(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব:
উল্লেখ্য যে, ইসতিবরা করা আমভাবে ওয়াজিব। আর খাছভাবে এই ইসতিবরা করা কারো জন্য ফরয, কারো জন্য ওয়াজিব এবং কারো জন্য সুন্নত মুয়াক্কাদাহ্্। যা অবশ্যই করতে হবে।
“শরহে মুখতাছার খলীল” কিতাবের ১ম খ-ের ১৪৭ পৃষ্টায় উল্লেখ আছে-
إنَّمَا وَجَبَ الِاسْتِبْرَاءُ اتِّفَاقًا؛
অর্থ : সকল উলামায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের ঐক্যমতে ইসতিবরা করা ওয়াজিব।
“শরহে মুসলিম শরীফ” কিতাবে উল্লেখ আছে,
نجاسة البول ووجوب الاستبراء منه
অর্থ: ইমাম নববী রহমাতুল্লাহ্্ আলাইহি তিনি বলেন, ইসতিন্জা নাপাক (প্রস্রাব নাপাক) এবং ইসতিন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عُمَرَ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يـَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِاَمْرَأَةٍ اِلَّا ثَالِثُهَا الشَّيْطَانُ
অর্থ: “সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (মহান আল্লাহ পাক উনার কসম!) কোনো পুরুষ কোনো নারীর সাথে একাকী হলেই শয়তান এসে তাদের তৃতীয় ব্যক্তি হয়। অর্থাৎ তাদের উভয়কেই গুনাহের কাজে লিপ্ত করার জন্য ওয়াসওয়াসা দিতে থাকে।” নাউযুবিল্লাহ! (তিরমিযী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
সে যে বলতেছে-
فَإِنْ كَانَتْ اُمُّ الْمُؤْمِنِينَ الثَّالِثَةُ الصِّدِّيقَةُ عَلَيْهَا السَّلَامُ خَبِيثَةً، فَالنَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَبِيثٌ، فَهُوَ كَافِرٌ، فَاضْرِبُوا عُنُقَهُ، فَضَرَبُوا عُنُقَهُ وَأَنَا حَاضِرٌ.
তোমরা এটা কি বললে, কথাটা? এই লোকটা যে বলল, হযরত উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছালিছাহ হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি খ্বাবীসা। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! তাহলে বিপরীতটা কি হয়, সে একটা কাট্টা কাফির। তিনি উত্তেজিত হয়ে গেলেন এবং বললেন, সে একটা কাফির তার গরদান ফেলাও। চোখের পলকে তার গরদানটা ফেলে দেয়া হলো। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহ বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ اِخْتَارَ اَصْحَابِىْ عَلَى الثَّقَلَيْنِ سِوَى النَّبِيِّيْنَ وَالْمُرْسَلِيْنَ
অর্থ: হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শুধু হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতীত সমস্ত জিন-ইনসানের উপর, সমস্ত সৃষ্টির উপর শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنَّ اللهَ اِخْتَارَ اَصْحَابِىْ عَلَى الثَّقَلَيْنِ سِوَى النَّبِيِّيْنَ وَالْمُرْسَلِيْنَ
অর্থ: হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে শুধু হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা ব্যতীত সমস্ত জিন-ইনসানের উপর, সমস্ত সৃষ্টির উপর শ্ বাকি অংশ পড়ুন...
আমরা একটা ফতওয়া তৈরী করেছি সেখানে কয়েকটা ইবারত আসছে। একটা হচ্ছে-
قَالَ قَاضِي الْقُضَاةِ لِهَمْدَانِيّ
হামদানী থেকে কাদ্বিউল কুজাত তিনি বর্ণনা করেছেন।
كُنْتُ يَوْمًا بِحَضْرَةِ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ الدَّاعِي
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার ৬ষ্ঠ পুরুষ। উনার নামও হযরত হাসান ইবনে যায়িদ আদদায়ী আলাইহিস সালাম
بِطَبَرِسْتَانَ،
এখানে বলা হচ্ছে, সেই কাদ্বিউল কুজাত লিশ্ শাফিয়ী তিনি বর্ণনা করতেছেন, আমি একদিন ছিলাম। কোথায়? সেই ত্ববারিসতানের যিনি শাসক ছিলেন আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সদস্য ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَدَّ كَثِيْـرٌ مِّنْ أَهْلِ الْكِتَابِ لَوْ يَـرُدُّوْنَكُم مِّن بَـعْدِ إِيْمَانِكُمْ كُفَّارًا حَسَدًا مِّنْ عِنْدِ أَنْـفُسهِم مِّنْ بَـعْدِ مَا تَـبَـيَّنَ لَهُمُ الْحَقُّ
“আহলে কিতাবের (ইহুদী-খ্রিস্টানদের) অনেকেই অর্থাৎ সমস্ত কাফেরেরাই চায় যে, তোমরা ঈমান আনার পর আবার তোমাদেরকে কাফির বানিয়ে দিতে, নিজেদের অন্তরের হিংসার কারণে, তাদের কাছে সত্য স্পষ্ট হওয়ার পরেও।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা: আয়াত শরীফ ১০৯)
বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক পর্ব- ০৫)
চতুর্থ বর্ণনা:
হযরত আবূ নাঈম ইস্পাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘আত্ব ত্বিব্বুন নববী’ কিতাবে বর্ণনা করেন-
أخبرنا أحمد في كتابه حَدَّثَنا محمد بن جرير، حَدَّثَنا أحمد بن الحسن الترمذي، عَن موسى بن محمد النسائي، حَدَّثَنا دفاع بن دغفل السدوسي، عَن عَبد الحميد بن صيفي بن صهيب، عَن أبيه، عَن جَدِّه صهيب الخير رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صَلَّى الله عَليْهِ وَسلَّم عليكم بألبان البقر فإنها شفاء وسمنها دواء ولحومها داء
অর্থ: (আমাদের নিকট) আহমদ তিনি উনার কিতাবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, আমাদের নিকট মুহম্মদ ইবনে জারীর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদের নিকট আহমদ ইবনুল হাসান আত তিরমিযী তিনি মূসা ইবনে ম বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি প্রশ্নের জাওয়াব দিয়েছেন-
মহত্ত্ব কাকে বলে?
জবাব মুবারক: ঋণগ্রস্ত অবস্থায় দান খয়রাত করা এবং অপরাধীকে ক্ষমা করা। সুবহানাল্লাহ! বাকি অংশ পড়ুন...












