(ধারাবাহিক পর্ব- ০৬)
উল্লেখিত চারটি হাদীছের প্রথম তিনটি সনদের দিক থেকেই বাতিল প্রমাণিত হলো। আর শেষের হাদীছটির সনদ সর্বোচ্চ দুর্বল বলা যেতে পারে। কিন্তু ইবনে কাইয়্যুমের বক্তব্য অনুযায়ী এটার সনদও প্রমাণিত নয়।
তবে সনদের দিক থেকে এটা দুর্বল হলেও মতনের দিক থেকে পুরাই বানোয়াট, মিথ্যা, জাল হাদীছের অন্তর্ভুক্ত। কারণ উল্লেখিত হাদীছগুলো পবিত্র কুরআন শরীফ ও ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাদের সম্পূর্ণ খিলাফ। নাঊযুবিল্লাহ!
আরেকটা বিষয় হচ্ছে- গরুর দুধ সম্পর্কে মূল যে বর্ণনা রয়েছে সেখানে ‘গরুর গোশতে রোগ আছে’ এই অংশটা নেই। আর সেই বর্ণনাটাকে সকলেই বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ইসলাম উনার নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাছিলকারী ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে?
জাওয়াব:
ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে তথা সন্ত্রাসী তৈরিকারী ও ইসলাম উনার নামে রাজনীতি তথা গণতন্ত্র, ভোট, নির্বাচনকারী মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে না। পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো ‘রাজারবাগ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’।
পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ওয়াজিব। কাজেই বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি প্রশ্নের জাওয়াব দিয়েছেন-
গাফলতী কাকে বলে?
জবাব মুবারক: মসজিদ-বিমুখ হওয়া এবং অসৎ লোকদের আনুগত্য করা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
পবিত্র নামাযের ওয়াজিবসমূহ :
সম্মানিত নামাযের ওয়াজিবগুলো প্রায় ফরযের মতোই গুরুত্ব বহন করে, যে কারণে ওয়াজিব ব্যতীত শুধু ফরয পালন করেই নামায আদায় করলে নামায পূর্ণভাবে আদায় হয় না। ইচ্ছাকৃত কোনো ওয়াজিব তরক করলে নামায দোহরায়ে পড়া ওয়াজিব। আর ভুলক্রমে কোনো ওয়াজিব তরক হয়ে গেলে সিজদায়ে সাহু দেয়া ওয়াজিব।
ওয়াজিবসমূহ হলো:
১. ফরয নামাযের প্রথম দুই রাকায়াতে এবং বিতির, সুন্নত ও নফল নামাযের মধ্যে প্রত্যেক রাকায়াতে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করা। পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফের সাত আয়াত শরীফ ৭টি ওয়াজিব।
২. পবিত্র সূরা ফাতি বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত আহলু বাইত শরীফ উনাদেরকে মহব্বত করলে যেমন জান্নাতে যায় বিপরীত করলে সে জাহান্নামে যাবে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে-
وَلَوْ أَنَّ رَجُلًا صَفَنَ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ فَصَلَّى وَصَامَ، ثُمَّ لَقِيَ اللهَ وَهُوَ يُبْغِضُ أَهْلَ بَيْتِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ النَّارَ
যেটা বলা হচ্ছে,
وَلَوْ أَنَّ رَجُلًا
যদি কোন লোক
صَفَنَ بَيْنَ الرُّكْنِ وَالْمَقَامِ
মাকামে ইবরাহীম ও রুকনে ইয়ামীন এর মধ্যে সে আজীবন দাঁড়ায়ে থাকে, মহব্বত ও মা’রিফত হাছিলের জন্যে।
فَصَلَّى وَصَامَ
এখানে দাঁড়ায়ে থাকে সে নামায পড়ে, রোযা করে সব করে। সব করে সে আজীবন, শুরু থেকে শেষ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি প্রশ্নের জাওয়াব দিয়েছেন-
বোকামি কাকে বলে?
জবাব মুবারক: নিম্নশ্রেণীর লোকদের সাহচর্য অবলম্বন এবং পথভ্রষ্ট লোকদেরকে মুহব্বত করা।
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَاأَيُّهَا النَّبِيُّ حَرِّضِ الْمُؤْمِنِينَ عَلَى الْقِتَالِ إِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ عِشْرُونَ صَابِرُونَ يَغْلِبُوا مِائَتَيْنِ وَإِنْ يَكُنْ مِنْكُمْ مِائَةٌ يَغْلِبُوا أَلْفًا مِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا بِأَنَّهُمْ قَوْمٌ لَا يَفْقَهُونَ.
