হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চুপ করে রইলেন। উনি বললেন- হে ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! এই ইহুদী আলেম কর্জ দিয়ে তো কোন দোষ করেনি। বরং সে কর্জ দিয়ে আমাদের উপকার করেছে। তার সাথে ভালভাবে কথা বলা উচিত এবং তারও আদবের সাথে তার পাওনা চাওয়া উচিত ছিলো।
এটা বলে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হে ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! আপনি এখনই তাকে নিয়ে যান। বাইতুল মালে নিয়ে তার ঋণ পরিশোধ করে দিন। তবে তার সাথে একটু কটু কথা, শক্ত কথা বলা হয়েছে, সেজন্য তাকে বিশ ছা’[ (প্রায় পৌনে দুই মণ) গম বে বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا آمِنُوا
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা ঈমান আনো। (পবিত্র সূরা আন নিসা: পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩৬)
স্মরণীয় যে, ঈমানদার তথা মু’মিন দু প্রকার। (এক) মু’মিনে কামিল (দুই) মু’মিনে নাক্বিছ বা মু’মিনে ফাসিক্ব।
মু’মিনে কামিল বা পরিপূর্ণ মু’মিন যাঁরা উনারা ইন্তিকালের পর সরাসরি জান্নাতী হবেন। আর মু’মিনে নাক্বিছ বা অপরিপূর্ণ তথা মু’মিনে ফাসিক্ব বা গুনাহগার মু’মিন যারা তারা পাপের শাস্তি ভোগ করার পর জান্নাতে প্রবেশ করবে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ رَأَى مِنْكُمْ مُنْكَرًا فَلْيُغَيِّرْهُ بِيَدِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِلِسَانِهِ فَإِنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَبِقَلْبِهِ وَذَلِكَ أَضْعَفُ الإِيمَانِ وفى رواية لَيْسَ وَرَاءَ ذَلِكَ مِنَ الْإِيمَانِ حَبَّةُ خَرْدَلٍ
অর্থ: তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি কোন অন্যায় বা হারাম কাজ সংঘটিত হতে দেখে সে যেনো তা হাত দ্বারা বাধা দেয়। যদি সে তা হাত দ্বারা বাধা দিতে না পারে তাহলে সে যেনো যবান দ্বারা বাধা দেয়। যদি যবানের দ্বারাও বাধা দিতে না পারে তাহলে যেনো অন্তরে তা ঘৃণা করে উক্ত অন্যায় বা হা বাকি অংশ পড়ুন...
আশিকে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত আল্লামা আব্দুর রহমান মোল্লা জামি রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব শাওয়াহিদুন নুবুওওয়াহ এর মধ্যে উল্লেখ করেন- দালায়িলুন নুবুওয়াত কিতাবে উল্লেখ আছে, আমি শৈশবে এক ব্যক্তির ছাত্র ছিলাম। যে আমাকে শিয়া মতবাদের প্রতি আকৃষ্ট করতো। তার কথা ও প্ররোচনায় আমি সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনাদের শান মুবারকের খিলাফ কথা-বার্তা বলতাম। নাউযুবিল্লাহ!
এক রাতে আমি স্বপ্নে দেখলাম, ক্বিয়ামত শুরু হয়ে গেছে। সকল মানুষ নূরে মুজাস বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান, “শীঘ্রই এমন এক সময় আসবে, যখন পৃথিবীর বিভিন্ন জাতিরা একে অপরকে মুসলমানদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য পরস্পরকে আহবান করবে, যেভাবে ক্ষুধার্ত নেকড়ে তাদের খাবারের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। ”
একজন জিজ্ঞেস করলেন, “সেই সময় কি আমরা সংখ্যায় কম থাকবো?”
উত্তরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, “না, সে সময় সংখ্যায় তোমরা হবে অগণিত। কিন্তু তোমরা হবে বন্যার পানিতে ভেসে আসা খড়কুটোর মতো (অর্থাৎ শক্তিহীন)। শত্রুদের অন্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَقَدْ ذَرَأْنَا لِجَهَنَّمَ كَثِيرًا مِّنَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ ۖ لَهُمْ قُلُوبٌ لَّا يَفْقَهُونَ بِهَا وَلَهُمْ أَعْيُنٌ لَّا يُبْصِرُونَ بِهَا وَلَهُمْ آذَانٌ لَّا يَسْمَعُونَ بِهَا ۚ أُولَـٰئِكَ كَالْأَنْعَامِ بَلْ هُمْ أَضَلُّ ۚ أُولَـٰئِكَ هُمُ الْغَافِلُونَ
অর্থ: আমি জিন-ইনসানের মধ্য হতে অনেককে জাহান্নামের জন্য সৃষ্টি করেছি। অর্থাৎ অনেকেই বদ আমলের কারণে জাহান্নামী হবে। তাদের অন্তর থাকার পরও তারা বুঝে না, চক্ষু থাকার পরও তারা দেখে না এবং কান থাকার পরও তারা শুনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মতো। বরং তার চেয়েও নির্বোধ। (সূরা আ’রাফ: আয়াত শরীফ ১৭১)
বাকি অংশ পড়ুন...
অন্তরে মহর পড়ে যাওয়া সালাফী ওহাবীরা পবিত্র কালিমা তাইয়্যিবা শরীফ খুঁজে পায় না, অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে এমন ছহীহ হাদীছ শরীফও আছে যেখানে উল্লেখ আছে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে এক হাজার মানুষ পবিত্র কালিমা তাইয়্যিবা শরীফ পাঠ করে ঈমান এনেছেন। যেটা বিখ্যাত ইমাম হযরত বায়হাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত “দালায়িলুন নুবুওওয়াত” কিতাবে
باب ما جاء في شهادة الضب لنبينا بالرسالة وما ظهر في ذلك من دلالات النبوة
অধ্যায়ে বর্ণনা করেন। পবিত্র হাদীছ শরীফখ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ্ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ্্ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا اِنَّـمَا الْـخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنْصَابُ وَالْأَزْلاَمُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوْهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
অর্থ: হে মু’মিনগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, বেদী, মূর্তি পূজা (অর্থাৎ মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য প্রাণীর ছবি ইত্যাদি। ) ও ভাগ্য নির্ধারক তীরসমূহ ঘৃণ্য অপবিত্র বস্তু, শয়তানী কাজ। সুতরাং তোমরা এগুলো বর্জন কর, এতে তোমরা অবশ্যই সফলকাম হতে পারবে। (সূরা মায়িদাহ্ আয়াত শরীফ ৯০)
অত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে اَلْأَنْصَابُ শব্দটি দ্বারা মূর্তি, ভাস্কর্য, বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
মসজিদের অনেক ইমাম ও খতীবকে দেখা যায়, তারা দুআ করার সময় মহান আল্লাহ পাক উনাকে তুমি বলে সম্বোধন করে থাকে। এটা কতটুকু শুদ্ধ? পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে সঠিক ফায়ছালা জানিয়ে বাধিত করবেন।
জাওয়াব:
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুল-মাখলূক্বাতের খালিক্ব, মালিক, রব। সমস্ত প্রশংসা, পবিত্রতা, সম্মান-ইজ্জতের তিনিই মূল মালিক। উনাকে ব্যতিত কারো কোন সম্মান-মর্যাদা হতে পারেনা। কাজেই সবার উর্ধ্বে, সবার আগে এবং সর্বোচ্চ মর্যাদা উনাকেই দিতে হবে।
সুতরাং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করাটা বাকি অংশ পড়ুন...












