কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
أن حضرت خالدا رضي الله تعالى عنه لما أخذ اللواء حمل على القوم فهزمهم الله أسوأ هزيمة حتى وضع المسلمون أسيافهم حيث شاؤوا وأظهر الله المسلمين.
অর্থ : নিশ্চয়ই হযরত খালিদ ইবনে ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সম্মানিত পতাকা মুবারক গ্রহণ করে কাফিরদের উপর কঠিনভাবে আক্রমণ করেন। তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি কাফিরদেরকে অত্যন্ত লাঞ্ছিতভাবে পরাজিত করেন। মুসলমানরা সম্মানিত জিহাদ মুবারক শেষ করে উনাদের সম্মানিত তরবারী মুবারক রেখে দেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমানদেরকে মহাসম্মানিত বিজয় মুবারক হাদিয়া করেন। সুবহানাল্লাহ! (আস সীরাতুল হালাবিয়্যাহ্ ৩/৯ বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ নাযীর সম্পর্কিত কবিতাবলী:
فَغُودِرَ مِنْهُمْ كَعْبٌ صَرِيعًا ... فَذَلّتْ بَعْدَ مَصْرَعِهِ النّضِيرُ
ফলে তাদের মধ্য থেকে কাট্টা কাফির কা’ব বিন আশরাফ জঘন্যভাবে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিলো। তার নিহত হওয়ার পরপরই বানূ নাযীরও অপদস্ত ও লাঞ্ছিত হয়ে পড়লো।
عَلَى الْكَفّيْنِ ثُمّ وَقَدْ عَلَتْهُ ... بِأَيْدِينَا مُشَهّرَةٌ ذُكُورُ
খাপমুক্ত শাণিত তরবারি আমাদের হস্তগত হলো, যার কারণে তারা দু’হাত জোড় করে নত হলো। কাট্টা কাফির কা’বের উপর আমাদের প্রসিদ্ধ হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা বিজয়ী হলেন। সুবহানাল্লাহ!
بِأَمْرِ حَضْرَتْ مُحَمّدٍ صَلّى اللّهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ إذْ دَسّ বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবূ মুহম্মদ আব্দুল মালিক ইবনে হিশাম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত আবূ সুফিয়ান ইবনে হারব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি পবিত্র যিলহজ্জ মাসে সাবীকের যুদ্ধের উদ্দেশ্যে বের হন। হযরত মুহম্মদ ইবনে জা’ফর ইবনে যুবাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ও হযরত ইয়াযীদ ইবনে রূমান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং আরও কিছু বর্ণনাকারী উনারা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সূত্রে বর্ণনা করেন। আর হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয় বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে রওয়াহাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ:
হযরত জা’ফর ইবনে আবী ত্বালিব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের সাথে সাথে পতাকা মুবারক উনার মধ্যে মাটির স্পর্শ লাগার আগেই তা হাত মুবারক-এ তুলে নেন তৃতীয় সেনাপতি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে রওয়াহাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি। সুবহানাল্লাহ! তিনি ঘোড়ায় চড়ে পতাকা মুবারক ধারণ করেন এবং অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জিহাদ মুবারক করতে থাকেন এবং কাফিরদেরকে কচুকাটা করতে থাকেন। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হু বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বিতীয় সেনাপতি হযরত জা’ফর ইবনে আবী ত্বালিব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ:
প্রথম সেনাপতি হযরত যায়েদ ইবনে হারিছাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের পর পতাকা মুবারক হাতে নেন দ্বিতীয় সেনাপতি হযরত জা’ফর ইবনে আবী ত্বালিব রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। তিনি সেনাপতি হিসাবে জিহাদ মুবারক উনার ময়দানে অবতীর্ণ হন। জিহাদ মুবারক কঠিন থেকে কঠিনতর হতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি উনার ঘোড়ার পিঠ থেকে লাফিয়ে নিচে নেমে অত্যন্ত বীর বিক্রমে কাফির সৈন্যদের ভিতরে ঢুকে পড়েন এবং জিহাদ মুব বাকি অংশ পড়ুন...
