সারা পৃথিবীর ইতিহাসে ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবে সুবিখ্যাতদের অন্যতম একজন হলেন খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত উমর ইবনে আব্দুল আযীয রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি সম্মানিত খিলাফত মুবারক উনার দায়িত্ব গ্রহণের পর সে সময়কার অন্যতম শ্রেষ্ঠ তাবে’য়ী আমরুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত সাইয়্যিদুনা হযরত হাসান বসরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে একটি পত্র লিখেন একজন ন্যায়পরায়ণ শাসকের বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলী কি কি তা জানতে চেয়ে। আমিরুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত হযরত হাসান বসরী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি সেই বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলীগুলো তুলে ধরে সম্মানিত খলিফা উনার পত্রের জবা বাকি অংশ পড়ুন...
আমীর হামজাকে হাটুর বয়সী বলেছে তারেক মনোয়ার। জেনাখোর হামজাও তাকে ওস্তাদ মানে। জেনাখোর হামজা জেনা করার জন্য আহবান সবাইকে হতভম্বিত করেছে। তবে অভিজ্ঞমহল মনে করেন এটা তাসাউফ বিরোধী মুফতে হামজা ওরফে তারেক মনোয়ার গং এর সহজাত প্রবৃত্তি। তারেক মনোয়ার তার ওয়াজে তার করা হারাম কাজের ফিরিস্তি দিয়েছে। যা এখনও অনলাইনে অটুট আছে। নি¤েœ তা তুলে ধরা হলো-
“সম্প্রতি মাওলানা তারেক মনোয়ার সাহেবের কিছু বিশেষ কথা/ উক্তি সোস্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচিত হয়েছে আমি কথা/ উক্তি গুলির কিছু অংশ আপনারদের মাঝে তুলে ধরে জনাব তারেক মনোয়ারের কাছে জানতে চাচ বাকি অংশ পড়ুন...
স্বাধীনতার পর ভারতীয় সুযোগসন্ধানী বাহিনী ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে মার্চ ১৯৭২ পর্যন্ত সময় বাংলাদেশে অবস্থান করে। এই সময়ে কি পরিমাণ লুটপাট তারা করে তা বর্ণনাতীত। তাদের লুটপাট মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষদেরকে হতবাক করে দেয়। ২১শে জানুয়ারি ১৯৭২ সালে ব্রিটেনের বিখ্যাত গার্ডিয়ান পত্রিকায় সাংবাদিক মার্টিন ঊলাকট (Martin Woollacott) Indians Ôloot whole factoryÔ wk‡ivbv‡g ‡jLvq wj‡L ‡h- ÒSystematic Indian army looting of mills, factories and offices in Khulna area has angered and enraged Bangladesh civil officials here. The looting took place in the first fwe days after the Indian troops arrived in the city on December 17Ó (Martin Woollacott, Indians Ôloot whole factory, The Guardian, Jan 22, 1972).সে সময় খুলনার ডিসি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারে বাকি অংশ পড়ুন...
শহীদ আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের নির্মম হত্যাকা-ের পর দেশের সচেতন মহলে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার জোর দাবি উঠেছে।
ইসকনের কর্মকা- পর্যালোচনায় দেখা যায়, ইসকন সমর্থকরা সরাসরি খুন, সংঘাত, সংঘর্ষ, ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টি সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। কোনো সংগঠনের সদস্যরা এই ধরনের অপরাধে যুক্ত হলে সেই সংগঠনকে "সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯"-এর আওতায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করার বিধান রয়েছে। সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬(১) ধারায় "সন্ত্রাসী কার্য"-এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে:
যদি কোন ব্যক্তি, সত্তা বা বিদেশী নাগরিক-
(ক) বাংলাদেশের অখ-তা, সংহতি, জননিরাপত্তা বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যারা টিভি-সিনেমা দেখে তারাও ভারতের কথিত দক্ষিণী সিনেমা শব্দের সাথে অত পরিচিত নয়। কেবলমাত্র যারা সিনেমা দেখতে গভীর পটু এবং সিনেমাতে বুদ থাকে তারাই ভারতের দক্ষিণী সিনেমার খবর রাখে। ওলীআল্লাহ বিরোধী, ইলমে তাসাউফ বিরোধী, ক্বলবী জিকির বিরোধী, সুন্নত বিরোধী মুফতে ওয়ায়েজ আমির হামজা তার ওয়াজে দক্ষিণী সিনেমার নর্তকীর নাম ধরে তার সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়ে এবং সৌন্দর্য দেখার জন্য আহবান জানিয়ে ওয়াজ করেছে। নাউযুবিল্লাহ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সব গণমাধ্যমে এ নিয়ে তোলপাড় চলছে।
জানা গেছে, এই উলামায়ে ‘সূ’ তার ও বাকি অংশ পড়ুন...
