হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ভুল কিংবা গুনাহ করা তো দূরের কথা, কোনো প্রকার অপছন্দনীয় কাজও উনারা করতেন না। বরং সর্বপ্রকার অপছন্দনীয় কাজ থেকেও বেঁচে থাকতেন বা পবিত্র থাকতেন। এ প্রসঙ্গে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সীরত মুবারক থেকে একটি ঘটনা উল্লেখ করা যায়-
“মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একবার হুজরা শরীফ উনার মধ্যে বসা ছিলেন। এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি এসে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ভুল কিংবা গুনাহ করা তো দূরের কথা, কোনো প্রকার অপছন্দনীয় কাজও উনারা করতেন না। বরং সর্বপ্রকার অপছন্দনীয় কাজ থেকেও বেঁচে থাকতেন বা পবিত্র থাকতেন। কিন্তু পবিত্র আশূরা শরীফ উনার আলোচনা করতে গিয়ে অনেকে আদবের খিলাফ করে এলামেলো ও কুফরী কথা বলে থাকে। কিন্তু হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি যথাযথ আদব রক্ষা করার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের বরকতময় জীবনী মুবারক উনার মধ্যে রয়েছে।
যেমন- এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এসেছে যে, একদা সাইয় বাকি অংশ পড়ুন...
এই বরকতময় পবিত্র ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ উনার দিনেই সৃষ্টির সূচনা হয় এবং এই দিনেই সৃষ্টির সমাপ্তি ঘটবে। বিশেষ বিশেষ সৃষ্টি এ বরকতময় দিনেই করা হয় এবং বিশেষ বিশেষ ঘটনা এ বরকতময় দিনেই সংঘটিত হয়। সুবহানাল্লাহ!
এ দিনে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র মর্যাদা, সম্মান ও খুছূছিয়ত ও হাবীবুল্লাহ শান মুবারক আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করে এ দিনের সম্মানকে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। সুবহানাল্লাহ!
এদিনে হযরত আবুল বাশার আলাইহিস সালাম উনার দোয়া মুবারক কবুলের আনুষ্ঠানিকতা করা বাকি অংশ পড়ুন...
বিখ্যাত ইমাম ও মুহাদ্দিছ হযরত ইবনে জাওজী রহমতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ইয়াযিদ লানতুল্লাহি আলাইহির বিষয়ে প্রকাশ্যে ফতোয়া দেন। সে মজলিসে বড় বড় আলেমগনও উপস্থিত ছিলেন।
হযরত ইমাম ইবনে জাওজী রহমতুল্লাহি আলাইহি কে এক মজলিসে জিজ্ঞাস করা হল ইয়াযীদ সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? তিনি বললেন,
فَقَالَ مَا تَقُوْلُوْنَ : فِىْ رَجُلٍ وَلّٰى ثَلَاثَ سِنِيْنَ فِى السَّنَةِ الْاُوْلٰى قَتَلَ الْحُسَيْنَ عَلَيْهِ السَلَامُ وَ فِى الثَّانِيَةِ أَخَافَ الْمَدِيْنَةَ وَ أَبَاحَهَا وَ فِى الثَّالِثَةِ رَمَى الْكَعْبَةَ بِالْمَجَانِيْقِ وَهَدَمَهَا فَقَالَوْا نَلْعَنُ فَقَالَ فَاَلْعَنُوْهُ فَلَعَنَهٗ اِبْنُ الْجَوْزِىِّ عَلَى الْمِنْبَرِ بِبَغ বাকি অংশ পড়ুন...
প্রত্যেককেই ইন্তেকাল করতে হবে, তবে মুসলমান হয়ে। এখন মুসলমান হয়েই যে ইন্তেকাল করতে হবে, এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার প্রসঙ্গে বলা হয়ে থাকে- হযরত ইমাম আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার একটা ওয়াকেয়া। মুসলমান হয়ে মারা যেতে হবে আর মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করার মত ভয় করতে হবে।
হযরত ইমাম আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সময় এক বৃদ্ধা মহিলা ছিল। সে ছিল উনার মুখালিফ অর্থাৎ উনার বিরুদ্ধবাদী। সে একদিন উনার এক ছাত্রকে বললো- হে ছাত্র! তোমাদের ইমাম ছাহেব, যিনি ইমামে আ’যম, খুব বড় ইমাম। উনি তো অনেক মাসয়ালা মাসায়েলের জাওয়াব দিয়ে থাকে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
رَضِىَ اللهُ عَنْهُمْ وَرَضُوْا عَنْهُ.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট। (সূরা তওবা: আয়াত শরীফ ১০০)
বাকি অংশ পড়ুন...
রোযা রাখার ফযীলত:
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে- হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র রমযান শরীফ উনার রোযার পর উত্তম রোযা হলো মহান খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাস পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার রোযা। (মুসলিম শরীফ)
হযরত আবূ কাতাদাহ রদ্বিয়াল্লাহ তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক ক বাকি অংশ পড়ুন...












