মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশে বাবা মার কারণেই শিশুরা ইন্টারনেট আসক্তিতে জড়িয়ে পড়ে কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিশুদের জন্য ইন্টারনেট বন্ধ হচ্ছে নিয়ন্ত্রনহীন ইন্টারনেট জগতে প্রবেশ করে অশ্লীলতা, হিংস্রতা ও অপসংস্কৃতিতে লিপ্ত হচ্ছে বাংলাদেশের শিশু কিশোররা সরকারের উচিত হবে গাইডলাইন প্রসঙ্গ না রেখে মুসলিম দেশ হিসেবে শিশু-কিশোরদের জন্য ইন্টারনেট সম্পূর্ণ বন্ধ করা। পাশাপাশি বয়স্কদের জন্যও ছবিভিত্তিক ইন্টারনেট বন্ধ করা।
, ১৪ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ০৫ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২০ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মন্তব্য কলাম
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের নিচের শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রেলিয়া। গত ৯ই ডিসেম্বর ২০২৫ মধ্যরাত থেকে দেশটিতে ওই বয়সী শিশুদের জন্য টিকটক, গুগল, ইউটিউব এবং মেটার ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার নতুন আইন অনুযায়ী, দেশটির ১০টি বৃহত্তম প্ল্যাটফর্মকে শিশুদের প্রবেশ সুবিধা বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও কোম্পানি এই নির্দেশ না মানলে সর্বোচ্চ ৪৯.৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার (৩৩ মিলিয়ন ডলার) জরিমানা গুনতে হবে।
এরপর প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ডেনমার্ক, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্স। একই পথে হাঁটছে যুক্তরাজ্যও। এবার প্রতিবেশী একটি দেশ শিশুদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার দেশটির সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে জানানো হয়, অনলাইন আসক্তি কমাতে অনলাইন ক্লাস কমানো উচিত।
অনলাইন ক্লাস করার জন্য নির্দিষ্ট বয়স নির্ধারণ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে দেশটি সরকারের পক্ষ থেকে। ভার্চুয়ালজগতের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত, সেই সংক্রান্ত শিক্ষা দেওয়ার জন্য বিদ্যালয়গুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে বিকল্প সহজতর সামগ্রী ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের দেশ, বাংলাদেশে শিশু-কিশোরদের মাঝে ইন্টারনেট আসক্তি দিন দিন বাড়ছে।
অথচ ইন্টারনেট আসক্তি একজন শিশু বা কিশোরের শুরুর দিকেই থাকে না। দিনের পর দিন অতিমাত্রায় স্ক্রিন ব্যবহারের জন্য নেশায় পরিণত হয়। তখন মা-বাবার সঙ্গেও সন্তানের ভালো লাগে না, বাসায় কেউ বেড়াতে এলে দরজা বন্ধ করে রাখতে দেখা যায়, বাসার নিচে খেলার মাঠ থাকলেও সেখানে খেলতে ভালো লাগে না। মা-বাবার সঙ্গে টিভি দেখা, বেড়াতে যাওয়া, গল্প করা তখন হয়ে ওঠে খুব বেশি বিরক্তিকর। স্কুলে যেতেও ভালো লাগে না। অনেকে পরীক্ষায় খুব খারাপ নম্বর পেতে থাকে। ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পারলে বাসার মানুষজনের ওপরও বিরক্ত হয়। খাবারেও তৈরি হয় অনীহা, পিঠে ব্যথা, ঘাড়ের ব্যথায়ও অনেকে আক্রান্ত হয়।
