বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে সাম্প্রতিক জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তিটি দেশের সচেতন নাগরিকদের মনে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে একে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বা উন্নয়নের অংশীদারিত্ব বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, ভেতরের রূপটি অত্যন্ত কুৎসিত এবং জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী। এই অসম চুক্তির মাধ্যমে কার্যত বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে একচেটিয়াভাবে মার্কিন বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে যা দেশের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ওপর এক বড় আঘাত।
একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের জ্বা বাকি অংশ পড়ুন...
একটি দেশে সিজারের স্বাভাবিক হার কম হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক স্থানে এই হার ৮০ শতাংশেরও বেশি ছড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে শহরকেন্দ্রিক হাসপাতাল ব্যবস্থার কারণে গত দশকে সিজারের হার প্রায় ৫০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি শুধু চিকিৎসা পরিবর্তন নয়, বরং একটি সামাজিক ও কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রতিচ্ছবি। এই পরিবর্তনের প্রভাব শুধু সংখ্যা নয়, এটি শরীর ও ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের সাথে সম্পর্কিত। অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনীয় সিজার অনেক ক্ষেত্রে মায়ের স্বাভাবিক শারীরিক সক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে শরীরের স্বাভাবিক পুনরুদ্ধার প বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কেবল তার সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীদের ওপর নির্ভর করে না, বরং নির্ভর করে তার অভ্যন্তরীণ সংহতি ও শত্রুচক্রের গোপন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করার সক্ষমতার ওপর। ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই বাংলাদেশ আজ এমন এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি, যেখানে উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার আড়ালে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভাড়াটে গুপ্তচররা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের মোসাদ, আমেরিকার সিআইএ এবং ভারতের ‘র’-এর মতো সংস্থাসমূহ এদেশের কিছু উচ্চাভিলাষী ও দেশদ্রোহী ব্যক্তিকে ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় কাঠামো বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছেন- “ইলিম বা জ্ঞান অর্জন ফরজ”। একজন আলেম বা জ্ঞানী ব্যক্তি কারো অন্ধ অনুকরণ করেননা। একজন আলেম বা জ্ঞানী ব্যক্তি চিনেন, কে বা কারা মুসলমানদের শত্রু আর কে বন্ধু। তাই হুজুগে বা অপপ্রচারে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়ার নাম জ্ঞান নয়।
জিএমও-এর পেছনে যতই “উন্নয়নের” কথা বলা হোক, বাস্তবতা হলো ইহুদি নিয়ন্ত্রণ ও ধ্বংস। বাংলাদেশের মতো দেশে এটি চালু করা মানে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বিষ খাওয়ানো।
কোনো প্রযুক্তি যদি কৃষককে ইহুদি কাফিরদের গোলাম বানায়, বীজ বৈচিত্র্য ধ্বংস করে, পরিবেশ বিষাক্ত করে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ায়-তবে তা প্রত্যা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের সংবিধানে যেমন দ্বীনি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে তেমনি প্রত্যেক নাগরিকের খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতি রক্ষার অধিকারও স্বীকৃত। কিন্তু সাম্প্রতিককালে পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, একদল উগ্রবাদী গোষ্ঠী সুপরিকল্পিতভাবে এ দেশের সংখ্যাগুরু মুসলিম জনগোষ্ঠীর দ্বীনি রীতি এবং খাদ্যাভ্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ কুরবানি ও গরুর গোশত খাওয়াকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র কেবল খাদ্যের বিরুদ্ধে নয়, বরং এটি এ দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা ও দ্বীনি সার্বভৌমত্বের ওপর এক সুগভীর আঘাত।
ষড়যন্ত্রের স্বরূপ:
বিগত কয়েক মাস ধরে স বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন: “মুসলমান উনাদের সবচেয়ে তীব্র শত্রু হচ্ছে ইহুদিরা ও মুশরিকরা। (পবিত্র সূরা মায়িদা : আয়াত শরীফ নং- ৮২)”
আজকের বাস্তবতা এই পবিত্র আয়াত শরীফের প্রমাণ। খাদ্যের আড়ালে জিএমও হলো নতুন উপনিবেশবাদ। একসময় নীলচাষ করে বাংলাকে ধ্বংস করেছিল, বর্তমানে জিএম বীজ দিয়ে একই ষড়যন্ত্র। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদি-মুশরিকরা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ধোঁকা দিয়ে বিষ পান করিয়ে ছিল। যার ফলে তিনি শাহাদতী শান মুব বাকি অংশ পড়ুন...
