যখন অন্যায়কে মানুষ অন্যায় মনে করে না তখন। যখন পাপ করে মানুষ গর্ব করে তখন। তাদের কিন্তু মুসলিম নাম, খোঁজ নিলে হয়তো দেখাও যাবে মা-বাবা নামাজী। কিন্তু সন্তান যে ইসলাম থেকেই বের হয়ে যাচ্ছে সেদিকে তার বা তার পরিবারের কারোরই খেয়াল নেই।
এজন্য আল্লাহ পাক কুরআন শরীফে বলে দিয়েছেন- “তাদের রয়েছে অন্তর, তা দ্বারা তারা বুঝে না; তাদের রয়েছে চোখ, তা দ্বারা তারা দেখে না এবং তাদের রয়েছে কান, তা দ্বারা তারা শুনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তারা অধিক পথভ্রষ্ট। তারাই হচ্ছে গাফেল। ” (পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ -১৭৯)
কোনো হারামকে হাল বাকি অংশ পড়ুন...
বিধর্মীরা মুসলমানদের চিরশত্রু। তারা মুসলমানদের ঈমানের ক্ষতি, আমলের ক্ষতি, জান-মাল, ইজ্জত-আবরুর ক্ষতি করতে চায়, মুসলমানদের বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে চায়, মুসলমানদের দেশগুলো একের পর এক দখল করতে চায়, তাই তারা মুসলমানদের উপর নানাভাবে যুলুম-অত্যাচার, নির্যাতন নিপীড়ন চালায়। মুসলমানদের দেশ দখলের হীন চক্রান্তে তারা লিপ্ত থাকে। তার জ্বলন্ত প্রমাণ হলো পরগাছা ইসরাইল।
ইরানের পারমানবিক স্থাপনাকে ধ্বংসের অজুহাত দিয়ে গত ১৩ জুন তারা ইরানের উপরও আক্রমণ করেছে। আর মার্কিনিরা তাদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ দিয়ে সহায়তা করছে। নাউযুবিল্লাহ! ইরান বাকি অংশ পড়ুন...
বিধর্মীরা মুসলমানদের চিরশত্রু । তারা মুসলমানদের ঈমানের ক্ষতি, আমলের ক্ষতি, জান-মাল, ইজ্জত-আব্রুর ক্ষতি করতে চায়, মুসলমানদের বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে চায়, মুসলমানদের দেশগুলো একের পর এক দখল করতে চায়, তাই তারা মুসলমানদের উপর নানাভাবে যুলুম-অত্যাচার, নির্যাতন নিপীড়ন চালায়। মুসলমানদের দেশ দখলের হীন চক্রান্তে তারা লিপ্ত থাকে। তার জলন্ত প্রমান হলো পরগাছা ইসরাইল।
গাজা উপত্যাকাকে দখল করার মানসে ইসরাইল গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, প্রায়ই ৭০ হাজার মুসলমানকে শহীদ করেছে নাউযুবিল্লাহ! তার মধ্যে শিশু, বৃদ্ধ, নারীও রয়েছে। স্কুল, কল বাকি অংশ পড়ুন...
বিধর্মীরা মুসলমানদের চিরশত্রু। মুসলমানদের ঈমানের ক্ষতি, আমলের ক্ষতি, জান-মাল, ইজ্জত-আব্রু উনার ক্ষতি করতে চায়, মুসলমানদের তাদের বসত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করতে চায়, মুসলমানদের দেশগুলো একের পর এক দখল করতে চায়, মুসলমানদের ধর্মান্তর করে নিজেদের ধর্মে দীক্ষিত করতে চায়, মুসলমানদের দেশে নিজেদের অপকৃষ্টি কালচারকে চাপিয়ে দিতে চায়, মুসলমানদের জ্ঞান-বিজ্ঞান চুরি করে নিজেদের নামে চাপিয়ে দেয়, মুসলমান জ্ঞান-বিজ্ঞানীদের নাম বিকৃতি করে,মুসলমানদের সংখ্যা হ্রাস করার জন্যেই তার তাদের দেশ জন্ম নিয়ন্ত্রনকে চাপিয়ে দেয়। তাই তারা মুসলমানদের উপর না বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিন মুসলমানদেরকে সতর্ক করে দিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন, “অবশ্যই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী ও মুশরিকদেরকে। ” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
প্রাচীনকাল তথা অন্ধকার যুগের অসভ্যতা থেকে আমরা ক্রমেই সভ্য হচ্ছি, এটা অধুনাবাদীদের ভাষ্য। পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণ আমাদেরকে আধুনিক আর সভ্য করছে- এটাও সভ্য মানুষের ভাষ্য, “যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়”। এই কথা “যুগের” স্থলে “শয়তানের” বললে মন্দ কি? কে কত সভ্য আর সম্মানিত তা নির্ণয় করা হয় কে কত পশ্চিমা অর্থাৎ ইহুদী-মুশরিকও নাছারাদের অনুসা বাকি অংশ পড়ুন...
