পবিত্র মদীনা শরীফ উনার সংখ্যাগরিষ্ঠ আউস ও খাযরাজ গোত্রের যারা মূল ছিলেন উনারা সম্মানিত হিজরত মুবারকের পূর্বে এবং পরে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেন। আউস ও খাযরাজ এই দু’গোত্রের সকলেই দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করায় উনাদের সাথে সন্ধিচুক্তির কোন প্রশ্নই ছিলো না। তবে খাযরাজ গোত্রের মধ্যে মুনাফিক সর্দার উবাই বিন সুলূল নেতৃত্বে সামনে থাকলেও গোত্রের অধিকাংশই মুসলমান হওয়ায় উনাদের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রকাশ্যে কিছু করার ক্ষমতা তার ছিলো না। সম্মানিত বদর জিহাদের পর সে এবং তার অনুসারীরা প্রকাশ্যে দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে। তবে সেসময় পবিত্র মদীন বাকি অংশ পড়ুন...
৫ম হিজরী উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শাহরুল আ’যম তথা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাসে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে জানানো হলো, ‘দুমাতুল জান্দাল’ এলাকার লোকেরা পবিত্র মদীনা শরীফে আক্রমণের উদ্যোগ নিচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! দুমাতুল জান্দাল হচ্ছে, পবিত্র মদীনা শরীফ থেকে ১৫ দিনের দূরত্বে অবস্থিত একটি স্থান, যেখান থেকে দামেশক ৫ দিনের পথ।
হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়াযীদ বাহিনীর তা-বলীলা:
৯. পবিত্র মদীনা শরীফ লুটপাট: ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির বাহিনী পবিত্র মদীনা শরীফবাসী উনাদের সমস্ত ধন-সম্পদ লুটপাট করে। তাদের চাহিদা মুতাবিক ধন-সম্পদ না পেলে বাচ্চা শিশু ও মহিলাদেরকেও শহীদ করে। না‘ঊযুবিল্লাহ! যেমন- তারা একজন আনছার মহিলা ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহা উনাকে উদ্দেশ্য করে বলে, আমাদেরকে স্বর্ণ দিন, অন্যথায় আপনাকে ও আপনার কোলের শিশুকে শহীদ করবো। ইতিমধ্যে উনার কাছে ধন-সম্পদ যা কিছু ছিলো ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। তিনি উনার পরিচয় তুলে ধরেন। কিন্তু তারা উনার কথায় কর্ণপাত না করে তাদের চাহিদা ম বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
ইয়াযীদ বাহিনীর তা-বলীলা:
৪. পবিত্র মদীনা শরীফ উনাকে জনশূন্য করে দেয়া: হযরত ইমাম কুরতুবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “ঐতিহাসিকগণ লিখেছেন যে, পবিত্র মদীনা শরীফ তখন জনশূন্য হয়ে যান। মরুর পশুপাখিরা সেখানে মলমুত্র ত্যাগ করে। না‘ঊযুবিল্লাহ! পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ কুকুরের বাসস্থানে পরিণত হয়। ” না‘ঊযুবিল্লাহ! (জযবুল কুলূব)
৫. পবিত্র মিম্বর শরীফ উনার অবমাননা: কিতাবে বর্ণিত রয়েছে-
فَلَمْ يُمَكِّنْ اَحَدًا دُخُوْلَ مَسْجِدِهَا حَتّٰى دَخَلَتْهُ الْكِلَابُ وَالذِّئَابُ وَبَالَتْ عَلٰى مِنْۢبَرِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “(ঐ সময়) পবিত্র মসজি বাকি অংশ পড়ুন...
একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ হিকমত মুবারক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ থেকে ৩৫ মাইল দূরুত্বে ‘মাররুায যাহরান’ নামক স্থানে পৌঁছে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা শিবির স্থাপন করেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্দেশ মুবারক দেন যে, প্রত্যেকেই যেন আলাদা আলাদাভাবে মশালে আগুন জ্বালিয়ে হাতে হাতে নিয়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থা বাকি অংশ পড়ুন...
ইয়াযীদ বাহিনীর তা-বলীলা:
১. খুন-হত্যা: ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির নির্দেশে ইবনে উক্ববা লা’নাতুল্লাহি আলাইহি ৪২ হাজার সৈন্য নিয়ে পবিত্র মদীনা শরীফ আক্রমন করে এবং পবিত্র মদীনা শরীফ উনাকে ৩ দিনের জন্য হালাল ঘোষণা করে। না‘ঊযুবিল্লাহ! এ সময় ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির বাহিনী শিশু এবং মহিলা ব্যতীত সর্বমোট ১২,৪৯৭ জন পবিত্র মদীনা শরীফবাসী উনাদেরকে শহীদ করে। না‘ঊযুবিল্লাহ! উনাদের মধ্যে হযরত মুহাজির ও আনছার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম এবং বিশিষ্ট হযরত তাবেয়ীন রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা মিলে ছিলেন ১৭০০ জন, সাধা বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ উনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা মুবারক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নির্দেশ মুবারক অনুযায়ী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা রওয়ানা মুবারক করার জন্য পরিপূর্ণ প্রস্তুতি মুবারক গ্রহণ করেন। ৮ম হিজরী শরীফ উনার পবিত্র ১০ই রমাদ্বান শরীফ সম্মানিত ছলাতুল আছর উনার পর ১০ হাজার হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের এক বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা বাকি অংশ পড়ুন...
কারণ ও প্রেক্ষাপট:
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
৬. ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির কুফরী কাজের প্রতিবাদ এবং তার বায়াত ভঙ্গ: পবিত্র মদীনা শরীফবাসী হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এবং হযরত তাবিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহির এই সকল কুফরী ও হারাম-নাজায়িয কাজের প্রতিবাদ করেন এবং তার বায়াত ভঙ্গ করেন। আল্লামা হযরত ইমাম ইবনে জাওযী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “৬২ হিজরীতে ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি তার চাচাতো ভাই উছমানকে পবিত্র মদীনা শরীফ উনার শাসক পদে নিয়োগ করে। উছমান ইয়াযীদ লা’নাতুল বাকি অংশ পড়ুন...
কারণ ও প্রেক্ষাপট:
৩. স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনাকে অস্বীকার এবং উনার বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করা: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনাকে উদ্দেশ্য করে ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি লিখে-
اُدْعُوْ اِلٰهَكَ فِى السَّمَاءِ فَاَنَّنِىْ ... اَدْعُوْ عَلَيْكَ رِجَالَ عَكَّ وَاَشْعَرْ
كَيْفَ النَّجَاةُ اَبَا خُبَيْبٍ مِنْهُمْ ... فَاحْتَلْ لِنَفْسِكَ قَبْلَ اَتَى الْعَسْكَرْ
অর্থ: “আপনি আপনার ইলাহ্ মহান আল্লাহ পাক উনাকে ডাকুন যিনি আসমানে আছেন। আর আমি আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য আক ও আশআর গোত্রের যোদ্ধাদের ডাকি। আবূ খুবাইব (হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে যুবাইর রদ্বিয়াল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার প্রস্তুতি এবং বিশেষ সতর্কতা মুবারক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার প্রস্তুতি গ্রহণ করার এবং সম্মানিত জিহাদ মুবারক উনার সরঞ্জামাদি প্রস্তুত করার জন্য নির্দেশ মুবারক দেন। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার পবিত্রতম উদ্দেশ্য মুবারক কারো নিকটই প্রকাশ করেননি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইচ্ছা মুবারক ছিলো যে, উনার পবিত্র উদ্দেশ্য মুব বাকি অংশ পড়ুন...












