মন্তব্য কলাম
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা গবেষণার দিকে আগ্রহী না হয়ে বিসিএস পরীক্ষায় আগ্রহী হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে তহবিল বা অর্থায়ন আসার প্রক্রিয়াটি সরকারের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে হবে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন হয়নি
সব বাধা দূর করে জীবন-জীবিকা বান্ধব সমৃদ্ধ গবেষণার জন্য যথাযথ তৎপরতা ও প্রচেষ্টা একান্ত দরকার
, ০৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের আলাদা কক্ষ আছে। যা গবেষকদের গবেষণার জন্য অতি প্রয়োজন। বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে গবেষকদের পাঠ ও গবেষণার জন্য আলাদা কক্ষ থাকলেও বিভাগগুলোয় গবেষকদের বসার কোনও জায়গা নেই। পিএইচডি ও এমফিল গবেষকদের তাই বাসায় বসে গবেষণার কাজ করতে হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চাইলে গবেষকদের অমন সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে।
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা গবেষণার দিকে আগ্রহী না হয়ে বিসিএস পরীক্ষায় আগ্রহী হওয়ার কারণ তারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেই বড় ভাই বোনদের বিসিএস গাইড পড়তে ব্যস্ত থাকতে দেখে। গবেষক হওয়ার কোনও ভীষণ ও মিশন তাদের সামনে নেই। সুতরাং গবেষক হওয়ার বদলে প্রথম বর্ষ থেকেই বিসিএসের পড়ায় তারা ব্যস্ত হবে এমনটি স্বাভাবিক। তাই বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীদের চোখে গবেষক হওয়ার স্বপ্ন ছড়িয়ে দেওয়ার নতুন মন্ত্র জপার কথা ভাবা দরকার। গবেষকদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বপ্নাতুর করে তুললেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন নতুন গবেষক তৈরি করতে পারবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কথিত তিনটি উদ্দেশ্য- জ্ঞান সৃজন করা, সংরক্ষণ করা এবং জ্ঞানকে বিতরণ করা। কীভাবে এবং কী জন্য জ্ঞান সৃজন করি? বর্তমানে যে অর্থনীতি চলছে, তা জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি। যে প্রযুক্তিগুলো আমরা ব্যবহার করছি, সেই প্রযুক্তির কাঁচামালই হচ্ছে জ্ঞান। গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয় অবশ্যই গবেষণাভিত্তিক হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণাভিত্তিক করতে হলে দুটো দিকে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। গবেষণার পরিবেশ ও মান। এ দুটো দিকে যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গুরুত্ব দেয়, তখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ নেবে। এর সঙ্গে আরো কয়েকটি বিষয় যুক্ত আছে। বিশ্ববিদ্যালয় যখন গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান সৃজন করবে, তখন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো আসবে। কারণ শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর যখন জ্ঞান দরকার হবে, তখন তারা প্রচুর প্রযুক্তি উদ্ভাবনে যাবে।
আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছি। জ্ঞান সৃজন করতে হলে গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে। গবেষণার পরিবেশ তৈরি করে দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে তহবিল বা অর্থায়ন আসার প্রক্রিয়াটি সরকারের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হতে হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় আইনে থাকলেও আমরা এ দিকটিতে মনোযোগ দিচ্ছি না।
গবেষণার দিককে আমরা কখনই গুরুত্ব দিইনি। আরেকটি বিষয়, বিশ্ববিদ্যালয়কে কেবল তাত্ত্বিক গবেষণার মধ্যে সীমিত রাখলে হবে না।
সরকারি হিসাবে দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা প্রায় ২৬ লাখেরও বেশি। তারা তাদের প্রত্যাশা অনুপাতে চাকরি পাচ্ছেন না। ফলে অনেকেই নিম্ন পদে চাকরি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শীর্ষ ব্যক্তিরা বলছেন, তারা তাদের চাহিদা অনুপাতে দক্ষ কর্মী পাচ্ছেন না। এখানে ঘাটতি কোথায়?
