আত্মরক্ষার অধিকার বলতে নিজের দেহ ও সম্পত্তি অন্যের আক্রমন থেকে রক্ষা করার অশিকারকে বোঝায়। তবে এ অধিকার একেবারে অবাধ বা নিরঙ্কুশ নয়। কিছু নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে প্রত্যেকেরই অবৈধ হস্তক্ষেপ বা আক্রমনের হাত থেকে নিজের দেহ ও সম্পত্তিকে রক্ষা করবার অধিকার রয়েছে। এরূপ অধিকারকেই দ-বিধিতে আত্মরক্ষার অধিকার বলা হয়।
দ-বিধির ৯৬ থেকে ১০৬ ধারায় বলা আছে,
(১) নিজের এবং অন্যের দেহ ও সম্পত্তি রক্ষা করবার অধিকার প্রত্যেক ব্যক্তিরই রয়েছে।
(২) এরূপ প্রতিরক্ষার উদ্দেশ্যে প্রত্যেক ব্যক্তি যতখানি আঘাত অন্যকে বা আক্রমনকারীর উদ্দেশ্যে দেওয়া প্ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত দ্বিতীয় সেনাপতি হযরত জা’ফর ইবনে আবী ত্বালিব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ:
‘বুখারী শরীফসহ’ আরো অন্যান্য কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
أَنَّ حَضْرَتْ ابْنَ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ وَقَفَ عَلَى حَضْرَتْ جَعْفَرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ يَوْمَئِذٍ وَهُوَ قَتِيلٌ فَعَدَدْتُ بِهِ خَمْسِينَ بَيْنَ طَعْنَةٍ وَضَرْبَةٍ لَيْسَ مِنْهَا شَيْءٌ فِي دُبُرِهِ يَعْنِي فِي ظَهْرِهِ
অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি বলেন, ‘সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক উনার দিন সম্মানিত দ্বিতীয় সেনাপতি হযরত জা’ফর ইবনে আবী ত্বা বাকি অংশ পড়ুন...
(সম্মানিত বদর জিহাদ মূলত: খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার খাছ গায়েবী মদদের ঘটনা। যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী। সন্ত্রাসীদের উপর খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হামলা আর জিহাদের ময়দান কখনও এক নয়।)
পূর্ব প্রকাশিতের পর
বৃষ্টি বাকি অংশ পড়ুন...
(সম্মানিত বদর জিহাদ মূলত: খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার খাছ গায়েবী মদদের ঘটনা। যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী। সন্ত্রাসীদের উপর খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হামলা আর জিহাদের ময়দান কখনও এক নয়।)
ঐতিহাসিক সম্মানিত বদর জিহা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে ইসহাক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, কাট্টা কাফির শাদ্দাদ ইবনে আসওয়াদ সে হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশে এই কবিতা আবৃত্তি করেছিল-
لَأَحْمِيَنَّ صَاحِبِي وَنَفْسِي ... بِطَعْنَةِ مِثْلِ شُعَاعِ الشَّمْسِ
‘আমি আমার বন্ধুকে এবং আমার নিজেকে এমন বর্শা দ্বারা হিফাযত করবো, যা সূর্যের কিরণের মত ঝলমলে হবে।’
এদিকে হযরত আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সেদিন উনার ধৈর্য্য ধারণের কথা ও হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিরুদ্ধে ইবনে শা’উবের সাহায্য করার কথা উল্লেখ করে বলেন-
وَلَوْ شِئْتُ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম কর্তৃক হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গোসল মুবারক প্রসঙ্গে:
হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিত নাম মুবারক হানযালা। উনার লক্বব মুবারক ‘গাসীলুল মালায়িকা’ ও তাকী। তিনি ছিলেন পবিত্র মদীনা শরীফ উনার আউস গোত্রের ‘আমর ইবনে আউফ’ শাখার। উনার পিতার নাম আবূ আমির।
সম্মানিত উহুদ জিহাদ তুমুল ভাবে চলাকালে হযরত হানযালা ইবনে আবূ আমির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ও হযরত আবূ সুফিয়ান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনারা পরস্পর মুখোমুখি হলেন। হযরত হানযালা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ত বাকি অংশ পড়ুন...
