মন্তব্য কলাম
নিজেদের জীবন পঙ্গু করে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে যারা ক্ষমতায় বসিয়েছে, সেই ছাত্র-জনতা এখন চিকিৎসা পাচ্ছে না। তাদের বিক্ষোভ করতে হচ্ছে, রাস্তায় নামতে হচ্ছে! নিয়মের জটিলতায় ক্ষতিপূরণ পেতে দেরি আহত ও নিহতদের পরিবারের লালফিতায় আটকা গণঅভ্যুত্থানে আহতদের ক্ষতিপূরণ
এর চেয়ে দুঃখজনক ঘটনা, এর চেয়ে বড় অকৃতজ্ঞতা এবং কঠিন ব্যর্থতা ও চরম নিস্ক্রিয়তা এই অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য আর কি হতে পারে?
, ৮ই শা’বান শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১১ তাসি’, ১৩৯২ শামসী সন , ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রি:, ২৫ মাঘ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) মন্তব্য কলাম
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ স্বীকার করেছে, আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা দেওয়া হয়নি, এটা সরকারের ব্যর্থতা।
রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেয় জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহতরা। পরে সেখানে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় সমন্বয়হীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অভিযোগ তুলেছে ভুক্তভোগীরা।
এ ব্যাপারে ফাউন্ডেশনের কাছে জবাব চাইলেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।
গত ১৯ জুলাই রায়েরবাগে এক হাত দূর থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত হয় তামজিদ হাসান। হাত ও বুকে পিলেট বিদ্ধ হয় তার। দুটি অপারেশন করিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ করলেও শেষ করতে পারেনি চিকিৎসা, করাতে হবে আরও একটি অপারেশন।
তামজিদ জানায়, তিন মাস হতে চললেও কোনো সাহায্য বা উত্তর পায়নি। কুমিল্লার আত্মীয়স্বজনদের সাহায্যে কোনোমতে দিন চলছে। তিনি বলেন, ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট বাংলায় না হওয়ায় আমাদের আরও বেশি জটিলতা পোহাতে হচ্ছে। আমার মতো অনেক আহতই বুঝতে পারছেন না কীভাবে ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন সংক্রান্ত আপডেট জানতে হয়।
১৮ জুলাই উত্তরার আজমপুরে গুলিবিদ্ধ হওয়া ইয়াসিন মিয়ার শরীরে এখন পর্যন্ত ১৩টি অপারেশন করতে হয়েছে। চিকিৎসায় ৭ লাখ টাকা খরচ হলেও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে ইয়াসিন মিয়া প্রাথমিকভাবে ১ লাখ টাকা পেয়েছেন।
যোগাযোগে সমন্বয়হীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে আহতদের আর্থিক সহায়তায় বিলম্বের প্রধান কারণ। অনেককেই আর্থিক সহায়তা পাওয়ার জন্য অন্ততপক্ষে ৮টি ধাপ অতিক্রম করতে হয়েছে। এধরনের বিড়ম্বনা পোহাতে এবং বোঝা শুনার অভাবে অনেকেই ফাউন্ডেশনের নিয়ম অনুসরণ করে আর্থিক সহায়তা পেতে ব্যর্থ হচ্ছে।
জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আহতদের অনেকে পঙ্গুত্ব আর অন্ধত্ব নিয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছেন। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই শহীদদের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা ও আহতদের জন্য এক লাখ টাকা করে এককালীন সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা আটকে আছে সরকারের ব্যর্থতায়।
