আয়না ব্যবহার করা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক
, ০৪ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২০ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ১৯ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ০৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) সুন্নত মুবারক তা’লীম
আয়না ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক। স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আয়না ব্যবহার করতেন অর্থাৎ আয়নাতে উনার মহাসম্মানিত নূরুর রহ্মাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) দেখতেন। অপর বর্ণনায় পাওয়া যায় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পানির পাত্রে উনার মহাসম্মানিত নূরুর রহ্মাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) চেহারা মুবারক দেখে মহাসম্মানিত পাগড়ী মুবারক, মহাসম্মানিত টুপি মুবারক, মহাসম্মানিত রুমাল মুবারক ইত্যাদি গোছগাছ করতেন অর্থাৎ উম্মতকে পরিপাটি শিক্ষা দিতেন এবং মহাসম্মানিত নূরুল হুদা মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাথা মুবারক) উনার মহাসম্মানিত নূরুল ফাত্হ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চুল মুবারক) ও মহাসম্মানিত নূরুন নি‘য়ামাহ মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাড়ি মুবারক) আঁচড়াতেন। অন্যদিকে তিনি সরাসরি আয়নায় মহাসম্মানিত নূরুর রহ্মাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) দেখেছেন মর্মে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে।
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا نَظَرَ وَجْهَهُ فِي الْمِرْآةِ قَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي سَوَّى خَلْقِي فَعَدَلَهُ، وَكَرَّمَ صُورَةَ وَجْهِي فَحَسَّنَهَا، وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُسْلِمِينَ.
অর্থ: হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন আয়নায় উনার মহাসম্মানিত নূরুর রহ্মাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র চেহারা মুবারক) দেখতেন। তখন তিনি ইরশাদ মুবারক করতেন অর্থাৎ উম্মতকে শিক্ষা দেয়ার জন্য ইরশাদ মুবারক করতেন-
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي سَوَّى خَلْقِي فَعَدَلَهُ، وَكَرَّمَ صُورَةَ وَجْهِي فَحَسَّنَهَا، وَجَعَلَنِي مِنَ الْمُسْلِمِينَ.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনারই জন্য সমস্ত প্রশংসা মুবারক যিনি আমার মহাসম্মানিত দৃষ্টি মুবারক উনাকে সুবিন্যস্ত করেছেন ও পরিমার্জিত করেছেন এবং আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুর রহমাত মুবারক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ছূরত মুবারক উনাকে মহাসম্মানিত করেছেন এবং তা সর্বোত্তম সুন্দরতম করেছেন এবং আমাকে সম্মানিত মুসলমান হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। অর্থাৎ আমাকে মুসলমানদের মালিকানা হাদিয়া মুবারক করেছেন (‘আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ লি ইবনে সুন্নী-১৩৯, কানযুল উম্মাল ৭/১২৪, তান্উয়ীর শরহে জামিউছ ছগীর ৮/৪৫৩, ফাতহুল কাবীর লিস সুয়ূত্বী ২/৩৪৪)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَيُّوبَ بْنِ مُوسَى رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ نَظَرَ فِي الْمِرْآةِ لِشَكْوٍ كَانَ بِعَيْنَيْهِ وَهُوَ مُحْرِمٌ.
