(১) মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল রাখা।
(২) হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ছোহবত মুবারক থেকে দূরে রাখা।
(৩) হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের প্রতি আক্বীদা নষ্ট করে দেয়া।
বাকি অংশ পড়ুন...
“মানবাধিকারের ছদ্মাবরণে বিশ্বব্যাপী ইহুদী কর্তৃক পবিত্র দ্বীন ইসলাম বিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে মুসলমানদেরকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুফরীর শৃঙ্খলে বন্দি করার চক্রান্ত:
বাংলাদেশে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদী সংঘের কথিত মানবাধিকার অফিসের রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক প্রকল্প এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ”
পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রই নামেমাত্র স্বাধীন বা ওহফবঢ়বহফবহঃ বা ঋৎবব হলেও আসলে জাতিসংঘ ওরফে ইহুদীসংঘের অধীনে ইহুদীদের দ্বারা পরোক্ষভাবে শাসিত অর্থাৎ অদৃশ্যভাবে নিজেদের অজান্তেই পরাধীন। আধুনিক রাষ্ট্রের অবকাঠামো এবং রাষ্ট্রযন্ত্র বাকি অংশ পড়ুন...
বিষয়গুলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম, ফিকির করতে হবে। পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার খুছূছিয়ত, বৈশিষ্ট্য ফযীলত মুবারক কি? পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার অনেক জায়গায় তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন।
এক জায়গায় যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
اَلْحَمْدُ لِلَّهِ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব সেই মহান আল্লাহ পাক উনার প্রশংসা।
الَّذِي أَنْزَلَ عَلٰى عَبْدِهِ الْكِتَابَ
সেই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি তিনি উনার কিতাব নাযিল করেছেন।
وَلَمْ يَجْعَل لَّهٗ عِوَجًا
পবিত্র কিতাব উনার মধ্যে কোন বক্রতা নেই, ত্ বাকি অংশ পড়ুন...
ইসলামের দৃষ্টিতে ও ইসলামের নামে ভোট, নির্বাচন, পদপ্রার্থী হওয়া কখনোই গ্রহণযোগ্য নয় সে প্রসঙ্গে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَاللهِ لاَ نُوَلِّى عَلٰى هٰذَا الْعَمَلِ أَحَدًا سَأَلَهٗ وَلاَ أَحَدًا حَرَصَ عَلَيْهِ
অর্থ: এই কাজে (শাসক পদে) যারা পদপ্রার্থী হয় বা পদের আকাঙ্খা করে আমরা তাদের পদ দেই না। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
যেখানে স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্বাচন পদ্ধতি শুধু অপছন্দই করেননি সাথে সাথে নিষেধও করেছেন। তাহলে নির্বা বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ أَعْرَضَ عَنْ ذِكْرِيْ فَإِنَّ لَه مَعِيشَةً ضَنْكًا وَّنَحْشُرُه يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمٰی قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرْتَنِي أَعْمٰی وَقَدْ كُنْتُ بَصِيرًا قَالَ كَذٰلِكَ أَتَتْكَ اٰيَاتُنَا فَنَسِيتَهَا ۖ وَكَذٰلِكَ الْيَوْمَ تُنْسٰى
অর্থ: আর যে আমার যিকির তথা নিদর্শন মুবারক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে তার দুনিয়াবী জিন্দেগী সংকীর্ণ হয়ে যাবে এবং কিয়ামতের দিন সে ব্যক্তি অন্ধ হয়ে উঠবে। তখন সে বলবে আয় আমাদের রব তায়ালা! আমাকে কেন অন্ধ করে উঠানো হলো? আমিতো চক্ষুষ্মান ছিলাম, আমারতো দৃষ্টিশক্তি ছিলো??? তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে বলবে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ
অর্থ: “অবশ্যই আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই একজন সম্মানিত রসূল আলাইহিস সালাম উনাকে প্রেরণ করেছি এই জন্য যে, যেন তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ইবাদত করো এবং তাগুত (মূর্তিপূজা বা কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ) থেকে দূরে থাকো।” (পবিত্র সূরা নহল: আয়াত শরীফ ৩৬)
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
অসংখ্য অগণিত নিয়ামত মুবারকের মধ্যে বিশেষ নিয়ামত মুবারক হচ্ছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা। উনাদের মধ্যে বিশেষ হচ্ছেন মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখন মহাসম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ, পূর্ববর্তী তিনখানা কিতাব, একশ’খানা ছহীফাহ এবং মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে যা কিছু বর্ণিত রয়েছেন তার থেকে উনাদের শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী- সম্মান লক্ষ কোটিগুণ বেশি রয়েছেন। সুবহানাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
(১) তার দুনিয়াবী যিন্দেগী অভাব অনটন অর্থাৎ দারিদ্রতা পূর্ণ হয়ে যাবে।
(২) তার কবর সংকীর্ণ হয়ে যাবে।
(৩) হাশরের ময়দানে সে অন্ধ হয়ে উঠবে।
বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
“মুসনাদে বাজ্জার” কিতাবের ১ম খ-ের ২১৮ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ: نَزَلَتْ هٰذِهِ الَلآيةُ فِيْ أَهْلِ قُبَاءٍ فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَتَطَهَّرُوْا, وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ. فسألهم رسول الله صلى الله عليه و سلم فقالوا: إنا نتبع الحجارة الماء.
অর্থ: হযরত ইবনে আববাস রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, “মসজিদে কুবা শরীফ উনার অধিবাসীগণ উনাদের সম্পর্কে
فِيْهِ رِجَالٌ يُّحِّبُوْنَ أَنْ يَّتَطَهَّرُوْا وَاللهُ يُحِبُّ الْمُطَّهِّرِيْنَ.
এই আয়াত শরীফ নাযিল হয়। অর্থাৎ সেখানে (মসজিদে কুবা শরীফে) এমন অনেক লোক আছ বাকি অংশ পড়ুন...