হানাদার দখলদার সন্ত্রাসী ইসরাইল ও ইহুদী মালিকানা ও পরিচালনায় যাবতীয় কোম্পানীর পণ্য বর্জনের জন্য গাজার মুসলমানদের রক্তে রঞ্জিত পণ্যসমূহ চিনে নেই-
১. পানীয়:
কোকা-কোলা:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোমল পানীয় প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, যা ইসরায়েলে ব্যবসা পরিচালনা করে।
পেপসি:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, যা ইসরায়েলে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
স্প্রাইট:
কোকা-কোলা কোম্পানির একটি ব্র্যান্ড।
ফ্যান্টা:
কোকা-কোলা কোম্পানির একটি ব্র্যান্ড।
-মুহম্মদ মুশফিকুর রহমান।
বাকি অংশ পড়ুন...
শুধু কেবল রাজধানী ঢাকা বা অন্যান্য, জেলা শহরগুলোতেই নয়, এখন প্রায় প্রতিটি গ্রামেই ছোটবড় বিভিন্ন রকম সমিতি, সংগঠন দেখা যায়। যেমন- ....যুব কল্যাণ সমিতি, .... সামাজিক সংস্কৃতি পরিষদ, .... সমাজ কল্যাণ সমিতি -এরকম আরো নানারকম নামের সংগঠন এখন চোখে পড়ার মতো করে বাড়ছে। এসব সমিতি, সংগঠনগুলোর দাবি তারা সমাজের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে সামাজিক কল্যাণে ও মানুষের উপকারার্থে কাজ করছে।
অথচ এসব সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত যুব সমাজকে কখনো এর মাধ্যমে ইসলাম ও মুসলমানদের কল্যাণে কাজ করতে দেখা যায় না। অর্থাৎ এরা ইসলামের জন্য ও মুসলমানদের কল্যাণের জন্য তারা কোনো স বাকি অংশ পড়ুন...
বিধর্মী বিজাতী ইহুদী মুশরিকরা কোন কালে কখনোই সভ্য মুসলমানদের বন্ধু ছিলো না, বন্ধু হতে পারে না। এই বিষয়টি পবিত্র কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ উনাদের মাঝে বিশদভাবে অত্যন্ত পরিষ্কার ভাষায় বলে দেয়া হয়েছে। তারপরও দ্বীন ইসলাম হতে বিমুখ হয়ে পড়া মুসলমান নামধারীরা এই সকল বিধর্মী বিজাতী মুশরিকদেরকে ভালো মনে করে বন্ধুত্ব পেতে বার বার ধোকা প্রতারনার শিকার হয়েছে। ইতিহাসের পাতায় পাতায় এর নজির প্রচুর রয়েছে।
আজ এই প্রসঙ্গে নিকট ইতিহাসের বাংলা পুঁথিসাহিত্যের অন্যতম জনক, আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের বক্তব্য শুনবো। তার জীবন চরিত এর মধ্যে উ বাকি অংশ পড়ুন...
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)কে সবাই ওষুধের মান নির্ণায়ক হিসেবে মনে করে। কিন্তু ‘হু’র কার্যক্রমই বিশ্বজুড়ে বিতর্কিত। সংস্থাটি মূলত পশ্চিমাদের সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১৯৮৭ সালে মার্কিন হেলথ ফেডারেশনের এক কনফারেন্সে বিষয়টিকে উন্মুক্ত করে বক্তারা বলেছিল, “আফ্রিকাকে এইডস দিয়ে ধ্বংস করার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাই দায়ী। ” তাদের দাবি, “এইচআইভি ভাইরাস ভাইরাসবিশেষজ্ঞ কর্তৃক (বানর থেকে পাওয়া) রূপান্তরিত হাইব্রিড ভাইরাস, যা সাব সাহারান আফ্রিকান দেশগুলোতে ছড়িয়ে দেয়া হয় ভ্যাকসিনেশনের মাধ্যমে (বিশ্ব স বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে সমাজ পরিবারকে প্রচলিত গান বাজনা এমন এক কঠিন ব্যাধী হিসেবে আক্রান্ত করেছে যে, এর থেকে মুক্ত কে বা কারা তা নির্ণয় করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। কেউ গান করছে, কেউবা গান শুনছে, কেউবা গানের শো আয়োজন করছে, আবার কেউ গানের ব্যবসা করছে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! অর্থাৎ গান শুনাটা বর্তমান সমাজে অন্যতম একটি বিনোদনের তথাকথিত মাধ্যম হয়েছে। অথচ গান বাজনা সম্পর্কে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কঠোর হুশিয়ার বানী এসেছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-’ আমি গান বাদ্য ও মূর্তি ছবি ধ্বংস করার জন্য প্রেরীত হয়েছি। ’ সুবহানাল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরবানীতে রাজধানীতে পশুর হাট এ বছর আরও কমানো হয়েছে। নিরাপত্তা, যানজট ইত্যাদির অজুহাতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ও বড় বড় হাটগুলো ঢাকার দূরবর্তী অঞ্চলে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এসব মূলত ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়।
স্মরণ রাখতে হবে, পশুর হাট অন্যত্র সরিয়ে নেয়া বা হাটের সংখ্যা কমিয়ে দেয়ার কারণে মানুষের ভোগান্তি বাড়বে, যানজট আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করবে, নিরাপত্তাজনিত হুমকি আরো বাড়বে বৈ কমবে না। এটা একটা সাধারণ সমঝদার মানুষের পক্ষেও উপলব্ধি করা কঠিন নয়।
এসব ছাড়াও কুরবানীর হাটের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে সেখানে চাহিদার তুলনায় পশু সঙ্কট দেখা বাকি অংশ পড়ুন...












