অধিকাংশ টিকাই মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যুক্ত তথাকথিত করোনার টিকার ভয়াবহ ক্ষতি এখন সারা বিশ্বে বহুল আলোচিত
জরায়ুর মুখে তথাকথিত ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকাও বন্ধাত্বকরণ সহ কঠিন ক্ষতির আশঙ্কাযুক্ত মুসলিম কিশোরী ও নারীদের বন্ধাত্বকরণের দ্বারা মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্য কমানোই মূল ষড়যন্ত্র নচেৎ বিনা পয়সায় টিকা প্রদান এত মুসলিম দরদী (?) -বিধর্মীরা কেনো হলো? (পর্ব-১)
, ২৫ অক্টোবর, ২০২৪ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মন্তব্য কলাম
এ উপলক্ষে গত পরশু মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি পরিচালনা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)। এতে সহায়তা করছে ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস (গ্যাভি)।
সভায় জানানো হয়, ১৮ দিনব্যাপী এ কর্মসূচির প্রথম দুই সপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫ম থেকে ৯ম শ্রেণি এবং বাকি দিনগুলোতে গ্রুপভিত্তিকভাবে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের বিনা মূল্যে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।
প্রসঙ্গত জরায়ুমুখে ক্যান্সারকে নিয়ে বিবিসি খবর শিরোনাম করেছে-
“যেভাবে ৬০০০ ছাত্রীকে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ভেজাল টিকা দিলো প্রতারক চক্র”
বাংলাদেশে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের টিকা দিয়ে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের টিকা বানিয়ে বিক্রি করার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার প্রধান হারুন অর রশীদ জানান, নকল টিকা প্রস্তুত ও বাজারজাতকারী চক্রটির সদস্যদের আটক ছাড়াও নকল টিকা তৈরির বেশ কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে হেপাটাইটিস-বি টিকা, নকল টিকা তৈরির মেশিন এবং কয়েকটি মোটর যান।
রশীদ জানান, জরায়ু মুখের ক্যান্সারের টিকা হিসেবে পরিচিত সারভারিক্স গত তিন বছর ধরে বাংলাদেশে আমদানি করা হয় না। বাংলাদেশে এটির আমদানি নিষিদ্ধ।
যে টিকাটি জরায়ুর মুখের ক্যান্সারের টিকা বলে বিক্রি করা হচ্ছিলো সেটি আসলে এই ক্যান্সারের টিকা নয়। বরং সেটি হেপাটাইটিস-বি টিকার সামান্য অংশ দিয়ে অবৈধভাবে তৈরি করা হতো।
তিনি বলেন, “যারা গ্রেফতার হয়েছে তারা স্বীকার করেছে যে তারা প্রতারণা করেছে।”
উল্লেখ্য শুধু এ ধরনের প্রতারনাই নয় কোভিড টিকা নিয়েও এখন যেসব সংবাদ শিরোনাম হচ্ছে একই আতঙ্ক ও মারাত্মক ক্ষতি হবে বিশেষত কিশোরীদের বন্ধাত্বকরণের মত ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনবে। এমনটাই মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।
খবর শিরোনাম হয়েছে-
তথাকথিত করোনা টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ক্ষতিগ্রস্তদের শনাক্ত করে চিকিৎসা প্রদান জরুরি
তথাকথিত করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর এই প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে মুক্তি দিয়েছে কোভিড ভ্যাকসিন বা টিকা। এবার সেই টিকা নিয়ে মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্বকে লকডাউন থেকে বের করে আনার লড়াইয়ে রেকর্ড সময়ের মধ্যে কোভিড ভ্যাকসিন তৈরি করেছিলেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। অনেক দেশেই ব্যবহৃত প্রথম কোভিড ভ্যাকসিন ছিল এই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। জানা গেছে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার অভিযোগ ওঠায় বিশ্বজুড়ে তিনশ কোটির বেশি ডোজ দেওয়ার পর এ টিকা প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, টিকা না-হয় প্রত্যাহার করে নেওয়া হলো, কিন্তু এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের কী হবে? স্বভাবতই এ নিয়ে মানুষ উদ্বিগ্ন। টিকা গ্রহণের ফলে মানবদেহে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে, এমনকি মৃত্যুও ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকার বিরুদ্ধে। ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট অ্যাস্ট্রাজেনেকা বিষয়টি স্বীকারও করেছে। এক গবেষণা প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এ টিকা গ্রহণের ফলে মানবদেহে ‘থ্রম্বোসিস উইথ থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম’ (টিটিএস) নামে পরিচিত বিরল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে। টিটিএস হলো এমন একটি অবস্থা, যার ফলে শরীরের অস্বাভাবিক কোনো জায়গায় রক্ত জমাট বাঁধে এবং রক্তে প্লাটিলেটের সংখ্যা কমে যায়। টিটিএসের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে গুরুতর মাথাব্যথা, পেটে ব্যথা, পায়ে ফোলা ভাব, শ্বাসকষ্ট ও খিঁচুনি। উদ্বেগের কারণ এটাই।