অর্থ: হযরত আইয়্যুব ইবনে মূসা রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। দু’চক্ষু মুবারকে অসুখ হওয়ার কারনে হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ইহরাম অবস্থায়ও আয়না দেখেছিলেন। (মুয়াত্তা ইবনে মালিক)
উপরোক্ত পবিত্র হাদীছ শরীফ সমূহ থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, আয়না ব্যবহার করা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খাছ সুন্নত মুবারক এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে একখানা ঘটনা মুবারক উল্লেখ রয়েছে। তা হলো-
একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হুজরা শরীফে বসা ছিলেন। এমতাবস্তায় এক ব্যক্তি এসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাক্ষাত মুবারক করার অনুমতি মুবারক চাইলেন। এ সংবাদ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত খিদমত মুবারকে পৌঁছালেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, সে ব্যক্তিকে অপেক্ষা করতে বলুন। একথা মুবারক বলে; নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পাগড়ী মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জামা বা কোর্তা মুবারক ইত্যাদি গুছগাছ করে নিলেন। এমনকি তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হুজরা শরীফ থেকে বের হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে পানির গামলাতে নিজের নূরুর রহমাহ (মহাসম্মানিত চেহারা) মুবারক দেখে গুছিয়ে নিচ্ছিলেন (তিনি তো সব সময় পরিপাটি থাকতেন, তিনি তো সকল সৌন্দর্য মুবারক উনার মালিক)। তা দেখে সে সময় সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বললেন, “ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনিও কি এরূপ করেন? তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, “কিরূপ করি?” সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি বললেন, “এরূপ পরিপাটি।” এর জওয়াবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, “হ্যাঁ, আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত নবী ও রসূল। আমাদের কোন কাজ কারো অপছন্দ হলে, সে ঈমানহারা হয়ে যাবে।” (আল্ মুরশিদুল আমীন)
উপরোক্ত মহাসম্মানিত ঘটনা মুবারক থেকে আমরা জানতে পারলাম যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তো সব সময় পরিপাটি থাকতেন, তারপরেও বাহিরে বের হওয়ার সময়; উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র পাগড়ী-রুমাল মুবারক, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কোর্তা মুবারক, মহাসম্মানিত নূরুর রহমাত (চেহারা) মুবারক ইত্যাদি পানির গামলাতে গুছগাছ করে নিতেন।
মূলত তিনি উম্মতকে শিক্ষা দিলেন যে পরিপাটি থাকা আবশ্যক। পরিপাটির জন্য আয়না ব্যবহার করাও মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত।
কাজেই, যখন কেউ মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়না ব্যবহার করবে তখন সে ব্যক্তি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক আদায় করার ফযীলত মুবারক লাভ করবে।
আর মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক আদায় করার ফযীলত মুবারক সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسٍ رَضِىَ الله تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اَحَبَّ سُنَّتِىْ فَقَدْ اَحَبَّنِىْ وَمَنْ اَحَبَّنِىْ كَانَ مَعِىَ فِىْ الْجَنَّةِ.(رواه الترمذى)
অর্থ: হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার উনার মহসম্মানিত রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত মুবারক করল সে অবশ্যই আমাকে মুহব্বত মুবারক করল আর যে আমাকে মুহব্বত করল সে আমার সাথে জান্নাতে প্রবেশ করবে। সুবহানাল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِىْ عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِىْ فَلَهٗ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيْدٍ.(رواه بيهقى)
অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের যামানায় একটি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক আঁকড়ে ধরবে, তার জন্য রয়েছে একশত শহীদ উনার ছওয়াব। সুবহানাল্লাহ! (বাইহাক্বী শরীফ)
উল্লেখিত ফযীলত মুবারক লাভ করতে হলে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা বা অনুসরণ মুবারক করতে হবে।
কাজেই যিনি খ¦লিক, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক তিনি যেন আমাদেরকে সর্বাবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালন করার তাওফীক্ব দান করেন। (আমীন)
-আহমদ হুসাইন
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার মাধ্যমেই সর্বপ্রকার নেয়ামত মুবারক হাছিল করা সহজ ও সম্ভব
২০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নতী খাবার “মাছ” (২)
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নতী খাবার “মাছ” (১)
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র আযানের জবাব দেয়ার হুকুম-আহকাম ও পবিত্র সুন্নতী তরীক্বাহ (২)
১৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র আযানের জবাব দেয়ার হুকুম-আহকাম ও পবিত্র সুন্নতী তরীক্বাহ (১)
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার ইত্তেবা করায় মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে হযরত বিশর হাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বিশেষ মর্যাদা ও ফযীলত মুবারক হাদিয়া
১৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইস্তিখারা করার মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ
১৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক পালনে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বেমেছাল দৃষ্টান্ত মুবারক
১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
(قُلَّةٌ) কুল্লাহ্ বা মটকি-মটকা কুলফি অর্থাৎ মাটির পাত্র পানি রাখার বড় মাটির পাত্র:
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
খুতবা প্রদানকালে লাঠি ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
লোহার পাতযুক্ত, কাঠের তৈরী পানির পেয়ালা ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক (২)
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১২)
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












