তাহলে আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমি উনার নাম মুবারক উনার মধ্যে, উনার সম্মানার্থে, উনাকে মুহব্বত মুবারক করে এই বুছা মুবারক দিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা চুম্বন মুবারক দিয়েছিল। নাম মুবারকে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল। দরূদ শরীফ পাঠের সময় আযানে যে চোখে বুছা দেয়া হয়, সে সরাসরি বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা। একটা মাত্র। সে বলেছিল, আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমিতো গ্রাম-গঞ্জে থাকি। উনি কোথায় আসবেন, কবে আসবেন? আমি জানি না। উনার অনেক ছানা-ছিফত মুবারক, অনেক সম্মান মুবারক, অনেক ফযীলত মু বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি শুধুমাত্র বিশ্বের চারজন শ্রেষ্ঠ বিজেতা উনাদের অন্যতমই ছিলেন না; সামরিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক এবং আইন বিভাগের অত্যাধুনিক কাঠামোর সৃষ্টিকারী হিসেবেও তিনি বিশ্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি এসব বিষয়ে একক প্রতিভূ হিসেবে স্থান দখল করে আছেন।
খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার শাসন ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ইসলামী হুকুমত ব্যবস্থাপনা। সম্প্রসারিত এক বিশাল মুসলিম খিলাফতী শাসন ব্যবস বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি শুধুমাত্র বিশ্বের চারজন শ্রেষ্ঠ বিজেতা উনাদের অন্যতমই ছিলেন না; সামরিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক এবং আইন বিভাগের অত্যাধুনিক কাঠামোর সৃষ্টিকারী হিসেবেও তিনি বিশ্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি এসব বিষয়ে একক প্রতিভূ হিসেবে স্থান দখল করে আছেন।
খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার শাসন ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ইসলামী হুকুমত ব্যবস্থাপনা। সম্প্রসারিত এক বিশাল মুসলিম খিলাফতী শাসন ব্যবস বাকি অংশ পড়ুন...
উনার নসবনামা নিয়ে কিছুটা মত পার্থক্য বিদ্যমান। আবু উমরের মতে উনার নসবনামা হযরত আসমা বিনতু উমাইস বিন মা’দ ইবনুল হারিছ। ইবনুল কালবীও অনুরূপ বলেছেন। মাতার নাম হিন্দ বিনতু আওফ বিন যুহাইর। (উসুদুল গাবা, ইছাবা)
তিনি ছিলেন সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আশার (হযরত মাইমূনাহ বিনতে হারিছ) আলাইহাস সালাম উনার বৈপিত্রেয় ভগিনী। এতদ্ব্যতীত তিনি আরো নয়জন অথবা দশজন ছাহাবীয়ার বৈপিত্রেয় অথবা আপন বোন ছিলেন, তন্মধ্যে ছয় জনের আপন বোন ছিলেন। (ইছাবা, উসুদুল গাবা)
হযরত আসমা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা ছিলেন আস-সাবিকূন আল-আউওয়ালূন (প্র বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমাদেরকে যা আদেশ মুবারক করা হয়েছে তার উপর ইস্তিকামত বা দৃঢ় থাকো।”
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ওই সকল পুরুষের প্রতি লা’নত বা অভিসম্পাত যারা মহিলাদের আকৃতি ধারণ করে, অনুরূপ যে সকল মহিলা পুরুষের আকৃতি ধারণ করে, তাদের প্রতিও লা’নত বা অভিসম্পাত।”
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “দশটি অপকর্মের কারণে হযরত লূত্ব আলাইহিস সালাম উনার ক্বওম ধ্বংস হয়েছ বাকি অংশ পড়ুন...
“প্রাণীর ছবি তোলা হারাম”- পবিত্র হাদীছ শরীফে বর্ণিত এ বিষয়টি অনেক মুসলিম নামধারী মানতে চায় না। বিভিন্ন যুক্তি তর্ক দিয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফ অস্বীকার করে ছবির পক্ষে বলে আসছে। নাউযুবিল্লাহ!
তবে পবিত্র হাদীছ শরীফ অস্বীকারকারীদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে রয়েছে সুস্পষ্ট লাঞ্ছনা। যার অংশ হিসেবে এসেছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার ডিপফেইক প্রযুক্তি। সম্প্রতি টেলিগ্রাম অ্যাপে একটি নতুন বট এসেছে, যা পোশাক পরিহিত মানুষের ছবিকে খুব নিখুঁত উপায়ে বিবস্ত্র ছবিতে রূপান্তর করতে পারে, যেই কৃত্রিমতার পার্থক্য অনেকেরই পক্ষে ধরা কঠিন। তাছাড়া এর ব্যব বাকি অংশ পড়ুন...
এই লোকটা সমস্ত এলাকার লোক, দুনিয়ার সকলেই জানে আমিও জানি যমীনে বর্তমান যামানায় সবচেয়ে নিকৃষ্ট এই লোকটা ছিলো। এই লোকটার এ অবস্থা হলো কি করে? তারতো জাহান্নামে যাওয়ার কথা ছিলো। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, আপনি যা জানেন যা বলেছেন সব সঠিক। উম্মতরা যা বলেছে সেটাও সঠিক, কোন সন্দেহ নেই। বর্তমান যামানায় সৃষ্টির সবচেয়ে নিকৃষ্ট এই লোকটা ছিলো। তার এতো সম্মান হলো কি করে, তার গোসল কাফন দাফন একজন জলীলুল ক্বদর রসূল আলাইহিস সালাম তিনি কি করে দিলেন? ইয়া বারী ইলাহী! মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন,্ এর হাক্বীক্বত মানুষতো জান বাকি অংশ পড়ুন...
আত তাক্বউইমুশ শামসী অনুসরণের সুফল
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি কাফিরদের তৈরি ফলে এর অনুসরণের ফলে শুধু কাফিরদের স্মরণ হয়; যা মুসলমান উনাদের জন্য সম্পূর্ণ হারাম। এ ছাড়াও এর অনুসরণে কল্যাণ নেই বরং অকল্যাণ রয়েছে। কিন্তু “আত-তাক্বউইমুশ শামসী”- এই তাক্বউইম অনুসরণে কাফিরদের অনুসরণ হয় না বরং মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের স্মরণ হয়। ফলে মুসলমান উনারা রহমত, বরকত, সাকীনা লাভ করবে। কাফিররা সব ক্ষেত্রে মুসলমান উনাদের অনুসরণ করবে। কারণ এদের সৃষ্টি করা হয়েছে মুসল বাকি অংশ পড়ুন...