শুধু অ্যাস্ট্রাজেনেকা নয়, তথাকথিত করোনার অন্যান্য ব্র্যান্ডের ভ্যাকসিন, যেমন-ফাইজার ও মর্ডানার টিকার বিরুদ্ধেও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব ব্র্যান্ডের টিকা নাকি হৃৎপি-, মস্তিষ্ক ও রক্তে নানা ধরনের জটিলতা বাড়ায়। অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার, মর্ডানা-সব ব্র্যান্ডের টিকাই এদেশে ব্যবহৃত হয়েছে। দেশে শুধু অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকাই দেওয়া হয়েছে ৫ কোটির বেশি ডোজ। অনেকেই এ টিকা একাধিক ডোজ নিয়েছেন। কাজেই পরীক্ষা করে দেখা দরকার দেশে কারা এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত। তাদের চিকিৎসাই বা কী। এ বিষয়ে হেলাফেলার সুযোগ নেই। কিন্তু এখনই নাকি সুনিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় কার কোন্ স্বাস্থ্য সমস্যাটি টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত। তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, আমরা মনে করি, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বেই এ নিয়ে দ্রুত গবেষণা হওয়া উচিত, যাতে টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয়। টিকা তৈরিকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে এ ব্যাপারে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যায় কিনা, তা-ও খতিয়ে দেখা দরকার।
খবর শিরোনাম হয়েছে-
মস্তিষ্ক, হৃদপি- ও রক্তে জটিলতা বাড়ায় তথাকথিত করোনা টিকা: গবেষণা
তথাকথিত করোনা টিকা ফাইজার-মডার্না ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার ডোজের প্রভাবে মস্তিষ্ক, হৃদপি- ও রক্তে জটিলতা বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ে বলে জানা গেছে এক গবেষণায়। বিশ্বের অন্যতম ব্যহত বহুজাতিক সংস্থা গ্লোবাল ভ্যাকসিন ডেটা নেটওয়ার্কের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে গবেষণাটি। খবর ব্লুমবার্গ ও দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্টের।
গবেষণা কাজের অংশ হিসেবে বিশ্বের ১৩টি দেশের ৯ কোটি ৯০ লাখ মানুষের তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করেছে ডেটা নেটওয়ার্ক। গত সপ্তাহে গবেষণা প্রবন্ধটি প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ‘ভ্যাকসিন’। প্রবন্ধে গবেষকরা বলেছেন, এই ৯ কোটি ৯০ লাখ মানুষের মধ্যে যারা এমআরএনএ টিকা ফাইজার এন বায়োএনটেক কিংবা মডার্না টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন, তাদের একাংশ ইতিমধ্যে মায়োকার্ডিটি নামে হৃদপি-ের সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন। এই সমস্যায় আক্রান্তরা হার্টের মাংসপেশির সার্বক্ষণিক প্রদাহে ভোগেন।
আর অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৃতীয় ডোজ যারা সম্পূর্ণ করেছেন, তাদের একাংশ আক্রান্ত হয়েছেন পেরিকার্ডিটিতে। এই সমস্যায় আক্রান্ত হলে হৃদপি-ের কার্ডিয়াক মাংসপেশিতে প্রদাহ হয়। গ্লোবাল ভ্যাকসিন ডেটা নেটওয়ার্কের গবেষকদের মতে, ফাইজার এবং মডার্নার দ্বিতীয় ডোজ মায়োকার্ডিটির ঝুঁকি ২ দশমিক ৯ গুণ এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৃতীয় ডোজ পেরিকার্ডিটির ঝুঁকি ৬ দশমিক ৯ গুণ বৃদ্ধি করে। মায়োকার্ডিটি ও পেরিকার্ডিটি উভয়ই বেশ বিরল শারীরিক জটিলতা।
এছাড়া অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অন্যান্য ভাইরাল-ভেক্টর তথাকথিত করোনা টিকা এবং এমআরএনএ টিকা ফাইজার-মডার্নার ডোজে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়া, গুলিয়ান-ব্যারে সিন্ড্রোম এবং মায়েলিটিসের মতো শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে ২ দশমিক ৫ গুণ। গুলিয়ান ব্যারে সিন্ড্রোমে আক্রান্ত রোগীরা স্নায়বিক সমস্যায় ভোগেন আর মায়েলিটিসে আক্রান্তরো ভোগেন মস্তিষ্ক ও মেরুদ-ের প্রদাহে।
