ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (৯৬)
, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এখন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মতকে তা’লীম দেয়ার জন্য তিনি একজন গোলাম আযাদ করেছিলেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَاللهُ مَوْلاكُمْ وَهُوَ الْعَلِيمُ الْحَكِيمُ
তিনি সকলের মাওলা, মালিক। যার জন্য মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে এ বিষয়টা সবাইকে তিনি জানিয়ে দিলেন। যাতে তোমরা কোন ক্বসম করলে ক্বসমের যাতে কাফফারা আদায় করতে পারো। তিনি সব জানেন, শুনেন, বুঝেন।
এখানে প্রথমে দু’টা পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে যে বিষয়টা বলা হলো সেটা হচ্ছে, এখানে মাগাবি ফুলের যে ঘ্রাণ ছিলো, ঘ্রাণযুক্ত কিছু খাওয়া যাবে না। আর যদি ঘ্রাণ যুক্ত না হয় তাহলে খাওয়া যাবে। আর উনার সম্পর্কে যারা চূ-চেরা, কীল-কাল করেছে তাদের তাওবা করা উচিত অন্যথায় তারা কঠিন আযাব-গযবে গ্রেফতার হয়ে যাবে। পরবর্তী পবিত্র আয়াত শরীফে বলা হয়েছে, এখানে আসবে পর্যায়ক্রমে। আর যারা তাওবা করেছে তাদেরকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে। পরবর্তী পবিত্র আয়াত শরীফ, পবিত্র সূরা শরীফে ১২ খানা পবিত্র আয়াত শরীফের মধ্যে এ বিষয়গুলি বিস্তারিত বলা হয়েছে। এরপর এখানে কুফরী আক্বীদাহ সম্বলিত অনেক বক্তব্য রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! বিষয়টা হচ্ছে অত্যন্ত শরাফতপূর্ণ এবং মহব্বতপূর্ণ, এই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ যিনি মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য, উনার মহাসম্মানিত হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের জন্য। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরপর যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, যারা বিভ্রান্ত, গোমরাহ হয়েছে।
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا فَلَمَّا نَبَّأَتْ بِهِ وَأَظْهَرَهُ اللَّهُ عَلَيْهِ عَرَّفَ بَعْضَهُ وَأَعْرَضَ عَن بَعْضٍ فَلَمَّا نَبَّأَهَا بِهِ قَالَتْ مَنْ أَنبَأَكَ هَذَا قَالَ نَبَّأَنِيَ الْعَلِيمُ الْخَبِيرُ
এটা পবিত্র সূরা তাহরীম শরীফ উনার তিন নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন, কি বলেন?
وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا
এখানে একটা শরাফতও আছে। মানুষ গন্ডমূর্খ হওয়ার কারণে তারা মাসয়ালাগুলো জানে না। শরাফত হচ্ছে, পবিত্র হুজরা শরীফ একাধারা অনেকগুলো ছিলেন। মোট ১৩ জন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম ছিলেন। ১৩ জন একসাথে ছিলেন না, অনেকে আগেই বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। যার জন্য সর্বশেষ ছিলেন ১১ জন। একাধারা অনেকগুলো হুজরা শরীফ পাশাপাশি ছিলেন। আর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদত-শরাফত মুবারক তো বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি হুজরা শরীফে প্রবেশ করলে অত্যন্ত আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে। উনার যে আদেশ-নির্দেশ মুবারকগুলি ইরশাদ মুবারক করতেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কিন্তু মূর্খ লোকরা সেটা বুঝতে পারেনি।
এখানে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলছেন-
وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا
যে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন হুজরা শরীফে প্রবেশ করলেন, প্রবেশ করে সেখানে তিনি বললেন। কি বললেন? তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আর রবিয়াহ আলাইহাস সালাম উনার হুজরা শরীফে প্রবেশ করলেন, আলোচনা মুবারক করলেন। তখন তিনি বলেছিলেন এই মাগাবি ফুলের ঘ্রাণের কথাটা, প্রথম। তিনিও বলেছিলেন যে ঘ্রাণটা বেশি পাওয়া যাচ্ছে। যিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন ঠিক আছে, এটা যদি হয় তাহলেতো এটা আর খাওয়া যাবে না। এই ক্বসমের কথাটা আবার এখানে পুনরায় পুনারাবৃত্তি করা হচ্ছে। তাহলেতো এটা খাওয়া যাবে না, এটা তিনি বললেন। এটা থেকে বিরত থাকতে হবে বলে তিনি উনার হুজরা শরীফে কিন্তু চলে আসলেন। পর্যায়ক্রমে সবার কাছে গেলেন, উনারা সকলে এ কথাটা বললেন। সব জায়গায় তিনি চুপে চুপে আস্তে আস্তে বলেছেন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সুলতান আব্দুল হামিদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ইলদিজ প্রাসাদে ইফতার আয়োজনের স্মৃতিকথা
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যাকাত সম্পর্কিত আহকাম, মাসায়িল ও ফাযায়িল (১৬)
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম ও সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম উনাদের অনবদ্য তাজদীদ মুবারক-
১৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মুসলমানদের হাঁচি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পর্দা সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ থেকে হিফাজত হওয়ার মাধ্যম
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৬)
১৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
হযরত ছাহাবায়ে কিরামগণ উনাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক পবিত্র কুরআন শরীফ দ্বারা প্রমাণিত
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












