ানো।
দ্বিতীয়ত, সরকারের অর্থ ব্যয়ের সক্ষমতা বা ফিসক্যাল স্পেস বাড়াতে হবে। ফিসক্যাল স্পেস সংকুচিত থাকলে সরকারের দেশি-বিদেশি ঋণ নেওয়ার সক্ষমতাও কমে যায়। কারণ এতে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা হ্রাস পায়।
তাছাড়া বর্তমানে বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় বিদেশি ঋণ পরিশোধ করার জন্য বাড়তি দামে ডলার কিনতে হচ্ছে। আর বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণও যথেষ্ট নয়। ফলে সরকারের হাতে যদি পর্যাপ্ত টাকা না থাকে, তাহলে বাড়তি ডলার কিনবে কীভাবে?
সেজন্য অভ্যন্তরীণ রাজস্ব বাড়ানোর মাধ্যমে সরকারের ব্যয়ের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর আরেকটি যে কাজ করতে হবে তা হচ্ছে দক্ষতার উন্নয়ন ঘটাতে হবে। সেটা করতে না পারলে আমাদের উৎপাদনশীলতা এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে না। কীভাবে দক্ষতা উন্নয়ন করলে শ্রমের উৎপাদনশীলতা বাড়বে, সে বিষয়ে কৌশলপত্রে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। এ কাজের জন্য স্থানীয় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও অবকাঠামো খাতে গুরুত্ব দিতে হবে। কাজেই রাজস্ব আহরণ করে অর্থের জোগান বাড়াতে না পারলে এ কাজগুলো করা সম্ভব হবে না। আর রাজস্ব বাড়ালেও বাংলাদেশে যে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা আর দুর্নীতি তথা স্বজনপ্রীতি তাতে দক্ষতা মানুষের উপর আরো অনেক বেশি দুর্ভোগ চাপিয়ে দেয়া। দেশে দুর্ভিক্ষ টেনে আনা। আসলে কতটা বাড়বে তা গভীর প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়।
রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ এতদিন বিভিন্ন দেশে প্রাপ্ত বাণিজ্য সুবিধা ও সস্তা শ্রমের ওপর নির্ভর করেছে। মধ্য মেয়াদে এটি দিয়ে হয়তো চলা যাবে। কিন্তু এলডিসি থেকে উত্তরণের পর আর এভাবে চলা সম্ভব হবে না।
বাণিজ্য সুবিধা প্রাপ্তি, সস্তা শ্রম ও কমপ্লায়েন্স অনুসরণ না করে ব্যবসার খরচ বাঁচানো কোনো ভালো কৌশল হতে পারে না।
এটিকে বলা হয় গতিহীন পথ। তবে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং দেনদরবার করে যদি বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখা যায়, সেটি একটি ভালো পদক্ষেপ হতে পারে। আর কমপ্লায়েন্স অনুসরণ করা হলে এমনিতেই আন্তর্জাতিক ক্রেতা গোষ্ঠী বাংলাদেশে আসার বিষয়ে আগ্রহী হবে। এ বিষয়টিকে আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়নের হাইওয়ে বলে থাকি। কৌশলপত্রে এই হাইওয়ের বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এখন তা হিতে বিপরীত হচ্ছে। যার উদাহারণ চামড়া শিল্পো কমপ্লায়েন্সের ব্যবস্থা করতে গিয়ে চামড়া শিল্প এখন চামাড়ের মত ধোকা-প্রতারণার অবস্থা তৈরি করেছে। ৩০০০ টাকার মূল্যের চামড়া এখন মাটিতে পোতা হচ্ছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর যদি শ্রমিকদের মজুরি ঠিকমতো পরিশোধ না করা হয় এবং কর্মপরিবেশ উন্নত না হয়, তাহলে বিদেশিরা আমাদের পণ্য কিনবে না। কিন্তু আমাদের দেশে বিভিন্ন কারণে মালিকরা বেতন দিতে ব্যর্থ হন। সে পর্যস্তার অধিকতর বিদেশী রপ্তানি আসলে এদেশের জন্য গাধার মূল্য ঝোলার সামিল হবে।
অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বিদ্যমান বাজার সুবিধা অব্যাহত থাকবে। কিন্তু তারপর কী হবে? ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদ্যমান আইন কাঠামো অনুযায়ী, কোনো দেশ এলডিসিভুক্ত না হলে তারা সেখানে জিএসপি প্লাস সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারে। জিএসপি প্লাস সুবিধা পাওয়ার জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। এটির জন্য ৩২টি আন্তর্জাতিক সনদ (কনভেনশন) অনুস্বাক্ষর করে সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হয়। বাংলাদেশ এরই মধ্যে এসব সনদে অনুস্বাক্ষর করেছে। কিন্তু সেগুলোর বাস্তবায়ন এখনো নিশ্চিত হয়নি। এটি একটি চ্যালেঞ্জ। আরেকটি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নে কোনো দেশের নির্দিষ্ট পণ্যের মার্কেট শেয়ার যদি বড় হয়, তাহলে সেই পণ্যের ক্ষেত্রে একটি ‘সেফগার্ড’ পদক্ষেপ আরোপ করতে পারে ইইউ কর্তৃপক্ষ। ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের মার্কেট শেয়ার অনেক বড়। ফলে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের ওপর এটি আরোপের সুযোগ রয়েছে। সুতরাং সে সময় আমরা জিএসপি প্লাস সুবিধা পেলেও তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা পাওয়া যাবে না।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে উত্তরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বিগত সরকারের সময়ে। পরবর্তী সময়ে দেশে ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুল্কনীতি গত ২০০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক বাণিজ্য ধাক্কা তৈরি করেছে। এসব বিষয় বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় জানা ছিল না। ফলে এই পরিবর্তনগুলো বাংলাদেশকে এলডিসি পেছানোর জন্য যৌক্তিকতা তৈরি করে দেয়।
