গাজা যুদ্ধের প্রথম থেকেই সব আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তি উপেক্ষা করা হয়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ বেসামরিক লোকজন, অ্যাম্বুলেন্স, শিশু ও বৃদ্ধদের লক্ষ্যে পরিণত করেছে। নির্বিচারে বেসামরিক জনগণ ও স্থাপনার ওপর হামলা করেছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়া পর্যন্ত হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়াসহ (৩১ জুলাই নিহত) ৪৬ হাজার ৯১৩ জন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ১ লাখ ১০ হাজার ৭৫০ জন আহত হয়। তবে যুদ্ধে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানের চেয়ে ৪১ শতাংশ বেশি বলে ৯ জানুয়ারি চিকিৎসা-বিষয়ক সাময়িকী দ্য ল্যানসেটে প্রকাশিত গব বাকি অংশ পড়ুন...
উপমহাদেশের, বিশেষত বাংলাদেশের প্রচলিত ইতিহাসের বইগুলোতে মুসলমানদের তাচ্ছিল্য ও হিন্দুদের প্রশংসা শুরু হয় ব্রিটিশ আমলে হিন্দুদের দ্বারা ইংরেজি শিক্ষা গ্রহণ করা নিয়ে। এই এক ছুতো ধরে হিন্দু সম্প্রদায়কে শিক্ষানুরাগী, জ্ঞানী, প্রগতিশীল এসব উপাধি দিতে দিতে রীতিমতো আকাশে তুলে ফেলা হয়, আর মুসলমানদের শিক্ষা-দীক্ষাহীন পশ্চাৎপদ আখ্যা দিতে দিতে তাদের সমস্ত অবদানকেই বস্তুতঃ অস্বীকার করা হয়।
বলাবাহুল্য, ইতিহাসের ভুল ব্যাখার ফলে এটি হচ্ছে। ¯্রফে ইংরেজি শিখলেই ব্রিটিশদের দৃষ্টিতে মুসলমানরা ভালো হয়ে যেতো না, কিংবা স্রেফ ইংরেজি শিখ বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশী ভ্রমণকারীরা ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা ভ্রমণ বাদ দিয়েছেন।
এতে হোটেল বাণিজ্য নিম্নমুখী, রেস্তোরাঁগুলোও তাদের কার্যক্রম সীমিত করতে বাধ্য হয়েছে এবং খুচরা ব্যবসাগুলোর লালবাতি জ্বলছে।
মধ্য কলকাতার মারকুইজ স্ট্রিট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট, কিড স্ট্রিট, রফি আহমেদ কিদোয়াই রোড, নিউ মার্কেট ও আশেপাশের এক বর্গ কিলোমিটার অঞ্চলের পরিচিতি ‘মিনি বাংলাদেশ’ হিসেবে। প্রায় সারা বছরেই বাংলাদেশিদের আনাগোনায় সরগরম থাকতো গোটা এলাকা। বাংলাদেশি খাবার থেকে শুরু করে নানা ধরনের ব্যবস্থাপনা বাংলাদেশিদের জন্যই গড়ে উঠেছিল বাকি অংশ পড়ুন...
আজকাল পত্র-পত্রিকা খুললেই দেখা যায়, দেশের প্রায় অধিকাংশ জায়গায়, সড়ক দুর্ঘটনার খবর । দুর্ঘটনায় নিহত হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। ক্ষতি হচ্ছে অগণিত জান ও মালের। কিন্তু কেন?
এর অন্যতম কারণ হচ্ছে মানুষ দ্বীন ইসলাম উনার থেকে সরে গেছে, ভুলে গেছে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মুবারক মত ও আদর্শ।
কারণ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, “যেখানে কোনো প্রাণীর ছবি থাকে সেখানে রহমত উন বাকি অংশ পড়ুন...
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ নির্দেশনায় বিভিন্ন জেলায় বায়ুদূষণ ও পলিথিন বিরোধী অভিযান চালিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) (৩ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশে এ অভিযান চালানো হয়।
দেশব্যাপী এ অভিযানে বায়ুদূষণকারী ইটভাটা, যানবাহনকে ৪০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে ১১টি ইটভাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত বর্তমান পরিবেশ উপদেষ্টা বলেছে, আমাদের ৩০ শতাংশ দূষণ আসে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে। ২৮ শতাংশ পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে, শিল্প, ভূমি থেকে ১৩ শতাংশ।
উল্লেখ্য, পার্শ বাকি অংশ পড়ুন...
রাজশাহীর হিমাগারগুলোতে আলু সংরক্ষণের ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে গত পরশু রোববার (২রা ফেব্রুয়ারি ২০২৫) রাস্তায় আলু ফেলে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকরা। এ সময় অনেকে সড়কের ওপর শুয়ে পড়েন। প্রকাশ্যে কান্না করেছেন অনেকে।
এর আগে, কৃষকরা রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের মোহনপুর উপজেলা সদর এলাকায় আলু ফেলে প্রতিবাদ জানান। তাদের মধ্যে অনেকে মহাসড়কে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ করেন।
কৃষকরা জানান, আগে প্রতি কেজি আলু সংরক্ষণের জন্য হিমাগারগুলোকে ৪ টাকা ভাড়া দিতে হতো, যা এখন বৃদ্ধি করে ৮ টাকা করা হয়েছে। ভাড়া দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় তারা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে জানিয়েছেন বাকি অংশ পড়ুন...
