১৫৬৬ খৃষ্টাব্দে সুলতান প্রথম সুলাইমানের ইন্তিকালের পর তার পুত্র দ্বিতীয় সেলিম মসনদে বসেন। ফলে মিমার সিনান পাশার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে। পিতার মত সুলতান দ্বিতীয় সেলিমও চাইছিলেন আরেকটি স্মরণীয় স্থাপনা নির্মিত হোক। এ কাজের দায়িত্ব অবধারিতভাবে মিমার সিনান পাশার উপর ন্যস্ত হয়। তবে এটি নির্মিত হবে ইস্তাম্বুল থেকে ২০০ কিমি দূরের এডিরনে। মিমার সিনান পাশার বয়স তখন মধ্য সত্তর। এই প্রবীণ বয়সে এসেও তার কর্মস্পৃহা এতটুকু কমেনি। ১৫৬৯ খৃ: উনার প্রবল উৎসাহে ‘সেলিমিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স’ নির্মাণের কাজে হাত দেন এবং মনের মাধুরী মিশিয়ে বির বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
রাজধানীর গুলশানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা আবদুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান ওরফে রিয়াদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি এলাকা থেকে গুলশান থানা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।
গতকাল জুমুয়াবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
গত বছরের জুলাই মাসে গুলশানে সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ ট বাকি অংশ পড়ুন...
(৩২৫)
{صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمْتَ عَلَيْهِمْ} همُ الأنبياءُ وأهلُ طاعةِ الله تعالى. (تفسير القرآن العظيم المنسوب للإمام الطبراني سورة الفاتحة رقم الاية المجيد ۶ المؤلف: العلامة المفسر المحدث أبو القاسم سليمان بن أحمد بن أيوب بن مطير اللخمي الشامي الطبراني رحمة الله عليه)
অর্থ: (এমন পথ যে পথের পথিক উনাদেরকে আপনি নিয়ামত দিয়েছেন) উনারা হলেন হযরত আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম এবং মহান আল্লাহ তায়ালা উনার অনুগত ব্যক্তিত্ব অর্থাৎ ইমাম, মুজতাহিদ, ওলীআল্লাহ ও নেককার-পরহেযগার রহমতুল্লাহি আলাইহিম। (তাফসীরুল কুরআনিল আযীম আল মানছূব লিল ইমাম ত্ববারানী, সূরা ফাতিহা শরীফ: আয়াত শরীফ: ৬, লেখক আল্লামা মুফাসসির, মুহাদ্দিছ আবুল কাসি বাকি অংশ পড়ুন...
প্রখ্যাত উসমানীয় ইতিহাসবিদ মুস্তাফা আলী’র মতে, ‘সুলতান সুলাইমান শুধুমাত্র একজন বিখ্যাত শাসকই ছিলেন না, সমভাবে উনার ছিলেন একজন প্রখ্যাত নির্মাতা, যিনি মুসলিম বিশ্বের কিছু চিত্তাকর্ষক, শ্বাসরুদ্ধকর ও অনিন্দ্যসুন্দর স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে নিজের দীপ্ত চিহ্ন রাখতে দৃঢ়সংকল্পবদ্ধ ছিলেন’। তাই সুলতান ‘সুলাইমানিয়াহ মসজিদ কমপ্লেক্স’কে বিশ্বের সবচেয়ে নয়নমনোহর, অভিজাত ও মার্জিত ভবনগুলির মধ্যে একটি বানাতে চেয়েছিলেন। উনার এই মহান কর্মের শুরু থেকে শেষ অবধি কাজের পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে গভীর য বাকি অংশ পড়ুন...
মিমার সিনান পাশার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন:
সুলতান মুহম্মদ আল ফাতিহ ঐতিহাসিক কনস্ট্যান্টিনোপল বিজয়ের পর এর নামকরণ করা হয় ‘ইসলামবুল’ (পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার শহর)। যদিও এখন ইস্তাম্বুল নামেই শহরটি পরিচিত। তারপরে উসমানীয়রা মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে শ্বাসরুদ্ধকর কিছু স্থাপত্য নির্মাণ করে এই প্রাচীন শহরটির আকাশমন্ডলীকে নতুনভাবে সজ্জিত করার পরিকল্পনা করে। আর এর পুরোভাগে ছিলেন মিমার সিনান।
মিমার সিনান পাশার বর্ণিল স্থাপত্য জীবনকে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা, শিক্ষানবিশ কাল, যোগ্যতার স্তর এবং মাস্টারস্টেজ।
শিক্ষানবিশ কাল: বাকি অংশ পড়ুন...