সবচেয়ে বড় ঘাটতি হচ্ছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক স্থাপন হয়নি। শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের যা দরকার সেই বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে গুরুত্ব পায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে বলা হয়ে থাকে একাডেমিক গবেষণা। ২০২৪ সালে যারা কথিত নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, তাদের অধিকাংশই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসেছেন। তাদের জ্ঞান আবিষ্কারের ফলে বিশ্বের বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। আমাদের শিল্পের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংযোগ দ্রুত করা উচিত এবং এটি অবশ্যই শক্তিশালীভাবে করতে হবে। সরকার পলিসি করতে পারে। যখন পোস্টডক করেছিলাম, তখন জাপান একটি আইন করেছিল, সেই আইনে প্রত্যেকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশের একটি নির্দিষ্ট হিস্যা আরঅ্যান্ডডিতে (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ব্যয়ের কথা বলা হলো। শুরুর দিকে সবগুলো শিল্পপ্রতিষ্ঠানের গবেষণা অবকাঠামো এত উন্নত ছিল না। তাই শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ল্যাবে বিনিয়োগ করতে বলা হলো। ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সমস্যাগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে জানানো হলো এবং সমস্যার সমাধান করতে পারলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো কী পরিমাণ অর্থায়ন করবে তাও তাকে জানানো হয়। এভাবে জাপানে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে জাপানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো যেমন লাভবান হচ্ছে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও লাভবান হচ্ছে। সর্বোপরি রাষ্ট্রও লাভবান হচ্ছে। বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যক্রম অনেক পুরনো। পাঠ্যক্রম তৈরির ক্ষেত্রে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যেমন আলোচনা করা দরকার, তেমনি সমাজের অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গেও বসা দরকার। অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্লেষণী ক্ষমতাসম্পন্ন গবেষক তৈরি করবে। শুধু শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্মী তৈরি করবে না। কিন্তু শিল্পগুলো কী চায়, সেটির লক্ষ্যমাত্রা এখনই নির্ধারণ করতে হবে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো কী চায় সেটা বুঝতে হলে আগে চাহিদা মূল্যায়ন জরিপ করতে হবে এবং এ জরিপের ওপর ভিত্তি করে বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই বিষয়গুলো টিকে থাকবে। উত্তর আমেরিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বিষয় কিন্তু টিকে থাকছে না। ফলে শিল্পের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে নতুন নতুন বিষয় বিকশিত হচ্ছে সেখানে। সেভাবে বাংলাদেশ পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে অগ্রগতির বিষয়ে বছরভিত্তিক জবাবদিহিতা নিশ্চিতসহ সমন্বিত উপায়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে তদারকি করতে হবে। তখন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হবে। ১৯৮০ মডেলের পাঠ্যক্রমের ভিত্তিতেই এখনো কৃষিতে দেশের ছয়টি প্রতিষ্ঠান ডিগ্রি দিচ্ছে। কৃষিতে মাঠে যে পরিবর্তন হয়েছে সেই পরিবর্তনকে বিবেচনা করে কৃষির স্নাতক ডিগ্রিধারীকে একটি ইন্টার্নশিপে নিয়ে যাওয়া দরকার। স্নাতক ডিগ্রিধারীরা শিল্পে ইন্টার্নশিপ কাজ করবে। এর মাধ্যমে শিল্প স্বল্প ব্যয়ে একজন কর্মী পেল এবং সেই কর্মী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে উঠবে। এতে উভয়েই সমান সমান লাভবান হবে। এ শিক্ষা প্রকৃত শিক্ষা হবে। এটি কৃষি, বিজ্ঞান বা অন্যান্য বিষয়ের ক্ষেত্রেও হতে পারে। এটি কোনো কঠিন কাজ নয়। শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু সংস্কারের মাধ্যমে এটি সহজেই করা সম্ভব। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ও রাষ্ট্রের মনঃসংযোগ।
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়কে বাজেট বরাদ্দ দেয়ার ক্ষেত্রে এর র্যাংকিংকে বিবেচনায় নেয়া উচিত। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে (ইউজিসি) আরো শক্তিশালী করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ডাটাবেজ হালনাগাদ করা সম্ভব। প্রত্যেক শিক্ষকের বার্ষিক প্রতিবেদনে সব বিষয় উল্লেখের ব্যবস্থা করতে হবে। অনলাইনে সব হালনাগাদ করে রাখতে হবে। এ কেন্দ্রীয় ব্যবস্থায় আমরা মনোযোগ দিলে নিশ্চিতভাবে এটা করা সম্ভব। বাংলাদেশে এত বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করে এবং ডাটার যে প্রোফাইল তৈরি করে- তাতে পৃথিবীর যেকোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি একজন বাংলাদেশীর বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে। তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় কেন ডাটাবেজ করতে পারব না? বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষার্থীদের গবেষণায় যুক্ত করতে হবে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পিএইচডি শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক কম। পোস্টডক তো নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পিএইচডি এবং পোস্টডকের জন্য আলাদা বাজেট বরাদ্দ রাখা দরকার। গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ প্রতি বছর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে। লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ না করলে