৬. পাটের সুবিধার মধ্যে আছে উত্তম নিরোধক এবং অ্যান্টিস্ট্যাটিক বৈশিষ্ট্য, সেইসঙ্গে কম তাপ পরিবাহিতা এবং মাঝারি আর্দ্রতা পুনরুদ্ধার করা। পাটের অন্য সুবিধার মধ্যে আছে শব্দ নিরোধক বৈশিষ্ট্য।
৭. পাটের অন্য তন্তুর (কৃত্রিম এবং প্রাকৃতিক) সঙ্গে মিশ্রিত হওয়ার ক্ষমতা আছে। প্রাকৃতিক আরামদায়ক তন্তুর চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাট এবং অন্য প্রাকৃতিক তন্তু যা তুলার সঙ্গে মিশ্রিত করা যায়, তার চাহিদা বাড়বে। ফলস্বরূপ পাট বা তুলার সুতা ভেজা প্রক্রিয়াকরণে কম খরচে কাপড় তৈরি করবে। এ ছাড়া পাটকে উলের সঙ্গেও ব্লেন্ড করা যায়।
৮. পাটের কিছু লক্ষ্য বাকি অংশ পড়ুন...
পাট প্রাকৃতিক আঁশ, যা সোনালি আঁশ নামে পরিচিত। বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল। বিশ্বে বাণিজ্যের তন্তুর মধ্যে এবং টেক্সটাইল ফাইবার উৎপাদনে তুলার পরেই পাটের স্থান। পাটের আঁশ পট, কোষ্ট, নলিতা নামেও পরিচিত। বিশ্বব্যাপী ব্যবহার, উৎপাদন এবং প্রাপ্যতার দিক থেকে এটি তুলার পরে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভিজ্জ ফাইবার। পাটের আঁশের উপাদান হলো আলফা এবং হেমি সেলুলোজ-৮৫%, লিগনিন-১১.৫%, অ্যাশ-১.৬%, নাইট্রোজেনাস যৌগ-১% এবং অন্যান্য-০.৯%। পাট সেলুলোজ, লিগনিন, হেমি-সেলুলোজ, মোম, পেকটিন, প্রোটিন এবং খনিজ পদার্থের সমন্বয়ে গঠিত একটি লিগনোসেলুলোজি বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা সকলেই জানি, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের মূল পটভূমি ছিলো ৭০-এর নির্বাচন। আর সেই ৭০ এর নির্বাচনের সময় শেখ মুজিবুর রহমান যে শাসনতন্ত্র (সংবিধান) প্রণয়ন করেছিলেন, সেখানে কিন্তু একটি বিশেষ আশ্চর্যজনক বিষয় ছিলো। সেটি কিন্তু বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নকারী নেতা-কর্মীরা আড়াল করতে চায়। বঙ্গবন্ধু ৭০-এর নির্বাচনের সেই মেনিফেস্টোর মৌলিক বৈশিষ্ট্যের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের নামই ছিলো ‘ইসলাম’। যেখানে স্পষ্ট লেখা ছিলো- “জনসংখ্যার বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের প্রিয় ধর্ম হলো ইসলাম। আওয়ামীলীগ এই মর্মে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে শাসনতন্ত্রে সুস্পষ্ট গ্য বাকি অংশ পড়ুন...
অসাম্প্রদায়িকতা আর ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে যেভাবে ইসলাম শিক্ষা শূন্য করা হচ্ছে, এটা কি করে দেশের মূল জনগোষ্ঠী মুসলমানের সাথে যায়?
নাকি কথিত শিক্ষানীতি প্রণয়নকারীরা ইসলামী শিক্ষা বাদ দেয়াকেই অসাম্প্রদায়িক ও ধর্ম নিরপেক্ষ শিক্ষা বলতে চায়? নাউযুবিল্লাহ!
কতবড় প্রতারণা করা হচ্ছে এদেশের মূল জনগোষ্ঠী মুসলমানদের সাথে!!!