স্মরণীয় যে, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত মুহাজির ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মাঝে সেই সমস্ত সম্পদ বন্টন করে দিলেন যা ইহুদীদের থেকে গনীমত হিসাবে লাভ করেছিলেন। এখানে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইচ্ছা মুবারক ছিলেন, হযরত আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যে হযরত মুহাজির ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়াল আনহুম উনাদেরকে কত বেমেছাল ভ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে রওয়াহাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার কবিতা পাঠ:
এরপর হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে রওয়াহাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি সকলের উদ্দেশ্যে কবিতা পাঠ করেন-
جَلَبْنَا الْخَيْلَ مِنْ أَجَإٍ وَفَرْعٍ ... تُغَرُّ مِنْ الْحَشِيشِ لَهَا الْعُكُومُ
حَذَوْنَاهَا مِنْ الصَّوَّانِ سِبْتًا ... أَزَلَّ كَأَنَّ صَفْحَتَهُ أَدِيمُ
أَقَامَتْ لَيْلَتَيْنِ عَلَى مَعَانٍ ... فَأَعْقَبَ بَعْدَ فَتْرَتِهَا جُمُومُ
فَرُحْنَا وَالْجِيَادُ مُسَوَّمَاتٌ ... تَنَفَّسُ فِي مَنَاخِرِهَا السَّمُومُ
فَلَا وَأَبِي مَآبَ لَنَأْتِيَنهَا ... وَإِنْ كَانَتْ بِهَا عَرَبٌ وَرُومُ
فَعَبَّأْنَا أَعِنَّتَهَا فَجَاءَتْ ... عَوَابِسَ وَالْغُبَارُ لَهَا بَرِيمُ
بِذِي لَجَبٍ كَأَنَّ الْبَيْضَ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
বনূ নাযীর সম্পর্কিত কবিতাবলী:
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, বানূ নাযীরের বহিষ্কার ও কাট্টা কাফির কা’ব ইবনে আশরাফের হত্যার ঘটনা উল্লেখ করে হযরত কা’ব ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নিম্নের কবিতা আবৃত্তি করেন-
لَقَدْ خَزِيَتْ بِغَدْرَتِهَا الْحُبُورُ ... كَذَاكَ الدَّهْرُ ذُوْ صَرْفٍ يَدُوْرُ.
অবশ্যই ইহুদী পন্ডিতরা তাদের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে লাঞ্ছিত ও অপমানিত হয়েছে। যুগ এ রকমই পরিবর্তনশীল যা চক্রাকারে আবর্তিত হয়।
وَذَلِكَ أَنَّهُمْ كَفَرُوْا بِرَبِّ ... عَزِيْزٍ أَمْرُهُ أَمْرٌ كَبِيْرُ
এ কারণে তারা মহাপরাক্রমশীল র বাকি অংশ পড়ুন...
মা‘আন নামক স্থানে অবতরণ এবং গোয়েন্দা উনাদের মারফত কাফিরদের সংবাদ গ্রহণ:
তারপর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা রওয়ানা হয়ে যান এবং শামের মা‘আন (مَعَانُ) নামক অঞ্চলে অবতরণ করেন। তখন উনারা গোয়েন্দা উনাদের মারফত সংবাদ পান যে, রোমের শাসক হিরাক্লিয়াস এক লাখ সৈন্য নিয়ে বাল্ক্বা (بَلْقَاءٍ) অঞ্চলের মাআব (مَآبُ) নামক স্থানে অবস্থান করছে। সেখানে তার সাথে যোগ হয়েছে লাখাম, জুযাম, ক্বাইন (قَيْنُ), বাহরা ও বালী ইত্যাদি আরব খ্রিষ্টান গোত্রসমূহের আরো এক লাখ সৈন্য। উল্লেখিত শেষোক্ত এক লাখ ছিলো আরব গোত্রসমূহের সমন্বিত সেনাদল। কার বাকি অংশ পড়ুন...












