হযরত খিজির আলাইহিস সালাম তিনি যখন তোমাকে ওয়াজের পরে জিজ্ঞাসা করবেন, তুমি জাওয়াব দিয়ে দিও। বুঝতে পেরেছ? ঠিক আছে।
ওয়াজ হয়ে গেল, এখনতো উনার সিনাতে একটু সাহস হলো। তিনি ওয়াজ করলেন, ঠিক ওয়াজের সময় ঐ ব্যক্তি আবার আসলেন। হে ইবনে জাওযী! আমার যে প্রশ্নটা, মাসয়ালাটা। হ্যাঁ, কি মাসয়ালা? যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? তিনি বললেন, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন, ক্বদীম। তিনি হাদিছ না। তিনি শুরুতে যা ছিলেন এখনও তা, অনন্তকাল ধরে তা করবেন। তিনি নতুন কোন কাজ করেন না। শুরুতে যা করেছে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَذَانٌ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ إِلَى النَّاسِ يَوْمَ الْحَجِّ الْأَكْبَرِ أَنَّ اللَّهَ بَرِيءٌ مِنَ الْمُشْرِكِينَ وَرَسُولُهُ فَإِنْ تُبْتُمْ فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَإِنْ تَوَلَّيْتُمْ فَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ غَيْرُ مُعْجِزِي اللَّهِ وَبَشِّرِ الَّذِينَ كَفَرُوا بِعَذَابٍ أَلِيمٍ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে পবিত্র হজ্জে আকবার উনার দিনে সমস্ত মানুষের প্রতি ঘোষণা দেয়া হচ্ছে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাকি অংশ পড়ুন...
একবার হযরত নাসিরুদ্দীন মাহমুদ চেরাগে দেহলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পীরভাই হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, ‘আমি যখন অযোধ্যায় গমণ করি তখন মানুষের ভীড়ের কারণে ইবাদতে মশগুল থাকতে পারি না। তাই আপনি দয়া করে সুলতানুল মাশায়িখ, হযরত খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট সুপারিশ করুন, তিনি যেন আমাকে জঙ্গলে একাকি থেকে ইবাদতে মশগুল হওয়ার অনুমতি প্রদান করেন।’
উল্লেখ্য, হযরত আমীর খসরু রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আদত ছিলো, তিনি প্রত্যহ ইশার নামাজের পর নিরিবিলি সময়ে সুলত্বানুল মাশায়িখ, হযরত খাজা নিজামু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَلَكِنَّ اللَّهَ حَبَّبَ إِلَيْكُمُ الْإِيمَانَ وَزَيَّنَهُ فِي قُلُوبِكُمْ وَكَرَّهَ إِلَيْكُمُ الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ أُولَئِكَ هُمُ الرَّاشِدُونَ
অর্থ: কিন্তু মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদের অন্তর মুবারকে সম্মানিত ঈমান উনার মুহব্বত মুবারক সৃষ্টি করে দিয়েছেন এবং আপনাদের অন্তর মুবারকসমূহ সম্মানিত ঈমান উনার দ্বারা সৌন্দর্যম-িত করে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে কুফরী, শিরকী, নাফরমানী ইত্যাদির প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি করে দিয়েছেন। (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) উনারাই সঠিক পথপ্রাপ্ত। সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা হু বাকি অংশ পড়ুন...
ছদাক্বাতুল ফিতর কখন দিবেন :
পবিত্র রমাদ্বান মাস শেষে সম্মানিত শাওওয়াল মাসের চাঁদ উদয়ের পর থেকে ঈদের মাঠে গমনের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে ছদাক্বাতুল ফিতর আদায় করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ فَرَضَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ زَكٰوةَ الْفِطْرِ طُهْرَةً لِلصَّائِمِ مِنَ اللَّغْوِ وَالرَّفَثِ وَطُعْمَةً لِلْمَسَاكِينِ مَنْ اَدَّاهَا قَبْلَ الصَّلٰوةِ فَهِىَ زَكٰوةٌ مَقْبُولَةٌ وَمَنْ اَدَّاهَا بَعْدَ الصَّلٰوةِ فَهِىَ صَدَقَةٌ مِنَ الصَّدَقَاتِ.
অর্থ : হযরত ইবনে ‘আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত বাকি অংশ পড়ুন...
