মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
বনূ নাযীর সম্পর্কিত কবিতাবলী:
أَلَسْتُمْ تَخَافُونَ أَدُنَى الْعَذَابِ ... وَمَا آمِنُ اللّهِ كَالْأَخْوَفِ
তোমরা কি মহান আল্লাহ পাক উনার লাঞ্ছনাকর কঠিন শাস্তিকে ভয় করো না? আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে নিরাপত্তাপ্রাপ্ত, তিনিতো তাদের মত নন, যাদের জীবন ভয় ও ত্রাসের মধ্যে অতিবাহিত হয়।
وَأَنْ تَصْرَعُوا تَحْتَ أَسْيَافِهِ ... كَمَصْرَعِ كَعْبٍ أَبِي الْأَشْرَفِ
তোমরা কি ভয় করো না, তোমাদেরকে তরবারির নীচে ধরাশায়ী করে হত্যা করা হবে, যেমন করা হয়েছিল কাট্টা কাফির কা’ব ইবনে আশরাফকে। নাউযুবিল্লাহ!
غَدَاةَ رَأَى اللّهُ طُغْيَانَهُ ... وَأَعْرَضَ كَالْجَمْلِ الْأَج বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত পতাকা মুবারক প্রদান:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
عقد لهم صلى الله عليه وسلم لواء أبيض ودفعه إلى حضرت زيد رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ
অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত মুজাহিদ উনাদের জন্য একটি সাদা পতাকা মুবারক প্রস্তুত করে তা হযরত যায়েদ ইবনে হারিছাহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার নিকট দেন। ” সুবহানাল্লাহ! (শরহুয যারক্বানী ৩/৩৪২)
সম্মানিত জিহাদ মুবারক শুরু করার পূর্বে কাফিরদেরকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দিকে আহ্বান করার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নির্দেশ মুবারক প্রদান:
কিতাবে বর বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ নাযীর সম্পর্কিত কবিতাবলী:
হযরত ইবনে লুকাইম আইছামী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরো কবিতা রচনা করেছেন যথা:
رَسُولًا صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ الرّحْمَنِ يَتْلُوْ كِتَابَهُ ... فَلَمَّا أَنَارَ الْحَقُّ لَمْ يُتَلَعْثَمْ
তিনি মহান আল্লাহ পাক যিনি রহমান উনার রসূল বা হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তিনি উনার সম্মানিত কিতাব তিলাওয়াত মুবারক করেন (অর্থাৎ তিনি উম্মতকে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত মুবারকের তা’লীম মুবারক দিয়ে থাকেন)। সুবহানাল্লাহ! যখন হক্ব বা সত্য উদ্ভাসিত হলো, তখন আর কোন দ্বিধা-সংশয় থাকলো না। সুবহানাল্লাহ!
أَرَى أَمْرَهُ يَزْدَادُ فِي كُل বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত সেনাপতি নির্ধারণ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওছীয়ত মুবারক:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ أَمَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةِ مُؤْتَةَ حَضْرَتْ زَيْدَ بْنَ حَارِثَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنْ قُتِلَ حَضْرَتْ زَيْدٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَحَضْرَتْ جَعْفَرٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَإِنْ قُتِلَ حَضْرَتْ جَعْفَرٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ فَحَضْرَتْ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ رَوَاحَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ
অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বর্ণনা মতে মহাসম্মানিত ঐতিহাসিক গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ:
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، قَالَ أَخْبَرَنِي الزُّهْرِيُّ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ، وَمَرْوَانَ، يُصَدِّقُ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا حَدِيثَ صَاحِبِهِ قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَمَنَ الْحُدَيْبِيَةِ، حَتَّى كَانُوا بِبَعْضِ الطَّرِيقِ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ" إِنَّ خَالِدَ بْنَ الْوَلِيدِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ بِالْغَمِيمِ فِي خَيْلٍ لِقُرَيْشٍ طَلِيعَةً فَخُذُوا ذَاتَ الْيَمِينِ বাকি অংশ পড়ুন...
