ঠিক একইভাবে বলা হয়েছে মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে কষ্ট দিলে। বলা হচ্ছে-
مَنْ آذٰى اَهْلَ بَيْتٍ فَكَأَنَّمَا آذَانِي، وَمَنْ آذَانِي فَقَدْ آذَى اللهَ
যে আমার মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে কষ্ট দিলো সে যেন আমাকে কষ্ট দিলো। যে আমাকে কষ্ট দিলো সে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে কষ্ট দিলো। নাউযুবিল্লাহ! এখানে বিষয়টা ঘুরিয়ে বলা হলো, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে কেউ যদি চু-চেরা কীল-কাল করে তাহলে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
أَذَانٌ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ إِلَى النَّاسِ يَوْمَ الْحَجِّ الْأَكْبَرِ أَنَّ اللَّهَ بَرِيءٌ مِنَ الْمُشْرِكِينَ وَرَسُولُهُ فَإِنْ تُبْتُمْ فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَإِنْ تَوَلَّيْتُمْ فَاعْلَمُوا أَنَّكُمْ غَيْرُ مُعْجِزِي اللَّهِ وَبَشِّرِ الَّذِينَ كَفَرُوا بِعَذَابٍ أَلِيمٍ
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে পবিত্র হজ্জে আকবার উনার দিনে সমস্ত মানুষের প্রতি ঘোষণা দেয়া হচ্ছে যে, মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাকি অংশ পড়ুন...
দ্বয়ীফ হলেই কি হাদীছ শরীফ গ্রহণ করা যাবে না?
দ্বয়ীফ হলেই কি হাদীছ শরীফ গ্রহণ করা হবে না? যারা এমন কথা বলে তাদের জেনে রাখা দরকার, ইমাম হযরত বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত কিতাব “আদাবুল মুফাররাদ” কিতাবে এমন অনেক হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন যার সনদ দ্বয়ীফ। বিখ্যাত হাদীছ শরীফ বিশারদ হযরত ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “তাকরীবুত তাহযীব” কিতাবে প্রায় ৫২ জন রাবীকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন যারা সকলেই “আদাবুল মুফাররাদ” কিতাবের রাবী। ইমাম হযরত বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যদি দ্বয়ীফ হাদীছ শরীফ নাই মানতেন বা গ্রহ বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
মহান আল্লাহ পাক তিনি বান্দার তওবাতে শুধু যে খুশি হন তাই নয় বরং তিনি তার পূর্বের গুনাহকে নেকীতে পরিপূর্ণ করে দেন। তবে যদি সে তাওবাতুন নাছূহা অর্থাৎ খালিছ তওবা করে থাকে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ آمَنُـوْا تُـوْبُـوْا إِلَى اللهِ تَـوْبَةً نَّصُوْحًا عَسٰى رَبُّكُمْ أَنْ يُكَفِّرَ عَنْكُمْ سَيِّاتِكُمْ وَ يُدْخِلْكُمْ جَنَّتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْـهَارُ يَـوْمَ لَا يُخزى اللهُ النَّبِيَّ وَالَّذِينَ آمَنُوا مَعَهُ ثَـوْرُهُمْ يَسْعَى بَيْنَ أَيْدِيْهِمْ وَ بِأَيْمَانِهِمْ يَقُوْلُوْنَ رَبَّنَا أَتْمِمْ لَنَا تَوْرَنَا وَاغْفِرْلَنَا إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَد বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا آبَاءَكُمْ وَإِخْوَانَكُمْ أَوْلِيَاءَ إِنِ اسْتَحَبُّوا الْكُفْرَ عَلَى الْإِيمَانِ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُم مِّنكُمْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ ﴿٢٣﴾
অর্থ: হে ঈমানদারগণ! আপনারা আপনাদের পিতা ও ভাইদেরকে বন্ধু-অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করবেন না, যদি তারা ঈমান আনার উপর কুফরীকে মুহব্বত করে বা প্রাধান্য দেয়। আর আপনাদের মধ্য থেকে যারা তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, তারাই জালিম সাব্যস্ত হবে। (পবিত্র সূরা তওবা: আয়াত শরীফ ২৩)
বাকি অংশ পড়ুন...