সারি সারি অনুমোদন আর সিল-ছাপ্পরের সিরিজ শুরু হয় মূলত আবেদনপত্রে বিসিএস চিকিৎসক বা হাসপাতাল পরিচালকের কাছ থেকে সিল নেওয়ার মাধ্যমে। এর সঙ্গে চিকিৎসার প্রমাণস্বরূপ হাসপাতালের টিকিট বা ছাড়পত্র জমা দিতে হয়, যেখানে অবশ্যই এমবিবিএস চিকিৎসকের সিল থাকতে হবে, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে চিকিৎসা অভ্যুত্থানের ওই সময়েই দেওয়া হয়েছিল। পেমেন্টের জন্য রোগীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সঙ্গে সংযুক্ত একটি বিকাশ নম্বর থাকতে হবে। যদি তা না থাকে, তাহলে অভিভাবকের বিকাশ নম্বর ব্যবহার করা যাবে, তবে এটি একজন চিকিৎসকের মাধ্যমে যাচাই করাতে হবে। এছাড়া, আবেদনের সঙ্গে আঘাতের চিহ্ন বা আহত স্থানের ছবি সংযুক্ত করাও বাধ্যতামূলক।
সমস্ত নথিপত্র প্রস্তুত হওয়ার পর, সেগুলো একটি সরকারি হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে (এমআইএস) সংযুক্ত করতে হয়। এরপর, সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় থেকে রোগীর স্থায়ী ঠিকানা যাচাই করা হয়। এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, নথিগুলো ব্যক্তিগতভাবে বা ডাক, ইমেইল কিংবা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনে জমা দিতে হয়।
এসব কাজের জন্য পরিবারগুলোকে একাধিকবার এক শহর থেকে আরেক শহরে ছুটতে হয়। যার খরচও নিজেদের থেকেই দিতে হয়। ঢাকার বাইরে যারা থাকেন তাদের জন্য এটি অত্যন্ত কষ্টকর। অনেকেই অভিযোগ করেছেন যে, তাদের সাত থেকে আটবার পর্যন্ত ফাউন্ডেশনে যেতে হয়েছে, কিন্তু প্রতিবারই হয় অসম্পূর্ণ নথি নয়তো সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতির কারণে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
অনেক সময়ই সিভিল সার্জন বা ডিসি অফিসে কাগজপত্র পড়ে থাকে। যা তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দেয়।
এছাড়া, ফাউন্ডেশনের হটলাইন নম্বরেও বেশিরভাগ সময় যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না।
মোহাম্মদপুরে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন মোহাম্মদ বেলাল। পরে অস্ত্রোপচারে তার পা কেটে ফেলা হয়। তবে প্রথম অস্ত্রোপচারের পর জটিলতা দেখা দেয়ায় এখন আরেকটি সার্জারি প্রয়োজন।
বেলালের বাবা উদ্বিগ্নভাবে এদিক-ওদিক ছুটছিলেন। কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝার চেষ্টা করছিলেন কেন এখনো তার ছেলের ক্ষতিপূরণ আটকে আছে।
প্রথমে তাকে বলা হয়, সিভিল সার্জন এখনো ফাইলগুলো যাচাই করেননি। কিন্তু যখন ছাত্র আন্দোলনকারীরা বিষয়টি ফেসবুকে তুলে ধরেন এবং তা ভাইরাল হয়, তখন জানা যায় জেলা পর্যায়ে নথিগুলো আসলে অনেক আগেই যাচাই হয়ে গেছে। মূলত ফাউন্ডেশনের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল।
বেলালের বাবা যাচাইকাজ দ্রুত শেষ করার জন্য অনুরোধ জানান, কারণ তার ছেলের চিকিৎসার জন্য টাকাটা অত্যন্ত জরুরি। তবে ফাউন্ডেশন জানায়, তাদের আরও সময় লাগবে।
ছররা গুলিতে আহত আরেকজন চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট থেকে এসেছিলেন। তিনি কয়েক মাস আগে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি তাকে জানানো হয়, আঘাতের স্থানের ছবি জমা না দেওয়ায় তিনি ক্ষতিপূরণ পাবেন না।
'আমার কোনো মোবাইল ফোন নেই। আমার কাছে কোনো ছবি নেই। শরীরে এখনো অনেক ছররা গুলি রয়ে গেছে, আর আমার চিকিৎসার নথিপত্রেই তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। তাহলে ছবির কী দরকার?'
