আসলে মানুষ মাত্রই বড় হবে, বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছাবে এটাই স্বাভাবিক নিয়ম। আজকে যারা মা-বাবা, দাদা-দাদী, নানা-নানীরা, খালা-মামারাও এক সময় এই বয়সে ছিলো। তারা এক সময় প্রয়োজনের সমাধানও পেয়েছেন। কিন্তু তারা এভাবে প্রকাশ্যে ক্লাসের মধ্যে গ্রুপিং করে বয়ঃসন্ধির শিক্ষা নেননি বলে তাদের বিরাট ক্ষতি হয়ে গেছে এমনটা নয়। বরং আজকের যুগে অভিভাভকরা আরো ভয়ের মধ্যে থাকে, না জানি তার সন্তান কি ভুল করে বসে। তার মধ্যে এই শিক্ষা অনেকটা নতুন প্রজন্মকে আরো উস্কে দেয়ার নামান্তর। বিশেষ করে, বয়ঃসন্ধীকালীন শিক্ষাটা নারী-পুরুষের জন্য পৃথক। সে জন্য ছাত্র-ছাত্রী বাকি অংশ পড়ুন...
প্রাচীন রোমান সম্রাজ্যের গ্ল্যাডিয়েটর হওয়ার জন্য বেছে নেয়া হতো ক্রীতদাস, বন্দী ও ভিন্ন মতাদর্শের মানুষকে। ময়দানে তাদের হিংস্র পশুর সাথে ছেড়ে দেয়া হতো। গ্ল্যাডিয়েটর আর হিংস্র পশুর বাঁচা-মরার লড়াই চতুর্পাশ থেকে দর্শক ও রোমান শাসকরা বিনোদন হিসেবে উপভোগ করতো। তারা আনন্দ করতো, চিৎকার করতো। দর্শকদের জন্য সেই লড়াই আনন্দের হলেও গ্লাডিয়েটরদের জন্য তা মোটেও আনন্দের ছিলো না।
আধুনিক যুগে কিছু বহুল প্রচলিত খেলাধূলা গ্ল্যাডিয়েটরদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। যেমন- ক্রিকেট খেলা, যেখানে একজন বোলার বল করে, বাউন্স দেয় ব্যাটারের মাথা, বুক, পেট বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের পাঠ্যবইয়ের ক্লাস ৬ এ শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা বইয়ে বয়ঃসন্ধির শিক্ষার নাম দিয়ে শেখানো হচ্ছে বয়স্কদের শিক্ষা। বয়ঃসন্ধী কালে নারী-পুরুষের দেহের পরিবর্তন, স্পর্শজনিত বিষয়সহ আরও লজ্জাকর ও গোপনীয় বিষয় শেখানো হচ্ছে।
আসলে ক্লাস ৬-এ একটা বাচ্চার বয়স কত হয়? ১১ থেকে ১৩ বছর। এই বয়সের সব শিশু বয়ঃসন্ধিতেও পৌছায় না। কিন্তু সেই বয়সেই এ ধরনের শিক্ষা বাচ্চার মনে ভয়াবহ কুপ্রভাব ফেলতে পারে। সবচেয়ে জটিল বিষয় হচ্ছে, ক্লাসে পাঠ্য এই বিষয়গুলো নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রুপ ডিসকাশন করতে হয়, গ্রুপ অ্যাসাইনমেন্ট করতে হয়, সামষ্টিক মূল্যায়ন বাকি অংশ পড়ুন...
ঢাকার মত একটি জনবহুল শহরে কিভাবে কনসার্টের অনুমতি দেয় কর্তৃপক্ষ তা সত্যিই আশ্চর্যের বিষয়। কারণ আপনি একটা ধর্মীয় মাহফিল করতে যান অনুমতি পাবেন না, কোরবানী হাট বসাতে যান, অনুমতি পাবেন না। বলবে- যানজট হবে, মানুষের কষ্ট হবে। কিন্তু কনসার্টের ক্ষেত্রে কেন তা হয় না?
সম্প্রতি ‘কোক স্টুডিও কনসার্ট’ থেকে ফিরে অনেকেই মতামত জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস শেয়ার করেছে। তারা বর্ণনা করেছে, কিভাবে উক্ত কনসার্টে নারী-পুরুষের প্রকাশ্যে অবৈধ মেলামেশা, নোংরামি ঘটনা ঘটে। অশ্লীলতা সকল সীমা ছাড়িয়ে যায়। নারীদেরকে পুরুষের কাধে চড়ে নাচতে থাকে। বাকি অংশ পড়ুন...
ষষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান অনুশীলন বইয়ের ‘আমাদের জীবনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ অধ্যায়ের ১৭ পৃষ্ঠায় একটি বিজ্ঞান অনুশীলনে বলা হয়েছে, “চল একে ফেলি আমাদের যার যার কল্পনার বিজ্ঞানীকে!”।
প্রশ্ন হচ্ছে, কল্পনার বিজ্ঞানীর ছবি অঙ্কন আবার কেমন বিজ্ঞান শিক্ষা?