(২য় পর্ব)
কর্মজীবন:
শারীরিকভাবে শক্তিশালী, প্রখর বুদ্ধিমত্তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য অতি অল্প সময়েই তিনি উসমানীয় বাহিনীতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরী করতে সক্ষম হন। সূক্ষ যন্ত্রচালনা, যুদ্ধ ও সৈন্য পরিচালনায় অসাধারণ দক্ষতা, এবং অস্ত্র-শস্ত্রের নিপুণ কারিগর হিসেবে উনার সেনাবাহিনীতে নিজেকে অপরিহার্য করে তুললেন। সুলতান সেলিম প্রথম এর সাম্রাজ্য কালেই উনার প্রায় ১৫০টির অধিক নৌ যুদ্ধযান তৈরী করেছিলেন যার সাহায্যে উসমানীয়রা তার বহিঃশত্রুর বিপক্ষে নিজেদের শ্রেষ্ঠতর বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। ১৫২০ খৃ: সুলতান সেলি বাকি অংশ পড়ুন...
স্বর্ণযুগে মুসলমানগণ শুধুমাত্র বিজ্ঞান, গণিতশাস্ত্র, দ্বীনশাস্ত্র, ইত্যাদি ক্ষেত্রেই মুন্সিয়ানা দেখাননি বরং শিল্প ও স্থাপত্যকলার উন্নয়ন সাধনেও ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন। বস্তুত সে সময়ে আব্দুল মালিক ইবনে মারওয়ান, ৩য় আব্দুর রহমান, সুলতান সুলাইমান ‘দ্য মাগনিফিসিয়েন্ট’ এবং শাসক শাহজাহানের মত প্রভাবশীল মুসলিম শাসকগণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় দুনিয়ার বুকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু স্থাপনা নির্মিত হয়েছিলো।
ফিলিস্তিনে বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ করা সৌন্দর্যের প্রতীক পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ এবং কুব্বাত আল-সাখরা; গ্রানাডার বিস্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবস মুবারকগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিন কায়িনাতবাসীকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।” (প বাকি অংশ পড়ুন...
(২৯৮)
وَدَاوُودَ وَسُلَيْمَانَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِي الْحَرْثِ إِذْ نَفَشَتْ فِيهِ غَنَمُ الْقَوْمِ وَكُنَّا لِحُكْمِهِمْ شَاهِدِينَ. فَفَهَّمْنَاهَا سُلَيْمَانَ وَكُلًّا آتَيْنَا حُكْمًا وَّعِلْمًا وَّسَخَّرْنَا مَعَ دَاوُودَ الْجِبَالَ يُسَبِّحْنَ وَالطَّيْرَ وَكُنَّا فَاعِلِينَ.
অর্থ: হযরত দাঊদ আলাইহিস সালাম ও হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনাদের কথা স্মরণ করুন! যখন উনারা শস্য ক্ষেত নিয়ে হুকুম করছিলেন। যে সময় তাতে একদল ছাগলের পাল রাতের বেলা ঢুকেছিলো। আমি উনাদের হুকুমের সাক্ষী ছিলাম। অনন্তর আমি হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনাকে তা (উক্ত ব্যবস্থা) বুঝিয়ে দিয়েছিলাম। আমি প্রত্যেককে হিকমত ও ইলিম দান করেছিল বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের চার জনকে তারা বাদ দিয়ে বলে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! যে, উনাদের পরে কাউকে গ্রহণ করা জায়িয নেই। নাউযুবিল্লাহ! আসলে এখানে শর্ত দেয়া হয়েছে। এই শর্তটা না বুঝার কারণে তারা চু-চেরা, কীল-কাল করে নিজেরা গোমরাহ হচ্ছে এবং মানুষদেরকে গোমরাহ করতেছে। অর্থাৎ এখানে বলা হচ্ছে, আগেই এ শর্তগুলো বলে দেয়া হয়েছে, যে সমস্ত মহিলা উনারা মু’মিনাহ এবং যারা হিজরত মুবারক করেছেন এই ধরনের মহিলা ছাড়া আর কাউকে আর আপনি গ্রহণ করবেন না, এটা আপনার শান-মানের খিলাফ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্ল বাকি অংশ পড়ুন...
এরপর যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন-
سُنَّةَ اللهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِن قَبْلُ
“এটা তো নতুন নয়, অতীতে যারা হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা অতীত হয়েছেন, উনাদের ব্যাপারেও যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার যে হুকুম-আহকাম, তর্জ-তরীক্বা মুবারক সেটা এভাবেই ছিল।” সুবহানাল্লাহ!
এখানে একাধিক বিষয়। একটা হচ্ছে, পালক ছেলে উনার আহলিয়াকে গ্রহণ করা। আরেকটা হচ্ছে, যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে তিনি ভয় করেন অন্য কাউকে ভয় করেন না। আরেকটা হচ্ছে, একাধিক হযরত উম্মাহাতু বাকি অংশ পড়ুন...












