রমাদ্বান শরীফে সারাদিন রোযা রাখার পর ইফতারে ক্লান্তি মেটানো ও শক্তি ফেরাতে প্রয়োজন হয় ফলের। তাই এসময় কদর বাড়ে কমলা, মাল্টা, তরমুজ, আঙুরের মতো রসালো ফলের। তবে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ফলের দাম। রোযাদারসহ অনেকের কাছেই এখন দুঃসাধ্য হয়ে উঠছে রকমারি ফল।
বাজারে প্রতি কেজি আপেল ও মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৩০ টাকায়। চীনা কমলা ৩২০, কালো আঙুর ৪৮০-৫০০, আনার আকার ভেদে ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ফল সরবরাহ কমে যাওয়ায় সব রকমের দেশি-বিদেশি ফল কেজি প্রতি ১০০-১৫০ টাকা বেড়ে গেছে।
ডলার সংকটে এলসি (ঋণপত্র) খোলার জটিলতায় ফল আমদ বাকি অংশ পড়ুন...
‘ইসলাম’ শান্তির দ্বীন। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অনুসরণে মুসলমান-ঈমানদারগণ শান্তিতে থাকেন ও শান্তিতে থাকতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম উছুল হলো- ফিতনা-ফাসাদ হলো- খুন বা হত্যার চেয়েও বেশি ঘৃণিত ও ভয়ঙ্কর।
মুসলমান-ঈমানদারদের এই শান্তিপ্রিয়তা ও শান্তভাবকে অমুসলিম-বিধর্মীরা সুযোগ মনে করে দ্বীন ইসলাম ও উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে হিংসাত্মক ও ঘৃণাত্মক কথা-বার্তা বলে থাকে। নাউযুবিল্লাহ!
স্বাভাবিকভাবেই অমুসলিমদের ইসলাম অবমাননার এ বিষয়টি সকল মুসলমানদেরকেই পীড়িত করে, অন্তরকে ব্যথিত করে। যে কারণে মুসলম বাকি অংশ পড়ুন...
‘আজ নগদ কাল বাকি’ -এটা দোকানদারের ভাষা। কারণ দোকানদার জানে ‘কাল’ তথা আগামীকাল তো আর আসবে না, প্রতিদিনই ‘কাল’ আজ হয়ে যাবে। আমরা সবাই সহজে এ বিষয়টি ব্যবসা-বাণিজ্য, লেনদেনের ক্ষেত্রে খুব ভালোভাবে বুঝলেও নিজের সাথে কিন্তু ঠিক এ বাক্যটির বিপরীত প্রতারণাটিই করে থাকি। যখন আমরা তওবা করতে চাই, কোনো গুনাহ থেকে বিরত থাকতে চাই, নতুন করে নেক কাজ করতে চাই, তখনই আমাদের ভিতর থেকে আওয়াজ আসে আজ এটা চলুক না, কাল থেকে তওবা হবে, নতুন করে সবকিছু শুরু হবে। কিন্তু এই কাল আর আসে না, বারবারই নিজের সাথে এভাবে আমাদের প্রতারণা চলতেই থাকে।
হে মুসলিম! এভাবে আর বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিন মুসলমানদেরকে সতর্ক করে দিয়ে ইরশাদ মুবারক করেন, “অবশ্যই মুসলমানদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী ও মুশরিকদেরকে। ” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২)
প্রাচীনকাল তথা অন্ধকার যুগের অসভ্যতা থেকে আমরা ক্রমেই সভ্য হচ্ছি, এটা অধুনাবাদীদের ভাষ্য। পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণ আমাদেরকে আধুনিক আর সভ্য করছে- এটাও সভ্য মানুষের ভাষ্য, “যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়”। এই কথা “যুগের” স্থলে “শয়তানের” বললে মন্দ কি? কে কত সভ্য আর সম্মানিত তা নির্ণয় করা হয় কে কত পশ্চিমা অর্থাৎ ইহুদী-মুশরিকও নাছারাদের অনুসা বাকি অংশ পড়ুন...
রমাদ্বান শরীফ চলছে, সামনে ঈদ। প্রতি বছর এই সময় কলকাতার মিনি বাংলা খ্যাত নিউমার্কেট চত্বর বাংলাদেশি পর্যটকদের ভিড়ে সরগরম থাকে। তবে এবারের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেই চিরচেনা দৃশ্য অনুপস্থিত। রমাদ্বান শরীফে বাংলাদেশি পর্যটক না থাকায় কলকাতার এই এলাকার ব্যবসায় বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
চলতি বছরের জুলাই মাসের পর থেকে ভারতীয় ভিসা নীতির কঠোরতা এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব কলকাতার মিনি বাংলাদেশ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যে মারাত্মক সংকট সৃষ্টি করেছে। এর ফলে, ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এবং প্রায় ৭০ শতাংশের ব বাকি অংশ পড়ুন...
