SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%রক্তনালি%' OR titleBn LIKE '%রক্তনালি%' OR descriptionEn LIKE '%রক্তনালি%' OR descriptionBn LIKE '%রক্তনালি%' OR slug LIKE '%রক্তনালি%' OR metaTag LIKE '%রক্তনালি%' OR metaDescription LIKE '%রক্তনালি%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
কিডনী আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। এটি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ছেঁকে বের করে দেয়। যখন কিডনীর ছাঁকনী বা ফিল্টার গুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন শরীর থেকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়। শরীর থেকে প্রোটিন বের হওয়ায় এ অবস্থাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় নেফ্রোটিক সিনড্রোম বলে।
নেফ্রোটিক সিনড্রোম আসলে কোন রোগ নয়, এটি কিডনীর সমস্যা লক্ষণ। কিডনীর মধ্যে গ্লোমেরুলাস নামক অতিক্ষুদ্র রক্তনালির গুচ্ছ থাকে, এর কাজ হলো রক্তকে পরিশোধন করা। সুস্থ অবস্থায় কিডনীর ছাঁকনিগুলো শরীরের প্রয়োজনীয় প্রোটিনকে ধরে বাকি অংশ পড়ুন...
মাথাব্যথা হলে অনেকে চা অথবা কফি পান করেন। কারও ক্ষেত্রে এতে দ্রুত স্বস্তিও মেলে। তবে চা-কফি কি সত্যিই মাথাব্যথা কমাতে পারে? কিছু ক্ষেত্রে এতে সাময়িকভাবে আরাম পাওয়া যায়। বিশেষ করে মাইগ্রেনের মতো কিছু ধরনের মাথাব্যথায় ক্যাফেইন উপকারী হতে পারে।
মূলত: চা ও কফিতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্কের রক্তনালিতে প্রভাব ফেলে। এ ছাড়া কিছু ব্যথানাশক ওষুধের কার্যকারিতাও বাড়াতে পারে। এ কারণে মাথাব্যথা শুরু হওয়ার পর পরিমিত পরিমাণে চা বা কফি কিছুটা স্বস্তিদায়ক হতে পারে।
চায়ে ক্যাফেইনের পাশাপাশি বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এসব উপাদান শরà বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনার সিকেএম সিনড্রোম ক্লিনিক-এ অধিকাংশ রোগীই জানে না তারা আসলে কী রোগে ভুগছে। শুধু তাই নয়, একটি নতুন সমীক্ষা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৯০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষই এই সিনড্রোমের শিকার, অথচ তাদের সিংহভাগই জীবনে এই রোগের নাম শোনেনি। ২০২৩ সালে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন (এএইচএ) প্রথম এই রোগটির নামকরণ করে, কার্ডিওভাসকুলার-কিডনি-মেটাবলিক বা সংক্ষেপে সিকেএম সিনড্রোম।
ব্রিঘাম অ্যান্ড উইমেনস হসপিটালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মুথিয়াহ জানায়, সিকেএম মূলত কোনও একক রোগ নà§ বাকি অংশ পড়ুন...
(পর্ব-২)
দেহে ক্ষতিকারক চর্বি হ্রাস ও উপকারী চর্বি সংশ্লেষ বৃদ্ধিঃ বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, রমাদ্বান শরীফ মাসে আমাদের রক্তের ক্ষতিকারক চর্বির উপাদান যথাঃ লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (খউখ) এবং ভেরি লো-ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনের পরিমান হ্রাস পায়। অন্যদিকে আমাদের শরীরের সুরক্ষায় কাজ করে এমন চর্বির উপাদান যথাঃ হাই ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন (ঐউখ) এর পরিমাণ বেড়ে যায়। উপরন্তু রোযা থাকার ফলে দেহের নানাবিধ রোগের কারণ ট্রাইগ্লিসারাইড, প্রদাহ ও জারণ প্রক্রিয়ার হরমোনগুলোও কমে; যা আমাদের শরীরের জন্য উপকারী।
রক্তের বিভিন্ন কণিকা ও উপাদানে à বাকি অংশ পড়ুন...
