দেশের আবহমান বাংলার গ্রামে-গঞ্জে এক সময় উঁচু তালগাছে বাবুই পাখিদের দৃষ্টিনন্দন বাসা প্রচুর পরিমাণে দেখা যেত। কালের বিবর্তনে, পরিবেশের বিপর্যয়ে এবং তালগাছ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় বর্তমান সময়ে তাদের শৈল্পিক বাসা হারিয়ে যেতে বসেছে। এখন আর গ্রামেগঞ্জে খুব একটা শোনা যায় না বাবুই পাখিদের কলরব আর কিচির-মিচির শব্দ।
সারা দেশের মতো মৌলভীবাজারেও ক্রমশ কমছে তালগাছের সংখ্যা, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে কমছে বাবুই পাখি ও তাদের শৈল্পিক বাসা। তবে এখনও যে পরিমাণ বাবুই পাখি এ জেলায় টিকে রয়েছে সে তুলনায় তালগাছ আর অবশিষ্ট নেই। ফলে তালগাছের সঙ্ক বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু বাইরের আগ্রাসন নয় - সবচেয়ে বড় শত্রু সেই বিষধর সাপ, যে রাষ্ট্রের বুকে লুকিয়ে থেকে ফণা তোলে। ইসরায়েলের মোসাদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র - এই তিনটি বিদেশি সন্ত্রাসী গোয়েন্দা সংস্থার দেশীয় চর বা এজেন্টরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সক্রিয় রয়েছে বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বারবার উঠে এসেছে। এটি কোনো কল্পনা নয়, এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি বাস্তব ও তাৎক্ষণিক হুমকি।
গোয়েন্দা অনুপ্রবেশের স্বরূপ :
বিশ্বের প্রতিটি দেশেই বিদেশি গোয়েন্দা সং বাকি অংশ পড়ুন...
যুগ যুগ ধরে এদেশের মুসলিম জনতা যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য লালন করে আসছে, তার সুযোগ নিয়ে একদল উগ্রবাদী অপশক্তি যখন আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত ও ঈমান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, তখন সেই ষড়যন্ত্রের জাল উন্মোচন করাই ছিল সময়ের দাবি। ফাইট এগেইন্স হিন্দুত্ব (এফএএইচ) টিমের অ্যাডমিন নিম আহমেদ সেই দুঃসাহসিক কাজটিই করছিলেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে উল্টো সত্যের সোলজার নিম আহমেদের বাড়িতে ডিবি হানা দেওয়ার খবর আমাদের স্তম্ভিত করেছে।
মুসলিম তরুণীদের টার্গেট করে ভারতের উগ্র হিন্দুত্বব বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মাটি থেকে উৎসারিত বিষাক্ত হিন্দুত্ববাদের দাবানল এখন সীমান্ত পেরিয়ে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের আকাশকেও কলুষিত করতে উদ্যত হয়েছে। উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো একদিকে যখন ‘লাভ জিহাদ’-এর কাল্পনিক জুজু ছড়িয়ে মুসলিমদের কোণঠাসা করার নীল নকশা বাস্তবায়ন করছে, অন্যদিকে তারা অত্যন্ত সংগোপনে ও সুপরিকল্পিতভাবে মুসলিম তরুণীদের টার্গেট করে ছড়িয়ে দিয়েছে ‘লাভ ট্র্যাপ’ এর মরণফাঁদ। অতি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ভারতের এই নারকীয় ও পৈশাচিক চিত্র যেভাবে ফুটে উঠেছে, তা কেবল উদ্বেগজনকই নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর ঈমান ও ইজ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি ঝিনাইদহে এক মুসলিম নারীকে কেন্দ্র করে যে অনাকাক্সিক্ষত ও ন্যাক্কারজনক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে, তাকে ছাপিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একদল উগ্রবাদীর বুনো উল্লাস আমাদের চরমভাবে শঙ্কিত করে। বিশেষ করে ‘দূর্জয়’ নামের এক মালউনের মন্তব্য যে কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের জন্য কেবল বেদনাদায়কই নয়, বরং তা আমাদের দ্বীনি অনুভূতির মূলে কুঠারাঘাতের শামিল।
অভিযোগ উঠেছে, ঝিনাইদহে এক নারীকে নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদী পোস্টের নিচে মুশরিক দূর্জয় অত্যন্ত ধৃষ্টতার সাথে দাবি করেছে যে, মুসলিম নারীর এই লাঞ্ছনা নাকি হিন্দুদের জন্য ‘বিশা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সংবিধান বিরোধী এবং উচ্চ আদালতে মৃত ঘোষিত কুখ্যাত “পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০” পুণর্বহাল করতে আদালতের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিদেশী মদদপুস্ট দেশ বিরোধী কিছু উপজাতি কুচক্রী মহল। গত ২৩ এপ্রিল ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি- ১৯০০’ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রিভিউ পিটিশন শুনানির তারিখ ছিল। তবে আদালত শুনানিটি তিন সপ্তাহের জন্য মূলতবি করেছেন।
২০১৮ সালে বাতিল হওয়া এই মৃত আইনটি পুণর্বহাল করতে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা পাহাড়ে এবং উচ্চ আদালতে ব্যাপক তৎপর রয়েছে। দেশব বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলাদেশ যখন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল, তখন ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে থাকা এই জাতির পুনর্গঠনের জন্য প্রতিটি সম্পদ ছিল অমূল্য। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের সেই চরম দুঃসময়ে হিন্দুস্তানী সেনাবাহিনী যে লুণ্ঠনযজ্ঞ চালিয়েছিল, তা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায় হয়ে আছে।
ঐতিহাসিক তথ্য, সমসাময়িক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ বিশ্লেষণ করলে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে ওঠে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের পর নিয়ম অনুযায়ী সেই ‘যুদ্ধলব্ধ মালামাল’ বাংলাদেশের প্রাপ্ বাকি অংশ পড়ুন...
একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাণ হলো তার শিক্ষার্থীরা, আর সেই শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের আত্মিক ও দ্বীনি প্রশান্তির কেন্দ্রস্থল হলো প্রতিষ্ঠানের মসজিদ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে অর্ধেক বেলা তালাবদ্ধ রাখার এক অদ্ভুত ও বৈষম্যমূলক নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত কেবল সাধারণ শিক্ষার্থীদের দ্বীনি আবেগেই আঘাত হানেনি, বরং এটি একজন মুমিনের ইবাদতের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী।
মসজিদ কেবল নামাজের স্থান নয়; এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পবিত্র আশ্রয়স্থল, যেখানে যোহরে বাকি অংশ পড়ুন...
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে নওমুসলিম সোহাগের নিথর দেহটি আজ আমাদের সমাজের বুক চিরে কিছু রূঢ় প্রশ্ন ছুঁড়ে দিচ্ছে। বিশ বছর আগে যে মানুষটি সত্যের আলো চিনে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, দুই দশক পর সেই ‘অপরাধের’ প্রতিশোধ নিতে মায়ের মমতাকেও ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হলো-এ লজ্জা আমরা রাখব কোথায়?
তথ্যচিত্রে দেখা গিয়েছে, অসুস্থ মায়ের দোহাই দিয়ে সন্তানকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল। অথচ সেই মা আজ নির্বিকার, তার চোখে অশ্রু নেই। যে সন্তান সুস্থ অবস্থায় মায়ের মুখ দেখতে গেল, কয়েক ঘণ্টা পর তার নিথর দেহে মিলল অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন। কেন এই নির্মমতা? কেন তড়িঘড়ি করে প্রশাস বাকি অংশ পড়ুন...
বেদনাবাস্তব এক বিদীর্ণ আয়নায় তাকালে দেখা যায়, যখন রাজধানীর আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো আলোর রোশনাইয়ে উৎসব করে, ঠিক তখনই তার পাদদেশে কংক্রিটের হিমশীতল অরণ্যে ক্ষুধার জ্বালায় কুঁকড়ে থাকে আগামীর ভবিষ্যৎ- আমাদের পথশিশুরা।
স্বাধীনতার সাড়ে পাঁচ দশক পেরিয়ে গেলেও কেন এই স্বাধীন জমিনে লাখো মানুষকে খোলা আকাশের নিচে পশুর মতো জীবন যাপন করতে হবে? যে দেশে উন্নয়নের জোয়ারে বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, সে দেশে কেন এক টুকরো ছাদ আর দু’মুঠো ভাতের অভাবে শিশুদের শৈশব নর্দমার ড্রেনে বা রেললাইনের ধারে ধুঁকে ধুঁকে মরবে?
তাত্ত্বিক ও রূহানী বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “দুই প্রকার লোক যদি পরিশুদ্ধ হয়ে যায়, তবে সাধারণ লোকজনও পরিশুদ্ধ হয়ে যায়। আর তারা যদি অশুদ্ধ হয়, তবে সাধারণ জনগণও অশুদ্ধ হয় তা তাদের আমল-আখলাকও নষ্ট হয়ে যায়। আর তারা হলো, আলিম-উলামা এবং আমীর-উমরা।
এই সম্মানিত হাদীছ শরীফ থেকে আমরা সহজেই বুঝতে পারি যে, যারা রাজা, বাদশাহ, আমীর-উমরা এবং যারা আলিম রয়েছেন তারা যদি সম্মানিত কুরআন শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী আমল করেন, তাহলে সাধারণ জনগণের আমলও শুদ্ধ হয়ে যায়। আর তারা যদি সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ আমল করে, তবে জনগণের আমল আখলাকও শরীয়তের বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি ঢাকার একটি মসজিদে নামাযের জন্য যাওয়া হলো। মসজিদে প্রবেশ করতেই আমি অত্যন্ত বিস্মিত হয়ে থমকে দাঁড়ালাম। কিন্তু মসজিদে আসা যাওয়া করা বহু মানুষের কারো মধ্যেই সামান্যতম অস্বাভাবিকতা দেখলাম না। এমনকি মসজিদে দাঁড়ি টুপি এবং লম্বা জামা পরিধান করা লোকদেরও নির্বিঘেœ ও নিশ্চিন্ত মনে আসা-যাওয়া দেখলাম।
হ্যাঁ পাঠক! সবার স্বাভাবিক চলাচলের মাঝেও আমার থমকে যাওয়ার কারণ ছিলো- মসজিদের প্রবেশমুখেই বসানো সিসি ক্যামেরা। কিছুুদিন আগে সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছিলাম- প্রশাসন কথিত সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর অজুহাতে মসজিদে মসজিদে সিসি ক্ বাকি অংশ পড়ুন...