এটাতো উনার জানা নেই।
كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِي شَأْنٍ
একেক দিন তিনি একেক শান মুবারকে থাকেন তাহলে আজকে, এখন তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? আপনি এতো বড় আলিম, ফক্বীহ, সারা পৃথিবীর সবচাইতে বড় আলিম আপনি। আপনার তাফসীর মাত্র শুরু হলো, দু’বছর ধরে তাফসীর করছেন আরো অনেক বাকি রয়ে গেল। আপনার ইলিমের অভাব নেই। তাহলে এখন বলুন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কোন শান মুবারকে আছেন? সমস্ত শ্রোতা, হাজার হাজার শ্রোতা, সবাইতো লা-জাওয়াব হয়ে গেল, চুপ হয়ে গেল। ইবনে জাওযী তাহলে মাসয়ালা জানে না দেখা যায়। তিনি চুপ হয়ে গেলেন, লজ্জিত হয়ে গেলেন। সে ব্যক্তি কিছু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِنَّـمَا النَّسِيءُ زِيَادَةٌ فِي الْـكُفْرِ ۖ يُضَلُّ بِهِ الَّـذِيْنَ كَفَرُوا يُـحِلُّونَهُ عَامًا وَيُـحَرِّمُونَه عَامًا لِّيُوَاطِئُوا عِـدَّةَ مَا حَرَّمَ اللهُ فَيُحِـلُّوا مَا حَرَّمَ اللهُ ۚ زُيِّنَ لَـهُمْ سُوءُ اَعْـمَالِـهِمْ ۗ وَاللهُ لَا يَـهْدِي الْقَوْمَ الْـكَافِرِيْـنَ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই নাসী বা মাসকে আগে পিছে করা কুফরীকে বৃদ্ধি করে থাকে। এর দ্বারা কাফিরেরা গুমরাহীতে নিপতিত হয়। তারা (ছফর মাসকে) এক বছর হালাল করে নেয় এবং আরেক বছর হারাম করে নেয়, যেন মহান আল্লাহ পাক উনার হারামকৃত মাসগুলোর গণনা পূর্ণ করতে পারে। অতঃপর তারা সে সমস্ত মাসকে হালাল করে নেয়, যে সমস্ত বাকি অংশ পড়ুন...
(৫) আল-বাদরু বা জোৎস্না বা পূর্ণ চাঁদ:
এই পর্যায়ে পৃথিবীর আকাশে থালার মত গোলাকার চাঁদ আবির্ভূত হয়।
{চিত্র: সূর্য ও পৃথিবী সাপেক্ষে বিভিন্ন দশায় চাঁদের অবস্থান।}
তবৎড় সড়ড়হ বা অমাবস্যার ১৩/১৪ দিন পর এবং আরবী হিলাল মাসের ১৫-১৭ তারিখে পৃথিবীর আকাশে জোৎস্না থাকে।
(৬) ক্ষয়িষ্ণু অর্ধাধিক চাঁদ:
এই পর্যায়ে পৃথিবীর আকাশে দৃশ্যমান গোলাকার পূর্ণ চাঁদ ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়া শুরু করে। তবৎড় সড়ড়হ বা অমাবস্যার পর ১৬ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত এবং আরবী হিলাল মাসের ১৫ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত চাঁদ এই দশায় থাকে।
(৭) ক্ষয়িষ্ণু অর্ধ চাঁদ:
এই পর্যায়ে চাঁদ ক্ষয়প্ বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষ যে হাঁচি দেয় হাঁচির মধ্যে অনেক রোগ-জীবাণু বেরিয়ে যায়। এজন্য একটা রুমাল বা কাপড়ের মধ্যে হাঁচি দেয়া উচিত। আর শুকরিয়া স্বরূপ আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল আলামীন বলা উচিত।
চিশতীয়া খান্দানের বিশিষ্ট বুযূর্গ হযরত খাজা উছমান হারুনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আনিসুল আরওয়াহ নামক কিতাবে সপ্তদশ মজলিসে মু’মিন বান্দার হাঁচি সম্পর্কে বলেন, “যখন কোন মু’মিন বান্দা হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলেন তখন মহান আল্লাহ পাক তিনি তার সমস্ত গুনাহখতা মাফ করে দেন এবং ঐ বান্দার জন্য জান্নাতে একটা প্রাসাদ তৈরী করেন, যার মধ্যে একটা গাছ থাকবে এবং সে গাছের বাকি অংশ পড়ুন...
খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَنْ يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا
অর্থ: আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং আপনার বানাত আলাইহিন্নাস সালাম উনাদেরকে এবং মু’মিনদের আহলিয়াগণকে বলে দিন- উনারা যেন উনাদের চাদরের একটা অংশ চেহারা ও বুকের উপর টেনে দেন অর্থাৎ পর্দা করেন। এটা হচ্ছে- উনাদের সম্ভ্রান্ত হওয়ার পরিচয় এবং উনাদেরকে বিরক্ বাকি অংশ পড়ুন...












