হানাফী মাযহাব মতে, নামায একা পড়–ক অথবা জামায়াতে পড়–ক ইমাম-মুক্তাদী ও মুছল্লী সকলের জন্য সূরা ফাতিহা শরীফ পড়ার পর আমীন চুপে চুপে তথা অনুচ্চ আওয়াজে পড়তে হবে। কোন মাযহাবপন্থি লোকের জন্য মাযহাব বিরোধী তথা লা মাযহাবীদের অনুসরণ করা জায়িয নেই। আবার এক মাযহাবের অনুসারীর জন্য অন্য মাযহাবের অনুসরণ করাও জায়িয নেই। যে যে মাহাবের মুকাল্লিদ বা অনুসারী তাকে স্বীয় মাযহাব অনুযায়ীই প্রতিটি আমল করে যেতে হবে। এর বিপরীত করা নিষিদ্ধ ও গোমরাহী।
বাকি অংশ পড়ুন...
ইমামের সাথে মুক্তাদীর নামায আদায় করার নিয়ম
ইমামের সাথে মুক্তাদীর নামায আদায় করার ক্ষেত্রে কয়েকটি ছূরত রয়েছে।
(১) ইমামের সাথে সাথে রুকূ, সিজদা ইত্যাদি প্রতিটি রোকন আদায় করবে।
(২) ইমাম সাহেবের সাথে মুক্তাদী রুকূ, সিজদা ইত্যাদি রোকন আদায় করবে তবে সাথে সাথে শামিল না হয়ে কিছুক্ষণ দেরী করে শামিল হয়ে আদায় করবে। আর অবশ্যই মুক্তাদী প্রত্যেক রোকনেই ইমাম সাহেবের সাথে শামিল থাকবে।
(৩) মুক্তাদী-ইমাম সাহেবের আগে আগে রুকূ, সিজদা ইত্যাদি রোকন সমূহ আদায় করার জন্য রুকূ, সিজদাতে যাবে, তবে শর্ত হচ্ছে ইমাম সাহেব যখন রুকূ, সিজদা করতে যাবে তখন মুক্তাà বাকি অংশ পড়ুন...
“হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ক্বিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তি সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে, যে তার ইলিমের দ্বারা উপকৃত হয়নি।” (দারেমী শরীফ)
অতএব, যারা ইলিম অনুযায়ী আমল করবে না অর্থাৎ যারা জানে ছবি তোলা হারাম, তারপরও ছবি তোলে। যারা জানে গণতন্ত্র-হরতাল ইত্যাদি হারাম বা বিজাতীয় পন্থা, তারপরও তারা দ্বীন ইসলামের নামে গণতন্ত্র চর্চা করে। মূলতঃ উপরোক্ত হাদীছ শরীফের মিছদাক তারাই অর্থাৎ তারà বাকি অংশ পড়ুন...
(৩য় পর্ব)
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাঝে পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার যেমন অসংখ্য ফযীলত মুবারক বর্ণনা করা হয়েছে। ঠিক বাস্তবেও পবিত্র দুরূদ শরীফ উনার বিস্ময়কর অনেক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। নিম্নে সেখান থেকে কতিপয় ঘটনা বর্ণনা করা হলো-
(২) অনুরুপ আরো একটি ঘটনা:
উক্ত যুবক বললেন, হে হযরত সুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি! আপনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে উনার প্রকৃত পরিচয়ে চিনতে পারেন নি। তখন হযরত সুফিয়ান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, তাহলে আপনি কীভাবে উনাকে চিনেছেন? যুবক বললেন, আমি মহান আল্লাহ পাক উনাকে চিনেছি আমার ইচ্ছাশক্তি ও বাকি অংশ পড়ুন...
“মুগনী” কিতাবে উল্লেখ আছে- لَهْوَ الْحَدِيْثِ ‘লাহ্ওয়াল হাদীছ’ হচ্ছে- গান-বাজনা, সঙ্গীত। এ আয়াত শরীফ দ্বারা তা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। যে ব্যক্তি এটাকে হালাল জানবে সে কাফের হবে।
وَفِىْ جَامِعِ الْفَتَاوَى اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِى وَالْجُلُوْسُ عَلَيْهَا وَضَرْبُ الْمَزَامِيْرِ وَالرَّقْصُ كُلُّهَا حَرَامٌ وَمُسْتَحِلُّهَا كَاِفرٌ.
অর্থ: জামিউল ফতওয়াতে” উল্লেখ আছে, গান-বাজনা শ্রবন করা, গান-বাজনার মজলিসে বসা, বাদ্য-যন্ত্র বাজানো, নর্তন-কুর্দন করা সবই হারাম। যে ব্যক্তি এগুলোকে হালাল মনে করবে সে ব্যক্তি কাফের।
বাকি অংশ পড়ুন...
ইহুদীসংঘের কথিত মানবাধিকার কমিশন/পরিষদ (UNHRC) কোনো বিচার কাজ বা সামরিক অভিযান করে না:
* আর নিরাপত্তা পরিষদ চাইলে সামরিক বা অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিতে পারে (যেমন নিষেধাজ্ঞা, কথিত শান্তিরক্ষী পাঠানো ইত্যাদি অর্থাৎ পবিত্র দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধেই তারা এই সমস্ত কার্যক্রম করে)।
উদাহরণ ও প্রমাণ:
* দারফুর, রুয়ান্ডা, কসোভো, লিবিয়া, ও মিয়ানমারে মুসলমানদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনে জাতিসংঘ সেনা বা আন্তর্জাতিক আদালত ব্যবস্থা নেয়।
* কিন্তু কথিত মানবাধিকার পরিষদ প্রকাশ্যে শুধু প্রস্তাব দেয়, নিজে পদক্ষেপ নেয় না। তবে তারা সà বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...