খবর শিরোনাম হয়েছে-
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার অভিযোগ, উদ্বেগে তথাকথিত করোনার টিকা গ্রহীতারা
তথাকথিত করোনা মহামারি শুরুর পর প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে মুক্তি দিয়েছে কোভিড ভ্যাকসিন বা টিকা। এবার সেই টিকা নিয়ে শরীরে বিভিন্ন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার অভিযোগ উঠছে। এ অবস্থায় সমালোচনার মুখে বাজার থেকে তাদের টিকা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে তারা বলছে, চাহিদা না থাকায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জানা গেছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে তথাকথিত করোনার যে টিকা উৎপাদন করে, তার ব্র্যান্ড নাম ভ্যাক্সজেভ্রিয়া। এরপর ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট সেই টিকা উৎপাদনের লাইসেন্স পায়। তারা কোভিশিল্ড নামে সেই টিকা বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে বাজারজাত করে। সমালেচানার মুখে ইউরোপ মহাদেশে ভ্যাক্সজেভ্রিয়া টিকার বাজারজাতকরণ কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা।
বাংলাদেশের মানুষকে সাড়ে ৫ কোটির বেশি ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা দেওয়া হয়েছে। এই টিকা গ্রহণকারীদের দেহে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা খুঁজে দেখতে বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিষয়টি জোরেশোরে সামনে আসায় উৎকণ্ঠায় আছেন এই টিকা গ্রহীতারা। (ইনশাআল্লাহ চলবে)
-আল্লামা মুহম্মদ ওয়ালীউর রহমান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না। যানজট নিরসনের মূল কারণ চিহ্নিত ও পদক্ষেপ নিতে না পারাই ঢাকায় যানজটের প্রধান কারণ। (৩য় পর্ব)
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দ্বীনি উসকানি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা; কুশল লা’নতুল্লাহি আলাইহির বিতর্কিত অপতৎপরতা
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের সংস্কৃতি যে অমুসলিমের উপলব্ধির কাছে নিরাপদ নয় তারই প্রমাণ দিলো বর্তমান সংস্কৃতি মন্ত্রী। অমঙ্গল যাত্রাসহ বিভিন্ন কাট্টা হারাম সংস্কৃতি চালুর উৎসাহে যে বিভোর। ইসলামী পর্যবেক্ষকমহল ও সংবাদ মাধ্যম তাকে আওয়ামীলীগের সাংস্কৃতিক এজেন্ডার ধারাবাহিকতা পালনকারী হিসেবে মন্তব্য করেছেন।
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
এবার ঘরের দিকে তাকানোর সময় হয়েছে বাংলাদেশের: দেশীয় সব কাজ ভার্তৃপ্রতীম মুসলিমদেশদেরকেই শুধুমাত্র সুযোগ দেয়া উচিত
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
গত দেড় দশকে জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধি অতিরঞ্জিত করে ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে দেশী-বিদেশী উৎস থেকে অনেক বেশি ঋণ সুবিধা নিয়েছে আওয়ামীলীগ জালেমশাহী সরকার।
১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাল্যবিয়ে বন্ধ করা কাফিরদের ষড়যন্ত্র
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কৃষিতে ডিজেল সংকট হুমকিতে ইরি-বোরো ও পাট উৎপাদন ডিজেল সংকটে সৌরবিদ্যুতের নলকূপই এখন কৃষকের জন্য খোদায়ী রহমত।
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বিদ্যুৎবাঁচাতে সন্ধ্যা ৬টার সময় দোকানপাট বন্ধ করলে অর্থনীতি আরো দুর্বল হবে
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
হুজুগে মাতা বাঙ্গালী তেলের অবৈধ মজুতেই দেশের বিপদ ডেকে আনছে বাংলাদেশেই উৎপাদন হয় পর্যাপ্ত পেট্রোল-অকটেন। তারপরেও আতঙ্ক কেন?
০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
প্রসঙ্গ: গত পরশু বিজেপি নেতার খুলনা যশোর অঞ্চল দখলের হুমকী এবং বারবার উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের বাংলাদেশ দখলের আস্ফালন
০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
৭০০ কিলোমিটারের মরণব্যাধি ও আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা : বেগম পাড়ার বিলাসিতা কি সার্বভৌমত্বের কফিনে শেষ পেরেক?
০৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












