খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি শুধুমাত্র বিশ্বের চারজন শ্রেষ্ঠ বিজেতা উনাদের অন্যতমই ছিলেন না; সামরিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক এবং আইন বিভাগের অত্যাধুনিক কাঠামোর সৃষ্টিকারী হিসেবেও তিনি বিশ্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি এসব বিষয়ে একক প্রতিভূ হিসেবে স্থান দখল করে আছেন।
খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার শাসন ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ইসলামী হুকুমত ব্যবস্থাপনা। সম্প্রসারিত এক বিশাল মুসলিম খিলাফতী শাসন ব্যবস বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস এলেই বক্তাদের আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান, মান, ফাযায়িল- ফযিলত মুবারক সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়। কিন্তু না, দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফের মুবারক তারিখ নিয়ে কত রকম মতভেদ আছে, কত ইখতিলাফ আছে সে নিয়ে বক্তারা নাতিদীর্ঘ আলোচনা করতে থাকে। অথচ সেটার কোন প্রয়োজনই নেই। উনার মর্যাদা মুবারক যত আলোচনা করা যাবে ততই রহমত মুবারক নাযিল হবে। কিন্তু তারিখের মতভেদ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
বলা হয়, খইরুত তাবিয়ীন হযরত ওয়ায়িছ আল ক্বরনী রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনার সম্পর্কে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتِ الْفَارُوْقِ الْاَعْظَمِ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ إِنِّى سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ خَيْرَ التَّابِعِينَ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ أُوَيْسٌ وَلَهُ وَالِدَةٌ وَكَانَ بِهِ بَيَاضٌ فَمُرُوهُ فَلْيَسْتَغْفِرْ لَكُمْ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, খালিক্ বাকি অংশ পড়ুন...
নফসের বিরোধীতা করার বদৌলতে ঈমান নছীব এবং আল্লাহওয়ালা হওয়া
হযরত আব্দুল কুদ্দুস গাঙ্গুহী রহমতুল্লাহি আলাইহি যিনি খুব বড় বুযুর্গ মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী ছিলেন, যিনি হযরত মুজাদ্দিদ আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পিতা শায়খ আব্দুল আহাদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পীর সাহেব ছিলেন। সেই আব্দুল কুদ্দুস গাঙ্গুহী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি খুব বড় মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী বুযুর্গ ছিলেন। তিনি একদিন সফরে যাচ্ছিলেন, এক পাহাড়িয়া এলাকা দিয়ে সফর করে। ভ্রমণ করছিলেন এক পাহাড়িয়া এলাকায়। গিয়ে দেখলেন, এক পাহাড়ের গুহার কাছে কিছু লোক জমা হয়ে রয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
উলামায়ে ‘সূ’দের হাক্বীক্বত :
যারা উলামায়ে হক্ব উনাদের বৈশিষ্ট হচ্ছে- মুসলমানদের মাল-সম্পদ টাকা-পয়সা ধন-দৌলত ইত্যাদির প্রতি উনার কোন লোভ থাকবে না। মোহ, আকর্ষন থাকবেনা। অর্থাৎ তিনি সব অবস্থাতেই গইরুল্লাহ থেকে ফিরে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের প্রতি রুজূ থাকবেন। যার কারণে তিনি নিজেও ইছলাহতে মশগুল থাকবেন এবং মানুষকে নছীহতে মশগুল রাখবেন। এটা হচ্ছে উলামায়ে হক্কানী রব্বানী উনাদের নিদর্শন। এর বিপরীতটা হচ্ছে উলামায়ে ‘সূ’দের নিদর্শন। এরা সবসময় দ বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, তেরশত হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ আমীরুল মু’মিনীন হযরত শায়েখ সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি কোন এক পর্যায়ে বললেন- “আমি যখন কোন হাদীছ শরীফ বর্ণনা করি, তখন তা স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে জেনে বর্ণনা করি। আর যখন কোন মাসয়ালা বর্ণনা করি, তখন তা স্বয়ং ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে জেনে বলে থাকি।” অর্থাৎ যখন উনার কোন মাসয়ালা ও হাদীছ শরীফ স্মরণ না থাকত, তখন তিনি উনাদের থেকে জে বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَكُونُوا مَعَ الصَّادِقِينَ
অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো এবং ছাদিক্বীন বা সত্যবাদীগণ উনাদের সঙ্গী হয়ে যাও।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৯)
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ মুবারক করেন যে, তোমরা ছাদিক্বীন বা আল্লাহওয়ালাগণ উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করো। আর খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক পালন করা হচ্ছে বান্দার জন্য ফরয-ওয়াজিবের বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাতা। তিনি একজন ছাহাবিয়া। উনার নাম উমায়মা, আরেক মতে মায়মুনা। পুত্র হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করলেও তিনি তখনও ইসলাম গ্রহণ করেন নি। হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার মাতা’র দ্বীন ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন যে, প্রায়ই তিনি উনার মাতাকে দ্বীন ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিতেন, কিন্তু উনার মাতা কর্ণপাত করতেন না।
একদিন তিনি অতি আগ্রহের সাথে উনার মাতাকে দ্বীন ইসলাম গ্রহণের জন্য দাওয়াত দেন। মাতা উত্তরে সাইয়্যিদুল মুরসালী বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক উনার একান্ত মনোনীত আখাছ্ছুল খাছ নিয়ামতপ্রাপ্ত মহান ব্যক্তিত্ব হচ্ছেন, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম এবং হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিমগণ। পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৬৯ নম্বর আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি সে কথাই বলেছেন। সেখানে বর্ণিত আছে-
انعم الله عليهم من النبيين والصديقين والشهداء والصالـحين.
অর্থ : মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নবী আলাইহিমুস সালামগণ, ছিদ্দীক্ব, শহীদ এবং ছালিহীন (রহমতুল্লাহি আলাইহিম) উনাদেরকে বিশেষ নিয়ামত হাদিয়া করেছেন।
আর সেই ছিদ্দীক্ব, শহীদ, ছালিহীন উনারা সবাই হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ইবাদতে যাহিরাহ ও পবিত্র ইবাদতে বাতিনাহ উভয়টি সঠিক ও পরিপূর্ণভাবে পালন করার জন্য পবিত্র ইলিম অর্জন করা ফরয।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَليْهِ وَسَلَّمَ: طَلَبُ الْعِلْمِ فَرِيْضَةٌ عَلَى كُلِّ مُسْلِمٍ
অর্থ: “হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা উনাদের জন্য পবিত্র ইলিম অর্জন করা ফরয।” ( বাকি অংশ পড়ুন...
ফিরাসাত বা অন্তর্দৃষ্টি
ইমামুল মুহাদ্দিসীন, ইমামুল মুসলিমীন, মুজাদ্দিদে মিল্লাত ওয়াদ দ্বীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সম্মানিত ওহী মুবারক ব্যতীত সকল ইলিম মুবারকের অধিকারী ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! তিনি ছিলেন। ফিরাসাত বা অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন, খাছ ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত। হযরত আবূ উমামাহ বাহেলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِتَّقُوْا فِرَاسَةَ الْـمُؤْمِنْ فَاِنَّه يَنْظُرُ بِنُوْرِ اللهِ تَعَالى
অর্থ: “তোমরা মু’ম বাকি অংশ পড়ুন...












