আল ইহসান ডেস্ক:
২০১১ সালে মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর লিবিয়ায় চরম অস্থিতিশীল পরিস্থিতি। সে সময় একজন অজানা ব্যক্তি বেনগাজিতে এসে বসতি স্থাপন করে। তার নাম “আবু হাফস”।
সে কুরআনে হাফেজ, হাজার হাজার হাদীছ শরীফ মুখস্ত জানা এবং সুন্দর আরবী উচ্চারণের মাধ্যমে স্থানীয়দের মধ্যে ধার্মিকতার খ্যাতি অর্জন করে। গাদ্দাফি-পরবর্তী বিশৃঙ্খল পরিবেশে সে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে ভালো ও মিষ্টি কথা বলে, সাথে পরোপকারী আচরণ।
পরে সে বেনগাজির একটি বড় মসজিদের ইমাম ও খতীব হয়, এমনকি মুফতী হিসেবেও ফতোয়া দিতে শুরু করে। ব্যক্তিগত ও সামাজিক বিষয়ে সে কুর বাকি অংশ পড়ুন...
নেপালও একসময় মুসলিম শাসনের অধীনেই ছিলো। আর এ বিজয়টি করেছিলো সুলতানে বাঙ্গালাহ এবং স্বাধীন বাংলার নির্মাতা শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ বাঙ্গালাহ্। পূর্বে কেউই সম্পূর্ণ নেপাল বিজয় করতে পারেনি। এর কারণ ছিলো- প্রতিকূল আবহাওয়া এবং হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়া।
নেপালের ক্ষমতায় তখন মল্ল শাসকরা। নেপালের বিস্তৃতি তখন বর্তমান ভারতের উত্তরাখন্ড প্রদেশেও ছিলো। দ্বাদশ শতকে মল্ল শাসকরা ত্রিহুতও শাসন করতো। ত্রিহুতে নেপালি মল্ল শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন গৌড়ের সুলতান গিয়াস উদ্দীন ইয়াজ শাহ খিলজী।
১৩৫০ খ্রি:। গৌড়ের সুলতান শামসউদ্দিন ইলি বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, কোনো মুসলমান মনগড়া কোনো আমল করতে পারবে না। তার মাথার তালু থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত, হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত তাকে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ ۖ وَمَنْ كَانَ مَرِيْضًا أَوْ عَلٰى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِّنْ اَيَّامٍ اُخَرَ ۗ يُرِيْدُ اللهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيْدُ بِكُمُ الْعُسْرَ وَلِتُكْمِلُوا الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا اللهَ عَلٰى مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُوْنَ.
অর্থ: “তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রমাদ্বান শরীফ মাস পাবে তাকে অবশ্যই এ মাসে রোযা রাখতে হবে। আর কেউ অসুস্থ হলে অথবা মুসাফির হলে সে অন্য সময়ে (রোযা রেখে) গণনা পূরণ করে নিবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের জন্য সহজটা চেয়ে থাকেন, তিনি তোমাদের জন্য কঠিনটা চান না- যাতে তোমরা গণনা পূরণ করতে পারো। এবং তি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুাবরক করেন-
قُل لاَّ أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا
“ইয়া হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমাদের কাছে বিনিময় চাওয়া হচ্ছেনা, কখনও স্বাভাবিক না, সম্ভবও না। আর তোমরা দিতেও পারবে না, দেয়ার নিয়ত করলে কুফরী হবে। তোমাদের কামিয়াবী হাছিল করতে হবে। কিভাবে করবে?
إِلاَّ الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبٰى
আমার মহাসম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মহব্বত মুবারক করার মাধ্যম দিয়ে তোমরা কামিয়াবী হাছিল করবে।” সুবহানাল্লাহ!
মহাসম্মানিত মহাপব বাকি অংশ পড়ুন...
