হক্কানী উলামায়ে কিরাম তথাকথিত আহলে হাদীছদের বিরোধিতা করেন কেন:
পৌত্তলিকতার অন্ধকারে নিমজ্জিত এ উপমহাদেশে যেদিন থেকে একমাত্র মুক্তির পথ সম্মানিত ইসলাম উনার আলো ছড়িয়ে পড়ে। তখন থেকেই দ্বীনী মাসায়েলে একতার প্লাটফর্মে ছিল উপমহাদেশের সমস্ত মুসলমান। মসজিদে, ঈদগাহে, জানাযা ও তারাবীহ জামাতে কোন বিবাদ ছিল না। ছিল না মসজিদের মত পবিত্র স্থানে কোন বিভক্তির নোংরা আঁচড়। ধনী দরিদ্র সবাই মিলে একত্রিত হয়ে আদায় করতো নামায।
কিন্তু ইংরেজরা সেই একতা সইতে পারেনি। তাদের পুরনো থিউরী “ডিবাইট এন্ড রোলস” বাস্তবায়ন করতে শুরু করে কার্যক্রম। রা বাকি অংশ পড়ুন...
অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্ট বর্ণিত রয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُـؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ اِنَّـمَا الْاِفْطَارُ مِـمَّا دَخَلَ وَلَيْسَ مِـمَّا خَرَجَ وَفِـىْ رِوَايَةٍ اَلْفَطْرُ مِـمَّا دَخَلَ وَلَيْسَ مِـمَّا خَرَجَ.
অর্থ: “উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন নà বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০২)
হযরত আবূ দাঊদ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘মারাসীল’ গ্রন্থে উনার থেকে রেওয়ায়েত করেছেন। সেটা আবার হযরত ওয়ালিউদ্দীন আহমদ ইবনে আব্দুর রহীম ইবনে হুসাইন আবূ যুরআ ইরাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৮২৬ হিজরী) তিনি উনার ‘তুহফাতুত তাহছীল ফী যিকরি রুওয়াতিল মারাসীল’ নামক গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। (তুহফাতুত তাহছীল ১/৩৭৯ দ্রষ্টব্য)
উক্ত বর্ণনা থেকে প্রমাণিত হয় এই হাদীছটা মুরসাল।
ইমামগণ যে সকল ক্ষেত্রে মুরসাল হাদীছ শরীফ দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন তার কয়েকটি হলো:
(১) যদি মুরসাল হাদীছ শরীফ কোন ছহীহ হাদীছ শরীফের পক্à বাকি অংশ পড়ুন...
৩. ট্রান্সজেন্ডার শয়তানের কাজ:
ট্রান্সজেন্ডার বা লিঙ্গ পরিবর্তন করার মানে মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টিকে পরিবর্তন করা। এটা শয়তানের কাজ এবং এটা যারা করে তারা শয়তানের শাগরিদ। তারা ইহকাল ও পরকালে ক্ষতিগ্রস্থদের অন্তর্ভুক্ত এবং চির জাহান্নামী। যেমন- মহান আল্লাহ পাক তিনি শয়তানের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন,
لَعَنَهُ اللهُ وَقَالَ لَاَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيْبًا مَّفْرُوْضًا. وَلَاُضِلَّنَّهُمْ وَلَاُمَنِّيَنَّهُمْ وَلَاٰمُرَنَّهُمْ فَلَيُبَتِّكُنَّ اٰذَانَ الْاَنْعَامِ وَلَاٰمُرَنَّهُمْ فَلَيُغَيِّرُنَّ خَلْقَ اللهِ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি তার (শয়তানের) উপর লা’নত বর্ষণ করেছেà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَخْرِجُوا الْمُشْرِكِينَ مِنْ جَزِيرَةِ الْعَرَبِ
অর্থ: তোমরা মুশরিকদেরকে (অর্থাৎ সমস্ত কাফির-মুশরিককে) জাজিরাতুল আরব থেকে বের করে দাও। ” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, আবূ দাউদ শরীফ, মুসনাদে আহমদ শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
মানব রচিত শাসন ব্যবস্থা, যার আইন-কানুন, নিয়ম-নীতি, তর্জ তরীক্বা মানুষের দ্বারা রচিত, বিশেষ করে বিধর্মীদের দ্বারা বিশেষ করে ইহুদীদের দ্বারা উদ্ভাবিত ও প্রবর্তিত- তা অনুসরণ-অনুকরণ করা ঈমানদার মুসলমানদের জন্য জায়িয নেই।
সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য মতবাদ অনুসরণ করা নিষেধ, সে বিষয়ে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَنْ يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَنْ يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ
অর্থ: যে ব্যক্তি দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম (নিয়ম-নীতির) অনুসরণ করে, তার থেকে তা কখনই গ্রহণ করা হবে না এবং সে বাকি অংশ পড়ুন...