আরব আমিরাত: বংশোদ্ভূত ও অভিবাসী মিলিয়ে প্রায় ৩৪ লাখ ভারতীয় দুবাই, আবি ধাব্ুেত বসবাস করে, যা দেশটির মোট লোকসংখ্যার ২৭%।
কুয়েত: প্রায় ৯ লাখ ভারতীয় বংশোদ্ভূত ও অভিবাসী ভারতীয় কুয়েতের মোট জনসংখ্যার ৩৪% অর্জন করে আছে। বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ভারতীয় কমিউনিটি বিদ্যালয়গুলিও কুয়েতে অবস্থিত।
সৌদি আরব: প্রায় ৫ লাখের কাছাকাছি প্রবাসী ভারতীয় সৌদি আরবে বসবাস করে, এদের বেশিরভাগই তৈল শোধনাগারগুলির সাথে যুক্ত।
অথচ ভারতীয় হিন্দুরা শুধু ইসলাম বিদ্বেষী তাই নয় পাশাপাশি তারা মুসলিম দেশ বিরোধী। ষড়যন্ত্রী। এবং চরম অসৎ। গত ১১ই ডিসেম্বর কুয়েতে এর নজ বাকি অংশ পড়ুন...
সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে দখলদার, সন্ত্রাসীরা ইসরাইল বোমাবর্ষণ করছে। এই হামলা এমন সময় চালানো হচ্ছে যখন ইহুদিবাদী ইসরাইল তথাকথিত "যুদ্ধবিরতি" সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননের গ্রামগুলোসহ গাজায় নির্বিচারে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। তার পক্ষে প্রচারনা চালানোকেই পশ্চিমা মিডিয়া ‘স্বাধীনতা’ বলে অভিহিত করছে!
ইসরাইলের সন্ত্রাসবাদী প্রধানমন্ত্রী নিয়াহু গত ৮ই ডিসেম্বর ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) ঘোষণা করেছে: ১৯৭৪ সালে গোলান অঞ্চলে সিরিয়া এবং ইহুদিবাদী ইসরাইলের মধ্যে যে 'সেপারেশন' চুক্তি হয়েছিল তার পতন ঘটবে। কিন্তু তারপরেও পশ্চিমা মিডিয়া সন্ত্ বাকি অংশ পড়ুন...
অবৈধ বিদেশিদের বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। গত ৮ই ডিসেম্বর ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, অবৈধ বিদেশিদের বিষয়ে আমরা পত্রিকায় একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। কোনো বিদেশিকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া হবে না।
কতজন এবং কোন কোন দেশের অবৈধ বিদেশি আছেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, কতজন আছে সেই পরিসংখ্যানটা এখন আমাদের কাছে ন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একজন আরেকজনের বন্ধু। মু’মিনদের মধ্যে যে ব্যক্তি বিধর্মীদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে সে তাদের দলভুক্ত বলেই গণ্য হবে।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল-মুহব্বত বা বন্ধুত্ব রাখবে, সে ব্যক্তি সেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে। ”
তাই মুসলমানগণ উনাদের জন্য কোনো অবস্থাতেই কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীন তথ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশী পর্যটকরা শুধু ভ্রমণেই ভারত যেত না, সেখানে তারা বেড়ানোর পাশাপাশি বিপুল কেনাকাটাও করত। এই কেনাকাটার পরিমাণ বছরে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার। কলকাতার ব্যবসায়ীরা মূলত বাংলাদেশের ক্রেতাদের টার্গেট করে ব্যবসা করে। তারা সারাবছর বাংলাদেশী ক্রেতাদের জন্য অপেক্ষায় থাকে। বাংলাদেশী ক্রেতা না থাকায় এখন তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা সেবা নেয়ার জন্য ভারতে প্রতিবছর প্রায় ২৫ লাখের বেশি বাংলাদেশী যেত। প্রতিমাসে ভারত গড়ে ২৫ হাজার মেডিক্যাল ভিসা ইস্যু করত। এখন তা কমে হয়েছে ৭০০’র মতো। এর মধ্যে বেশির বাকি অংশ পড়ুন...
ইসকন শুধু হিন্দুদের কোনো সংগঠন নয়। এটি হিন্দুবেশধারী ইহুদীদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। বাংলাদেশে ‘র’ একটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থ। এ গ্রন্থে লেখা আছে, ‘ইসকন নামে একটি সংগঠন বাংলাদেশে কাজ করছে। এর সদর দফতর নদীয়া জেলার পাশে মায়াপুরে। মূলতঃ এটা ইহুদীদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। এই সংগঠনের প্রধান কাজ হচ্ছে বাংলাদেশে উস্কানিমূলক ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করা, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি। ’ (বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধানদের কথা, বাংলাদেশে ‘র’ পৃষ্ঠা: ১৭১)
১৯৬৬ সালে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। প্রতিষ্ঠাতা প বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশ আর পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র।
পাকিস্তানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পজিটিভ সম্পর্কের সূচনা হয় স্বয়ং মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। তিনিই সর্বপ্রথম ১৯৭৪ সালে সমালোচনার নানা তির্যক তীর উপেক্ষা করে, রাষ্ট্রের কল্যাণে নিজের উদারতা বিলিয়ে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোকে ঢাকায় লালগালিচা সংবর্ধনা দিয়ে সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত উšে§াচিত করেন।
রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ওআইসি সম্মেলনের মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের পথ উš§ুক্ত ক বাকি অংশ পড়ুন...












