চালের দাম বাড়িয়ে, নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে সে টাকা দিয়ে দেশের মানুষ ফ্লাইওভারে চড়বে, মেট্রোরেলে চড়বে, বড় বড় শপিং মলে গিয়ে চড়া দামে মার্কেট করবে এমনটি দেশের কত পার্সেন্ট মানুষ চেয়েছিলো? না, এটা এদেশের কোটি কোটি সাধারন মানুষরা চায়নি। চেয়েছিলো এদেশের লোভী প্রশাসনের লোকগুলো, চেয়েছিলো মজুদদার ও সিন্ডিকেট ব্যবাসায়ীরা।
গুটিকতক লোকের লোভের করুণ পরিণতি ভোগ করছে আজ দেশের কোটি কোটি মানুষ। তারা এখন আর সঞ্চয় করাতো দূরের কথা, যতটুকু সঞ্চয় ছিলো ততটুকুই ভেঙ্গে খরচ করছেন, যতটুকু কামাই করেন সেটা নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।
দেশের মানুষের সেবা করতে হল বাকি অংশ পড়ুন...
একটি উদাহরণ দিলে বুঝতে সুবিধা হবে। যেমন- মুহম্মদ বিন কাসিম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ভারত বিজয়ের ইতিহাস আমরা অনেকে শুনি। সেই সময় উনার বয়স ছিলো মাত্র ১৭ বছর। এই কথা শুনে আমরা অবাক হই। চিন্তা করি, এত কম বয়সে আমাদের বাচ্চাদের তো হাতে তুলে খাবার খাওয়ায় দিতে হয়, আর সেই সময় উনারা যুদ্ধের সেনাপতি হন কিভাবে?
আসলে এটাই প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম প্রবাহিত জ্ঞান-দক্ষতা তথা শিক্ষা। মুসলমানদের খিলাফত যুগে যুদ্ধের জ্ঞান ও দক্ষতা লাভ সহজলভ্য ছিলো। বাপ-দাদা থেকে প্রাপ্ত যুদ্ধ কৌশল-প্রশিক্ষণ সব পাওয়া। ফলে সেই যুগে ১৭ বছর বয়সে যুদ্ধের সেনাপতি হওয়া অস্ বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা আজ নির্যাতিত। কাফির-মুশরিকরা নানান কায়দায় মুসলমানদের দমন-নিপীড়ন চালাচ্ছে। কাফির মুশরিকদের দেশে মুসলমানরা যেমন নির্যাতিত, তেমনি অনেক মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রেও মুসলমানরা নির্যাতিত। ইতিহাসের পাতায় আমরা পড়ি, একটা সময় সারা বিশ্বে মুসলমানরা নেতৃত্বে ছিলো, জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ সব সেক্টরে ছিলো একচেটিয়া আধিপত্য। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে মুসলমানরা সব হারিয়ে ফেলেছে।
মুসলমানরা কেন নেতৃত্ব-কর্তৃত্ব হারিয়ে ফেললো, এর পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ আছে, এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য কারণ হচ্ছে, মুসলমানরা মুসলমান হিসেবে তার লক্ষ বাকি অংশ পড়ুন...
এটা এখন ওপেন সিক্রেট খবর যে, বাংলাদেশে নামে-বেনামে, বৈধ-অবৈধভাবে লাখ লাখ ভারতীয় অবস্থান করছে। তারা বিভিন্নভাবে নিজেদের দেশে প্রায় হাজার হাজার মিলিয়ন ডলার আমাদের দেশ থেকে পাচার করছে। ভারতের রেমিট্যান্স উৎসের শীর্ষ পাঁচে রয়েছে বাংলাদেশ। এই সংখ্যা শুধু সরকারি হিসাবে। কিন্তু এদেশে ভারতীয় বিধর্মী অবস্থানকারী ও তাদের পাচার করা অর্থের পরিমাণ আরো অনেক বেশি। অথচ বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকার যুবকের সংখ্যা দিনকে দিন বাড়তেছে, কর্মসংস্থান হচ্ছে না।
বাংলাদেশে অনেক খাতে বিশেষ করে গার্মেন্টস সেক্টরে অনেক ভারতীয় কাজ করে, যেখানে কাজ করার মত বাকি অংশ পড়ুন...
