বাংলাদেশে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব দিন দিন জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকিতে পরিণত হচ্ছে। সম্প্রতি গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনা আবারও সেই ভয়াবহ বাস্তবতাকে সামনে এনেছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো-মৃতদের অনেকেই র্যাবিস প্রতিরোধী টিকা নিয়েছিলেন। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনার বাইরে ফার্মেসি থেকে সংগৃহীত টিকা গ্রহণের পরও শেষ পর্যন্ত তাদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনা নতুন প্রশ্ন তুলেছে: টিকা নেয়ার পরও কেন মৃত্যু ঘটছে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে।
প্রথমত, ভ্যাকসিন সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না হলে বাকি অংশ পড়ুন...
বাজারে পাকা আম আসতে শুরু করলেই অনেকেই একসঙ্গে বেশি করে আম কিনে ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই দেখা যায় আম নরম হয়ে যায়, বোঁটার অংশ কালো হয়ে পচে যায়। এমনকি ফ্রিজে রেখেও অনেক সময় আম ভালো থাকে না। তাই পাকা আম সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম জানা খুবই জরুরি।
সঠিক আম বাছাই করুন:
আম সংরক্ষণের প্রথম ধাপ হলো কেনার সময় সতর্ক থাকা। একেবারে বেশি পাকা আম না কিনে হালকা পাক ধরেছে এমন আম বেছে নিন। খুব বেশি নরম আম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়, এমনকি ফ্রিজে রাখলেও ভালো থাকে না। আধা পাকা আম ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে ধীরে ধীরে পাকানো ভালো।
ঘরের তাপমাত্রায় বাকি অংশ পড়ুন...
আটলান্টিক মহাসাগরের রহস্যময় অঞ্চল ‘বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল’ রহস্য কি অবশেষে সমাধান হতে যাচ্ছে? কয়েক দশক ধরে ভূতত্ত্ববিদরা একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলো- চারপাশের সমুদ্রতলের তুলনায় বারমুডা দ্বীপ এত উঁচুতে কেন অবস্থান করছে, যদিও সেখানে থাকা আগ্নেয়গিরিগুলো ৩ কোটিরও বেশি বছর আগে নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। এবার একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছে, তারা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছে, আর সেই রহস্য লুকিয়ে আছে দ্বীপটির গভীর ভূগর্ভে।
নতুন এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছে কার্নেগি সায়েন্স ও ইয়েল ইউনিভার্সিটির ভূকম্পবিদরা। গবেষকদের মতে, বারমুডা এমন এক ধরনের ভূতাত্ত্ বাকি অংশ পড়ুন...
পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো হাইড্রোজেন গ্যাস সহজে ও দক্ষতার সঙ্গে সংরক্ষণ করা। এই সমস্যার সমাধানে নতুন এক ধরনের ব্যাটারি উদ্ভাবন করেছে চীনা গবেষকরা। গ্যাস-সলিড হাইড্রাইড আয়ন নামের এই ব্যাটারি একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও হাইড্রোজেন সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
সাধারণত ব্যাটারিতে লিথিয়াম বা অন্যান্য পরিচিত উপাদান ব্যবহার করা হলেও, এই নতুন ব্যাটারি চলে ‘হাইড্রাইড আয়ন’-এর মাধ্যমে। এগুলো মূলত বাড়তি ইলেকট্রনযুক্ত হাইড্রোজেন আয়ন। অত্যন্ত শক্তিশালী হলেও সাধারণ অবস্থায় এই আয়নগুলো বেশ অস্থির থাকে, যা সরাসরি ব্যাটারিতে ব বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি ব্যারাজ নির্মাণ করতে যাচ্ছে সরকার। প্রকল্পটি আগামী সাত বছরে নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।
'পদ্মা ব্যারাজ' এর প্রাথমিক লক্ষ্য দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মৃতপ্রায় পাঁচটি নদী পুনর্জীবিত করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীগুলোর আশপাশের ২৪টি জেলার পানিসংকট নিরসন হবে।
ব্যারাজ কী?
ব্যারাজ হলো পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে নদীর ওপর আড়াআড়িভাবে নির্মিত বিশেষ একটি অবকাঠামো।
বাঁধ (ড্যাম) -এর সঙ্গে এর বড় পার্থক্যের জায়গা হলো বাঁধের মাধ্যমে নদীর পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দ বাকি অংশ পড়ুন...
আইন ও নীতি তৈরীতে সরকারের উপর চাপ:
শিশুদের নিয়ন্ত্রণে নিতে ও তাদের মতো গড়ে তুলতে আইন প্রণয়ণেও সরকারকে বাধ্য করে। এটি সরকারের মধ্যে প্যারালাল সরকার হিসেবে কাজ করে। যেমন, সম্প্রতি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে ইউনিসেফের সোশ্যাল পলিসি ম্যানেজার হাসিনা বেগমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎতের পর সংবাদ মাধ্যমে বলেছে, “শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সুরক্ষাসহ ১০টি অগ্রাধিকারমূলক অধিকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করতে তারা সক্ষম হয়েছে।” (দৈনিক কালবেলা, ০৭ মে বাকি অংশ পড়ুন...
