পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো হাইড্রোজেন গ্যাস সহজে ও দক্ষতার সঙ্গে সংরক্ষণ করা। এই সমস্যার সমাধানে নতুন এক ধরনের ব্যাটারি উদ্ভাবন করেছে চীনা গবেষকরা। গ্যাস-সলিড হাইড্রাইড আয়ন নামের এই ব্যাটারি একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও হাইড্রোজেন সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
সাধারণত ব্যাটারিতে লিথিয়াম বা অন্যান্য পরিচিত উপাদান ব্যবহার করা হলেও, এই নতুন ব্যাটারি চলে ‘হাইড্রাইড আয়ন’-এর মাধ্যমে। এগুলো মূলত বাড়তি ইলেকট্রনযুক্ত হাইড্রোজেন আয়ন। অত্যন্ত শক্তিশালী হলেও সাধারণ অবস্থায় এই আয়নগুলো বেশ অস্থির থাকে, যা সরাসরি ব্যাটারিতে ব বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি ব্যারাজ নির্মাণ করতে যাচ্ছে সরকার। প্রকল্পটি আগামী সাত বছরে নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করা হবে।
'পদ্মা ব্যারাজ' এর প্রাথমিক লক্ষ্য দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মৃতপ্রায় পাঁচটি নদী পুনর্জীবিত করা। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীগুলোর আশপাশের ২৪টি জেলার পানিসংকট নিরসন হবে।
ব্যারাজ কী?
ব্যারাজ হলো পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে নদীর ওপর আড়াআড়িভাবে নির্মিত বিশেষ একটি অবকাঠামো।
বাঁধ (ড্যাম) -এর সঙ্গে এর বড় পার্থক্যের জায়গা হলো বাঁধের মাধ্যমে নদীর পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দ বাকি অংশ পড়ুন...
আইন ও নীতি তৈরীতে সরকারের উপর চাপ:
শিশুদের নিয়ন্ত্রণে নিতে ও তাদের মতো গড়ে তুলতে আইন প্রণয়ণেও সরকারকে বাধ্য করে। এটি সরকারের মধ্যে প্যারালাল সরকার হিসেবে কাজ করে। যেমন, সম্প্রতি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে ইউনিসেফের সোশ্যাল পলিসি ম্যানেজার হাসিনা বেগমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎতের পর সংবাদ মাধ্যমে বলেছে, “শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সুরক্ষাসহ ১০টি অগ্রাধিকারমূলক অধিকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করতে তারা সক্ষম হয়েছে।” (দৈনিক কালবেলা, ০৭ মে বাকি অংশ পড়ুন...
গত ২১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সোনাইছড়িতে এসএন করপোরেশনের গ্রিন-সার্টিফায়েড ইয়ার্ডে ভেড়ানো হয়েছে বিশে^র অন্যতম বৃহৎ এই সেমি-সাবমার্সিবল বার্জ। বিশাল এই কাঠামোটি প্রায় ২ কোটি ডলার ব্যয়ে আমদানিকৃত।
দূর থেকে দেখলে একে জাহাজ বলে মনেই হয় না। নিজের ইচ্ছামতো পানিতে ডুবে যেতে পারে এটি, সমুদ্রের বুক থেকে তুলে নিতে পারে বিশাল আকারের সব স্থাপনা।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জাহাজ পুনর্ব্যবহার (শিপ রিসাইক্লিং) খাতে এটি অন্যতম সংযোজন।
২০১৯ সালে সিঙ্গাপুরে নির্মিত হয় বার্জটি। অফশোর ড্রিলিং রিগ পরিবহনের জন্য এটি বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছিল। এর সবচ বাকি অংশ পড়ুন...
অনেকে এ অঞ্চলের মুসলমানদের ঈমানী দুর্বলতা বা মূলধারার মুসলমান নয়-এমন ধারণা বোঝাতে “গরু খাওয়া মুসলমান”নামে একটি তাচ্ছিল্যসূচক বাক্য ব্যবহার করে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ বাক্যটির ব্যাপক প্রচলন ঘটানোরও চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা বোঝাতে চায়, গরুর গোশত খাওয়ার মতো একটি সাধারণ বিষয়কে এ অঞ্চলের মুসলমানরা ঈমানের শর্ত মনে করে; সুতরাং তারা নি¤œশ্রেণির মুসলমান। (নাউযুবিল্লাহ)
মূলত বিষয়টি এমন নয়। আমাদের এ অঞ্চলে যেহেতু হিন্দু মুশরিকদের বসবাস রয়েছে এবং তারা গরুর গোশত খাওয়ার বিরোধী, অপরদিকে মুসলমানরা গরুর গোশত খায়-তাই গরুর গোশ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ সূরা আলে ইমরান শরীফ উনার ১১৮ নং আয়াত শরীফে স্পষ্ট সতর্কবাণী: “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুসলমান ছাড়া অন্যদেরকে বন্ধু বা উপদেষ্টা হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের ক্ষতি করতে কোনো ত্রুটি করে না।”
জিএমও খাদ্য ও বীজ ঠিক এই ক্ষতির নতুন রূপ। বহুজাতিক কর্পোরেট (মনসান্টো-সিনজেন্টার মতো) কাফিরদের হাতিয়ার- যা খাদ্যের নামে মুসলিম জাতিকে পরাধীন করার ষড়যন্ত্র।
এই প্রযুক্তি প্রাকৃতিক বীজ ধ্বংস করে কৃষককে প্রতি মৌসুমে কোম্পানির বীজ কিনতে বাধ্য করে। জিন ফ্লো ও আউট-ক্রসিংয়ের মাধ্যমে দেশীয় ফসল দূষিত হয়। স্বাস্থ্যঝুঁকি অস্বী বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানগণ নিজেদের অধিকার হতে আর কতদিন নিজেরা বঞ্চিত হবেন?
বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ^রী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে যা ঘটেছে, তা কেবল একটি স্থানীয় ঘটনা নয় - এটি একটি জাতীয় প্রশ্ন, একটি সাংবিধানিক সংকট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকারের উপর এক ন্যাক্কারজনক আঘাত।
২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, ডাকনীরপাঠ এলাকায় মুসলমানের সংখ্যা ২৬৪১ জন, অর্থাৎ প্রায় ৯৭ শতাংশেরও বেশি। সেখানে হিন্দু জনসংখ্যা মাত্র ৭৫ জন, অর্থাৎ ২.৭৬ শতাংশ। অথচ এই বিশাল মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায়, মুসলমানদের নিজের মালিকা বাকি অংশ পড়ুন...
প্রতিটি পরিবারেরই কিছু না কিছু সম্পদ থাকে। নেক কাজ করতে হলে এবং পরিবারের সকলের হক্ব আদায় করতে হলে বিভিন্ন ধরণের সম্পদ আমাদের ব্যবহার করতে হয়। এই সম্পদ দ্বারাই পরিবার সুষ্ঠু, সুন্দর এবং স্বাভাবিক জীবন প্রবাহের মধ্য দিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পরিচালিত হয়। একটি পরিবারের সর্বাপেক্ষা বড় সম্পদ হচ্ছে মানুষ এবং এই মানব সম্পদ অপরাপর বস্তুগত সম্পদ অর্জনের অন্যতম উছিলা হিসাবে কাজ করে।
অনেকের অর্থ, জমিজমা, বাড়ি-ঘর নাও থাকতে পারে, কিন্তু একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব, শিক্ষা, কর্মদক্ষতা, সময় ও শক্তি ইত্যাদি দ্বারা অর্থ সংগ্রহের পথ সুপ্রশস্ত হয় বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র দ্বীন ইসলাম এবং এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলিম জনতার আবেগ-অনুভূতির কেন্দ্রবিন্দু 'ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়' (ইবি)-এর নাম পরিবর্তন করে ‘ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়’ নামকরণের যে ন্যাক্কারজনক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়; বরং এটি এদেশের মুসলিম পরিচয়ের ওপর এক ভয়াবহ আঘাত। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, ক্ষমতার মসনদে বসে তথাকথিত গণতান্ত্রিক সরকার মাত্র দুই মাসেই এমন মুসলিম বিদ্বেষী ও হিন্দুত্ববাদী এক এজেন্ডা বাস্তবায়নে নেমেছে, যা সরাসরি এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের দ্বীনি চেতনার পরিপন্থী।
ইসলামী বিশ্বব বাকি অংশ পড়ুন...
দেশের আবহমান বাংলার গ্রামে-গঞ্জে এক সময় উঁচু তালগাছে বাবুই পাখিদের দৃষ্টিনন্দন বাসা প্রচুর পরিমাণে দেখা যেত। কালের বিবর্তনে, পরিবেশের বিপর্যয়ে এবং তালগাছ আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় বর্তমান সময়ে তাদের শৈল্পিক বাসা হারিয়ে যেতে বসেছে। এখন আর গ্রামেগঞ্জে খুব একটা শোনা যায় না বাবুই পাখিদের কলরব আর কিচির-মিচির শব্দ।
সারা দেশের মতো মৌলভীবাজারেও ক্রমশ কমছে তালগাছের সংখ্যা, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে কমছে বাবুই পাখি ও তাদের শৈল্পিক বাসা। তবে এখনও যে পরিমাণ বাবুই পাখি এ জেলায় টিকে রয়েছে সে তুলনায় তালগাছ আর অবশিষ্ট নেই। ফলে তালগাছের সঙ্ক বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু বাইরের আগ্রাসন নয় - সবচেয়ে বড় শত্রু সেই বিষধর সাপ, যে রাষ্ট্রের বুকে লুকিয়ে থেকে ফণা তোলে। ইসরায়েলের মোসাদ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা র - এই তিনটি বিদেশি সন্ত্রাসী গোয়েন্দা সংস্থার দেশীয় চর বা এজেন্টরা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সক্রিয় রয়েছে বলে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বারবার উঠে এসেছে। এটি কোনো কল্পনা নয়, এটি রাষ্ট্রের জন্য একটি বাস্তব ও তাৎক্ষণিক হুমকি।
গোয়েন্দা অনুপ্রবেশের স্বরূপ :
বিশ্বের প্রতিটি দেশেই বিদেশি গোয়েন্দা সং বাকি অংশ পড়ুন...
যুগ যুগ ধরে এদেশের মুসলিম জনতা যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য লালন করে আসছে, তার সুযোগ নিয়ে একদল উগ্রবাদী অপশক্তি যখন আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত ও ঈমান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, তখন সেই ষড়যন্ত্রের জাল উন্মোচন করাই ছিল সময়ের দাবি। ফাইট এগেইন্স হিন্দুত্ব (এফএএইচ) টিমের অ্যাডমিন নিম আহমেদ সেই দুঃসাহসিক কাজটিই করছিলেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে উল্টো সত্যের সোলজার নিম আহমেদের বাড়িতে ডিবি হানা দেওয়ার খবর আমাদের স্তম্ভিত করেছে।
মুসলিম তরুণীদের টার্গেট করে ভারতের উগ্র হিন্দুত্বব বাকি অংশ পড়ুন...