তিনি আরও বলেন, ‘আমি শনিবার ফাউন্ডেশনে এসেছিলাম, জানতাম না যে এটি বন্ধ থাকবে। ’
তিনি জানান, রাত কাটিয়েছেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে খোলা আকাশের নিচে।
‘চিকিৎসার জন্য আমার টাকাটা খুব দরকার’, কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন তিনি।
হতাশার প্রতিধ্বনি শোনা যায় আরও অনেকের কণ্ঠেই।
তবে দেরির প্রধান কারণ সিভিল সার্জন বা ডিসি কার্যালয়ে ফাইল আটকে থাকা। ফাউন্ডেশনে মাত্র ৩৫ জন কর্মচারী আছে, যা এই ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যথেষ্ট নয়।
গত ২২ জানুয়ারি সাংবাদিক তরিক হাসান বাপ্পি ফেসবুকে আফনান সাবিককে নিয়ে একটি লেখা শেয়ার করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আফনান মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে আহত হয়েছিলেন এবং এখনো ক্ষতিপূরণের অপেক্ষা করছেন।
পরদিন পোস্টটি ভাইরাল হলে এবং জুলাই ফাউন্ডেশনের নজরে আসার পর, তারা তাকে জানায় যে তার বাবার নামের বানান একটি নথিতে ভুল ছিল। ফলে তাকে পুরো প্রক্রিয়া আবার শুরু থেকে শুরু করতে হবে।
এই ভুল করেছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আহতদের নাম তালিকাভুক্ত করেছিলেন যারা তারা। কিন্তু এখন আফনানকেই এর দায় ভোগ করতে হচ্ছে।
আফনান বলেন, ‘প্রথমে আমি আমার নাম তালিকাভুক্ত করার জন্য ঢামেক হাসপাতালে গিয়েছিলাম। কর্মকর্তারা আমাকে এদিক-সেদিক ঘোরায়। একটা কাজের জন্য পুরো হাসপাতালেই আমি ঘুরি। এটা আসলে বলে বোঝানো খুব মুশকিল। ’
‘তারপর তারা আমাকে যশোরে গিয়ে সিভিল সার্জনের সই নেওয়ার জন্য পাঠান। সিভিল সার্জন কয়েকদিন ধরে আমার ফাইল আটকে রাখেন। তারপর একদিন সকালে, যশোরের একজন ছাত্র সমন্বয়কারী এবং সিভিল সার্জন অবশেষে (ফেসবুক পোস্টের কারণে) এদিকে মনোযোগ দেন। ’
'এখন আমাকে পুরো প্রক্রিয়াটি আবার শুরু করতে হচ্ছে কারণ তারা একটি ভুল করেছে!'
এরপর রয়েছে শহীদ আবদুর রহমানের ঘটনা।
শহীদ আব্দুর রহমানের ছেলে ফয়সালকে নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকার শাহবাগে ফাউন্ডেশনে চেক সংগ্রহ করতে কমপক্ষে আট বার আসতে হয়েছে।
অষ্টমবারের সময় ফয়সালকে জানানো হয় যে একটি চেক ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু এটি আবদুর রহমানের ১১০ বছর বয়সী মায়ের নামে, যিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে থাকেন। ফাউন্ডেশন থেকে বলে দেওয়া হয়েছিল দুর্বল, শয্যাশায়ী সেই বৃদ্ধাকে ঢাকায় এসে চেকটি নিতে হবে!