সম্ভবত, বাংলাদেশের মৎস নীতি নির্ধারকদের চিন্তাধারা হচ্ছে, নদী সমুদ্র হচ্ছে অনেকটা পুকুরের মত। পুকুরে যেমন মা মাছ না ধরে ডিম পাড়তে দিলে মাছের সংখ্যা বাড়ে, ঠিক তেমন নদী সমুদ্রেও হয়। কিন্তু পুকুর যে একটি নির্দ্দিষ্ট বদ্ধ স্থান, অপরদিকে নদী-সমুদ্র মিলে অসীম পানিরাশি, যা দেশ ছাড়িয়ে এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশেও সংযুক্ত হয়েছে, তারা হয়ত সেটা ভুলে যান। বিশেষজ্ঞরা ধরেই নিচ্ছেন, আমাদের সীমানায় সীমিত কিছু অংশেই ইলিশ ডিম পাড়ছে, কিন্তু আমাদের সীমানার বাইরেও ইলিশের বংশবিস্তারের এলাকা থাকতে পারে এবং সেখান থেকেও তো আমরা ইলিশ পেতে পারি সেটাও বাকি অংশ পড়ুন...
গত ১ দশকে ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধির নামে অনেক নিয়ম কানুন চালু হয়। সেসব নিয়ম-কানুনে ইলিশের সংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে কি তা জানা যায় না, কিন্তু ইলিশ গরীব বা মধ্যবিত্তের পাতে নয়, বরং বড়লোকের পাতে আশ্রয় নেয়।
বর্তমানে বছরে ৩ বার মানে ১২ মাসের মধ্যে ৫ মাসই নদী বা সমুদ্রে ইলিশসহ সকল মাছ ধরা বন্ধ থাকে। যেমন-
১) ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল ২ মাস। নদীতে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরা বন্ধ।
২) ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন। সমুদ্রে ইলিশসহ সকল মাছ বন্ধ ধরা বন্ধ।
৩) ১১ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর ২২ দিন। নদী-সমুদ্রে ইলিশসহ সব মাছ ধরা বন্ধ।
প্রশ্ন হচ্ছে, গত কয়েক বছর যাবত নদ নদী ও বাকি অংশ পড়ুন...
অমুসলিম তথা ইসলামবিদ্বেষীদের একটা বড় ধরনের কুট-কৌশল হলো পবিত্র ইসলামের বিভিন্ন বিষয়গুলোকে বিকৃত করা কটাক্ষ করা ও হেয় করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে লেখালেখির মাধ্যমে প্রকাশ করা। তারই একটা ঘৃণ্য উদাহরণ হলো- উগ্র সন্ত্রাসীদের বইগুলোকে ‘সন্ত্রাসী বই’ বলে না বলে ‘জিহাদী বই’ বলে অপপ্রচার করা।
তাদের এহেন অপপ্রচারের কাারণে সূক্ষ্মভাবে মানুষ পবিত্র ইসলামের অন্যতম বুনিয়াদ জিহাদকে হেয় বা কটাক্ষ করে যাচ্ছে। অথচ খোদ পবিত্র কুরআন শরীফেই অসংখ্য পবিত্র আয়াত শরীফেই জিহাদ করার আদেশ-নির্দেশসমূহ বর্ণিত হয়েছে। তাহলে তো বলতে হয় পবিত্র কুরআ বাকি অংশ পড়ুন...
কিছুদিন আগে ঢাকার একটি মসজিদে নামাযের জন্য যাওয়া হলো। মসজিদে প্রবেশ করতেই আমি অত্যন্ত বিস্মিত হয়ে থমকে দাঁড়ালাম। কিন্তু মসজিদে আসা যাওয়া করা বহু মানুষের কারো মধ্যেই সামান্যতম অস্বাভাবিকতা দেখলাম না। এমনকি মসজিদে দাঁড়ি টুপি এবং লম্বা জামা পরিধান করা লোকদেরও নির্বিঘেœ ও নিশ্চিন্ত মনে আসা-যাওয়া দেখলাম।
হ্যাঁ পাঠক! সবার স্বাভাবিক চলাচলের মাঝেও আমার থমকে যাওয়ার কারণ ছিলো- মসজিদের প্রবেশমুখেই বসানো সিসি ক্যামেরা। কিছুুদিন আগে সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছিলাম- প্রশাসন কথিত সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর অজুহাতে মসজিদে মসজিদে সিসি বাকি অংশ পড়ুন...












