SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শায়খ%' OR titleBn LIKE '%শায়খ%' OR descriptionEn LIKE '%শায়খ%' OR descriptionBn LIKE '%শায়খ%' OR slug LIKE '%শায়খ%' OR metaTag LIKE '%শায়খ%' OR metaDescription LIKE '%শায়খ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সুলত্বানুল হিন্দ, কুতুবুল মাশায়িখ, খাজায়ে খাজেগাঁ, মুজাদ্দিদে যামান, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “প্রকৃত তাওয়াক্কুলকারী লোক তিনি, যিনি কারো নিকট সাহায্য চান না এবং দুঃখ, কষ্টের সময় অভিযোগ করেও বেড়ান না। তিনি আরো বলেন, তাওয়াক্কুলকারীগণের উপর মুহব্বতের তাজাল্লী বর্ষিত হওয়াকালীন এমন এক হাল যাহির হয় যখন তাকে তলোয়ার দ্বারা টুকরা টুকরা করে ফেললে কিংবা কোনো প্রকার দুঃখ কষ্ট ও যন্ত্রণা প্রদান করা হলেও তার কোনো খবর থাকে না।” (তাযকিরাতুল আউলিয়া-৪/২৩২)
কুতুবুল আলম, ফরীদু যামানিহী, শায়খুল উল বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইয়েমেনের তায়েজ প্রদেশের হাজিয়া মরিয়ম আর-রামিমাহ। বর্তমানে ৮২ বছর বয়সি এই বৃদ্ধা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই, শুধু কানের সাহচর্যে ক্যাসেট শুনে পুরো পবিত্র কোরআনুল কারিম মুখস্থ করে হাফেজা হয়েছেন।
২০০৬ সালে, ষাটের দশকে পা দিয়ে মরিয়ম সিদ্ধান্ত নেন তার লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার। তার ছেলে শায়খ মুখতার আর-রামিমাহ গ্রামে একটি পবিত্র কুরআন শরীফ হিফজ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করলে সেটিই তার প্রধান অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।
খাতা-কলম না থাকলেও তার ছিল প্রখর শ্রবণশক্তি ও অটল সংকল্প। গ্রামের একজন নারী শিক্ষিকার সাহা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ইয়েমেনের তায়েজ প্রদেশের হাজিয়া মরিয়ম আর-রামিমাহ। বর্তমানে ৮২ বছর বয়সি এই বৃদ্ধা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছাড়াই, শুধু কানের সাহচর্যে ক্যাসেট শুনে পুরো পবিত্র কোরআনুল কারিম মুখস্থ করে হাফেজা হয়েছেন।
২০০৬ সালে, ষাটের দশকে পা দিয়ে মরিয়ম সিদ্ধান্ত নেন তার লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার। তার ছেলে শায়খ মুখতার আর-রামিমাহ গ্রামে একটি পবিত্র কুরআন শরীফ হিফজ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করলে সেটিই তার প্রধান অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।
খাতা-কলম না থাকলেও তার ছিল প্রখর শ্রবণশক্তি ও অটল সংকল্প। গ্রামের একজন নারী শিক্ষিকার সাহা বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি বললেন, আচ্ছা এখানে ফায়সালা শেষ হলো, অতঃপর চলেন মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে। উনাকে নিয়ে গেলেন। হযরত খাজা উছমান হারূনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ উনার মধ্যে গিয়ে মহাসম্মানিত মহাপবিত্র রওজা শরীফ উনার পাশে দাঁড়ালেন। আর হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়েছিলেন। উনার মাথাটা সম্পূর্ণ উনার পা-নূরুদ দারাজাত মুবারক উনার দিকে দাঁড়ায়েছিলেন। তিনি চুপ হয়ে রয়েছেন কোন কথা নাই উনার। উনার শায়েখ সালাম দিলেন এবং বললেন ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন,
سُنَّةَ اللهِ فِي الَّذِينَ خَلَوْا مِن قَبْلُ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, এটা আগে থেকেই ফায়সালা মুবারক করে রাখা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এটা আগে থেকেই ফায়সালা, নতুন করে ফায়সালা না। যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক, উনার তর্জ-তরীক্বা মুবারক।
وَلَنْ تَجِدَ لِسُنَّةِ اللهِ تَبْدِيلًا
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সুন্নত মুবারক উনার কোন পরিবর্তন নেই। সু বাকি অংশ পড়ুন...
