ফতওয়া
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪১)
, ২৯ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২১ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ০৫ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ফতওয়া বিভাগ
(২৯৮)
وَدَاوُودَ وَسُلَيْمَانَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِي الْحَرْثِ إِذْ نَفَشَتْ فِيهِ غَنَمُ الْقَوْمِ وَكُنَّا لِحُكْمِهِمْ شَاهِدِينَ. فَفَهَّمْنَاهَا سُلَيْمَانَ وَكُلًّا آتَيْنَا حُكْمًا وَّعِلْمًا وَّسَخَّرْنَا مَعَ دَاوُودَ الْجِبَالَ يُسَبِّحْنَ وَالطَّيْرَ وَكُنَّا فَاعِلِينَ.
অর্থ: হযরত দাঊদ আলাইহিস সালাম ও হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনাদের কথা স্মরণ করুন! যখন উনারা শস্য ক্ষেত নিয়ে হুকুম করছিলেন। যে সময় তাতে একদল ছাগলের পাল রাতের বেলা ঢুকেছিলো। আমি উনাদের হুকুমের সাক্ষী ছিলাম। অনন্তর আমি হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনাকে তা (উক্ত ব্যবস্থা) বুঝিয়ে দিয়েছিলাম। আমি প্রত্যেককে হিকমত ও ইলিম দান করেছিলাম। আমি পাহাড়-পর্বত ও পাখিদেরকে হযরত দাঊদ আলাইহিস সালাম উনার অনুগত করে দিয়েছিলাম, উনারা আমার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করতেন। এ সমস্ত আমিই করেছিলাম। (পবিত্র সূরা আম্বিয়া শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৭৮-৭৯)
(২৯৯)
اَلرَّحْمٰنُ فَاسْأَلْ بِهٖ خَبِيرًا.
অর্থ: তিনিই রহমান। উনার সম্পর্কে যিনি অবগত, উনাকেই জিজ্ঞাসা করুন। (পবিত্র সূরা ফুরকান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৯)
(৩০০)
وَالَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
অর্থ: যাঁরা বলেন, আয় আমাদের রব তায়ালা! আমাদের আহলিয়া বা স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানদের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাক্বী উনাদের ইমাম বানিয়ে দিন। (পবিত্র সূরা ফুরকান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৯)
(৩০১)
وَالَّذِينَ جَاهَدُوا فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ اللهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِينَ.
অর্থ: যাঁরা আমার পথে (আমাকে পাওয়ার জন্য) কোশেশে আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই উনাদেরকে আমাকে পাওয়ার পথসমূহ প্রদর্শন করি। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি মুহসিনীন তথা নেককার উনাদের সাথে রয়েছেন। (পবিত্র সূরা আনকাবুত শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৬৯)
(৩০২)
وَمِنَ النَّاسِ وَالدَّوَابِّ وَالْأَنْعَامِ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ كَذَلِكَ إِنَّمَا يَخْشَى اللهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ إِنَّ اللهَ عَزِيزٌ غَفُورٌ.
অর্থ: অনুরূপভাবে বিভিন্ন বর্ণের মানুষ, জন্তু ও চতুষ্পদ প্রাণী রয়েছে। তবে নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা উনার বান্দাদের মধ্যে আলিম উনারাই মহান আল্লাহ তায়ালা উনাকে ভয় করেন। নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা তিনি পরাক্রমশীল ও ক্ষমাশীল। (পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮)
(৩০৩)
أَفَلَا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ أَمْ عَلَى قُلُوبٍ أَقْفَالُهَا.
অর্থ: তারা কি পবিত্র কুরআন মাজীদ নিয়ে গভীর চিন্তা করে না! নাকি তাদের অন্তর তালাবদ্ধ? (পবিত্র সূরা মুহম্মদ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৪)
(৩০৪)
فَاعْتَبِرُوا يَا أُولِي الْأَبْصَارِ.
অর্থ: অতএব, হে চক্ষুষ্মান (জ্ঞানী) ব্যক্তিগণ আপনারা গবেষণা (ইজতিহাদ, কিয়াস) করুন। (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ০২)
(৩০৫)
تَكَادُ تَمَيَّزُ مِنَ الْغَيْظِ كُلَّمَا أُلْقِيَ فِيهَا فَوْجٌ سَأَلَهُمْ خَزَنَتُهَا أَلَمْ يَأْتِكُمْ نَذِيرٌ. قَالُوا بَلَى قَدْ جَاءَنَا نَذِيرٌ فَكَذَّبْنَا وَقُلْنَا مَا نَزَّلَ اللهُ مِنْ شَيْءٍ إِنْ أَنْتُمْ إِلَّا فِي ضَلَالٍ كَبِيرٍ. وَقَالُوا لَوْ كُنَّا نَسْمَعُ أَوْ نَعْقِلُ مَا كُنَّا فِي أَصْحَابِ السَّعِيرِ.
অর্থ: রাগে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তাদেরকে জাহান্নামের রক্ষক ফেরেশ্তারা জিজ্ঞাসা করবেন, তোমাদের কাছে কি কোন ভীতি প্রদর্শনকারী আসেননি?
জাওয়াবে তারা বলবে: হ্যাঁ, আমাদের কাছে ভীতি প্রদর্শনকারী এসেছিলেন। কিন্তু আমরা উনাদেরকে মিথ্যা মনে করেছিলাম এবং বলেছিলাম, ‘মহান আল্লাহ তায়ালা কোন কিছুই নাযিল করেননি, বরং আপনারা তো মহা গোমরাহীতে পড়ে রয়েছেন।’ নাঊযুবিল্লাহ!
তারা (জাহান্নামীরা) আরো বলবে, যদি আমরা শুনতাম (মেনে চলতাম) অথবা আকল খাটাতাম, তবে আমরা জাহান্নামবাসীদের অন্তর্ভুক্ত হতাম না। (পবিত্র সূরা মুলক শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮-১০)
(মাসিক আল বাইয়্যিনাত থেকে সংকলিত।) (চলবে)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৯)
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৯)
২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৮)
১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৭)
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ইসলামী শরীয়তের আলোকে কুকুর নিধন (৬)
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৬)
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৫)
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৪)
০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪৩)
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইসলামী শরীয়তের আলোকে কুকুর নিধন (৩)
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে- চার মাযহাবের যে কোন একটি মাযহাব মানা ও অনুসরণ করা ফরয (৪২)
২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ইসলামী শরীয়তের আলোকে কুকুর নিধন (২)
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার)