এ দেশের সরকার থেকে শুরু করে যত আমলা-কামলা আছে সকলেতো মুসলমানদের টাকা দিয়েই তাদের সংসার চালায়। এখানে নাস্তিক বা বিধর্মীরা কত পার্সেন্ট? তাদের কতটাকা দেশের জন্য ব্যয় হয়? সেটা কি ০.০০০৯ এর বে বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানগণ আজ নিজেদের অনেক দুর্বল ও অসহায় মনে করে। হীনম্মন্যতায় ভোগে। কিন্তু আসলে ব্যপারটি কখনোই এরকম হওয়ার কথা ছিলো না।
মুসলমান আজ কোন অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে বলতে কার্পণ্য করে, হারাম-নাজায়িজ কাজের প্রতিবাদ করতে চায় না। কিন্তু মুসলমানরা যদি প্রতিবাদ স্বরূপ নিজেরাই আজ টিভি দেখা বন্ধ করে দেয়, তাহলে কি টিভি চ্যানেল ব্যবসা বন্ধ হবে না? অবশ্যই বন্ধ হবে। কারন দেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান। আর যারা টিভিতে হারাম-নাজায়িজ সিনেমা, নাটক করে তারা সর্বসাকুল্যে মাত্র লাখখানেক। দেশের মানুষ যদি আজ এদেরকে কোন পাত্তা না দেয়, এদের সিনেমা-ন বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানগণ আজ নিজেদের অনেক দুর্বল ও অসহায় মনে করে। হীনম্মন্যতায় ভোগে। কিন্তু আসলে ব্যপারটি কখনোই এরকম হওয়ার কথা ছিলো না।
মুসলমান আজ কোন অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে বলতে কার্পণ্য করে, হারাম-নাজায়িজ কাজের প্রতিবাদ করতে চায় না। কিন্তু মুসলমানরা যদি প্রতিবাদ স্বরূপ নিজেরাই আজ টিভি দেখা বন্ধ করে দেয়, তাহলে কি টিভি চ্যানেল ব্যবসা বন্ধ হবে না? অবশ্যই বন্ধ হবে। কারন দেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান। আর যারা টিভিতে হারাম-নাজায়িজ সিনেমা, নাটক করে তারা সর্বসাকুল্যে মাত্র লাখখানেক। দেশের মানুষ যদি আজ এদেরকে কোন পাত্তা না দেয়, এদের সিনেমা-ন বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি কোনো পর্যায়েই দুর্নীতি বন্ধ নেই। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা সবক্ষেত্রেই শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। দেশ ও জনগণের সচেতনতার জন্য ধারাবাহিকভাবে এখানে উল্লেখ করা হলো:
চুরি সিস্টেম লসে বিদ্যুতে সর্বনাশ
অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশেই লুট
চুরির ক্ষতি দেখানো হচ্ছে সিস্টেম লস হিসেবে
বছরে নেই সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
মেলে না কাঙ্খিত সেবা, আছে গ্রাহক হয়রানি
সিস্টেম লসের নামে বিদ্যুৎ চুরি থামছেই না। দিনের পর দিন প্রকাশ্যে অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ চুরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। চুরির বিদ্যুৎ বাকি অংশ পড়ুন...
সম-অধিকার নিয়ে এত হইচই। কিন্তু কথিত এই ‘সম-অধিকার’ শুধুমাত্র অমুসলিম-বিধর্মী ও বেপর্দা নারীদের ক্ষেত্রেই কেন বেশি উচ্চারিত হয়। হিন্দুরা পূজা করবে, বৌদ্ধরা ফানুস ওড়াবে, উপজাতিরা বৈসাবি করবে তখনই সম-অধিকারের পতাকাবাহীদের দেখা যায়। তখন দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, যানজট সৃষ্টি করে ম-পে পূজা হতে থাকে। উচ্চ শব্দে ঢোল-তবলা ও উলুধ্বনি হতে থাকে। রং ছিটাছিটি হতে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
কিন্তু যখন মুসলমান নারী পর্দা করতে চায়, তখন নিরপত্তার অজুহাতে তার চেহারা খুলতে বলা হয়, তাকে ছবি তুলতে বাধ্য করা হয়, পর্দা করলে চাকরি হ বাকি অংশ পড়ুন...