(সময়ের সাথে সাথে সবধরণের জমির চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় দালাল বা প্রতারকচক্র এসে যখন কোনো আগ্রহী ক্রেতাকে সস্তায় নির্ভেজাল জমির খবর দেন, তখন জমি যাতে হাত ছাড়া না হয় তার জন্য ক্রেতা দ্রুত বায়না ও রেজিষ্ট্রি করে মূল্য পরিশোধ করে জমি দখল করতে যান। জমি দখল করতে গিয়ে অনেক সময় ক্রেতা নানারকম প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন হন। তাই সতর্কতার ক্রেতা বিক্রেতার সতর্কতা ও করণীয় নিয়ে আমাদের এই লেখার অবতারণা।)
জমি-জমা ক্রয়ের পূর্বে ক্রেতা সাধারণের কর্তব্য :
জমি-জমা ক্রয়ের পূর্বে ক্রেতা কর্তৃক কিছু তথ্যাদি যাচাই বাছাই করে দেখা আবশ্ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত বদর জিহাদ মূলত: আক্ষরিক অর্থে কোন জিহাদ ছিল না। বরং ইহা ছিল সম্পূর্ণরূপেই খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্্ পাক উনার গায়েবী মদদের ঘটনা। আর যারা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ অনুযায়ী চলেন, খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্্ পাক উনার উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করেন, উনারাই গায়েবী মদদের অধিকারী হন। আর যারা সন্ত্রাসী হামলা চালায় ও সন্ত্রাসবাদ লালন করে তারা মুরতাদ ও জাহান্নামী । সন্ত্রাসীদের উপর খ¦লিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ্্ পাক উনার লা’নত। সন্ত্রাসী আর মুজাহিদ কখনও এক নয়। সন্ত্রাসী হা বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক সম্মানিত বদর প্রান্তরে কুরাইশদের পৌঁছানোর সংবাদ:
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কয়েকজন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে ঐতিহাসিক সম্মানিত বদর ময়দানে সংবাদ সংগ্রহের জন্য পাঠিয়ে দেন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ঐতিহাসিক সম্মানিত বদর ময়দানে গিয়ে একটি পুরাতন কূপের নিকট দুইজন ক্রীতদাস দেখে তাদেরকে ধরে নিয়ে আসেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মাগরিব উন বাকি অংশ পড়ুন...
(পুনঃপ্রকাশিত)
অত্র মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাধ্যমে সম্মানিত জিহাদ মুবারক করার সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার বিষয়টি সুস্পষ্ট ভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এই সম্মানিত জিহাদে কাফির মুশরিকদের পতাকাবাহীরা একের পর এক নিহত হলে এক পর্যায় কাট্টা কাফির মুসাফি ইবনে ত্বলহা পতাকা তুলে নেয়। হযরত আসিম ইবনে ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি এই কাফিরটাকে মুহূর্তের মধ্যে হত্যা করেন। তারপর তার ভাই কাট্টা কাফির আল জুলাস ইবনে ত্বলাহ মতান্তরে কাট্টা কাফির কিলাব ইবনে ত্বলাহ পতাকাটি নিলে তাকেও তিনি তীর নিক্ষেপ করে হত্যা করেন।
উল্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আমার উম্মতের মধ্যে যারা উলামায়ে ‘সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী তারাই সৃষ্টির নিকৃষ্টেরও নিকৃষ্ট।” এ সম্পর্কিত পবিত্র ইলম অর্জন করা সকলের জন্যই ফরয। ধর্মব্যবসায়ীদেরকে না চিনার কারণেই সাধারণ মুসলমানরা তাদের ধোঁকায় পড়ে সম্মানিত ঈমান-আমল বিনষ্ট করে গুমরাহীতে নিমজ্জিত হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ!
তাই সম্মানিত ঈমান-আমল হিফাযত করতে হলে ধর্মব্যবসায়ীদেরকে চিনতে ও চিহ্নিত করতে হবে। তাহলে মুসলমানগণ তাদের ঈমান ও আমল হিফাযত করতে পারবে। বর্তমানে তাই দেখা যাচ্ছে, ধর্মব্যবসায়ীদেরকে না চিনার কারণে বাকি অংশ পড়ুন...
কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য একজন ক্রেতা, বিক্রেতার কাছে থেকে নিম্নোক্ত কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিতে পারেন:
- বিক্রেতা ক্রয়সূত্রে মালিক হলে সংশ্লিষ্ট জমির ক্রয় দলিল।
- বিক্রেতা যার নিকট থেকে জমিটি ক্রয় করেছেন, সেই ব্যাক্তির ক্রয় দলিল (অন্য কোনভাবে জমিটি প্রাপ্ত হলে তার দলিল) । এইরূপ ধারাবাহিকভাবে কমপক্ষে ২৫ বছরের বা সর্বশেষ চূড়ান্ত জরিপের পর থেকে যতবার বর্ণিত জমি হস্তান্তর হয়েছে।
- খতিয়ান বা পর্চা (রেকর্ড অব রাইট্স)।
- খাজনার রশিদ ও ডিসিআর বা ডুপ্লিকেট কার্বন রশিদ।
- গ্যাসবিল, পানিবিল, বিদ্যুৎবিল ইত্যাদি বিক্রেতার নামে প বাকি অংশ পড়ুন...