ইউরোপিয়ান খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের নাকে শাস্তি স্বরূপ অনেকেই গোলাপফুল শুঁকাতো। কারণ খ্রিস্টানগুলো গোলাপের সুগন্ধি সহ্য করতে পারতো না। কথায় আছে- শুকর শুঁকতে পারে না- আতরের ঘ্রাণ।
ইউরোপিয়দের এই দুর্গন্ধময় ইতিহাস নিয়ে তাদের নিজস্ব ঘরানার ঐতিহাসিক সেন্ডর মারাই লিখেছে, ইউরোপিয়ান বারজিউসরা উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকেও জীবনে মাত্র দুইবার গোসল করতো। অসুস্থতার সময় ও বিয়ের সময়ে!
ইউরোপে গোসলখানা নির্মাণ আইনত দ-নীয় অপরাধ ছিল। স্পেনশাসক ‘দ্বিতীয় ফিলিপ’ তার রাজ্যে গোসলখানা নির্মাণের নিষেধ জারি করেছিলো। স্পেনের ১ম ইসাবেলা গ্রানাডা বাকি অংশ পড়ুন...
একজন সাধারণ ধার্মিক মুসলমান জানে যে, সাধারণত সূর্য উদয় থেকে অস্ত পর্যন্ত পানাহার ও নির্জনবাস থেকে বিরত থাকাকে ছিয়াম বা রোযা বলে। কেউ যদি মুখ গহ্বর ছাড়া অন্য পথে শরীরে খাদ্য, খাদ্য উপাদান বা পানীয় প্রবেশ করায় তাহলে তার রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে।
উদাহরণস্বরূপ: কোনো রোযাদার যদি নাকে পাইপ ঢুকিয়ে খাদ্যদ্রব্য, খাদ্য উপাদান বা পানীয় গ্রহণ করে অথবা সিরিঞ্জের দ্বারা খাদ্য উপাদান বা পানীয় শরীরে প্রবেশ করায়, তাহলে তার রোযা অবশ্যই ভঙ্গ হবে, এটা সাধারণ যুক্তিতেই বোঝা যায়। তাহলে রোযাদার রোগীর শরীরে ওষুধ ও ইনসুলিন প্রবেশ করালে তার রোযা কেন নষ্ট হ বাকি অংশ পড়ুন...
এখনো স্পষ্ট মনে আছে। আমি স্কুলে যাওয়া শুরু করার কয়েকদিন পর থেকেই আমার দাদা আমাকে প্রায়ই বিভিন্ন উপদেশ দিয়ে বলতো- দুষ্ট ছেলেদের থেকে দূরে থাকবে। দাদার এ কথা শুনে চিন্তা করতাম- দুষ্ট ছেলে কাকে বলে? এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে দাদা উত্তর দিলেন- যারা স্কুল ফাঁকি দেয়, মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করে ও অশোভন ভাষায় কথা বলে। ছোট বেলায় দুষ্ট ছেলেদের কাছ থেকে কতটুকু দূরে ছিলাম জানি না, তবে এখন খুব ভালোভাবেই বুঝি- দুষ্ট ছেলেদের পরিচয় জানার কারণেই আজ আমি অনেক ভালো আছি।
মূল প্রসঙ্গে আসি...। দাদা ইন্তেকাল করার পর নিয়মিত পবিত্র কুরআন শরীফ তেলাওয়াত বাকি অংশ পড়ুন...
বিধর্মী বিজাতীরা বহুরূপে বহুকায়দায় বহু ছুরতে সহজ সরল দ্বীনদার মুসলমান উনাদেরকে গুমরাহ করে ঈমান আমলহারা করে দিতে সদা অপতৎপর থাকে। এর মধ্যে তারা তাদের পূজনীয় শব্দগুলো সম্মানিত মুসলমানদের মধ্যে জারী করার মাধ্যমেও তাদের অনুগামী করতে চায়। নাউযুবিল্লাহ! বলার অপেক্ষা রাখে না, কালক্রমে শিক্ষিত নামধারীরাও অনায়াসে ঐ সকল মুশরিকী শব্দ হরহামেশা ব্যবহার করতে থাকে। বাংলায় বিশেষ করে বাঙ্গালী মুসলমান উনাদের মধ্যে এমন মুশরিকী শব্দের বহু প্রচলন রয়েছে। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শরয়ী উসূল সম্পর্কে সঠিক বুঝের অভাব এবং আল্লাহওয়ালা বুজু বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কুল-মাখলুকাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত। যে সম্মানিত ইবাদত উনার সাথে অন্য কোন ইবাদতের তুলনা চলবে না। এছাড়া অন্য সকল ইবাদতসমূহকে পূর্ণতা দানকারী ইবাদত হচ্ছেন সম্মানিত যাকাত। সম্মানিত যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করলে এবং হক্কস্থানে না পৌঁছালে অন্য ইবাদত-বন্দেগী কবুল হবে না। নিচে কয়েকটি মশহুর ইবাদত-বন্দেগীর সাথে সম্মানিত যাকাত উনার নির্ভরশীলতা তুলে ধরা হলো-
সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, ‘যারা যাকাত আদায় করবে না এবং প্রদান করবে না; তারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না-তারা হচ্ছে কাফির। ’ এখন যার বাকি অংশ পড়ুন...