যালূমান ও জাহূলান শব্দ মবারক দুটি মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে। যালূমান অর্থ হচ্ছে চরম পর্যায়ের যালিম বা অত্যাচারী। আর জাহূলান অর্থ হচ্ছে চরম জাহিল বা মূর্খ। যালূমান ও জাহূলান প্রকৃতির লোকদের মহাপবিত্র কুরআন শরীফ সম্পর্কে ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ সম্পর্কে কোনো ইলম নেই, আমল নেই, তারা মনগড়াভাবে নিজেদের খেয়ালখুশি মুতাবিক সবকিছু করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ কেউ মুসলমান হলে, সে মনগড়াভাবে কোনো আমল করতে পারবে না, কোনো আদেশ-নিষেধ করতে পারবে না। যার কারণে মনগড়াভাবে আমল করার কারণে তার আমলগুলি স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব ম বাকি অংশ পড়ুন...
ঈদ এবং পবিত্র রমযান শরীফ মাস আসলেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিন প্রশাসন বলতে থাকে, পবিত্র রমযান মাসের শুরু থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে থাকবে রাজধানী। ওই সময় ডাকাতি ও ছিনতাই রোধে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি।’
পবিত্র রমযান শরীফ মাসকে সম্মান জানিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এ উদ্যোগকে অবশ্যই আমরা স্বাগত জানাই। জানমালের নিরাপত্তার বিষয়ে সবসময়ই সকলে এ দাবি জানিয়ে আসছেন। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে মুসলমানগণই সকল বিষয়ে সর্বাধিক অগ্রাধিকার পাওয়ার অধিকার রাখেন।
তবে দেশের শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা বাঙ্গালী। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদ্বীন হলো সম্মানিত ইসলাম এবং জনসংখ্যার শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান । আর ৯৮ ভাগ মুসলমানের একমাত্র ঈমান হলো মহান আল্লাহ পাক উনার উপর দৃঢ়বিশ্বাস স্থাপন করা বা আস্থা রাখা। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে, ভারতীয় হিন্দু-মুশরিকদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এক শ্রেণীর লোক ২০১১ সালে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে মহান আল্লাহ্্ পাক উনার উপর আস্থা তুলে দেয়। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ্্!
এতে করে বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানেরা উনাদের কলিজায় আঘাত পেয়েছেন, উনাদের বুক ফেটে যাচ্ছে। এটা কোন মুসলমান মেনে নিত বাকি অংশ পড়ুন...
এখনো স্পষ্ট মনে আছে। আমি স্কুলে যাওয়া শুরু করার কয়েকদিন পর থেকেই আমার দাদা আমাকে প্রায়ই বিভিন্ন উপদেশ দিয়ে বলতো- দুষ্ট ছেলেদের থেকে দূরে থাকবে। দাদার এ কথা শুনে চিন্তা করতাম- দুষ্ট ছেলে কাকে বলে? এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে দাদা উত্তর দিলেন- যারা স্কুল ফাঁকি দেয়, মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করে ও অশোভন ভাষায় কথা বলে। ছোট বেলায় দুষ্ট ছেলেদের কাছ থেকে কতটুকু দূরে ছিলাম জানি না, তবে এখন খুব ভালোভাবেই বুঝি- দুষ্ট ছেলেদের পরিচয় জানার কারণেই আজ আমি অনেক ভালো আছি।
মূল প্রসঙ্গে আসি...। দাদা ইন্তেকাল করার পর নিয়মিত পবিত্র কুরআন শরীফ তেলাওয়াত বাকি অংশ পড়ুন...