থিওরিটিক্যাল ফ্রেম ওয়ার্কের মধ্যে তো নিজে নিজে হবে না। নেতৃত্ব তৈরি এবং বিশ্বমানের শিক্ষা দেয়ার কাজটি বিশ্ববিদ্যালয়কে করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিকীকরণের মাধ্যমে স্থানীয় রাজনীতি থেকে বের করে নিয়ে আসা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশে কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত, বিশ্ব চ্যালেঞ্জগুলো বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে কেন্দ্র করে বড় বড় বৈশ্বিক প্রকল্প রয়েছে, সেগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে আরেকটি বাধা হলো গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ছোটখাট উপকরণ ক্রয় করার ক্ষেত্রেও নানারকম জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রিতা। একারণেও অনেক শিক্ষক গবেষণা বিমুখ হচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয় মূলত স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামকে ভিত্তি করে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এখন পর্যন্ত উপযুক্ত করে গড়ে তুলতে পারিনি। এর পেছনে মূল কারণ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফেলোশিপের ব্যবস্থা না থাকা। যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফেলোশিপের ব্যবস্থা থাকত তাহলে আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য হন্যে হয়ে চেষ্টা না করে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেই স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হতে বেশি আগ্রহী হতো। বিষয়টি সত্যিই উদ্বেগজনক। যতদিন পর্যন্ত আমাদের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদেরকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তির ব্যাপারে আগ্রহী করতে না পারবো ততদিন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মানসম্পন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে। বিষয়টি আমরা যত দ্রুত উপলব্ধি করবো ততই সবার জন্য মঙ্গল।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান আরিফ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সস্তা জনপ্রিয়তার বিপরীতে সস্তা জনরোষের পথেই কী হাটতে চায় সরকার? মাত্র ১০/১৫ হাজার কোটি টাকার জন্য ওয়াদা খেলাফ করে বিদ্যুতের দাম আবার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির আগুনে আরো ঘি ঢালছে সরকার। জনভোগান্তির জুলুম থেকে সরে আসতে হবে সরকারকে।
০৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (৮)
০৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
১৯৯০ সালে কাঁচা চামড়া রফতানীর নিষিদ্ধ করণের প্রেক্ষাপট বর্তমানে নেই। এ মুহুর্তে কাঁচা চামড়া রফতানীর অনুমোদন বর্তমান সংকটকে অনেকটাই কমাতে পারে।
০৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
কুরবানী আসে-যায় মৌসুমী কসাইরা অরক্ষা আর অবহেলাতেই থেকে যায়। তাদের অনেকে আহত হয়, পঙ্গু হয়, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যায়- মৌসুমী কসাইদের প্রশিক্ষণ ও পৃষ্টপোষকতার পাশাপাশি ঈদুল আদ্বহায় বিশেষ স্বাস্থসেবা চালু করা দরকার।
০৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
‘দ্যা গ্রেট রিসেট’ ও নমরুদী মশার প্রতিশোধের এক চরম ইহুদী-নাসারায়ী নীলনকশা!
২৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বিদ্যুতের বিল বার বার বাড়ানো শোষক জমিদারি কায়দায় চক্র বৃদ্ধি হারে খাজনার চাবুক মারা অথচ বিদ্যুতে শুধু চুরি নয়, সব দিক থেকে সাগর চুরি হচ্ছে। সে চুরির ক্ষত পোষাতে জনগণের উপর খাজনা বৃদ্ধি করে চোরদের উৎসাহ ও প্রনোদনা এবং নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে।
২৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সে যুগেও হুসাইন আহমদকে ইহুদীদের দালাল, হিন্দুদের কংগ্রেসের পা চাটা- গোলাম প্রচারণা করা হলেও থানভী গংরা তা বুঝতে পারলো কৈ? আজকে পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার মসজিদ ভাঙ্গা ও লাখ লাখ মুসলমানদের বাড়ী-ঘর ধ্বংস, হিন্দুত্ববাদ গ্রহণে বাধ্য করার মত মহা জুলুমের মূলে হোসেন আহমদের সর্ব ভারতীয় জাতীয়বাদ।
২৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
আকাশের অতন্দ্র প্রহরী: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও আবহাওয়া রাডার অবকাঠামোর মহাপরিকল্পনা কেন জরুরি? (১ম পর্ব)
২৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর ২০২৫) ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কিন্তু গতকাল গুগল, ফেইসবুকে অসংখ্য আইডি থেকে প্রচারিত- ‘তারেক রমমান নারিকেল দ্বীপ (সেন্টমার্টিন দ্বীপ) আমেরিকাকে দিয়ে দিয়েছেন নারিকেল দ্বীপ এখন মার্কিন ঘাটি হবে’- ইত্যকার প্রচারণা দেশবাসীকে হতভম্ব করছে। সর্বপোরি সরকারের দলীয় বা প্রশাসনের তরফ থেকে এটাকে গুজব না বলায়- হতাশা চরম আকার ধারণ করেছে।
২২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বর্বর আম্রিকা আর সন্ত্রাসী ইসরাইলের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখছে সংযুক্ত আরব আমিরাত কিন্তু মুসলিম দেশ ইয়েমেন থেকে শুরু করে সোমালিয়া-লিবিয়া হতে সুদানে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চালিয়ে রাখছে আরব-আমিরাত ভয়াবহ মানবেতর সংকটে সুদান, সহিংসতা-রোগ-দুর্ভিক্ষে দিশাহারা মানুষ সুদানের রক্তপাত বন্ধে মুসলিম বিশ্বকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে এক্ষুনি
২১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে এক শতাংশ ছাড়! এ কেমন কালোচুক্তি? প্রকৃতপক্ষে গোলামীর চুক্তি
২০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