বনূ নাযীর সম্পর্কিত কবিতাবলী:
عَلَيْهِنّ أَبْطَالٌ مَسَاعِيرُ فِي الْوَغَى ... يَهُزّونَ أَطْرَافَ الْوَشِيجِ الْمُقَوّمِ
সেই সম্মানিত বাহিনীতে থাকবেন বীর অশ্বারোহী দল, যারা সম্মানিত জিহাদের ময়দানে (বা রণক্ষেত্রে) দাবানল সৃষ্টি করবেন, উনারা আন্দোলিত করবেন সোজা বর্শার ফলক। সুবহানাল্লাহ!
وَكُلّ رَقِيقٍ الشّفْرَتَيْنِ مُهَنّدٌ ... تُوُورِثْنَ مِنْ أَزْمَانِ عَادٍ وَجُرْهُمِ
উনারা আন্দোলিত করবেন দোধারী (বা দুই দিকে ধার বিশিষ্ট) শাণিত হিন্দুস্থানের তৈরি তরবারি মুবারক, যা উনারা আদ ও জুরহাম গোত্র হতে বংশ পরম্পরায় লাভ করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
فَمَنْ مُبَلّغٌ عَنّي قُرَيْشًا رِسَالَةً ... فَهَلْ بَعْدَه বাকি অংশ পড়ুন...
ভূমিকা:
৮ম হিজরী শরীফ উনার সম্মানিত জুমাদাল ঊলা শরীফ মাসে সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক সংঘটিত হন।
জর্ডানের বাল্ক্বা (بلقاء) এলাকার নিকটবর্তী একটি স্থানের নাম মু’তাহ্ (مُؤْتَة)। এই জায়গা থেকে পবিত্র বাইতুল মুক্বাদ্দাস শরীফ উনার দূরত্ব মাত্র দুই মনযিল। সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক এখানেই সংঘটিত হয়েছিলেন। মু’তাহ্ নামক স্থানে এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক সংঘটিত হওয়ার কারণে এই সম্মানিত জিহাদ উনাকে ‘সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক’ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦াতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
কায়িনাত জুড়ে রহমত-বরকতেপূর্ণ মুবারক স্থানসমূহের মধ্যে পবিত্র মদীনা শরীফ সর্বশীর্ষে। সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুনাফিকরা পবিত্র মদীনা শরীফ উনার ইজ্জত-হুরমত বিনষ্টের অপচেষ্টা চালিয়েছে। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা অতীব প্রয়োজন। সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি সম্মানিত খিলাফত উনার মুবারক দায়িত্ব গ্রহণ করতঃ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ইজাযত নিয়ে রাজধানী পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
স্মরণীয় যে, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন, সমস্ত হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাইয়্যিদ। উনার পরে আর কোন হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা দুনিয়ায় আগমন করবেন না। মহান আল্লাহ পাক তিনি আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ঈমান আনা, উনার খিদমত মুবারকের আঞ্জাম দেয়া ও উনার ছানা-ছিফত মুবারক করাকে সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারাসহ সমস্ত জ্বীন-ইনসান ও কায়িনাতবাসীর জন্য ফরয করে দি বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
হযরত ওয়াক্বিদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, আমার কাছে বর্ণনা করেছেন হযরত ইবরাহীম ইবনে জা’ফর রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি উনার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, বনী নাযীর পালিয়ে যাওয়ার পর ইহুদী আমর ইবনে সা’দ সে পবিত্র মদীনা শরীফে চলে আসে। সে ঘুরে ঘুরে দেখলো তাদের ধ্বংস প্রাপ্ত জনপদ। তারপর সে বিষন্ন বদনে উপস্থিত হলো বনী কুরাইজার জনপদে। তাদেরকে ডেকে বললো, আজ আমি উপদেশমূলক দৃশ্য দেখে এলাম। দেখলাম আমাদের ভ্রাতৃকুলের জনপদ জনশূন্য। এইতো কয়েকদিন আগেই সেখানে আমার ভ্রাতা অবস্থান করতো প্রচুর সম্মান ও বীরত্বব্য বাকি অংশ পড়ুন...