অর্থ: আমার সম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি মু’মিনদেরকে জিহাদ করার জন্য উৎসাহিত করুন। আপনাদের মধ্যে যদি ২০ জন ধৈর্য্যশীল, দৃঢ়চিত্ত ব্যক্তি থাকেন, তাহলে আপনারা ২০০ কাফিরের মোকাবেলায় বিজয়ী হবেন। আর যদি আপনাদের মধ্যে ১০০ লোক থাকেন, তাহলে আপনারা ১০০০ কাফিরদের উপর বিজয়ী হবেন। কারণ তারা জ্ঞানহীন। (পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
إِنَّ الَّذِينَ يُحِبُّونَ أَنْ تَشِيعَ الْفَاحِشَةُ فِي الَّذِينَ آمَنُوا لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَاللهُ يَعْلَمُ وَأَنْتُمْ لَا تَعْلَمُونَ
নিশ্চয়ই যারা ঈমানদারদের মধ্যে ফাহেশা প্রচলন করতে চায়। অর্থাৎ খাছ করে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা, কীল-কাল করতে চায়, উনাদের বিরুদ্ধে এসব অপবাদ প্রচার করতে চায়, মুরজিফুন যারা। এদের কঠিন শাস্তি ইহকাল ও পরকালে। সেটা মানুষ, জিন-ইনসান জানে না। একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জানেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَن حَضْرَتْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
অর্থ: “হযরত ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি যেই সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে, অনুরসণ-অনুকরণ করবে, সে তাদেরই দলভুক্ত হবে। অর্থাৎ তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।” নাঊযুবিল্লাহ! (আবূ দাঊদ শরীফ, আহমদ শরীফ, মুসনাদে বাযযার, আল মু’জামুল আওস বাকি অংশ পড়ুন...
(সারা বিশ্বের ভারসাম্য নষ্ট করে নিজেদের করতলে নেওয়ার জন্য ইহুদীরা শত শত বছর আগে তৈরী করে দুটি মাস্টার প্ল্যান। একটি ছিলো দুই শত বছর মেয়াদী মাস্টার প্ল্যান অপরটি ছিলো তিনশত বছরব্যাপী মাস্টার প্ল্যান। যাকে বলা হয় প্রটোকল অফ ইহুদী । আজকের পৃথিবীর যে সংঘাতময় পরিস্থিতি তার নেপথ্য নাটের গুরু হচ্ছে ফ্রীম্যাসন সদস্যরা। যাদের নেতৃত্বদানকারী পরিবার হচ্ছে রথসচাইল্ড পরিবার। বর্তমানে এদের নেতৃত্ব দিচ্ছে লন্ডন থেকে এডমন্ড দ্য রথসচাইল্ড)
এখন ইহুদীদের সুদূর প্রসারী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বলতে হয়। বিশ্বব্যাপী ইহুদীবাদ যাতে করে নির্বিঘ বাকি অংশ পড়ুন...
মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ বিরোধী ইমামের পিছনে কোন নামাযই হবে না। তা পাঞ্জেগানা হোক কিংবা জুমুআ ও ঈদের নামায হোক।
সাধারণভাবে পাঁচওয়াক্ত ও জুমুআর নামায জামায়াতে পড়ার জন্য পুরুষরা মসজিদে গিয়ে পড়ে থাকেন। এক্ষেত্রে যিনি মসজিদের ইমাম থাকবেন উনার আক্বীদা ও আমল উভয়ই অবশ্যই শুদ্ধ হতে হবে। অর্থাৎ আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদায় বিশ্বাসী হতে হবে। আর সম্মানিত শরীয়ত ও সুন্নত মুবারক অনুযায়ী আমলের অনুসারী হতে হবে।
যে ব্যক্তির আক্বীদা আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের অনুযায়ী হবেনা, সে ঈমানদার নয়। অথচ ইমাম হওয়ার জন্য প্রথম শর্ত বাকি অংশ পড়ুন...