(দ্বিতীয় ভাগ)
মওযূ হাদীছ ও তার খন্ডনমূলক জবাব:
নিম্নে উক্ত মওযূ হাদীছ বর্ণনাকারী নদ্বর ইবনে আব্দুর রহমান আবূ উমর খায্যাযের সম্পর্কে হযরত ইমাম-মুজতাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের অভিমত তুলে ধরা হলো-
হযরত ইমাম আবূ দাঊদ সিজিস্তানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অভিমত:
হযরত ইমাম আবূ বকর মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ আল আর্জুরী আল বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৩৬০ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
سَاَلْتُ حَضْرَتْ اَبَا دَاوٗدَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ نَّضْرٍ اَلْخَزَّازِ قَالَ لَا يُرْوٰى عَنْهُ اَحَادِيْثُهٗ بَوَاطِيْلُ قَاَل وَقَالَ لِىْ حَضْرَتْ عُثْمَانُ بْنُ اِبِىْ شَيْ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যমীনে হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরে যে সকল হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরকে মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার খা বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত শায়েখ শাহ আলী ছতরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি চতুর্দশ শতকে এদেশে ইসলাম প্রচারের জন্য আসেন বলে অনুমিত হয়। ইসলাম প্রচারের জন্য তিনি সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন। হযরত শায়েখ শাহ আলী ছতরী রহমতুল্লাহি আলাইহি কামালিয়াত ও ত্যাগী জীবনযাত্রায় আকৃষ্ট হয়ে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ তার কাছে মুরিদ হয়েছিলেন বলে অনেক ঐতিহাসিক দলিল পেশ করেছেন।
হযরত শাহ কলিমুল্লাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি: মসজিদের দক্ষিণ পাশে প্রাচীনকালের ছোট ছোট ইটে বাঁধানো দুটো কবর রয়েছে। একটি হযরত শাহ কলিমুল্লাহর রহমতুল্লাহি আলাইহির কবর, অ বাকি অংশ পড়ুন...
বলা হয়; গাউসুল আ’যম, হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কারামত মুবারক এতবেশী ছিলো, যা লিখা ও বর্ণনার বাইরে। যার মধ্যে মিথ্যা ও বানোয়াঁটির লেশ মাত্র নেই। কেননা উনার পুরো অস্তিত্বটাই ছিলো কারামতের সাথে সম্পৃক্ত। উনার কারামত মুবারক সম্পর্কে এ ধরণের বর্ণনা আছে যে, তিনি বিলাদত শরীফের পর পবিত্র রমাদ্বান শরীফে দিনের বেলায় উনার আম্মাজান উনার দুধ মুবারক পান করতেন না। যার দরুণ মানুষের নিকট এই বিস্ময়কর ঘটনা এরকম মশহুর হয়ে গেছে যে, ওমুক সম্ভ্রান্ত পরিবারে এমন এক ভাগ্যবান শিশু জন্ম গ্রহণ করেছেন, যিনি নাকি পবিত্র রমাদ্বান শরীফে দি বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই যারা ঈমান এনেছে এবং আমলে ছলেহ বা নেক কাজ করেছে তাদের জন্যই জান্নাতে মেহমানদারীর ব্য বাকি অংশ পড়ুন...
‘শাজরা’ ও ‘সিলসিলা’ দুটি শব্দই আরবী। এর আভিধানিক অর্থ যথাক্রমে বৃক্ষ (গাছ) ও শিকল। আর ইসলামী পরিভাষায় এর অর্থ মাশায়িখে তরীক্বত উনাদের মুবারক নামসমূহের তরতীব; যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
একজন মুরীদের জন্য তার মুর্শিদ ক্বিবলা উনার “শাজরা শরীফ বা সিলসিলা” সম্বন্ধে অবগত হওয়া অবশ্য কর্তব্য।
মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হযরত কারামত আলী জৌনপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘মুরাদুল মুরীদীন’ কিতাবে এ প্রসঙ্গে লিখেছেন, “যে ব্যক্তি মুরীদ হয়েও তার মুর্শিদ ক্বিবলা উন বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ উনার ২৮ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উল্লেখ করে বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা ঐ ব্যক্তিকে অনুসরণ কর বাকি অংশ পড়ুন...