অনেক শিশু-কিশোর মা-বাবা, পরিবারের সদস্যদের মনোযোগের অভাবে অপরিণত বয়সে প্রাপ্তবয়স্কদের ভিডিও দেখতে শুরু করে। অনেকে মাদকদ্রব্য কেনা-বেচায় জড়িয়ে যায়। বিভিন্ন অপরাধীচক্রের সদস্য হয়ে পড়ে। আজকাল বহুবিধ কিশোর অপরাধচক্র রয়েছে। তারা এই ধরনের শিশু-কিশোরদের টার্গেট করে ফেলে, প্রথমে বন্ধুত্ব করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। তারপর বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জড়িয়ে দেয়। এ ধরনের চক্রগুলোতে শুধু সুবিধাবঞ্চিত নয়, অসংখ্য ভালো পরিবারের ছেলেমেয়েরাও বিপদে পড়ে যায়।
অনেকে ইন্টারনেটের অবাধ ব্যবহারের সুযোগ পেয়ে কুরুচিপূর্ণ টিকটক ভিডিও ধারণ করে। এই ধরনের ভিডিও দেখার জন্য কিছু শিশু-কিশোরের বিকৃত মনমানসিকতা গড়ে ওঠে। যার পরিণতি ভয়াবহ।
ভালো কিছুর আসক্তি মানুষের জন্য কল্যাণকর। কিন্তু মাদকদ্রব্য, অতিমাত্রায় ইন্টারনেট ভয়ানক এক আসক্তি তৈরি করে। হয়তো ছুটির দিনগুলোতে মা-বাবা, বড় ভাই-বোন, দাদা-দাদি বাসায়ই রয়েছেন। কিন্তু ইন্টারনেট আসক্তির জন্য এসব মানুষ বাসায় থাকা সত্ত্বেও তারা ভিডিও গেম, ইউটিউব নিয়েই ব্যস্ত থাকে। এক পর্যায়ে স্কুলে যেতেও ভালো লাগে না। শিশু-কিশোররা মা-বাবাকে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা বলতে শুরু করে। ভয়ানক এই পরিস্থিতিই হলো ইন্টারনেট অ্যাডিকশন ডিস-অর্ডার।
ইন্টারনেট দুনিয়ায় শিশুদের নিরাপত্তার জন্য সরকার প্যারেন্টাল কন্ট্রোল গাইড লাইন তৈরি ও মেনে চলার নির্দেশনা দিলেও এখনও তা সর্বস্তরে চালু হয়নি। দেশে ব্রডব্যান্ড (উচ্চগতি) ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কয়েকটি এই সেবা চালু করলেও মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো এখনও পিছিয়ে। তবে, শিগগিরই মোবাইল অপারেটরগুলো পরিপূর্ণরুপে এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করবে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করলে অপারেটরগুলোকে বাধ্য করা হবে। প্যারেন্টাল কন্ট্রোল হলো সেই প্রযুক্তি যা শিশুদের জন্য আপত্তিকর বা অনুপযুক্ত হতে পারে এমন ওয়েবসাইট ব্লক বা ওয়েবসাইটের কনটেন্ট ফিল্টার কিভাবে করতে হয় তার ব্যবস্থা করে।
উল্লেখ্য, ইন্টারনেট ব্যবহারের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের শিশুরা। বিশেষ করে শিশু-কিশোররাই এই বিড়ম্বনার শিকার বেশি হচ্ছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ব্যাপকহারে বাড়ছে। গত ১৯ বছরে এই সংখ্যা ৮০০ গুণ বেড়েছে। বাংলাদেশে অনলাইন জনগোষ্ঠীর গড় বয়স ক্রমেই কমছে। এমনকি ১১ বছরের শিশুরাও প্রতিদিন ইন্টারনেটে প্রবেশ ও ব্যবহার করছে। যদিও ছোট শিশুদের তুলনায় বেশি বয়সী শিশুরা অনলাইনে ভয়ভীতির সম্মুখীন হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে থাকে। তবে ক্ষতিকর সামগ্রী, যৌন নিগ্রহ ও অপব্যবহার এবং ভয়ভীতির সম্মুখীন হওয়ার ঝুঁকি থেকে শিশুরা কখনোই মুক্ত হচ্ছেনা। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৩২ শতাংশ শিশু অনলাইন সহিংসতা, অনলাইনে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ডিজিটাল উৎপীড়নের শিকার হওয়ার মতো বিপদের মুখে রয়েছে।
