সাইয়্যিদুনা ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুস্পষ্ট মু’জিযা শরীফ
ইমামুল মুহাদ্দিছীন, সাইয়্যিদুনা হযরত শায়েখ ইবনে হাজার হাইছামী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিসহ অনেক ইমাম, মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা বলেছেন-
فِيْهِ (اَبِـيْ حَنِيْفَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ) مُعْجِزَةٌ ظَاهِرَةٌ لِّلنَّبِـيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَيْثُ اَخْبَرَ بِـمَا سَيَقَعُ
অর্থ: ইমামুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لَا يَأْلُونَكُمْ خَبَالًا وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ
অর্থ: হে ঈমানদাররা! মুসলমান ছাড়া তোমরা কোন বিধর্মীদের কাউকে তোমাদের উপদেষ্টা হিসেবে, বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের ক্ষতি করার জন্য কোনো ত্রুটি করে না। এবং তারা চায় তোমাদের সবসময় ক্ষতি হোক! -তোমরা কষ্টে থাকো, তাতেই তাদের আনন্দ। তারা মুখে যা প্রকাশ করে তার চেয়ে তাদের অন্তরে মুসলমানদের প্রতি আরো কঠিন বিদ্বেষ রয়ে গেছে। (ম বাকি অংশ পড়ুন...
পিতার মুনাফিকী প্রকাশ:
বনু মুস্তালিক জিহাদের সময় এই উবাই বিন সুলুল বলেছিলো, মদীনা শরীফে ফিরে গেলে সম্মানিত ব্যক্তিরা ইতর ব্যক্তিদেরকে মদীনা শরীফ হতে বের করে দিবে। এই সময় তার পুত্র হযরত আবদুল্লাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বললেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার কসম! সেই ইতর লোক এবং আয় মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনিই সম্মানিত ব্যক্তি। আপনি যদি অনুমতি দান করেন, তাহলে আমি তাকে হত্যা করবো। অথচ খাযরাজ গোত্রের সকলেই জানে যে, তাদের বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনাকে কারবালায় শহীদ করার ব্যপারে হযরত উলামায়ে কিরামগণ উনারা ইজমা করেছেন যে, বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক, নির্মম, বেদনাদায়ক এবং হৃদয়বিদারক বিষয় হলো কারবালার ঘটনা। সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নকশা মুবারক। তিনি হচ্ছেন ঈমানের মূল। এবং নাজাতের মূল। অথচ মুসলমান নামধারীরাই উনাকে শহীদ করলো। উনার শাহাদাত মুবারক উনার সাথে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত সকলের জন্য মহা বাকি অংশ পড়ুন...
اَنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَقُوْلُ نَـحْنُ اَهْلُ بَيْتٍ طَهَّرَهُمُ اللهُ مِنْ شَجَرَةِ النُّــبُوَّةِ وَمَوْضِعِ الرِّسَالَـةِ وَمُـخْتَلِفِ الْمَلَائِكَةِ وَبَيْتِ الرَّحْمَةِ وَمَعْدِنِ الْعِلْمِ.
অর্থ: নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সবসময় ইরশাদ মুবারক করতেন, আমরা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে (আমাদেরকে) নুবুওওয়াত মুবারক উনার বৃক্ষ, রিসালাত মুবারক উনার স্থান, বিভিন্ন ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদের, উনাদের দ্বারা খিদ বাকি অংশ পড়ুন...
فَإِنَّهُ مَنْ يَّعِشْ مِنْكُم بَعْدِى
নিশ্চয়ই আপনাদের মধ্যে যে আমার পরে থাকবে,
فَسَيَرَى اخْتِلَافًا كَثِيرًا
“আমার পরে যারা থাকবে, তারা অনেক মত বিরোধ দেখবে।
মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, তখন
فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الرَّاشِدِينَ الْمَهْدِيِّينَ تَمَسَّكُوا بِهَا وَعَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ
“তোমাদের প্রতি আমার সুন্নত, আমার খুলাফা-ই-রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের সুন্নত পালন করা আবশ্যক, তোমরা সেটা মাড়ির দাঁত দিয়ে আঁকড়ায়ে ধরে থাকবে।
অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মতকে সতর্ক করে ইরশাদ মুবারক করেন-
سَيَأْتِىْ قَوْمٌ يَسُبُّوْنَهُمْ وَ يَسْتَنْقِصُوْنَهُمْ فَلا تُجَالِسُوْهُمْ وَلا تُآكِلُوْهُمْ وَلا تُشَارِبُوْهُمْ وَلا تُنَاكِحُوْهُمْ و فى رواية أُخرى وَلا تُصَلُّوْا مَعَهُمْ وَلا تَدْعُوْ لَهُمْ.
অর্থ: “অতি শীঘ্রই একটি দল বের হবে, যারা আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালি দিবে, উনাদেরকে নাকিছ বা অপূর্ণ বলবে। সাবধান! তোমরা তাদের মজলিসে বসবে না, তাদের সাথে পানাহার করবে না, তাদের সাথে বিবাহ-শাদীর ব্যবস্থা ক বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
حُبُّ الصَّحَابَةِ إيْمَانٌ وَ بُغْضُهُمْ كُفْرٌ
অর্থ: “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক ঈমান, আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী। ” (কানযুল উম্মাল)
বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম তিনি গিয়ে সম্মানিত ভাই উনার রূহ মুবারকবিহীন, মস্তক মুবারকবিহীন জিসিম মুবারক দেখে সম্মানিত ভাই উনার নিথর জিসিম মুবারক জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলেন আর বলতে লাগলেন, ভাইজান! আপনি তো আমাদেরকে যালিমদের হাওলা করে চলে গেলেন।
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার শহীদি জিসিম মুবারক কারবালার যমীনে পড়ে রইলো। যেসব লোকেরা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার শহীদি জিসিম মুবারক দাফন করেছিলেন, উনারা বলেছেন যে, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার জিসিম মুবারক উনার মধ্যে ৩৪টি বর বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উলামায়ে কিরামগণ লিখেছেন যে, “সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে শহীদ করার সময় পূর্ণ সূর্যগ্রহণ হয়েছিল, আসমান ঘোর অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল, ফলে দিনের বেলা তারকারাজি দৃষ্টিগোচর হয়েছিল। কিছুক্ষণ পর আসমান কালো থেকে লাল বর্ণে পরিণত হয়েছিল এবং আকাশ থেকে রক্ত বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছিল। সাতদিন পর্যন্ত এ রক্ত বৃষ্টি বর্ষণ অব্যাহত ছিল। সমস্ত ঘর-বাড়ির দেয়াল রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল এবং যেসব কাপড়ের উপর রক্ত পতিত হয়েছিল, সেসব কাপড় ছিঁড়ে টুকরো টুকরো হওয়ার পরও সেই রক্তের লালিমা যায়নি বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন- “আপনি সঠিক ফতওয়াই দিয়েছেন”
ইমামুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন জিজ্ঞাসিত হলেন, চার রাকায়াত বিশিষ্ট নামাযে প্রথম বৈঠকে তাশাহহুদের পর যদি কেউ ভুলবশতঃ দরূদ শরীফ পাঠ করে, তাহলে তার নামাযের হুকুম কি?
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামে আ’যম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, ‘সে ব্যক্তির উপর সিজদায়ে সাহু ওয়াজিব হবে। ’ অতঃপর একদিন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...












