সম্পাদকীয়-১
আজ সুমহান ও বরকতময় ১লা শা’বান শরীফ! দ্বিতীয় হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, সম্মানিত হানাফী মাযহাব উনার ইমাম, ইমামে আ’যম হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
গোটা উম্মাহ ও মুসলিম বিশ্বের প্রত্যেক সরকারের উচিত- যথাযথ ভাবমর্যাদা ও ভাবধারার সাথে এ দিবস মুবারক পালন করা।
, ০২ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ২৪ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ০৮ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) সম্পাদকীয়
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবস মুবারকগুলোকে স্মরণ করিয়ে দিন কায়িনাতবাসীকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোযার বান্দা-বান্দীদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।” (পবিত্র সূরা ইবরাহীম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৫)
ইমামে আ’যম ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পূর্ণ নাম ‘আবূ হানীফা নু’মান ইবনে সাবিত ইবনে যূতি। উনার পৌত্র ইসমাঈল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বংশ বর্ণনায় বলেন, আমি ইসমাঈল ইবনে হাম্মাদ ইবনে নুমান ইবনে সাবিত ইবনে নুমান ইবনে মারযুবান। আমরা পারস্য বংশোদ্ভূত এবং কখনো দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ হইনি। আমার মুহতারাম দাদা (ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি) তিনি ৮০ হিজরীতে বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পিতা হযরত সাবিত রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি শৈশবকালে ইমামুল আউওয়াল হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার নিকট উপস্থিত হন এবং উনার ও উনার বংশের মঙ্গলের জন্য দুআ’ চেয়েছিলেন। সেই মহান দোয়ার বদৌলতেই ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বিকশিত হয়েছিলেন। ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৮০ হিজরীতে বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা ১১০ হিজরী পর্যন্ত যমীনে ছিলেন। কাজেই ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জন্য হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের সাথে সাক্ষাৎ করা ও তা’লীম নেয়া সহজ এবং সম্ভব ছিলো।
উস্তাদদের জীবদ্দশাতেই ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রসিদ্ধি ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষত ফিকহে উনার প্রধান উস্তাদ প্রসিদ্ধ তাবিয়ী হাম্মাদ ইবন আবী সুলাইমান রহমতুল্লাহি আলাইহি (১২০ হিজরী) উনার বিছাল শরীফের পর তিনি উনার স্থলাভিষিক্ত হন এবং কূফার শ্রেষ্ঠ ফকীহ হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। পরবর্তী ৩০ বৎসর তিনি গবেষণা ও তা’লীম-তরবিয়ত দানে মশগুল ছিলেন।
(২)
উনার অন্যতম গুণ ছিলো সহিষ্ণুতা ও বদান্যতা। ব্যবসার মাধ্যমে উনার হাতে প্রচুর অর্থ আসতো। যদিও তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরহেজগার এবং যৎসামান্য লাভে ব্যবসায়িক লেনদেন করতেন। উনার সম্পদের বেশীরভাগ অংশ তিনি আলেম-ওলামা ও মুহাদ্দিসগণ উনাদের জন্য ব্যয় করতেন। উনার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার অনুগ্রহের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি এ দান করতেন।
হযরত ফুযাইল ইবনে আয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার সম্পর্কে বলেন, “ইমামে আ’যম, আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন একজন বিজ্ঞ লোক, ফিকহ শাস্ত্রে নামকরা আলেম, অঢেল সম্পদের মালিক। উনার কাছে কোন উদ্দেশ্যে আগমন করা কাউকে কিছু না-দিয়ে তিনি বিদায় করতেন না। তিনি অত্যন্ত ধৈর্য্যরে সাথে রাত-দিন ইলম অর্জনে মশগুল থাকতেন। তিনি ছিলেন রাতগুজার, অল্পভাষী, অতি নীরব। কিন্তু হালাল-হারামের সাথে সম্পৃক্ত কোনো মাসয়ালা উত্থাপিত হলে তিনি মুখ খুলতেন এবং সঠিক মতের পক্ষে সুন্দরভাবে দলীল পেশ করতেন। রাজা-বাদশাহ্র সম্পদ থেকে তিনি দূরত্ব বজায় রেখে চলতেন।