'আমার দাদি যিনি নড়াচড়াও করতে পারেন না, তিনি কীভাবে ঢাকায় আসবেন?', বলছিলেন ফয়সাল।
বেশ কিছু আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা আবেদনপত্র জমা দিয়ে ফাউন্ডেশন থেকে টোকেন নম্বর পেয়েছেন। তবে মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও তারা কোনো আর্থিক সহায়তা পাননি। কিছু ক্ষেত্রে কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই আবেদনকারীদের জানানো হয়েছে যে, তাদের আবেদন কার্যকর করা যাচ্ছে না এবং পুনরায় আবেদন করতে হবে। এই বিলম্ব আহত ও শহীদ পরিবারের জন্য হয়রানি এবং অনিশ্চয়তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আহতদের অনেকেই এমআইএস ভেরিফিকেশন তালিকায় নেই, যার ফলে তাদের সহায়তা পাওয়ার যোগ্যতা নিয়ে বিভ্রান্তি, দীর্ঘসূত্রতা, এবং উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে। এই বৈষম্য কী কারণে ঘটছে এবং কীভাবে এগুলো সমাধান করা হবে, সে বিষয়ে কোন জবাব বা ব্যাখ্যা নেই ফাউন্ডেশনের।
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
বিশ্বে তৈরী পোশাক রফতানীতে প্রথম বাংলাদেশ কেনো তুলা আমদানীতেও প্রথম? নামে তুলা উন্নয়ন বোর্ড থাকলেও স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত তুলা চাষে কোনো উন্নয়নই নেই অপার সম্ভাবনা থাকলেও দেশে তুলা উৎপাদনে সরকারী কোনো তৎপরতা নেই
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
দেশের ৪ কোটি মানুষ না খেয়ে থাকে। অথচ বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার শস্য নষ্ট হয় খাদ্য অপচয় রোধ করতে ‘নিশ্চয়ই অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই’- পবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই নির্দেশ সমাজের সর্বাত্মক প্রতিফলন ব্যতীত কোনো বিকল্প নেই।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
অলস জমিদারের কায়দায় বসে বসে তালুক বিক্রী করে খাওয়ার মতই জ্যামিতিক হারে ঋণ বাড়িয়ে চলছে সরকার ২০২৮-২৯ অর্থবছর ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ লাখ ৭৭ হাজার ৬০০ কোটি টাকায়। দুর্নীতি বন্ধের পাশাপাশি উৎপাদন বাড়ানো রফতানী বৃদ্ধি ও বহুর্মুখীকরণ করার উদ্যম নেই সরকারের দেশ জাতিকে করে যাচ্ছে সুদী মহাজনদের কাছে জিম্মি ও বিক্রী।
২২ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১৩)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ঋণ নির্ভর বাজেট প্রণয়ন না করে রফতানী বহুর্মুখীকরণের দ্বারা সমৃদ্ধ বাজেট প্রণয়ন খুব সহজেই সম্ভব। কাঁঠাল উৎপাদনে বাংলাদেশ প্রথম হলেও রফতানীতে তলানীতে। কাঁঠাল রফতানী করেও বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় সম্ভব।
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব ৬)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় ৫০ লক্ষ সেনাবাহিনীর অপ্রতিরোধ্যকরণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদির বিবরণ (পর্ব- ৫)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
“বাংলাদেশের ওষুধ রফতানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে”- গত পরশু (৮ই জুন) এই বিবৃতি দেয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী কী ভেবে দেখবেন মার্কিনীদের সাথে করা গোলামী চুক্তিতে তার এই উচ্ছাস পুরোটাই গভীর এবং চরম-পরম উৎকণ্ঠায় পর্যবসিত হয়েছে মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বাংলাদেশের ওষুধশিল্পের জন্যও মহা ধ্বংস প্রক্রিয়া বাংলাদেশের ৫১ কোটি নাগরিকের নিরাপত্তা নির্মূলীকরণ প্রক্রিয়া। মহা আত্মঘাতী, সর্বনাশী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিক্রিকারী এ চুক্তি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে (২য় পর্ব)
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
বাংলাদেশের মহাকাশ প্রতিরক্ষা কৌশল: ৫০ লক্ষাধিক বহরের সমন্বিত বাহিনীর জন্য কৃত্রিম উপগ্রহ প্রযুক্তির রূপরেখা (পর্ব-৪)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১১)
১৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
বর্তমান জ্বালানী সংকটে অনেক দেশই এখন কয়লার দিকে ঝুকছে। কয়লার উপর নির্ভরতা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। দেশে বিপুল পরিমাণ কয়লার মজুদ থাকার পরও রহস্যজনকভাবে তা উত্তোলনে আগ্রহ নেই সরকারের। ৭ হাজার ৮০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদের দেশে কয়লার ঘাটতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ কেন?
১৪ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা: ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১০)
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












