ভূমিকা:
৮ম হিজরী শরীফ উনার সম্মানিত জুমাদাল ঊলা শরীফ মাসে সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক সংঘটিত হন।
জর্ডানের বাল্ক এলাকার নিকটবর্তী একটি স্থানের নাম মু’তাহ্। এই জায়গা থেকে পবিত্র বাইতুল মুক্বাদ্দাস শরীফ উনার দূরত্ব মাত্র দুই মনযিল। সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক এখানেই সংঘটিত হয়েছিলেন। মু’তাহ্ নামক স্থানে এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক সংঘটিত হওয়ার কারণে এই সম্মানিত জিহাদ উনাকে ‘সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক’ বলা হয়। সুহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র মক্কা শরীফ উনার ঘরে ঘরে পরাজয়ের সংবাদ এবং কুরাইশ কাফের মুশরিকদের আর্তনাদ:
প্রসিদ্ধ তারিখ ও ইতিহাস গ্রন্থসমূহে উল্লেখ রয়েছে-
وَكَانَ أَوَّلَ مَنْ قَدِمَ مَكّةَ بِمُصَابِ قُرَيْشٍ الْحَيْسُمَانُ بْنُ عَبْدِ اللهِ الْخُزَاعِيّ، فَقَالُوْا : مَا وَرَاءَك ؟ قَالَ قُتِلَ عُتْبَةُ بْنُ رَبِيْعَةَ، وَشَيْبَةُ بْنُ رَبِيْعَةَ، وَأَبُوْ الْحَكَمِ بْنُ هِشَامٍ، وَأُمَيّةُ بْنُ خَلَفٍ، وَزَمَعَةُ بْنُ الْأَسْوَدِ، وَنُبَيْهٌ وَمُنَبّهٌ ابْنَا الْحَجَّاجِ، وَأَبُوْ الْبَخْتَرِيّ بْنُ هِشَامٍ فَلَمّا جَعَلَ يُعَدّدُ أَشْرَافَ قُرَيْشٍ .قَالَ صَفْوَانُ بْنُ أُمَيّةَ، وَهُوَ قَاعِدٌ فِي الْحِجْرِ : وَاَللّهِ إنْ يَعْقِلْ هَذَا فَاسْأَلُوْهُ عَنّيْ ؛ فَقَالُوْا : مَا فَعَلَ صَفْوَانُ بْنُ أُم বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক সম্মানিত বদর জিহাদ উনার পরের দিন ১৮ই রমাদ্বান শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি সম্মানিত বিছালী শান মুবারক গ্রহণ করেন:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
فَجَاءَ حَضْرَتْ زَيْدُ بْنُ حَارِثَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ بَشِيْرًا ۢ بِوَقْعَةِ بَدْرٍ وَّحَضْرَتْ عُثْمَانُ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَلـٰى قَبْرِسَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ رُقَيَّةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ بِنْتِ رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدْفِنُهَا.
অর্থ: “অতঃপর সাইয়্যিদুনা হযরত যায়িদ ইবনে হারিছাহ রদ্বিয়াল্লাহু তা’য় বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত উহুদ জিহাদে হযরত মুছয়াব ইবনে উমাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ:
হযরত মুছয়াব ইবনে উমাইর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক উনার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মূলত উনার সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণের পর থেকে পরবর্তী হায়াত মুবারক ছিলো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্যে পূর্ণ ফানা ও বাঁকা। সুবহানাল্লাহ! সুবহানা রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সুবহানা মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! যা প্রত্যেক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَلِـىٍّ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَه عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ سَبَّ نَبِيًّا فَاقْتُلُوْهُ وَمَنْ سَبَّ اَصْحَابِـىْ فَاضْرِبُوْهُ.
অর্থ: “ ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি কোনো নবী-রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে গাল-মন্দ করে, মানহানী করে, আপনারা তাকে ক্বতল করুন, মৃত্যুদ- দিন। আর যে ব্যক্তি আমার হযরত ছাহাবায় বাকি অংশ পড়ুন...