গত এক দশকে অন্তত নয়টি দেশ এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা পিছিয়েছে। এর মধ্যে কিছু দেশ দুই থেকে তিন বছর সময় নিয়েছে, আবার কিছু দেশ ৫ বছর পর্যন্ত সময় বাড়িয়েছে।
উত্তরণ মানে শুধু মাথাপিছু আয়ের মানদ- পূরণ নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে শুল্ক সুবিধা হারানোর পর প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা যাবে কিনা সেটি বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রস্তুতি না থাকলে তাড়াহুড়া করা ঝুঁকিপূর্ণ।
এলডিসি হিসেবে বাংলাদেশ মেধাসত্বে (আইপিআর) কিছু বিশেষ শিথিলতা বা ছাড় পেত। এলডিসি উত্তরণের পর এসব সুবিধা ধীরে ধীরে সীমিত বা বন্ধ হয়ে যাবে। তখন আইপিআরের কড়াকড়ি অবস্থা কৃষি, ওষুধসহ বাণিজ্য ও উৎপাদন খাতে প্রভাব ফেলবে।
আগামী ২০২৬ সালের মধ্যে উত্তরণপর্যায়ে আছে বাংলাদেশসহ আটটি দেশ। গত ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) ওই আট দেশের পরিস্থিতি নতুন করে মূল্যায়ন করেছে।
অন্যদিকে সোলোমন আইল্যান্ডের ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের কথা থাকলেও এখন তারা নিজেরাই অনুরোধ করেছে, এ উত্তরণের সময় আরো তিন বছর যেন পিছিয়ে দেওয়া হয়। নেপাল ও ভুটানের অবস্থাও আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে। ঋণ নিয়ে ঝুঁকিতে পড়েছে লাওস।
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে গেলে কিছু সুবিধা হাতছাড়া হয়ে যাবে। যেমন- নামমাত্র সুদে আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে ঋণ গ্রহণ, রপ্তানি কোটা, শুল্কমুক্ত রপ্তানির সুযোগগুলো হাতছাড়া হয়ে যাবে।
ওষুধ শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাময় খাত। এ শিল্প থেকে রপ্তানির বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি ওষুধের স্থানীয় বাজারও বেশ বড়। ওষুধের দেশীয় চাহিদার ৯৭ শতাংশ পূরণ করছেন স্থানীয় উৎপাদনকারীরা। ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইগ্রিডিয়েন্টস (এপিআই) উৎপাদনের জন্য মুন্সীগজ্ঞের গজারিয়ায় একটি এপিআই শিল্পপার্ক স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু এ শিল্পপার্কটি কার্যকর হয়নি। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর যদি এপিআইয়ের দাম বাড়ে, তাহলে তখন ওষুধের দামও বেড়ে যেতে পারে।
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের সময়সীমা বাংলাদেশ চাইলে বিলম্বিত করতে পারে। এটি করা কঠিন কিছু নয়। বরং অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা যায়, অধিকাংশ এলডিসি দেশই এই সুযোগ নিয়েছে।
বাংলাদেশ এখনো স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের জন্য প্রস্তুত নয়-এমন দাবি করে ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের ঘোষণা দেয়া আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের শামিল হবে। আরও অন্তত দুই থেকে তিন বছর সময় নিয়ে জ্বালানি সংকট সমাধান ও উৎপাদনসহ ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। অর্থনীতিবিদরাও মনে করছেন, বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংস্কারের দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় এই উত্তরণ পেছানো উচিত।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১১)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৯)
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম মিয়াজাকি, পুষ্টিগুণেও ভরপুর
১২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (১ম পর্ব)
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
শুধু একটি মৃত্যুর খবর, নাকি একটি সমাজের ভবিষ্যৎ?
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