সারা বিশ্বে একদিনে রোযা ও ঈদ পালন করার দাবীদাররা বিভ্রান্ত :
সউদী আরবের আকাশে চাঁদ না দেখে যেমনি সম্মানিত হজ্জের সময় নির্ধারণ করা জায়িয নয়, তেমনি নিজস্ব উদয়স্থলে চাঁদ না দেখে সম্মানিত রোযা, ঈদ, অন্যান্য আমল পালন করাও জায়িয নয়। পৃথিবীর দুটি স্থানের সর্বোচ্চ সময়ের পার্থক্য ১২-১৪ ঘণ্টারও বেশি। সুতরাং কখনো এক দিনে পৃথিবীর সব দেশে রোযা ও ঈদ পালন করা সম্ভব নয়।
পৃথিবীর এমন অনেক স্থান আছে যেখানে সন্ধ্যা হলে অন্য স্থানে সকাল। আর আমরা জানি, সম্মানিত শরীয়ত উনার দিন শুরু হয় সন্ধ্যার পর থেকে। সুতরাং কোন স্থানের সন্ধ্যায় চাঁদ দেখে, যে স্থা বাকি অংশ পড়ুন...
সেটাই কিন্তু বলা হচ্ছে, এখানে যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ছলাত মুবারক পেশ করে যাচ্ছেন। এটা কিন্তু হযরত আবূ মাসউদ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ صَلّٰى صَلَاةً وَلَمْ يُصَلِّ فِيْهَا عَلَىَّ وَعَلٰى أَهْلِ بَيْتِيْ لَمْ تُقْبَلْ مِنْهُ.
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
مَنْ صَلّٰى صَلَاةً
কেউ যদি কোন নামায পড়ে দুই রাকায়াত, চার রাকায়াত, ছয় রাকায়াত, আট রাকায়াত, দশ রাক বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
هُوَ الْأَوَّلُ وَالْاٰخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ ۖ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيْمٌ
অর্থ: “তিনিই প্রথম, তিনিই শেষ, তিনিই প্রকাশ্য, তিনিই গোপন, তিনিই সবকিছু সম্বন্ধে জ্ঞাত।”
উদ্ধৃত পবিত্র সূরা হাদীদ শরীফ উনার ৩ নং পবিত্র আয়াত শরীফখানা মহান আল্লাহ পাক উনার সুমহান শান মুবারক প্রকাশার্থে নাযিল হয়েছে।
উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফখানা উনার হুবহু মিছদাক মহান আল্লাহ পাক উনার শ্রেষ্ঠতম ও মহাসম্মানিত রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও। সুবহানাল্লাহ!
যেমন এ প্রসঙ্গে হযরত ইবনে আ বাকি অংশ পড়ুন...
মালে তেজারত বা ব্যবসায়িক মালের যাকাত:
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
কোন ব্যবসায়ের আনুসঙ্গিক বিষয়ের উপর যাকাত দিতে হয় না : কেউ মুরগীর ফার্ম করলো। সেখানে সে ৫ লাখ টাকার মুরগী কিনলো। এই ৫ লাখ টাকা তার পুঁজি। এটার জন্যে কি খরচ করলো না করলো সেটা এখানে আসবে না। একটা ঘর বানালো। ঘরের তো যাকাত দিতে হবে না। যেই মালটা দিয়ে বেচা-কেনা বা ব্যবসা করবে সেটার যাকাত দিতে হবে। এখন মুরগীর ফার্ম করতে গিয়ে ১ কোটি টাকার ঘর বানালো সেটার যাকাত দিতে হবেনা। বিল্ডিং তো বিল্ডিংয়ের জায়গায় রয়ে গেছে। যদি বিল্ডিং বেচা কেনা করে তাহলে সেটার যাকাত দিতে হবে। এখানে পটুজি হচ বাকি অংশ পড়ুন...