আরেক প্রতিবেদনে জানা গেছে, প্রতিদিন ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি শিশু প্রথমবারের মতো অনলাইন ব্যবহার করছে। প্রতি আধা সেকেন্ডে একটি শিশু অনলাইন দুনিয়ায় প্রবেশ করছে এবং এতে দেশের ১৩ শতাংশ শিশু-কিশোর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানির শিকার হচ্ছে। একাধিকবার হয়রানির শিকার হচ্ছে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। হয়রানির কারণে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিচ্ছে বলে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা (ইউনিসেফ) এর গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। সারাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর একটা বড় অংশ ১৮ বছরের নিচে বা শিশু-কিশোর। তারা একদিকে যেমন ডিজিটাল জগতে প্রবেশের সুবিধা পাচ্ছে এবং শিশুদের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ তৈরি করছে, ঠিক তেমনি ঝুঁকিও বাড়ছে।
জানা গেছে, বাংলাদেশসহ পাশ্ববর্তী দেশের ১০ বছর বয়সী শিশুরা সক্রিয়ভাবে মা-বাবার কাছে তাদের অনলাইন কার্যক্রম লুকানোর চেষ্টা করছে। দেখা গেছে, ১০ বছর বয়সী ৫১ শতাংশ শিশুর নিজের ট্যাবলেট এবং ৩৩ শতাংশের স্মার্ট ফোন রয়েছে। এর মধ্যে ৪২ শতাংশ শিশু এমন যারা বিশ্বাস করে তারা অনলাইনে কী করছে, সেটি মা-বাবার কাছ থেকে লুকানোর মতো জ্ঞান এবং দক্ষতা তাদের রয়েছে। ১৩ বছর বয়স থেকে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭০ শতাংশে। ১০ শতাংশ শিশু তারা অনলাইনে কী করছে সেটি নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে না। জরিপে আরো দেখা গেছে, যে সকল শিশুর উপর ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিয়ম করে রাখা হয়েছে তার ২৭ শতাংশ বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। শিশুদের গোপনে ইন্টারনেটের ব্যবহারের ফলে ৪২ শতাংশ শিশু বাজে ভাষা এবং ২৮ শতাংশ হিংস্রতা শিখছে। এছাড়াও ১১ শতাংশ শিশু পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত।
গবেষণায় দেখা গেছে, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এবং ইন্টারনেট ট্যাগিংয়ের কারণে ৭৭ শতাংশ শিশু কিশোরদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় ইনডেক্স করা ৪৫০ মিলিয়ন পর্নোসাইটের পেজগুলো সাজেশন্স হিসেবে চলে আসছে। অর্থাৎ সাধারণ উদ্দেশ্যে তারা ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও এসব চরম অশ্লীল ছবি তথা পর্নোসাইটের বিজ্ঞাপন চলে আসছে বা দৃশ্যমান হচ্ছে। এতে শিশু-কিশোররা কৌতুহলবশতঃ সেসব বিজ্ঞাপনে ক্লিক করছে। আর ক্লিক করলেই তারা প্রবেশ করছে পর্নোগ্রাফির অবাধ রাজ্যে। আর এর ফলে শিশুকিশোরদের মন অভ্যস্ত হচ্ছে পর্নোগ্রাফি নামক ভয়াল মানসিক বিকারের সাথে। সেইসাথে ইন্টারনেট জগতে অনলাইনেই নানা রকম গেমস্ ও কার্টুনের প্রভাবে শিশুরা ঝুঁকে পড়ছে সহিংসতার দিকে। গেমস্ খেলতে খেলতে শিশু-কিশোরদের মধ্যে শুধু জয়ের মাসনিকতা গড়ে উঠছে। পরাজয় মেনে নেয়া বা সইতে পারার মানসিকতা তাদের তৈরি হয় না। ফলে পরাজয় না সইতে পেরে তারা ব্যাপকভাবে হতাশ হয়ে পড়ে। এর প্রভাব পড়ে জীবনের সব কিছুর উপর। এ ধরণের নানা কারণে ইন্টারনেটে আসক্ত শিশু-কিশোররা সামাজিকভাবে বিকশিত হয় না। তাদের মধ্যে এ ধারণা গড়ে উঠে যে, ইন্টারনেট ভিত্তিক গ্রুপগুলোই হলো সবচেয়ে আধুনিক চিন্তা-চেতনার অধিকারী। নিজে যে গ্রুপের সদস্য সেই গ্রুপের চিন্তা-চেতনার বাইরে অন্য কিছু সে ভাবতে পারে না। এ কারণে এক পর্যায়ে তার দৃষ্টিভঙ্গিও একপেশে হয়ে উঠে।
