মহান আল্লাহ পাক তিনি শবে বরাতে এত অধিক রহমত বর্ষণ করেন, যার কারণে তিনি এমন তিনটি প্রসিদ্ধ গোত্রের মেষের পশমের সমপরিমাণ লোককে ক্ষমা করে থাকেন, যে গোত্রগুলির মেষের সংখ্যা কমপক্ষে ২০ হাজার। গোত্র তিনটি হলো-(১) বণী কাল্ব্,
(২) বণী রবী,
(৩) বণী মুদ্বার
বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَقَاتِلُوا الْمُشْرِكِينَ كَافَّةً كَمَا يُقَاتِلُونَكُمْ كَافَّةً وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ مَعَ الْمُتَّقِينَ.
অর্থ: “আর আপনারা মুশরিকদের সকলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে জিহাদ করুন, যেমনিভাবে তারা আপনাদের সকলের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে জিহাদ করে থাকে। আর জেনে রাখুন যে, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি মুত্তাক্বীদের সাথে রয়েছেন।” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা তাওবা: আয়াত শরীফ ৩৬)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ্্ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا اِنَّـمَا الْـخَمْرُ وَالْمَيْسِرُ وَالْأَنْصَابُ وَالْأَزْلاَمُ رِجْسٌ مِّنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ فَاجْتَنِبُوْهُ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ
অর্থ: হে মু’মিনগণ! নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, বেদী, মূর্তি পূজা (অর্থাৎ মূর্তি, প্রতিমা, ভাস্কর্য প্রাণীর ছবি ইত্যাদি।) ও ভাগ্য নির্ধারক তীরসমূহ ঘৃণ্য অপবিত্র বস্তু, শয়তানী কাজ। সুতরাং তোমরা এগুলো বর্জন করো, এতে তোমরা অবশ্যই সফলকাম হতে পারবে। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৯০)
অত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে اَلْأَنْصَابُ শব্দটি দ্বারা বাকি অংশ পড়ুন...
অর্থাৎ পবিত্র ওহী মুবারক করবো অর্থাৎ ক্ষমতা মুবারক প্রদান করবো যেন এদেরকে এখান থেকে বিতারিত করে দেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
إِلاَّ قَلِيلاً
অর্থাৎ তারা পবিত্র মদীনা শরীফে আর থাকতে পারবে না। অতিসত্বর তাদেরকে বের করে দেয়া হবে। শুধু বের করে দেয়া হবে না। বলা হচ্ছে, যারা এ কাজগুলি করবে অর্থাৎ মহিলাদেরকে যারা বিরক্ত করবে, করে, সেই মুনাফিকগুলি এবং যেই অন্তরে গালিজ আছে সেই গালিজযুক্ত লোকগুলি। এবং
وَالْمُرْجِفُونَ
অর্থাৎ যারা মিথ্যা অপবাদ রটনা করে, মিথ্যা কথা গুজব রটনা করে এই লোকগুলি যদি সাবধান না হয় তাহল বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামে পাক উনার অসংখ্য স্থানে “গান-বাজনা” নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। যেমন “সূরা লুকমান শরীফ” উনার ৬নং আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ
অর্থ: মানুষের মধ্যে কিছু লোক রয়েছে যারা لَهْوَ الْحَدِيثِ “লাহ্ওয়াল হাদীছ” খরীদ করে থাকে। যেন বিনা ইলিমে মানুষদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার পথ থেকে বিভ্রান্ত করে এবং উহাকে হাসি-ঠাট্টারূপে ব্যবহার করে। এদের জন্যে অপমানজনক শাস্তি রয়েছে।
অনুসরণীয় মুফাস্সিরীনে কিরাম রহমতু বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا ۚ إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ
অর্থ: হে মু’মিনগণ, তোমরা ঐসব পবিত্র-উত্তম বিষয়সমূহ হারাম করো না, যেগুলো মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য হালাল করেছেন এবং এ বিষয়ে সীমালঙ্গন করো না। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সীমালঙ্গনকারীদের পছন্দ করেন না। (পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
উল্লেখ্য আক্রমণকারী কুকুর সব জায়গায় ও সর্বাবস্থায় নিধন করা জায়েয:
১ম দলীল:
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ خَمْسٌ مِّنَ الدَّوَابِّ لَيْسَ عَلَى الْمُحْرِمِ فِىْ قَتْلِهِنَّ جُنَاحٌ اَلْغُرَابُ وَالْحِدَاَةُ وَالْعَقْرَبُ وَالْفَأْرَةُ وَالْكَلْبُ الْعَقُوْرُ
অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন) নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশ বাকি অংশ পড়ুন...
কি বলে দিবেন?
يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِنْ جَلابِيبِهِنَّ
উনাদেরকে একটা বড় চাদর। এখন যেমন বোরকা পরে মহিলারা, এটা সহজ হয়ে গেছে। তখন এরকম ছিলো না। বড় চাদর, চাদরটা কমপক্ষে ১২, ১৪ হাত লম্বা হবে আর চওড়া কমছে কম ৭, ৮ হাতের বেশি হবে। চাদরটা মাথায় দিলে যাতে ঝুলে পড়ে সামনের দিকে। ঝুলে পড়লে আর সরাসরি সামনে দেখা যাবে না, নিচে দেখা যাবে। পর্দার জন্য এটা সবচেয়ে উত্তম। সেটাই বলা হচ্ছে-
يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ
ঢেলে দেন, উপর থেকে নিচে যেন ফেলে দেয়া হয়।
مِنْ جَلابِيبِهِنَّ
বড় চাদর। উনাদেরকে বলেন উনারা একটা বড় চাদর মাথায় দিয়ে অর্থাৎ যখন প্রয়োজনে বের হবেন তখন একটা বড় চাদর শরীরে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...