গরুর কলিজা, ফুসফুস, মগজ, ভুঁড়ি, জিহ্বা, কিডনি, গুর্দাকে ‘অঙ্গের গোশত’ বলা হয়, ইংরেজীতে বলা হয় অর্গান মিট। এই অঙ্গগুলোর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ৪ আউন্স গরুর কলিজায় ২৩ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এখানে অঙ্গের গোশত কিছু চমকপ্রদ উপকারিতা উল্লেখ করা হলো।
অ্যালঝেইমার্স রোগের ঝুঁকি কমায়: গরুর কলিজায় ভিটামিন বি-১ তথা থিয়ামিন রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, থিয়ামিন স্মৃতিভ্রম রোগ অ্যালঝেইমার্সের রিস্ক ফ্যাক্টর প্রতিরোধ করতে পারে। যেমন স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া।
শারিরিক শক্তি বাড়ে: গরুর কলিজা ও কিডনিতে প্রচুর আয়রন থাকে। অনà বাকি অংশ পড়ুন...
হার্টকে সুস্থ ও শক্তিশালী রাখতে অনেক বিশেষ সাপ্লিমেন্ট বা ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। আমাদের আশপাশে থাকা উজ্জ্বল লাল রঙের কিছু ফল হৃদস্বাস্থ্যের জন্য হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা। এই ফলগুলোতে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং প্রাকৃতিক যৌগ যা শরীরের প্রদাহ কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং রক্তপ্রবাহ উন্নত করে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এগুলো সুস্বাদু এবং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা অত্যন্ত সহজ। তাজা, জুসে, সালাদে বা নাস্তা হিসেবে যেভাবেই খান না কেন, লাল রঙের এই পাঁচ সুপারফুড আপনার হার্টের জন্য হতে পারে পà§ বাকি অংশ পড়ুন...
নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য-প্রতিদিন আনার বা ডালিমের রস পান করলে ধমনির ব্লকেজ বা রক্তনালির বাধা প্রায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।
অন্যদিকে যারা ডালিমের রস পান করেননি, তাদের ক্ষেত্রে ব্লকেজের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৯ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফল হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখা ও রক্তনালির স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে অসাধারণ ভূমিকা রাখে।
ডালিমে রয়েছে ‘পিউনিক্যালাজিন’ নামের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রক্তনালিতে জমে থাকা কোলেস্টেরল গলিয়ে দেয়, প্রদাহ কমায় এবং ধমনির দেয়ালে অক্সিডেটিভ ক্ষতি প্রতিরোধ করে। এসব উপাদান বাকি অংশ পড়ুন...
লইট্টা মাছ আমরা দুইভাবে খেতে পারি। একটি হচ্ছে কাঁচা, যেটা সমুদ্র থেকে তুলে একেবারে তরতাজা খাওয়া হয়। আরেকটা হচ্ছে সমুদ্রের তীরে রোদে শুকিয়ে মাছকে একেবারে শুকনো করে খাওয়া যায়। স্বাদের দিক থেকে যেমন, তেমনি পুষ্টিগুণের দিক দিয়েও অনন্য এই মাছ। সাধারণত ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বড় হয় মাছটি।
লইট্টা মাছের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন থাকে। বঙ্গোপসাগর, আরব সাগরসহ এশিয়ার বিভিন্ন উপকূলে লইট্টা মাছ ধরা পড়ে।
লইট্টা মাছের উপকারিতা:
* লইট্টা শুঁটকিতে থাকা ক্যালসিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমায়।
* লইট্টা মাছ প্রোটিনে ভরপুর। শুঁটকি আকারে খাওয়া হলà§ বাকি অংশ পড়ুন...
খেজুরের বীজ কিন্তু ফেলে দেওয়া হয়। অথচ এ এক মস্ত পুষ্টিখনি! ফাইবার, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট, ভিটামিন, মিনারেল- সব আছে। আপাত নগণ্য এই বীজ বিধিমতো গুঁড়া করে খেয়ে নিশ্চিত করতে পারেন নিজের এবং পরিবারের সুস্বাস্থ্য। মুক্তি পেতে পারেন বিচিত্র স্বাস্থ্য জটিলতা থেকে। শুধু তাই নয়, এই বীজ রোস্ট করে বানানো ডেট সিড কফি ক্যাফেইনমুক্ত এবং অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর পানীয় হিসেবে পান করা যেতে পারে। বর্তমান সময়ে কফির বিকল্প হিসেবে ও ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের নিরিখে বহুল আলোচিত এই উষ্ণ পানীয়।
আঁশের সমৃদ্ধ উৎস, কোষ্ঠবদ্ধতার বাকি অংশ পড়ুন...












