SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শরীরের%' OR titleBn LIKE '%শরীরের%' OR descriptionEn LIKE '%শরীরের%' OR descriptionBn LIKE '%শরীরের%' OR slug LIKE '%শরীরের%' OR metaTag LIKE '%শরীরের%' OR metaDescription LIKE '%শরীরের%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
লটকনে রয়েছে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস ও খাদ্যআঁশ। বিশেষ করে ভিটামিন সি-এর ভালো উৎস হওয়ায় এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। প্রতি ১০০ গ্রাম লটকনে সাধারণত পাওয়া যায়- ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, খাদ্যআঁশ, সামান্য প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক:
লটকনে থাকা ভিটামিন সি শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। মৌসুমি সর্দি-কাশি বা ভাইরাসজনিত অসুস্থতার সময় এই ফল কিছু বাকি অংশ পড়ুন...
তরমুজ:
গরমের জনপ্রিয় ফল তরমুজে রয়েছে আয়রন ও ভিটামিন সি। আয়রন শরীরে রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে, আর ভিটামিন সি সেই আয়রন শোষণের ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে তরমুজ নিয়মিত খেলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হতে পারে।
পেয়ারা:
পেয়ারায় অত্যন্ত উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন সি থাকে, যা আপনার শরীরকে উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবার থেকে আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করে।
লেবু জাতীয় ফল:
কমলা লেবু, মাল্টা, মোসম্বি বা লেবুর মতো সাইট্রাস ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। শুধু আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খেলেই হবে না, সেই আয়রন শরীরে শোষিত হওয়াও জরুরি। ভিটামিন সি এই কাজটিই করে বাকি অংশ পড়ুন...
শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে হিমোগ্লোবিন। রক্তের লোহিত কণিকায় থাকা এই প্রোটিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেন সংগ্রহ করে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে পৌঁছে দেয়।
একই সঙ্গে এটি দেহকোষ থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সংগ্রহ করে ফুসফুসে নিয়ে আসে, যাতে তা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে। তাই রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট এবং রক্তশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে চিকিৎসকরা অন বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
মহাসড়কের পাশে খালের পানিতে ভাসছিল একটি স্যুটকেস। ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই স্যুটকেস উদ্ধার করে পাড়ে আনে পুলিশ। স্যুটকেস খুলতেই দেখা যায়, ভেতরে একটি বড় বস্তা। বস্তার মুখ খোলার পর বেরিয়ে আসে এক তরুণীর লাশ। সঙ্গে ছিল পাঁচটি ইট। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছিল আঘাতের চিহ্ন।
ঘটনাটি ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর ভোরের। ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের গৌরীপুরের গঙ্গাশ্রম এলাকার ওই খাল থেকে উদ্ধার হওয়া লাশটির পরিচয় তখন অজানা। কে এই তরুণী, কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে, কীভাবে তার লাশ সেখানে এল-কোনো প্রশ্নের উত্তরই ছিল না তদন্তকারীদের কাছে।
ত বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমানে কম বয়সীদের মধ্যেও ফ্যাটি লিভারের প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যাটি লিভার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জীবনযাপনের পরিবর্তনের মাধ্যমে উল্টে দেওয়া সম্ভব। তবে অবহেলা করলে এটি নন-অ্যালকোহলিক স্টিয়াটোহেপাটাইটিস, লিভারে প্রদাহ, সিরোসিস (লিভারের স্থায়ী ক্ষত) এমনকি লিভার ক্যানসারের কারণ হতে পারে। জীবনযাত্রার পরিবর্তনে ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে করণীয় জেনে নিন।
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা:
অতিরিক্ত ওজন থাকলে মোট শরীরের ওজনের ৫-১০ শতাংশ কমাতে পারলেও লিভারের চর্বি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে পারে।
সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা:
প্রতিদিন বাকি অংশ পড়ুন...
