ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দক জিহাদ:
সূরা নূর শরীফের ৬২ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ হচ্ছে সেইসব হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের জন্য যারা ছিলেন মহান আল্লাহ পাক ও উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের অনুসরণ ও উনাদের রেজামন্দী-সন্তুষ্টি মুবারক তালাশি।
এরপর যে সমস্ত মুনাফিক সম্মানিত পরিখা খনন না করে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুমতি মুবারকের তোয়াক্কা না করে বাড়ীতে চলে যায় তাদের সম্পর্কে যিনি বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরী তৃতীয় বৎসর সংঘটিত হয় সম্মানিত গাতফানের জিহাদ। এই সম্মানিত জিহাদকে আনমারের জিহাদ বা যী আমরের জিহাদও বলা হয়। স্থানটি ছিলো নজদের অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ (তথা পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) এ জিহাদ সংঘটিত হয়েছিল। অন্য বর্ণনায় ৩য় হিজরী পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি গাতফান গোত্রকে তা’লীম দেয়ার উদ্দেশ্যে নজদের পথে বের হন। এই সম্মানিত জিহাদ উনার কারণ ছিলো, সংবাদ প্রচারিত হয়ে গেলো যে, বানী ছা’লাবা এবং বানী মুহারিবের লোকজন নজদের স বাকি অংশ পড়ুন...
ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّىٰ. فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَىٰ
অর্থ: অতঃপর নিকটবর্তী হলেন ও ঝুঁকে গেলেন। তখন দুই ধনুকের ব্যবধান ছিল অথবা আরও কম। (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮-৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
ধন্য হলো আরশে আযীম:
‘আরশে আ’যীমে’ পৌঁছে খালিক্ব, মালিক, রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি দেখতে পেলেন ‘লাওহে মাহফুজ’। সেখানে লেখা রয়েছে- হাদীছে কুদসী শরীফ-এ মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “আমার রহমত গযবের উপর প্রাধান্য পেয়েছে। ”
এরপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ‘আরশে মুয়াল্লা উনাকে’ লক্ষ্য করে বললেন, ‘আমি গোটা আলমের জন্য রহমতস্বরূপ। ’ তোমাদের জন্য কিরূপ রহমত? বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দক জিহাদ:
এখানেও কিছু মুনাফিক তারা খনন কাজে গড়িমসি করতে লাগলো কিন্তু তাদের কোন চক্রান্ত কাজে আসলো না। মুনাফিকরা বিভিন্ন রকম কাজের অজুহাত দিয়ে গা ঢাকা দিতে লাগলো, এমন কি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে না জানিয়ে, উনার অনুমতি মুবারক না নিয়ে ফাঁকি দিয়ে পরিবারবর্গের কাছে চলে যেতে লাগলো। নাউযুবিল্লাহ! অপরপক্ষে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের কোন জরুরী কাজ দেখা দিলে উনারা সে বিষয়গুলি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَلَا تُقَاتِلُونَ قَوْمًا نَكَثُوا أَيْمَانَهُمْ وَهَمُّوا بِإِخْرَاجِ الرَّسُولِ وَهُمْ بَدَءُوكُمْ أَوَّلَ مَرَّةٍ أَتَخْشَوْنَهُمْ فَاللَّهُ أَحَقُّ أَنْ تَخْشَوْهُ إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ
অর্থ: আপনারা কি সেই জাতির বিরুদ্ধে জিহাদ করবেন না, যারা তাদের শপথ ভঙ্গ করেছে এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থান মুবারক করার বিষয়ে বিরোধিতা করেছে এবং তিনি যেন সেখান থেকে পবিত্র মদীনা শরীফে সম্মানিত হিজরত মুবারক করেন এ বিষয়ে তারা ষড়যন্ত্র করেছে? আর এরাই প্রথম বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قَاتِلُوْهُمْ يُعَذِّبْهُمُ اللهُ بِاَيْدِيْكُمْ وَيُـخْزِهِمْ وَيَنْصُرْكُمْ عَلَيْهِمْ وَيَشْفِ صُدُوْرَ قَوْمٍ مُؤْمِنِيْنَ
অর্থ: আপনারা তাদের (কাফির-মুশরিকদের) বিরুদ্ধে জিহাদ করুন, মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের হাতে তাদেরকে শাস্তি প্রদান করবেন। সুবহানাল্লাহ! তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে আপনাদেরকে জয়ী করবেন এবং সম্মানিত ঈমানদার উনাদের অন্তরসমূহকে শিফাদান করবেন অর্থাৎ এতমিনান দান করবেন। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা তাওবা: আয়াত শরীফ ১৪)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يُوَلِّهِمْ يَوْمَئِذٍ دُبُرَهُ إِلَّا مُتَحَرِّفًا لِقِتَالٍ أَوْ مُتَحَيِّزًا إِلَى فِئَةٍ فَقَدْ بَاءَ بِغَضَبٍ مِنَ اللَّهِ وَمَأْوَاهُ جَهَنَّمُ وَبِئْسَ الْمَصِيرُ
অর্থ: “আর যে লোক সেদিন (জিহাদের ময়দানে) তাদের (কাফিরদের) থেকে পশ্চাদপসরণ করবে, অবশ্য যিনি জিহাদের কৌশল পরিবর্তন করার উদ্দেশ্যে অথবা নিজ সৈন্যদের নিকট আশ্রয় নিতে আসবেন, তিনি ব্যতীত অন্যরা মহান আল্লাহ পাক উনার গযবে পতিত হবে। আর তার ঠিকানা হলো জাহান্নাম। প্রকৃতপক্ষে সেটা হলো অত্যন্ত নিকৃষ্ট অবস্থানস্থল। ” না‘ঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা আনফাল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৬) বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক সম্মানিত খন্দক জিহাদ:
সম্মানিত খন্দক জিহাদের নামকরণ: ‘খন্দক’ অর্থ পরিখা। এই জিহাদে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনার প্রবেশপথে দীর্ঘ খন্দক বা পরিখা খনন করার কারণে এ জিহাদকে পবিত্র খন্দক জিহাদ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ! ‘আহযাব’ অর্থ দলসমূহ। পুরো আরবের কাফির-মুশরিকরা সম্মিলিতভাবে জোটবদ্ধ হয়ে এ জিহাদে আসার কারণে এ জিহাদকে আহযাবের জিহাদ বা জোটের জিহাদও বলা হয়।
চির লা’নত প্রাপ্ত ইহুদী কর্তৃক কতিপয় গোত্রগুলোকে একত্রিত করণ:
প্রসিদ্ধ ও মশহুর বর্ণনামতে, ঐতিহাসিক খন্দক জিহাদ সম্পর্কে উনারা বলেন, ঐতিহাসিক খন্দক জিহা বাকি অংশ পড়ুন...