কিন্তু আপনার উপদেষ্টা সরকার এন.আই.ডি কার্ডের নামে কোটি কোটি পর্দানশীন মহিলাদের খোদ মুখম-ল প্রকাশে বাধ্য করবে-
এই বৈষম্য পতিত জালিম সরকারের চেয়ে অনেক বড় তথা মহা বৈষম্য
সারজিসের স্ত্রীর তাক্বওয়া থাকবে- সে জান্নাতে যাবে আর বাকী পর্দানশীন মহিলারা মুখম-ল প্রকাশ করে জাহান্নামে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করবে- এটা তো বৈষম্যহীন পথ চলা নয়?
সারজিসের স্ত্রীর নাম প্রকাশ না করার ঘটনা থেকে উপদেষ্টা সরকারের মহিলাদের মুখম-ল প্রকাশ না করার গুরুত্ব অন্তবর্তী সরকারকে মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে হবে
এবং অবিলম্বে পর্দানশীন মহিলাদের জন্য ছবি বিহীন ভোটার বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের বিজেপি শাসিত রাজ্য উত্তরাখ-ে, গত ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) থেকে চালু হয়েছে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (ইউসিসি) বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। এর ফলে যে কোনও ধর্মের মানুষের ক্ষেত্রে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, ভরণপোষণ, দত্তক নেওয়ার মতো বিষয়ে একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য যে পৃথক পৃথক পার্সোনাল ল বা পারিবারিক আইন রয়েছে, তা এই সমস্ত ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না। তবে তফসিলি উপজাতিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির আওতা থেকে বাদ রাখা হয়েছে।
জনতা দল (ইউনাইটেড), সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবং অল ইন্ড বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি দেশের কিছু পত্র-পত্রিকা খুললে দেখা যায় যে, কিছু তথাকথিত মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’রা লিখে থাকে যে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের কোথাও শবে বরাত নেই। নাউযুবিল্লাহ!
তথাকথিত এসব মালানা, মুফতী এরা চরম মূর্খ তথা উলামায়ে ‘সূ’। কারণ ‘শব’ হলো ফারসী শব্দ। যার অর্থ রাত আর ‘বরাত’ আরবী শব্দ যার অর্থ ভাগ্য অর্থাৎ ভাগ্যের রজনী। তাহলে কী করে কুরআন শরীফ-এ লাইলাতুল বরাত শব্দ থাকতে পারে? পবিত্র কুরআন শরীফ-এ রয়েছে ‘লাইলাতুম মুবারাকা’। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভাষায় হলো- ‘লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান।’ আশাদ্দুদ দরজার জাহিল, প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র : উপজাতি পহাড়ি সন্ত্রাসী কর্তৃক চাঁদাবাজির রসিদ।
ভুক্তভোগীরা জানান, সীমান্তবর্তী এই সব এলাকার কৃষি জমিতে চাষ করতে, ফসল তুলতে, পাহাড়ি টিলাতে গাছ রোপ, কর্তন করতে ইউপিডিএফকে মোট অংকের চাঁদা দিতে হয়। নয়তো তারা শ্রমিকদের মারধর করে ধরে নিয়ে যায়। মুক্তিপণ আদায় করে।
বাঁশ ব্যবসায়ী শামসুল আলম (৪২) বলেন, পাহাড়ি এলাকায় ব্যবসা করতে হলে প্রথমে ইউপিডিএফকে ১০-৫০ হাজার টাকা দিয়ে পাস নিতে হবে। আবার ঘাটে ঘাটে ইউনিয়ন পরিষদ, স্কুল, হিন্দু মন্দির, বৌদ্ধ বিহার, ইউপিডিএফ ও জেএসএসের নামে চাঁদাও দিতে হয়। এভাবে দুই হাজার টাকার বাঁশের চালি ফটিকছ বাকি অংশ পড়ুন...
ট্রাম্প গাজাকে ‘পরিষ্কার’ করতে চায়। সে উপকূলীয় অঞ্চলটি থেকে আরও ফিলিস্তিনিদের গ্রহণ করতে মিশর ও জর্ডানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে নেওয়ার যে কোনো প্রচেষ্টা, ১৯৪৮ সালে দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েল সৃষ্টির সময় ফিলিস্তিনিদের গণ-বাস্তুচ্যুতির স্মৃতিকেই স্মরণ করিয়ে দেয়।
মিশর এর আগে গাজা থেকে সিনাই মরুভূমিতে ফিলিস্তিনিদের যে কোনো ‘জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির’ বিরুদ্ধে সতর্ক করেছিলো। দেশটির সিসি বলেছিলো, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ‘১৯৭৯ সালে দখলদার সন্ত্রাসী ইসরায়েলের সঙ্গে মিশরের সই হওয়া শান্তি চুক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
চিত্র : উপজাতি পহাড়ি সন্ত্রাসী কর্তৃক চাঁদাবাজির রসিদ।
অনুসন্ধনে জানা যায়, লক্ষ্মীছড়ির দুইদ্যেখোলা, বাইন্যেছোলা এলাকায় ইউপিডিএফের নেতৃত্ব দেয় কমান্ডার সমীর চাকমা । বার্মাছড়ি এলাকা ও রাঙ্গামাটির কাউখালীর এলাকায় নেতৃত্ব দেয় মিলন চাকমা। এ দুই কমান্ডারের রয়েছে প্রায় ৫শ সদস্যের সশস্ত্র প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসী। তার মধ্যে শতাধিক নারী সদস্যও রয়েছে। তারা সেখানে ‘পরিষদ’ নামে পরিচিত।
পার্বত্য এলাকার পাশাপাশি ফটিকছড়ির সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন লেলাং, কর্ণফুলী চা বাগান, কাঞ্চনপুর, মানিকপুর, রক্তছড়ি, ট্যাকবাড়িয়া, সরকারি ঢেভা, নানুপুর বাকি অংশ পড়ুন...