গত ২১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সোনাইছড়িতে এসএন করপোরেশনের গ্রিন-সার্টিফায়েড ইয়ার্ডে ভেড়ানো হয়েছে বিশে^র অন্যতম বৃহৎ এই সেমি-সাবমার্সিবল বার্জ। বিশাল এই কাঠামোটি প্রায় ২ কোটি ডলার ব্যয়ে আমদানিকৃত।
দূর থেকে দেখলে একে জাহাজ বলে মনেই হয় না। নিজের ইচ্ছামতো পানিতে ডুবে যেতে পারে এটি, সমুদ্রের বুক থেকে তুলে নিতে পারে বিশাল আকারের সব স্থাপনা।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জাহাজ পুনর্ব্যবহার (শিপ রিসাইক্লিং) খাতে এটি অন্যতম সংযোজন।
২০১৯ সালে সিঙ্গাপুরে নির্মিত হয় বার্জটি। অফশোর ড্রিলিং রিগ পরিবহনের জন্য এটি বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছিল। এর সবচ বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকে এ অঞ্চলের মুসলমানদের ঈমানী দুর্বলতা বা মূলধারার মুসলমান নয়-এমন ধারণা বোঝাতে “গরু খাওয়া মুসলমান”নামে একটি তাচ্ছিল্যসূচক বাক্য ব্যবহার করে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বাক্যটির ব্যাপক প্রচলন ঘটানোরও চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা বোঝাতে চায়, গরুর গোশত খাওয়ার মতো একটি সাধারণ বিষয়কে এ অঞ্চলের মুসলমানরা ঈমানের শর্ত মনে করে; সুতরাং তারা নি¤œশ্রেণির মুসলমান। (নাউযুবিল্লাহ)
মূলত বিষয়টি এমন নয়। আমাদের এ অঞ্চলে যেহেতু হিন্দু মুশরিকদের বসবাস রয়েছে এবং তারা গরুর গোশত খাওয়ার বিরোধী, অপরদিকে মুসলমানরা গরুর গোশত খায়-তাই গরুর গোশ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ১১৮ নং আয়াত শরীফে স্পষ্ট সতর্কবাণী: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুসলমান ছাড়া অন্যদেরকে বন্ধু বা উপদেষ্টা হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের ক্ষতি করতে কোনো ত্রুটি করে না।”
জিএমও খাদ্য ও বীজ ঠিক এই ক্ষতির নতুন রূপ। বহুজাতিক কর্পোরেট (মনসান্টো-সিনজেন্টার মতো) কাফিরদের হাতিয়ার- যা খাদ্যের নামে মুসলিম জাতিকে পরাধীন করার ষড়যন্ত্র।
এই প্রযুক্তি প্রাকৃতিক বীজ ধ্বংস করে কৃষককে প্রতি মৌসুমে কোম্পানির বীজ কিনতে বাধ্য করে। জিন ফ্লো ও আউট-ক্রসিংয়ের মাধ্যমে দেশীয় ফসল দূষিত হয়। স্বাস্থ্যঝুঁকি অস্বী বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানগণ নিজেদের অধিকার হতে আর কতদিন নিজেরা বঞ্চিত হবেন?
বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ^রী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে যা ঘটেছে, তা কেবল একটি স্থানীয় ঘটনা নয় - এটি একটি জাতীয় প্রশ্ন, একটি সাংবিধানিক সংকট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকারের উপর এক ন্যাক্কারজনক আঘাত।
২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, ডাকনীরপাঠ এলাকায় মুসলমানের সংখ্যা ২৬৪১ জন, অর্থাৎ প্রায় ৯৭ শতাংশেরও বেশি। সেখানে হিন্দু জনসংখ্যা মাত্র ৭৫ জন, অর্থাৎ ২.৭৬ শতাংশ। অথচ এই বিশাল মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায়, মুসলমানদের নিজের মালিকা বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিটি পরিবারেরই কিছু না কিছু সম্পদ থাকে। নেক কাজ করতে হলে এবং পরিবারের সকলের হক্ব আদায় করতে হলে বিভিন্ন ধরণের সম্পদ আমাদের ব্যবহার করতে হয়। এই সম্পদ দ্বারাই পরিবার সুষ্ঠু, সুন্দর এবং স্বাভাবিক জীবন প্রবাহের মধ্য দিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। একটি পরিবারের সর্বাপেক্ষা বড় সম্পদ হচ্ছে মানুষ এবং এই মানব সম্পদ অপরাপর বস্তুগত সম্পদ অর্জনের অন্যতম উছিলা হিসাবে কাজ করে।
অনেকের অর্থ, জমিজমা, বাড়ি-ঘর নাও থাকতে পারে, কিন্তু একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব, শিক্ষা, কর্মদক্ষতা, সময় ও শক্তি ইত্যাদি দ্বারা অর্থ সংগ্রহের পথ সুপ্রশস্ত হয় বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দ্বীন ইসলাম এবং এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলিম জনতার আবেগ-অনুভূতির কেন্দ্রবিন্দু 'ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়' (ইবি)-এর নাম পরিবর্তন করে ‘ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণের যে ন্যাক্কারজনক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়; বরং এটি এদেশের মুসলিম পরিচয়ের ওপর এক ভয়াবহ আঘাত। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ক্ষমতার মসনদে বসে তথাকথিত গণতান্ত্রিক সরকার মাত্র দুই মাসেই এমন মুসলিম বিদ্বেষী ও হিন্দুত্ববাদী এক এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেমেছে, যা সরাসরি এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দ্বীনি চেতনার পরিপন্থী।
ইসলামী বিশ্বব বাকি অংশ পড়ুন...