একটি দৃশ্য কল্পনা করুন। একজন সন্তানসম্ভাবা মা, যিনি সম্পূর্ণ সুস্থ, যার শরীর প্রস্তুত, শিশুর অবস্থান স্বাভাবিক, পুরো চিকিৎসা প্রতিবেদন স্বাভাবিক। পরিবার অপেক্ষায় আছে একটি স্বাভাবিকভাবে সন্তান লাভের। কিন্তু’ চিকিৎসা কক্ষে কিছু সময় পর্যবেক্ষণের পর জানানো হলো, স্বাভাবিক প্রসব ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তাই অস্ত্রপচারই সবচেয়ে নিরাপদ পথ। মুহূর্তের মধ্যে সিদ্ধান্ত, ভয়, এবং চাপ একসাথে মিশে যায়। সিদ্ধান্তটা একসময় ছিল স্বাভাবিক চিকিৎসা আলোচনার অংশ, তা মুহূর্তেই পরিণত হয় জরুরি মানসিক চাপের সিদ্ধান্তে।
এই প্রশ্ন এখানেই শেষ হয় না। এটা বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসের পাতায় কিছু তারিখ কেবল দিনপঞ্জির অংশ থাকে না, বরং তা হয়ে ওঠে জাতিগত পরিচয়, আত্মত্যাগ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার প্রতীক। বসনিয়ার মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য তেমনি একটি দিন হলো '৭ই মে'। ১৯৯২ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত বলকান অঞ্চলে চলা ভয়াবহ যুদ্ধে বসনিয়ান মুসলিমদের (বোশনিয়াক) ওপর যে পরিকল্পিত নিধনযজ্ঞ চালানো হয়েছিল, তার একটি নির্মম অংশ ছিল তাদের দ্বীনি ও তামুদ্দনিক অস্তিত্ব মুছে ফেলার চেষ্টা। আজ যখন বসনিয়ার মসজিদ দিবস' পালন করা হচ্ছে, তখন সেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া ইতিহাসকে পুনরায় পাঠ করা প্রয়োজন।
তামুদ্দনিক গণহত্য বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ রাসূলুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন,, “যে ব্যক্তি মুসলিমদের ক্ষতি করে, সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।” জিএমও ঠিক তাই-মুসলিম জাতির স্বাস্থ্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও কৃষি স্বাধীনতার ওপর আঘাত। গোল্ডেন রাইস, বিটি বেগুনের নামে যে পরীক্ষা চলছে, তা দরিদ্র মুসলিম দেশকে ল্যাবরেটরি বানানোর ষড়যন্ত্র।
কৃষক একবার জিএম বীজে আসক্ত হলে আর ফিরতে পারবে না। বীজের মালিকানা হারিয়ে কৃষক ইহুদি কর্পোরেট কোম্পানীর দাসে পরিণত হয়। পরিবেশে জিন দূষণ, মাটির উর্বরতা নষ্ট, বায়োডা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব দিন দিন জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকিতে পরিণত হচ্ছে। সম্প্রতি গাইবান্ধায় কুকুরের কামড়ে পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনা আবারও সেই ভয়াবহ বাস্তবতাকে সামনে এনেছে। উদ্বেগজনক বিষয় হলো-মৃতদের অনেকেই র্যাবিস প্রতিরোধী টিকা নিয়েছিলেন। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনার বাইরে ফার্মেসি থেকে সংগৃহীত টিকা গ্রহণের পরও শেষ পর্যন্ত তাদের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
এই ঘটনা নতুন প্রশ্ন তুলেছে: টিকা নেয়ার পরও কেন মৃত্যু ঘটছে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে।
প্রথমত, ভ্যাকসিন সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না হলে বাকি অংশ পড়ুন...
বাজারে পাকা আম আসতে শুরু করলেই অনেকেই একসঙ্গে বেশি করে আম কিনে ফ্রিজে রেখে দেন। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই দেখা যায় আম নরম হয়ে যায়, বোঁটার অংশ কালো হয়ে পচে যায়। এমনকি ফ্রিজে রেখেও অনেক সময় আম ভালো থাকে না। তাই পাকা আম সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম জানা খুবই জরুরি।
সঠিক আম বাছাই করুন:
আম সংরক্ষণের প্রথম ধাপ হলো কেনার সময় সতর্ক থাকা। একেবারে বেশি পাকা আম না কিনে হালকা পাক ধরেছে এমন আম বেছে নিন। খুব বেশি নরম আম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়, এমনকি ফ্রিজে রাখলেও ভালো থাকে না। আধা পাকা আম ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে ধীরে ধীরে পাকানো ভালো।
ঘরের তাপমাত্রায় বাকি অংশ পড়ুন...
আটলান্টিক মহাসাগরের রহস্যময় অঞ্চল ‘বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল’ রহস্য কি অবশেষে সমাধান হতে যাচ্ছে? কয়েক দশক ধরে ভূতত্ত্ববিদরা একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলো- চারপাশের সমুদ্রতলের তুলনায় বারমুডা দ্বীপ এত উঁচুতে কেন অবস্থান করছে, যদিও সেখানে থাকা আগ্নেয়গিরিগুলো ৩ কোটিরও বেশি বছর আগে নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। এবার একদল বিজ্ঞানী দাবি করেছে, তারা এর উত্তর খুঁজে পেয়েছে, আর সেই রহস্য লুকিয়ে আছে দ্বীপটির গভীর ভূগর্ভে।
নতুন এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছে কার্নেগি সায়েন্স ও ইয়েল ইউনিভার্সিটির ভূকম্পবিদরা। গবেষকদের মতে, বারমুডা এমন এক ধরনের ভূতাত্ত্ বাকি অংশ পড়ুন...