স্থানীয় এখতিয়ারের মাধ্যমে আদালতের বিচারযোগ্য মামলার এলাকা নির্ধারণ করা হয়। যেমন, কোন জেলা জজ আদালত নির্দিষ্ট কোন জেলা ছাড়া অন্য কোন জেলার মামলার বিচার করতে পারবে না। হাইকোর্টের দ্বারা আদিষ্ট হলে অবশ্য এর ব্যতিক্রম হয়।
আদি এখতিয়ার হলো মামলার মূল্যমানের উপর ভিত্তি করে আদালত কর্তৃক মামলা গ্রহণ ও বিচারের ক্ষমতা। একটি আদালত নির্দিষ্ট মূল্যমানের মামলা বিচার করতে পারবেন কি না তা আর্থিক এখতিয়ারের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
মামলার বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয় মামলাটি কোন আদালতে বিচার্য। যেমন, ফৌজদারী আদালত দেওয়ানী মাম বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দকের জিহাদ সম্পর্কে নাযিলকৃত মহাসম্মানিত সূরা আহযাব শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ ৯ থেকে ২৭ পর্যন্ত উনাদের সরল অর্থ মুবারক:
مِّنَ الْمُؤْمِنِينَ رِجَالٌ صَدَقُوا مَا عَاهَدُوا اللَّهَ عَلَيْهِ ۖ فَمِنْهُم مَّن قَضَىٰ نَحْبَهُ وَمِنْهُم مَّن يَنتَظِرُ ۖ وَمَا بَدَّلُوا تَبْدِيلًا ﴿٢٣﴾
মু’মিন উনাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাঁরা মহান আল্লাহ পাক উনার সঙ্গে তাঁদের কৃত অঙ্গীকার পূর্ণ করেছেন, উনাদের কেহ কেহ শাহাদাত বরণ করেছেন এবং কেহ কেহ প্রতিক্ষায় রয়েছেন। উনারা উনাদের অঙ্গীকারে কোন পরিবর্তন করেন নাই; সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ, পবিত্র আয়াত শরী বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অনুমতি মুবারক দান করেন এবং উনার জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দু‘আ মুবারক করেন। তখন সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে সামনের দিকে অগ্রসর হতে লাগলেন আর আবৃত্তি করতে লাগলেন-
لا تعجلن فقد اتاك ... مجيب صوتك غير عاجز
فى نية وبصيرة ... والصدق منجى كل فائز
من ضربة نجلا ... يبقى ذكرها عند الهزاهز
অর্থ: “তুমি তাড় বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত হিজরী তৃতীয় বৎসরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে, নাজরানদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা। একে বানী সুলাইমের অভিযানও বলা হয়। ওই অভিযানের কারণ ছিলো এরকম যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সংবাদ জানানো হলো যে, সেখানে বানী সুলাইম গোত্রের লোকেরা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বিরুদ্ধে একত্রিত হচ্ছে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ৩০০ জন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের নিয়ে সেখানে তাশরীফ বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক সম্মানিত বদর জিহাদ উনার পরের দিন ১৮ই রমাদ্বান শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি সম্মানিত বিছালী শান মুবারক গ্রহণ করেন:
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছানিয়াহ আলাইহাস সালাম তিনি সম্মানিত মদীনা শরীফ-এ হিজরত মুবারক করার পর প্রায় এক বছর কয়েক মাস দুনিয়ার যমীন-এ অবস্থান মুবারক করেন। দ্বিতীয় হিজরী সনের সম্মানিত শা’বান মাসের শুরুর দিকে উনার গুটিবসন্ত হয়। তখন থেকে তিনি সম বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত উহুদ জিহাদে স্বয়ং খলিক মালিক মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত খুশি মুবারক করার লক্ষ্যে পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করলেন-
لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُونَ
অর্থ: “(মহান আল্লাহ পাক) তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দিবেন এই বিষয়ে আপনার কোন কিছুই করতে হবে না কারণ তারাতো যালিম। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ- ১২৮)
অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছ বাকি অংশ পড়ুন...
স্মরণীয় যে, যারা বলেছিল যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত শাহাদাতী শান মুবারক গ্রহণ করেছেন সুতরাং আপনারা নিজ সম্প্রদায়ের লোকদের নিকট ফিরে যান। তাদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করলেন-
وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٌ قَدْ خَلَتْ مِنْ قَبْلِهِ الرُّسُلُ
অর্থ: “সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একজন সুমহান রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। উনার পূর্বে অনেক হযরত রসূল আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...