আমরা তো জানি, কল্পনার ছবি অঙ্কন করা সাইন্সের বিষয় নয়, বরং আর্টস বা মানবিক বিভাগের বিষয়।
কিন্তু আর্টস বা মানবিক বিভাগের বিষয়কে পাঠ্যবইয়ে সাইন্স হিসেবে পড়ানো হচ্ছে কেন? রহস্য কি?
লক্ষ্য করলে দেখবেন, যারা নতুন পাঠ্যবই সম্পর্কে মিডিয়ায় বিভিন্ন সময় বিবৃতি দেয়, তারা প্রায়শই বলে, এ পাঠ্যবইয়ের বাকি অংশ পড়ুন...
রাষ্ট্র ব্যবস্থাটা ইহুদী-নাসারাদের বানানো এমন একটা মেকানিজম, যার ভেতরের কল-কবজা, চলন-বলন পদ্ধতি সব তাদের নখদর্পে।
মূলত রাষ্ট্র ব্যবস্থাটা তারা এমনভাবে তৈরী করেছে যে, চেয়ারে আপনি যত উপরে উঠতে থাকবেন, আপনাকে তত বেশি ইসলামী মূল্যবোধ ত্যাগ করে কাফিরদের পলিসি মানতে হবে। উপরে উঠতে উঠতে আপনি হয়ত সর্বোচ্চ চেয়ারেও বসতে পারেন। কিন্তু ততক্ষণে দেখবেন, দ্বীন ইসলামের কথা দিয়ে শুরু করলেও শেষে এসে আপনার মধ্যে ইসলামের নাম গন্ধও নেই। অর্থাৎ যে কাফিরদের পলিসি সর্বোচ্চ মানতে পারবে, সেই চেয়ারে সর্বোচ্চ সিটে উঠতে পারবে। মানে চেয়ার থাকবে, কি বাকি অংশ পড়ুন...
(৪) এ যুদ্ধে ইসরাইলের সবচেয়ে বেশি যে ক্ষতি হয়েছে, তা হলো বিশ্বজুড়ে জনসমর্থন হারানো। হামাস নিমূর্লের কথা বললেও হামাস সৈন্যদের কিছুই করতে পারেনি ইসরাইলী বাহিনী। বরং সেই ক্ষোভ মিটিয়েছে তারা সাধারণ বেসামরিক লোকজনের উপর। বিমান হামলা করেছে হাসপাতাল, শরনার্থী শিবির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপসানলয়গুলোর উপর। নির্বিচারে হত্যা করেছে সাধারণ মানুষকে। মাত্র ১ মাসে জীবন কেড়ে নিয়েছে প্রায় ১১ হাজার সাধারণ মানুষের, যার একটি বড় অংশ শিশু। শিশুদের লাশের সেই দৃশ্য পৃথিবীর বহু মানুষকে কাদিয়েছে। বিশ্বজুড়ে ইসরাইলকে সবাই সন্ত্রাসী ও দখলদার বাকি অংশ পড়ুন...
ফিলিস্তিনের মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সংঘর্ষে দখলদার সন্ত্রাসী ইসরাইল বেশ কিছু বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। আজকের আলোচনায় সে সমস্ত আলোচনা করবো।
(১) বিশ্বজুড়ে ইসরাইলের অন্যতম ব্যবসা হচ্ছে, গোয়েন্দা নজরদারি ব্যবস্থার ব্যবসা। ইসরাইলকে বলা হয়, বিশ্বের গোয়েন্দা নজরদারি প্রযুক্তির কেন্দ্রস্থল। বিভিন্ন রাষ্ট্রের কাছে এসব নজরদারি ব্যবস্থা বিক্রির মাধ্যমে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা করে ইসরাইল। কিন্তু গত ৭ই অক্টোবর ইসরাইলে ফিলিস্তিনী মুক্তিযোদ্ধাদের করা হামলায় অনেকটাই প্রশ্নের সম্মুখিন হয়েছে দেশটির নজরদারি প্রযুক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
আসলে ইলমে তাছাওউফের মূল শিক্ষাই হচ্ছে নীতি, নৈতিকতা, আদব বা শিষ্টাচার, ভদ্রতা শেখানো। মানুষের মনকে মন্দ আচরণ থেকে দূরে সরিয়ে ভালো আচরণের মধ্যে নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে পবিত্র করা, এবং সেই পবিত্র অন্তর দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার সান্নিধ্য লাভ করা। তবে এ বিষয়গুলো কোন বই পড়ে লাভ করা যায় না, বরং একজন হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ বা পীর সাহেবের সাহচার্যে থেকে যিকির-ফিকির করতে হয়, মুরাকাবা ও মুজাহাদা করতে হয় এবং ব্যবহারিক জ্ঞান থেকে অর্জন করতে হয়।
ইতিহাস বলে, দ্বীন ইসলামের শুরুর সময় থেকেই মুসলমানদের মধ্যে এই অন্তর পরিশ বাকি অংশ পড়ুন...












