কিতাবে বর্ণিত রয়েছে: বাগদাদ শরীফে কিছু লোক ছিলো যারা ছিনতাই, মারা-মারি, কাটা-কাটি, লুটপাট করতো, নানা রকম অপকর্মে লিপ্ত ছিলো এবং মানুষ নিয়েও তারা ব্যবসা করতো। নাউযুবিল্লাহ! এখন পুরুষ যারা তারা ছিনতাই, খুন-খারাবি, মাল-সামানা আত্মসাৎ ইত্যাদি করতো। আর যারা মহিলা ছিলো তাদের দায়িত্ব ছিলো নানান মেয়েদেরকে ধোঁকা দিয়ে এনে তাদের মাধ্যমে তারা ব্যবসার কোশেশ করতো। নাউযুবিল্লাহ!
একদিন একটা ঘটনা ঘটলো। যে এলাকায় তাদের আস্তানা ছিলো, তা ছিল রাস্তার শেষ প্রান্ত। যার পরে বাড়ি ঘর নেই, সেখানে বড় ময়দান খোলামেলা জায়গা ঝোপঝাড় জঙ্গল। তারা লোকদেরকে ধো বাকি অংশ পড়ুন...
“আপনারা আমাকে উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে কষ্ট দিবেন না। কেননা, একমাত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি ছাড়া আর কোনো উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে একই চাদর মুবারক-এ অবস্থানকালে আমার কাছে ওহী মুবারক নাযিল হয়নি।” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ) বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ত্বাহারাত সম্পর্কিত পবিত্র আয়াত শরীফ:
আর নামাযি ব্যক্তির পাক পবিত্রতা সম্পর্কে মহান আল্লাহ্ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন
يَاأَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُوْا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلَاةِ فَاغْسِلُوْا وُجُوْهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوْا بِرُءُوْسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ وَإِنْ كُنْتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوْا وَإِنْ كُنْتُمْ مَرْضٰى أَوْ عَلٰى سَفَرٍ أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِّنْكُمْ مِنَ الْغَائِطِ أَوْ لَامَسْتُمُ النِّسَاءَ فَلَمْ تَجِدُوْا مَاءً فَتَيَمَّمُوْا صَعِيْدًا طَيِّبًا فَامْسَحُوْا بِوُجُوْهِكُمْ وَأَيْدِيْكُمْ مِّنْهُ مَايُرِيدُ اللهُ لِيَجْعَلَ عَلَيْكُمْ مِّنْ حَرَجٍ وَلٰكِنْ يُّرِيْدُ لِيُطَهِّرَكُمْ وَ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন-
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِّأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ وَأُسَرِّحْكُنَّ سَرَاحًا جَمِيلاً
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথমে বললেন। আসলে মানুষ পবিত্র কুরআন শরীফ বুঝে না এজন্য তারা চূ-চেরা করে। তিনি কিন্তু নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফে সমস্ত কিছুর জাওয়াব দিয়ে দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! প্রথমে বললেন, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত ম বাকি অংশ পড়ুন...
এখন কাফির মুশরিকদের চূ-চেরা বৃদ্ধি পেতে থাকলো। নাউযুবিল্লাহ! এটাকেই বলা হয় ইলা। আসলে এটা ইলা হয় না। ইলা শব্দের অর্থ হচ্ছে কোন ব্যক্তি তার আহলিয়া থেকে দূরে থাকা। সেই অর্থেই এটা ইলা। কিন্তু হাক্বীক্বী ইলা যে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে বলা হচ্ছে-
لِّلَّذِينَ يُؤْلُونَ مِنْ نِّسَآئِهِمْ تَرَبُّصُ أَرْبَعَةِ أَشْهُرٍ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিচ্ছেন যে, ইলা হচ্ছে কোন আহাল তার আহলিয়া থেকে চার মাস দূরে থাকবে। সেটাই হচ্ছে ইলা, অন্যথায় ইলা হয় না। ইলা হতে হলে চার মাস জুদা থাকতে হবে। যদি জুদা হয় তাহলে সে তালাক্ব হয়ে যায়। আর যদ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
كُتِبَ عَلَيْكُمُ الْقِتَالُ وَهُوَ كُرْهٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تَكْرَهُوا شَيْئًا وَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَعَسَى أَنْ تُحِبُّوا شَيْئًا وَهُوَ شَرٌّ لَكُمْ وَاللَّهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
অর্থ: “তোমাদের উপর জিহাদ ফরয করা হয়েছে। যদিও তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়; কিন্তু তোমরা যা পছন্দ করো না সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং তোমরা যা পছন্দ করো সম্ভবতঃ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন, তোমরা জানো না।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ২১৬)
বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান নিজে বিভ্রান্ত এবং সে মানুষকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হিজর শরীফ উনার ৩৯ ও ৪০ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قَالَ رَبِّ بِمَا اَغْوَيْتَنِىْ لَاُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِىْ الْاَرْضِ وَلَاُغْوِيَنَّهُمْ اَجْمَعِيْنَ اِلاَّ عِبَادَكَ مِنْهُمُ الْمُخْلِصِيْنَ.
অর্থ: শয়তান বলে, হে আমার রব! যেহেতু আমি গোমরাহ হয়ে গিয়েছি সেহেতু আমি অবশ্যই দুনিয়াতে মানুষের জন্য মন্দ কাজগুলোকে সৌন্দর্যম-িত করবো এবং অবশ্যই তাদের সকলকে বিভ্রান্ত করবো। আপনার মুখলিছ বান্দাগণ ব্যতীত বাকী সবাইকে বিভ্রান্ত করবো। নাঊযুবিল্লাহ!
এখানে ফি বাকি অংশ পড়ুন...
বলা হয় যে, তওবার মাক্বামের মূল হচ্ছেন হযরত আবুল বাশার ছফিউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ক্বদম মুবারকের নিচে, তওবার মাক্বাম। হ্যাঁ, এসবের মালিক হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপরে
عَابِدَاتٍ
আব্দিয়াতের মাক্বাম। ইলমুত্ তাছাওউফের পরিভাষায় বান্দার সর্বোচ্চ মাক্বাম হচ্ছে, আব্দিয়াতের মাক্বাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই মাক্বামেরও উনারা মালিক হবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এ বাকি অংশ পড়ুন...