হিন্দু প্রধান দল কংগ্রেস উপমহাদেশের মুসলমানের উপর হিন্দুত্ববাদীদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্যে এক জাতীয়তার ধূম্রজাল সৃষ্টি করে মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে বিরাট বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, দেওবন্দের কথিত আলেম হুসাইন আহমদ নাদানী। সে কংগ্রেসের সুরে সুর মিলিয়ে ঘোষণা করে একই ভৌগোলিক সীমারেখার ভিতরে বসবাসকারী মুসলমান অমুসলমান নির্বিশেষে মিলে এক জাতি। এই বিষয়ে সে বইও লিখে। সে দেওবন্দভিত্তিক সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ-এর সভাপতি ছিলো।
মুসলিম লীগ উপমহাদেশে দ্বিজাতিতত্ত্বের (মুসলিম ও মুশরিক দুই জাতি) ভিত্তিতেই বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হিজরী ১৩ শতকের মহান মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, মুহম্মদিয়া তরীক্বার সম্মানিত ইমাম, হযরত সাইয়্যিদ আহ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম তিনি প্রশ্নের জাওয়াব দিয়েছেন সেগুলো হলো-
সম্মান কাকে বলে?
জবাব মুবারক: বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠাকরণের সময় ন্যায়ের পক্ষে ইস্তিকামত থাকা।
কুতুবুল আলম, আমীরুশ শরীয়ত, মাহতাবে তরীকত, মাহিউল বিদয়াহ, মুহ্ইস সুন্নাহ, মুজাদ্দিদুয যামান, হুজ্জাতুল ইসলাম, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, তাজুল মুফাসসিরীন, সুলতানুল আরিফীন,
হযরত মাওলানা শাহ ছুফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (২য় পর্ব)
তা’ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুজূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান পক্ষ থেকে উম্মতের কুরবানী করার বিষয়ে দুইটি আপত্তি সমাজে দেখে যায়। ১ম আপত্তি- এ বিষয়ে সহীহ কোন বর্ণনা নেই, যা আছে দুর্বল। ২য় আপত্তি- এ ধরনের আমল পরবর্তী যুগে কেউ করেছেন তার কোন প্রমাণ কোন কিতাবে নেই। আমরা দুইটি আপত্তির স্পষ্ট খ-ন করবো, ইনশাআল্লাহ!
ইমাম হাকীম নিশাপুরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাবে সহীহ সনদসহ বর্ণনা করেন,
عَنْ حَنَشٍ، قَالَ: ضَحَّى عَلِيٌّ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ بِكَبْشَيْنِ كَبْشٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وكبشٍ عَنْ نَفْسِهِ وَقَالَ: أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّه বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত গাউসুল আ’যম বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কারামত মুবারক সকল সময়ই প্রকাশ হতে থাকতো। উনার কারামত সম্পর্কে এ ধরণের বর্ণনা আছে যে, তিনি বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের পর পবিত্র রমাদ্বান শরীফে দিনের বেলায় উনার মাতার দুধ মুবারক পান করতেন না। যার দরুণ মানুষের নিকট এই বিস্ময়কর ঘটনা এরকম মশহুর হয়ে গেছে যে, ওমুক সম্ভ্রান্ত পরিবারে এমন এক ভাগ্যবান শিশু জন্ম গ্রহণ করেছেন, যিনি নাকি পবিত্র রমাদ্বান শরীফে দিনের বেলায় দুধ পান করেন না।
মানুষ উনাকে প্রশ্ন করলো, “হে মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী! আপনি কখন থেকে বুঝতে পারলেন যে, আপনি মহান আল্ বাকি অংশ পড়ুন...
সালিস দুই ব্যক্তির মাধ্যমে সংশোধনের সর্বাত্মক কোশেশও যদি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। বিচ্ছেদ ছাড়া কোনো পথ না থাকে তাহলে কিভাবে ত্বালাক্ব বা বিচ্ছেদ ঘটাবে তারও বর্ণনা মহান আল্লাহ পাক তিনি সুনিপুণভাবেই দিয়েছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اِذَا طَلَّقْتُمُ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ وَاَحْصُوا الْعِدَّةَ ۖ وَاتَّقُوا اللّٰهَ رَبَّكُمْ
অর্থ: যখন তোমরা আহলিয়াদেরকে (স্ত্রীদেরকে) ত্বালাক্ব দেয়ার ইচ্ছা করবে তখন তাদেরকে ইদ্দতের মধ্যে ত্বালাক্ব দিবে এবং ইদ্দত গণনা করবে। আর এ ব্যাপারে তোমাদের মহান রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করবে।” (পবিত্র সূরা ত্বালাক্ব বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
আজ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস। আজকের এই দিনে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্য ও জুলুম থেকে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এই ভূখন্ডকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে সংগ্রামের সূচনা হয়। প্রতি বছর রাষ্ট্রীয়ভাবে এই স্বাধীনতা দিবস বাকি অংশ পড়ুন...