প্রসঙ্গত, এই ডিজিটালাইজেশনের যুগে ইন্টারনেটের বহুল প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কিন্তু ইন্টারনেটের রয়েছে বহুল খারাপ ও ক্ষতিকর দিক। আর এই ক্ষতিকর দিকটিরই শিকার হচ্ছে দেশের শিশু ও কিশোর প্রজন্ম। দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে দেশে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কোনো চর্চা না থাকার কারণে যে বয়সে শিশু-কিশোরদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ শিক্ষা দেয়ার কথা সেই বয়সে পিতামাতা তাদের হাতে তুলে দিচ্ছে এ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অথবা ট্যাবলেট। এতে করে শিশু কিশোররা সামাজিক মুল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুশাসন শিক্ষার বদলে ইন্টারনেটের নানা অপসংস্কৃতি শিক্ষা নিচ্ছে। ইন্টারনেটের নেতিবাচক প্রভাবে শিশু-কিশোররা গভীরভাবে ইন্টারনেটের অশ্লীল দুনিয়ায় বিচরণ করছে। যা ফলস্বরূপ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আক্রান্ত হচ্ছে পর্ণোগ্রাফি নামক ডিজিটাল রোগে। দেশে সুঠাম ও দ্বীনী মূল্যবোধসম্পন্ন উন্নত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ব্যতিরেকে তৈরী হচ্ছে বিকৃত মস্তিষ্কের একটি প্রজন্ম। যা সুস্থ্য ও স্বাভাবিক জাতিগঠনের অন্তরায়। অথচ বিভিন্ন দেশে শিশু কিশোরদের ইন্টারনেট ব্যবহারের উপর কঠোর নজরদারী করা হচ্ছে। যা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে শুন্যের কোঠায়। চীন, অষ্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া প্রভৃতি দেশে সরকারিভাবে ইন্টারনেটের নানা খারাপ কন্টেন্ট ফিল্টারিংয়ের শক্তিশালী প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে করে সেসব দেশের শিশুরা ইচ্ছা করলেও ইন্টারনেটের নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকছে।
বলাবাহুল্য, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ। বাংলাদেশের ৯৮ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান। কিন্তু বাংলাদেশে হাক্বীক্বী অর্থে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার চর্চা থেকে জনগণ দূরে থাকার কারণে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় কোনটা হারাম আর কোনটা হালাল সে বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছেনা। নানাবিধ অপসংস্কৃতি পথভ্রষ্ট হয়ে বর্তমানে ডিজিটালাইজেশনের নামে শিশু কিশোরদের অল্প বয়সেই ইন্টারনেটের দিকে ধাবিত করছে। এতে বিপথে যাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। এক্ষেত্রে সরকার যদি যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করে দেশের ইন্টারনেট জগতে কন্টেন্ট ফিল্টারিংয়ের ব্যবস্থা করে এবং শিশু কিশোরদের ইন্টারনেট ব্যবহারে একটি নির্দিষ্ট বয়সের জন্য আইন প্রণয়ন করে তাহলে দেশের শিশু প্রজন্মকে ইন্টারনেটের এই নেতিবাচক দিক থেকে বাঁচানো সম্ভব হবে।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৭ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সুলতানুন নাছীর হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বদ দোয়ার কারণে আমেরিকা এখন চরমভাবে ক্ষতবিক্ষত, বিপর্যস্ত, ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং মৃত আমেরিকা শুধু দাফন করা বাকি কিন্তু ভোগবাদে মক্ত চরম চরিত্রহীণ, পশ্বাধম আমেরিকাবাসী তালমাতাল হওয়ার কারণেই এখনো তা উপলব্ধি করতে পারছে না
০৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এক কেজি আলু বেচে এক কাপ চা হয় না আলুর কেজি ৮ টাকা, লোকসানে কাঁদছে কৃষক ও ব্যবসায়ী ২৫০ মিলি লিটার পানির দামে এক কেজি আলু, আলুচাষির কান্নার আওয়াজ কে শুনবে? তিন মাসেও মেলেনি প্রণোদনা, লোকসানের চক্রে আলুচাষি আলু প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের উদ্যোগ জরুরি
০৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিভিন্ন দেশে দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের নেয়া ঋণকে ‘অডিয়াস ডেট’ বিবেচনা করে মওকুফ বা ঋণ পুনর্গঠনের উদাহরণ রয়েছে এ মুহূর্তে এমন ঋণ নিয়ে প্রক্রিয়া চালাচ্ছে লেবানন, গ্রিস, জাম্বিয়া, শ্রীলংকাসহ বেশ কয়েকটি দেশ কিন্তু দুর্নীতির মা- শেখ হাসিনার আমলে দুর্নীতিগ্রস্থ বিদেশী ঋণ নিয়ে প্রথমে অভিযোগ করলেও এখন নীরব সম্মতিতে, নিস্ক্রিয় হয়ে শেখ হাসিনার পক্ষেই হাটছে সরকার
০৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি
০৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিশ্লেষকদের অভিমত: এলএনজি আমদানিতে বিপর্যস্ত হবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি। দেশে উৎপাদিত গ্যাসের চেয়ে ২৪ গুণ বেশি দামে এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। এলএনজির ভর্তুকি পোষাতে বার বার গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। জ্বালানি খাতে আর কত শোষিত হবে দেশের জনগণ?
০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করায় দেশবাসী আক্রান্ত হচ্ছে অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, খরা, বন্যাসহ নানা দুর্যোগে। সঠিকভাবে পবিত্র যাকাত আদায় এবং সঠিক জায়গায় পৌঁছানোই এসব দুর্যোগ থেকে পরিত্রাণের একমাত্র উপায়।
০১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বছরে অর্থনৈতিক অপচয় ৩০ হাজার কোটি টাকা, রোগাক্রান্ত হচ্ছে যুবসমাজ, ধানী জমিতে চাষ হচ্ছে তামাক। অন্য পদক্ষেপের পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধের আলোকেই সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ সক্রিয় ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে ইনশাআল্লাহ।
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি এবং উনার অনবদ্য তাজদীদ ‘আত-তাক্বউইমুশ শামসী’ সম্পর্কে জানা ও পালন করা এবং শুকরিয়া আদায় করা মুসলমানদের জন্য ফরয। মুসলমান আর কতকাল গাফিল ও জাহিল থাকবে?
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশকে সুদী ইউনুস কতটা ঘৃণা করে এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত ক্ষতি ও সার্বভৌমত্ব বিক্রী কত বেশী পছন্দ করে; তার সাক্ষাত প্রমাণ আমেরিকার সাথে তার সরকারের বাণিজ্য চুক্তি এই তথাকথিত বাণিজ্যচুক্তির মাধ্যমে কার্যত বাংলাদেশের অর্থনীতি, বাণিজ্য, এমনকি পররাষ্ট্রনীতির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিরঙ্কুশ আধিপত্য প্রতিষ্ঠার আয়োজন করা হয়েছে।
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম।
২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
কথিত স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা রোযার উপর গবেষনা করে রোযার মাহাত্ম স্বীকার করে তথাকথিত নোবেল পুরষ্কার পায়! কিন্তু মুসলমান দ্বীন ইসলাম উনার আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় লজ্জাকরভাবে ব্যার্থ হয়। কথিত বিজ্ঞান ও কথিত স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে রোযার উপকারিতা অপরিসীম। (পর্ব-১)
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