তখন ইমাম আবূ ইউসুফ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার সম্পর্কে বলেন, “সম্মানিত ইসলামবিরোধী সকল কিছুকে প্রতিরোধের ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন আপোষহীন। তিনি অত্যন্ত পরহেযগার ও আল্লাহভীরু ছিলেন। দ্বীনের বিষয়ে না জেনে তিনি কিছুই বলতেন না। তিনি চাইতেন যে, মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করা হোক এবং কোনভাবেই অবাধ্যতা প্রকাশ না হোক। তিনি উনার যুগের দুনিয়ামুখি মানুষদেরকে পরিহার করে চলতেন। জাগতিক সম্মান-মর্যাদা নিয়ে তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করতেন না। গভীর জ্ঞানের অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি অধিকাংশ সময় নীরব থাকতেন এবং চিন্তা-গবেষণায় রত থাকতেন। বেশি কথা বলা বা বাজে কথা বলার কোনো স্বভাব উনার ছিলো না। কোনো মাসআলা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি হাদীছ শরীফের ভিত্তিতে জবাব দিতেন। সে বিষয়ে কোনো শ্রুতি না থাকলে সঠিক কিয়াসের মাধ্যমে উত্তর দিতেন ও তা অনুসরণ করতেন। উনার জ্ঞান ও সম্পদ তিনি অকাতরে খরচ করতেন। তিনি সকল মানুষের থেকে নিজেকে অমুখাপেক্ষী রাখতেন। কোনো লোভ উনাকে স্পর্শ করতো না। তিনি গীবত বা পরচর্চা থেকে দূরে থাকতেন।
(৩)
উনার আপোষহীনতার সবচেয়ে বড় নিদর্শন ছিলো রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও ক্ষমতা গ্রহণে অস্বীকৃতি। শত চাপাচাপি ও নির্যাতন সত্ত্বেও তিনি এ সকল দায়িত্ব গ্রহণ করেননি। কারণ তিনি কারো মুখের দিকে তাকিয়ে বিচার করতে বা অন্যায় বিচারের দায়ভার নিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার দরবার শরীফে হাযির হতে রাজী ছিলেন না। রাবী ইবনু আসিম বলেন, উমাইয়া সরকারের গভর্নর ইয়াযিদ ইবনু উমর ইবনু হুবাইরার (১৩২ হিজরী) নির্দেশে আমি ইমামে আ’যম, আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে গভর্নরের কার্যালয়ে নিয়ে আসি। গভর্নর উনাকে বাইতুল মালের দায়িত্ব গ্রহণ করতে নির্দেশ প্রদান করে। কিন্তু তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। একারণে গভর্নর ইবনু হুবাইরা ইমামে আ’যম, আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে ২০টি বেত্রাঘাত করে। নাঊযুবিল্লাহ! ইবনে হুবাইরা উনাকে বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণের অনুরোধ করলে তিনি তাও প্রত্যাখ্যান করেন।
এ ঘটনা ঘটে ১৩০ হিজরীর দিকে, যখন উনার বয়স মুবারক প্রায় ৫০ বৎসর। আব্বাসী খিলাফত প্রতিষ্ঠার পর দ্বিতীয় আব্বাসী খলীফা মানসূর ১৫০ হিজরীতে ইমামে আ’যম, আবু হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বাগদাদে ডেকে বিচারকের দায়িত্ব নিতে অনুরোধ করে। তিনি অস্বীকার করলে গোস্সা করে খলীফা তাকে কারারুদ্ধ করে এবং কারাগারেই উনার বিছাল শরীফ হয়।
ইমামে আ’যম, হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিলো হৃদয়ের প্রশস্ততা। তিনি বলতেন: “আয় মহান আল্লাহ পাক! আমাদের বিষয়ে যার অন্তর সংকীর্ণ হয়েছে, তার বিষয়ে আমাদের অন্তর প্রশস্ত হয়েছে।”
(৪)
যে কোন সমস্যার সমাধানের ক্ষেত্রে হযরত ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অনুসৃত নীতি ছিলো, প্রথমে পবিত্র কুরআন শরীফের শরণাপন্ন হওয়া। পবিত্র কুরআন শরীফের পর হাদীছ শরীফের সিদ্ধান্ত নেয়া। হাদীছ শরীফে খুঁজে না পাওয়া গেলে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের গৃহীত নীতির উপর গুরুত্ব দেওয়া। উপরোক্ত তিনটি উৎসের মধ্যে সরাসরি সমাধান পাওয়া না গেলে তিনটি উৎসের আলোকে বিচার-বুদ্ধির (কিয়াসের) প্রয়োগ করা। উনার সুস্পষ্ট বক্তব্য ছিলো, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সিদ্ধান্ত মুবারক অর্থাৎ পবিত্র হাদীছ শরীফের সিদ্ধান্ত অথবা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অভিমতের সাথে যদি আমার কোন বক্তব্যকে সাংঘর্ষিক মনে হয়, তবে আমার বক্তব্য অবশ্যই পরিত্যাজ্য হবে। পবিত্র হাদীছ শরীফ এবং আছারে ছাহাবা দ্বারা যা প্রমাণিত সেটাই আমার মাযহাব।” (তাফসীরে মাযহারী, খায়রাতুল-হেসান)
হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হারামাইন শরীফে কাশফ যুগে যে সব তথ্য অবগত হয়েছেন, সে সবের আলোকে লিখেছেন- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাকে অবগত করেছেন যে হানাফী মাযহাব একটি সর্বোত্তম তরীকা। (ফুযুলুল-হারামাইন)
(৫)
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ইমামে আ’যম ইমাম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ১৫০ হিজরী সনের পবিত্র ‘১লা শা’বান শরীফ’ পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন; উনার পবিত্র জানাযায় বহু লোক অংশ গ্রহন করেছিলেন। উনার পবিত্র মাযার শরীফ কুফায় অবস্থিত। সুবহানাল্লাহ!
এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার মহাপবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ ও দোয়া-মুনাজাত করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিলসমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার মহাপবিত্র জীবনী মুবারক সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। আমীন!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
তুরস্ক বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রতিরক্ষা পণ্য উৎপাদনকারী দেশ। তুরস্কের সামরিক বাহিনী বেশ আধুনিক, ফলে দেশটি থেকে প্রশিক্ষণ পাওয়া এবং সমরাস্ত্র কেনা---দু'দিক থেকেই লাভবান হতে পারে বাংলাদেশ।
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
দেশকে বাঁচানোর দেশকে আগানোর কারিগর রেমিটেন্স যোদ্ধাদের- “অতিরিক্ত ব্যায়, সুরক্ষার অভাব সহযোগিতার অভাব” এসব অভিযোগ আর কত শুনতে হবে? অকৃতজ্ঞ সরকার কৃতঘœ তকমাই পছন্দ করবে?
১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রসঙ্গঃ স্বদেশের প্রতি মুহব্বত দাবিদার মুসলমান এবং স্বদেশের প্রতি আঘাত।
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাজারে ভয়ংকর ঘন চিনি মিথ্যা ঘোষণায় আসছে আমদানি নিষিদ্ধ ঘন চিনি পুরুষত্বহানি, মূত্রাশয়ে ক্যান্সারের তথা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর এই ঘন চিনি বন্ধে সরকারকে এখনি জিহাদ ঘোষণা করতে হবে
১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
জাতিসংঘ ঘোষিত সার্বজনীন মানবাধিকার আসলে পশু প্রবৃত্তি চরিতার্থের অধিকার। জাতিসংঘ মানবাধিকার সনদ এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘ কমিশনের কার্যালয় দুটোই চরম ঘৃণা ও ধিক্কারের সাথে পরিত্যাজ্য ও প্রত্যাখান যোগ্য। এদের প্রতিহত করা ঈমানী দায়িত্ব। জিহাদী কর্তব্য। যে জিহাদে গাজী হওয়ার বিকল্প নেই- ইনশাআল্লাহ।
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
দেশে সাড়ে ৩ কোটি শুধু শিশুই সিসার বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত এবং সব প্রাপ্ত বয়স্করাও ক্ষতিগ্রস্ত সিসার ক্ষতি থেকে বাঁচতে সুন্নতী তৈজসপত্র ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্রের জিনিস ক্রয়ে নিবেদিত হতে হবে ইনশাআল্লাহ
১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ব্যাপকভাবে বাড়ছে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি ও হয়রানী জান-মাল এবং সম্মান হিফাজতে সরকারকে এখনি পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। ইনশাআল্লাহ!
১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দৈনন্দিন ৩২ বার পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠ করলেও মুসলমান কি পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ শুধু পাঠের মধ্যেই আবদ্ধ থাকবে? ফিকির আর আমল কী অধরাই থাকবে?
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
দেশের ফসলী জমিতে কমছে জৈবসারের ব্যবহার, বাড়ছে রাসায়নিক সার। সরকারের উচিত আইন করে জৈবসার ব্যবহার ও জৈবসারের জন্য প্রয়োজনীয় ভর্তুকি-প্রণোদনা প্রদান করা।
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অন্যসব কিছুর চেয়ে গ্রন্থাগারের বিস্তার ও মান উন্নয়নে স্মার্টলি কাজ করতে হবে ইনশাআল্লাহ
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
শিশু কিশোরদের মাঝে ডায়াবেটিসের প্রকোপ ভয়াবহ এবং মারাত্মক ঝুকিপূর্ণভাবে বাড়ছে। শিশু-কিশোরদের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ও প্রতিরোধে জরুরীভাবে নজর দেয়া উচিত ইনশাআল্লাহ।
০৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












