যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلاةِ فاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُؤُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَيْنِ وَإِنْ كُنتُمْ جُنُبًا فَاطَّهَّرُوا
প্রথমে বললেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا قُمْتُمْ إِلَى الصَّلاةِ فاغْسِلُوا وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى الْمَرَافِقِ وَامْسَحُوا بِرُؤُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى الْكَعْبَينِ
হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন নামাযে দাঁড়াবে তখন ধৌত করবে অর্থাৎ ওযূ করবে, তোমাদের মুখমন্ডল ধৌত করবে, হাত কনুইসহ ধুবে, মাথা মাছেহ করবে এবং পায়ের গিরা পর্যন্ত ধৌত করবে বাকি অংশ পড়ুন...
মরদূদ দরবেশ বালয়াম বিন বাউরা তিনশত বছর ইবাদত করেছিলো। চোখ বন্ধ করলে সিদরাতুল মুনতাহা থেকে তাহ তাছ্ছারা পর্যন্ত সবকিছু দেখতে পেতো। তার সমস্ত দোয়া কবুল করা হতো। কিন্তু হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সাথে বেয়াদবী করার কারণে ৩০০ বছর পর সেও গোমরাহ হয়ে গেলো। তার সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফে বর্ণিত রয়েছে-
وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا فَانسَلَخَ مِنْهَا فَأَتْبَعَهُ الشَّيْطَانُ فَكَانَ مِنَ الْغَاوِينَ
অর্থ: আর আপনি তাদের নিকট বর্ণনা করুন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের নিদর্শনসমূহ দান করেছিলাম, অথচ সে তা পরিহার করে বেরিয়ে গেছে। আর তার বাকি অংশ পড়ুন...
নিম্নে সে বিষয়সমূহ সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো-
সনদ ছহীহ না হলেও উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের আমলের দ্বারা তা ছহীহ সাব্যস্ত হয়:
হযরত উলামায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা যদি গ্রহণ করে নেন তবে তা ছহীহ বলে সাব্যস্ত হয়। এ বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বিখ্যাত আলিমে দ্বীন হযরত খতীব বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি কয়েকটি হাদীছ শরীফ উল্লেখ করেন যা সনদগতভাবে দুর্বল।
কিন্তু সকল আলিম এই হাদীছ শরীফগুলো আমল করে আসছেন। আর তাই তিনি বলেন-
وَإِنْ كَانَتْ هٰذِهٖ أَحَادِيْثَ لَا تُثَبِّتُ مِنْ جِهَةِ الْإِسْنَادِ لٰكِنَّ لَـمَا تَلَقَّتْهَا الكَافَّةُ عَنِ الْكَافَّةِ غَ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ لِيَصُدُّوا عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ فَسَيُنْفِقُونَهَا ثُمَّ تَكُونُ عَلَيْهِمْ حَسْرَةً ثُمَّ يُغْلَبُونَ وَالَّذِينَ كَفَرُوا إِلَى جَهَنَّمَ يُحْشَرُونَ.
অর্থ: “নিশ্চয়ই যারা কাফির তারা তাদের মাল-সম্পদ খরচ করে সম্মানিত মুসলমানদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তা থেকে ফিরিয়ে রাখার জন্য। আর অচিরেই তারা পর্যায়ক্রমে (ক্বিয়ামত পর্যন্ত) খরচ করতেই থাকবে। তারপর সেটাই তাদের জন্য আফসুসের কারণ হবে। অতঃপর তারা পরাস্ত হবে, পরাজিত হবে। আর যারা কাফির তাদেরকে জাহান্নামে একত্রিত করা হবে।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র রোযার পরিচয় :
সাধারণত সম্মানিত রোযা বলতে ছুবহি ছাদিক্ব থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্জন অবস্থান ও পানাহার থেকে বিরত থাকাকে বুঝায়। তবে এর সাথে সাথে মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরী, ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি-কাটাকাটি, গালি-গালাজ, অশ্লীল-অশালীন, ফাসিক্বী ও নাফরমানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মধ্যে খারাপ কাজ করে, শরাব পান করে, বাকি অংশ পড়ুন...
এই ছলাত মুবারক পেশ করা হচ্ছে ফরযে আইন। সমস্ত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম এবং যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কিন্তু নিজেই পেশ করে যাচ্ছেন, অনন্তকাল ব্যাপী যেতেই থাকবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সেটাই আমরা বলে থাকি যে, ‘ফালইয়াফরাহূ শরীফ’ অনন্তকাল ব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ জারি করতে হবে। আমরা জারি করেছি হায়াতে-মউতে, কবরে, হাশরে-নশরে, মীযানে-পুলছিরাতে, জান্নাতে পালন করতে হবে এটাই সেটা। ‘ফালইয়াফরাহূ শরীফ” পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ। যেটা যিনি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُولَـٰئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ
অর্থ: যারা নিজেদেরকে বখিলতা থেকে বাঁচাতে পারলো, তারা বিরাট সফলতা লাভ করলো। (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ: আয়াত শরীফ ৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
এ সম্পর্কে বলা হয় একটা ওয়াক্বিয়া, হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সময় সেটা প্রকাশ পায়। যে, হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি অনেক সম্পদশালী ছিলেন। উনার অনেক জায়গা, যমীন, সম্পদ অনেক ছিলো। উনার এই সম্পত্তি পাহারা দেয়ার জন্য, পশুপাল পাহারা দেয়ার জন্য দশ হাজার কুকুর ছিলো। দশ হাজার কুকুর। আর প্রত্যেকটা কুকুর চিহ্নিত করার জন্য স্বর্ণের লকেট পরানো ছিলো। স্বর্ণের লকেট। এটা উনার কুকুরকে চিনার জন্য পাহারাদার হিসেবে, দশ হাজার কুকুর। তিনি প্রায়ই বের হতেন দেখার জন্য উনার জায়গা-যমীন, এই পশুপাল ইত্যাদি।
একদিন হযরত খলীলুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...