মানুষের চোখ ও মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা একটি ছোট আলো-সংবেদনশীল অঙ্গের মধ্যে প্রাচীন সম্পর্কের সন্ধান পেয়েছে বিজ্ঞানীরা। নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কয়েক কোটি বছর আগে এই দুটি একই উৎস থেকে তৈরি হয়েছিলো বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী ‘কারেন্ট বায়োলজি’-তে।
এতে মানুষের মাথার ভেতরে থাকা ‘পিনিয়াল গ্রন্থি’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। মটরদানার মতো ছোট এই অঙ্গটি খুলির গভীরে অবস্থান করে। এটি সরাসরি সূর্যের আলো না পেলেও শরীরকে আলো ও অন্ধকারের পরিবর্তন বুঝতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এটি মেলাটোনিন বাকি অংশ পড়ুন...
করমচা (যা অনেক জায়গায় করমজা নামেও পরিচিত) একটি ছোট আকারের টক-মিষ্টি ফল, যা গ্রামবাংলার পরিচিত একটি মৌসুমি ফল। এই ফলের পুষ্টিগুণ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা সত্যিই চমকপ্রদ। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায়ও করমজার ব্যবহার বহু পুরোনো। জেনে নিন, করমজা খেলে শরীরে কী কী উপকার হয়।
ভিটামিন সি-এর শক্তিশালী উৎস: করমচায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত এই ফল খেলে সর্দি-কাশি, বিভিন্ন অসুখ দূরে থাকে।
হজম শক্তি উন্নত করে: করমচার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক অ্যাসিড এবং ফাইবার হজমে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠ বাকি অংশ পড়ুন...
ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধোয়া উভয়টিই সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ:
বড় ইসতিন্জা এবং ছোট ইসতিন্জা করার পর ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা এবং পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার হওয়া উভয়টি সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। অর্থাৎ ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করা যেমন সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্ তেমনিভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার করাও সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ্। কেননা শরীরের মধ্যে একটা গরম ভাব আছে। বড় ইসতিন্জা বের হয়ে চামড়ার উপর লাগলে শরীরের গরমে ময়লার (পায়খানার) কিছুটা চামড়ায় শোষণ করে নেয়। ঢেলা-কুলুখে সেই শোষিত ময়লা (পায়খানা) দুর হয় না। তাই ঢেলা-কুলুখ ব্যবহার করার পর পানি দিয় বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মসলার রয়েছে দারুণ সব চিকিৎসাগুণ। রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওষুধি গুণের কারণে প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় নানা ধরনের মসলার ব্যবহার প্রচলিত হয়ে আসছে।
(১) হলুদ:
মসলার অন্যতম উপাদান হলুদের চিকিৎসাগুণ সম্পর্কে এমএইচ সমরিতা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজের পুষ্টিবিদ আঞ্জুমান আরা বলেন, ‘হলুদ আমাদের শরীরের জন্য এক অনন্য ‘সুরক্ষা প্রাচীর’। হলুদের মূল উপাদান হলো কারকিউমিন, যার রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ বাকি অংশ পড়ুন...
ফলমূল নিয়ে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ كُنَّا نُصِيْبُ فِيْ مَغَازِيْنَا الْعَسَلَ وَالْعِنَبَ فَنَأْكُلُهٗ وَلَا نَرْفَعُهٗ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধের সময় মধু ও আঙ্গুর ফল লাভ করতাম। আমরা তা খেয়ে নিতাম, কিন্তু জমা রাখতাম না। (বুখারী শরীফ)
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ مَا أَكَلَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى ا বাকি অংশ পড়ুন...
বোরকা পরিধান করে হাত ও মুখ খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া হারাম ও কুফরী (৬ষ্ঠ অংশ) :
উল্লিখিত পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, মুখ ও হাত খোলা রেখে ঘর থেকে বের হওয়া বা পর-পুরুষের সামনে যাওয়া হারাম। জায়িয মনে করা কুফরী।
কেননা, দৃষ্টি দানকারী দৃষ্টি দিয়ে অন্যায় করার কারণে সে অভিশপ্ত হলো, তাহলে যার প্রতি দৃষ্টি দিবে সেই মহিলাটি অভিশপ্ত হওয়ার একমাত্র কারণ হলো: সে দৃষ্টি দেয়ার ক্ষেত্র তথা মুখ খোলা রেখে বের হয়েছে, সে কারণে সে অভিশপ্ত হয়েছে। মুখ খোলা রাখা জায়িয থাকলে সেই মহিলা কখনো অভিশপ্ত হতো না। কারো প্র বাকি অংশ পড়ুন...












