রিসাইক্লিংয়ের জন্য চট্টগ্রামে পৌঁছাল বিশে^র অন্যতম বৃহৎ বার্জ
, ২৮ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৭ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৭ মে, ২০২৬ খ্রি:, ০৩ জৈষ্ঠ্য, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) আপনাদের মতামত
গত ২১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সোনাইছড়িতে এসএন করপোরেশনের গ্রিন-সার্টিফায়েড ইয়ার্ডে ভেড়ানো হয়েছে বিশে^র অন্যতম বৃহৎ এই সেমি-সাবমার্সিবল বার্জ। বিশাল এই কাঠামোটি প্রায় ২ কোটি ডলার ব্যয়ে আমদানিকৃত।
দূর থেকে দেখলে একে জাহাজ বলে মনেই হয় না। নিজের ইচ্ছামতো পানিতে ডুবে যেতে পারে এটি, সমুদ্রের বুক থেকে তুলে নিতে পারে বিশাল আকারের সব স্থাপনা।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জাহাজ পুনর্ব্যবহার (শিপ রিসাইক্লিং) খাতে এটি অন্যতম সংযোজন।
২০১৯ সালে সিঙ্গাপুরে নির্মিত হয় বার্জটি। অফশোর ড্রিলিং রিগ পরিবহনের জন্য এটি বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছিল। এর সবচেয়ে চমকপ্রদ বৈশিষ্ট্য হলো- এটি পানির নিচে প্রায় ৩৩ মিটার পর্যন্ত ডুবে যেতে পারে। এই অর্ধ-নিমজ্জিত অবস্থায় এটি ৬৫ হাজার টন ওজনের রিগ বা জাহাজ নিজের ওপর তুলে নিয়ে অনায়াসেই ভেসে উঠতে পারে।
২২০.৮ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭৯ মিটার প্রস্থের এই বার্জটি পাশাপাশি রাখা দুটি মাঠের চেয়েও বড়। এর 'লাইট ডিসপ্লেসমেন্ট' প্রায় ৪৯ হাজার ৪৫৫ মেট্রিক টন, যা বাংলাদেশের ইয়ার্ডে আসা এ যাবতকালের অন্যতম ভারী কাঠামো।
বাইরে থেকে এটিকে একটি সমতল ডেক ও বাক্স আকৃতির মতো মনে হলেও এর প্রকৃত শক্তি চার কোণে দাঁড়িয়ে থাকা চারটি বিশাল টাওয়ার। প্রায় ১৮ তলা ভবনের সমান উঁচু (৬০ মিটার) এই টাওয়ারগুলো পানির নিচে নিমজ্জিত হওয়ার সময় বার্জটির স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। টাওয়ারগুলোর ভেতরেই রয়েছে ক্রুদের থাকা-খাওয়া, কর্মক্ষেত্র।
সাধারণ বার্জের সঙ্গে এর বড় পার্থক্য হলো- এর নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা। এতে থাকা দুটি প্রধান জেনারেটরের প্রতিটি প্রায় ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম। এর সঙ্গে যুক্ত আছে উচ্চক্ষমতার অল্টারনেটর এবং ব্যাকআপ হিসেবে একটি ক্যাটারপিলার হারবার জেনারেটর।
এসএন করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বরকত উল্লাহ জানান, জাহাজটিতে থাকা ভারী যন্ত্রপাতি, পাম্প ও জেনারেটরসহ অনেক উপাদানই পুনরায় ব্যবহারের উপযোগী। বিশেষ করে এর ২৫ মিমি থেকে ১০৮ মিমি পুরুত্বের স্টিল প্লেটগুলো অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি বলেন, 'এত পুরু প্লেট দেশে সচরাচর পাওয়া যায় না। এগুলো স্থানীয় শিল্পে ব্যবহারের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানি করাও সম্ভব।'
বিচিং অপারেশন পরিচালনা করা অভিজ্ঞ পাইলট ক্যাপ্টেন আনাম চৌধুরী বলেন, বাণিজ্যিকভাবে অকার্যকর হয়ে পড়ায় এটি সেকেন্ড হ্যান্ড বাজার হয়ে বাংলাদেশে এসেছে।
দেশের জাহাজ পুনর্ব্যবহার খাত প্রতি বছর গড়ে ১৫০ থেকে ২০০টি জাহাজ ভেঙে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন করে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
হে উন্মাদের দলেরা! খেলাচ্ছ্বলে তোমরা কাদেরকে সমর্থন দিচ্ছো ও মহব্বত করছো দেখে নাও; তোমাদের হাশর নশর কাদের সাথে হতে যাচ্ছে তাও বুঝে নাও!
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশ সরকারের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪’- এ গরু-ছাগল-মহিষের গোশত আমদানি নিষিদ্ধ। প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব জানে না, অধিদপ্তরের ট্রেড পরিচালক জানে না- অথচ ভারত সরকারী-বেসরকারীভাবে জানে- ভারতের পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়-
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুনশী মুহম্মদ মেহেরুল্লাহ সাহেব উনার ঈমানী লড়াই এবং আজকের প্রেক্ষাপট
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৮)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
১০০০ নতুন সেনাক্যাম্প স্থাপনের কৌশলগত অপরিহার্যতা (২)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১২)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত প্রতিরক্ষা রূপরেখা (২)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত প্রতিরক্ষা রূপরেখা (১)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারী জামাতীরা কী মনে করে? বেহেশতে- যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবেই দুনিয়াতেই হারাম মদের সাথে সম্পৃক্ত থাকা উচিত! নাউযুবিল্লাহ। বিএনপির ভাষায় জামাত মুনাফেক। জাহান্নামের নি¤œস্তরের বাসিন্দা মুনাফিকরা- ভোটের বিনিময়ে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে তারা যে সত্যিই বড় মুনাফেক, তাই প্রমাণ করছে। মাতালদের পক্ষেই সম্ভব ভোটের বিনিময়ে জান্নাতের টিকিট বেচা।
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে কী পাচ্ছি আমরা? - আকসা ও জিসোমিয়া চুক্তি প্রত্যাখ্যান করুন
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের ইজারা দিলে বাংলাদেশ যে সমস্ত গুরুতর হুমকিতে পড়বে
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
উত্তরাঞ্চলে এক ভয়ংকর চক্রান্ত ও আলেম সমাজের নীরবতা
১০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












