ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুসরণ করার গুরুত্ব ও ফযীলত (৫০)
, ১৭ ছফর শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৫ ছালিছ, ১৩৯২ শামসী সন , ২৩ আগষ্ট, ২০২৪ খ্রি:, ০৮ ভাদ্র , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি চুপ করে রইলেন। উনি বললেন- হে ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! এই ইহুদী আলেম কর্জ দিয়ে তো কোন দোষ করেনি। বরং সে কর্জ দিয়ে আমাদের উপকার করেছে। তার সাথে ভালভাবে কথা বলা উচিত এবং তারও আদবের সাথে তার পাওনা চাওয়া উচিত ছিলো।
এটা বলে হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, হে ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! আপনি এখনই তাকে নিয়ে যান। বাইতুল মালে নিয়ে তার ঋণ পরিশোধ করে দিন। তবে তার সাথে একটু কটু কথা, শক্ত কথা বলা হয়েছে, সেজন্য তাকে বিশ ছা’[ (প্রায় পৌনে দুই মণ) গম বেশী দিয়ে দিন।
হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি সেই ইহুদী আলেমকে নিয়ে বাইতুল মালের দিকে যাচ্ছেন। আর রাস্তায় উনি বলতে লাগলেন, হে ব্যক্তি! তুমি কি করে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে খারাপ ব্যবহার করলে?
সেই ব্যক্তি বললো- হে ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! আপনি কি আমাকে চিনেন?
উনি বললেন- না, আমি তোমাকে চিনি না।
সে বললো, আমি একজন ইহুদী আলেম।
তখন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, তুমি যদি আলেমই হয়ে থাক, তুমি কি করে আজকে এ রকম খারাপ ব্যবহারটা করলে?
সে বললো, হে ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম! আপনি জেনে রাখেন, আজ আমি অনেকদিন যাবত মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পরীক্ষা করছিলাম। আমাদের তাওরাত কিতাবের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনেকগুলি লক্ষণ বর্ণনা করা হয়েছে। সেই সমস্ত লক্ষণগুলি আমি পূর্বেই পেয়েছি। কেবলমাত্র দু’টি লক্ষণ বাকী ছিল। সেই দু’টি লক্ষণ পরীক্ষা করার জন্যই আজকে আমি খারাপ ব্যবহার করেছি। আমার কোন খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না। আমি মুসলমান হওয়ার জন্য, ঈমান আনার জন্য, উনি কি আখেরী নবী, উনি কি সাইয়িদুল মুরসালীন, উনি কি ইমামুল মুরসালীন, সেটা জানার জন্য আমি এ কথাগুলো বলেছি। আমার অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না।
তুমি কি পরীক্ষা করলে?
আমাদের তাওরাত কিতাবের মধ্যে যে দু’টি লক্ষণ বাকী ছিল, সেই দু’টি লক্ষণ হলো- একটা হলো, উনাকে গোস্সা করানো হলে উনি খুব ধৈর্য্যশীল হবেন, ক্ষমাশীল হবেন, সহনশীল হবেন। দ্বিতীয়টা হলো- উনার সাথে মূর্খের মত আজে বাজে ব্যবহার করলে, খারাপ কথা বললে, উনাকে গালি-গালাজ করলে, উনার সেই সহনশীলতা আরো বেশী অর্থাৎ গভীরভাবে সেটা প্রকাশ পাবে, উনি আরো বেশী ধৈর্যশীল, আরো বেশী সহনশীল হবেন। এই দু’টি জিনিস পরীক্ষা করার জন্য আমি উনার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছি।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
কোন মুসলমানের জন্য কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করা জায়েয নেই
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড এর পরিচিতি এবং উদ্দেশ্য (৬)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে রোযা অবস্থায়- ইনজেকশন, ইনহেলার, স্যালাইন ও টিকা নেয়া অবশ্যই রোযা ভঙ্গের কারণ (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
ক্বদরের রাত্রিতে হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম যমীনে নাযিল হয়ে তিন ব্যক্তির উপর খাছ রহমত বর্ষণের দুআ করেন-
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আসমাউর রিজাল, জারাহ ওয়াত তা’দীল, উছুলে হাদীছ শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাকে জাল বলছে ওহাবী সালাফীরা (১৩)
১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দুনিয়ার তাছীর বা ক্রিয়া থেকে প্রত্যেক ব্যক্তির সতর্ক থাকা আবশ্যক
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পবিত্র রোযা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
১৩ মার্চ, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












