৪. হাদীছ শরীফ উনার শরাহগ্রন্থ থেকে দলীল
হযরত আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এবং আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অর্থাৎ উনারা বলেন,
وفي الحديث دليل على جواز تقبيل الأرجل
অর্থ : আর হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ক্বদমবুছী জায়িয হওয়ার দলীল রয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! (লুম‘আত ৮/৫১, আওনুল মা’বূদ ১৪/১৩৬)
হাশিয়ায়ে সিন্দীর ২য় খ-ের ৩৯৮ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছেন,
جَوَازُ تَقْبِيلِ الرِّجْلَيْنِ
অর্থ : দুই পা বুছা দেয়া তথা ক্বদমবুছী করা জায়িয। ’
৫. ফিক্বাহের কিতাব থেকে দলীল
আল্লামা ইমাম বদরুদ্দীন আইনী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বল বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ وفى رواية لَيْسَ وَرَاءَ ذَلِكَ مِنَ الْإِيمَانِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ
অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় বা হারাম কাজ সংঘটিত হতে দেখে সে যেনো তা হাত দ্বারা বাধা দেয়। যদি সে তা হাত দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে সে যেনো যবান দ্বারা বাধা দেয়। যদি যবানের দ্বারাও বাধা দিতে না পারে তাহলে যেনো অন্তরে তা ঘৃণা করে উক্ত অন্যায় বা হা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا عَدُوِّيْ وَعَدُوَّكُمْ أَوْلِيَاءَ تُلْقُوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَقَدْ كَفَرُوْا بِمَا جَاءَكُمْ مِّنَ الْحَقِّ يُخْرِجُوْنَ الرَّسُوْلَ وَإِيَّاكُمْ ۙ أَنْ تُؤْمِنُوْا بِاللهِ رَبِّكُمْ إِنْ كُنْتُمْ خَرَجْتُمْ جِهَادًا فِيْ سَبِيْلِيْ وَابْتِغَاءَ مَرْضَاتِيْ ۚ تُسِرُّوْنَ إِلَيْهِمْ بِالْمَوَدَّةِ وَأَنَا أَعْلَمُ بِمَا أَخْفَيْتُمْ وَمَا أَعْلَنتُمْ ۚ وَمَنْ يَفْعَلْهُ مِنكُمْ فَقَدْ ضَلَّ سَوَاءَ السَّبِيْلِ.
অর্থ: হে মু’মিনগণ! তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে বন্ধু বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা তাদের প্রতি মুহব্বত ঢেলে দাও (বন্ধুত্বের বা বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত হিশাম ইবনে উরওয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজে তাবেয়ী, কিন্তু উনার পিতা ছাহাবী। তিনি উনার পিতা হযরত উরওয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার জ্ঞানের গভীরতা ও উনার মর্যাদা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। উত্তরে হযরত উরওয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেছিলেন, হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার তুল্য জ্ঞানী লোক আমার নজরে পড়েনি।
হযরত আমর ইবনে হাবশী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আমি হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে পবিত্র কুরআন শরীফ উ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الَّذِينَ اتَّخَذُوا دِينَكُمْ هُزُوًا وَلَعِبًا مِّنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ أَوْلِيَاءَ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ إِن كُنتُم مُّؤْمِنِينَ ﴿٥٧﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাবদের মধ্য থেকে যারা তোমাদের দ্বীন উনাকে খেল-তামাশা হিসেবে গ্রহণ করে এবং যারা কাফির, তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো যদি মু’মিন হয়ে থাকো। (সূরা মায়িদা, আয়াত শরীফ ৫৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে যখন তিনি কিছুটা আত্মতৃপ্তি অনুভব করলেন, তখন মানুষকে শিক্ষাদানের ব্রত কাঁধে তুলে নিলেন। আর তখন থেকেই উনার বাড়ীটি একটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয় অর্থাৎ দেশ বিদেশ থেকে আবালবৃদ্ধ-বনিতা সকল জ্ঞান পিপাসু শিক্ষার্থীরা উনার বাড়ীতে এসে শিক্ষা গ্রহণ করতেন।
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার এক সঙ্গী বর্ণনা করেন, আমি হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার এমন একটি মাহফিল দেখেছি যা গোটা কুরাইশ গোত্রের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। দেখলাম উনার বাড়ীর সম্মুখের রাস্তাট বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ اِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللهِ الْمُصَوِّرُونَ
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, আমি শুনেছি, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- নিশ্চয়ই মানুষের মধ্যে ঐ ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক তিনি কঠিন শাস্তি দিবেন, যে ব্যক্তি প্রাণীর ছবি তোলে বা আঁকে। (বুখারী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
উনাদের অনুসারীগণই হক্ব দলের অন্তর্ভুক্ত:
মহান আল্লাহ পাক তিনি যেমন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে সত্যের মাপকাঠি ঘোষণা মুবারক করেছেন। ঠিক একইভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও উনাদেরকে সত্যের মাপকাঠি হিসেবে ঘোষনা মুবারক করেছেন। সুবহানাল্লাহ!
যেমন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّ بَـنِـىْ اِسْرَائِـيْلَ تَـفَرَّقَتْ عَلـٰى ثِـنْـتَـيْـنِ وَسَبْعِيْـنَ م বাকি অংশ পড়ুন...
আপনার চতুর্থ নাম্বার মাসয়ালাটা কি?
হযরত হাতেম আসেম রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন- হুযূর!
আমার চতুর্থ নাম্বার মাসয়ালা হলো- আমি আবার পবিত্র কুরআন শরীফ ফিকির করতে লাগলাম, পবিত্র কুরআন শরীফ রিসার্চ করতে লাগলাম। আমি একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম মানুষের মধ্যে।
সেটা হলো- মানুষ সম্মান তালাশ করে, ইজ্জত তালাশ করে, অনেক কিছু তালাশ করে। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন, কি? মানুষ ধন দিয়ে, সম্পদ দিয়ে, বাড়ী দিয়ে, গাড়ী দিয়ে, আল আওলাদ দিয়ে সম্মান তালাশ করে। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেছেন-
إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ
“নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান, ইত্যাদি)
বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন বিনয়ী। তিনি জ্ঞানীদের উপযুক্ত কদরও করতেন। এ প্রসঙ্গে একটি ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। একদিন কাতিবে ওহী ও বিচার, ফিকাহ, কিরায়াত ও ফারায়েজ শাস্ত্রে মদীনা শরীফের আলিমদের প্রধান হযরত যায়েদ বিন ছাবিত রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বাহনের উপর আরোহন করবেন, এমন সময় হাশেমী যুবক হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সামনে এসে দাঁড়ালেন এবং বাহনের লাগাম ও জিনটি ধরে হযরত যায় বাকি অংশ পড়ুন...












