SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%মুসাফির%' OR titleBn LIKE '%মুসাফির%' OR descriptionEn LIKE '%মুসাফির%' OR descriptionBn LIKE '%মুসাফির%' OR slug LIKE '%মুসাফির%' OR metaTag LIKE '%মুসাফির%' OR metaDescription LIKE '%মুসাফির%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাই পবিত্র রিযামন্দি-সন্তুষ্টি, মুহব্বত-মা’রিফাত মুবারক হাছিলের একমাত্র উছীলা। উনাদের মুবারক উছীলা বা মধ্যস্থতা ব্যতীত কস্মিনকালেও কোন নিয়ামত মুবারক হাছিল করা সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَةْ جَعْفَرَ الصَّادِقِ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّهُ قَالَ نَـحْنُ اٰلُ بَيْتِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَـحْنُ الْوَسِيلَةُ اِلَى اللهِ وَلَا وَسِيلَةَ اِلَى اللهِ اِلَّا عَنْ غَيْرِ طَرِيقِنَا اَوْ مِنْ سِوَانَا
অর্থ: ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষীরা মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কটূক্তি করে বলে থাকে, মাদরাসায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা হয়না। সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থায় নাকি জ্ঞান-বিজ্ঞান শেখানো হয়! এ অপপ্রচারে মাদরাসা নিয়ে অভিভাবক মহলে হীনমন্যতার প্রবেশ করে।
ইতিহাস সাক্ষী অতীতের সকল মুসলিম বিজ্ঞানী, জ্ঞানী-গুনী সবাই মক্তব-মাদরাসায় পড়াশোনা করেই জ্ঞানের আলো ছড়িয়েছেন। বেনিয়া বৃটিশ শাসনের পুর্বে মুসলিম শাসনামলে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই ছিলো মূল। যেখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখা সম্পর্কে পড়ানো হত।
মুসলিম শাসনামলের অবদান:
মুসলিম শাসনামলের শুরু বাকি অংশ পড়ুন...
৯৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুসাফিরী শান মুবারক نُوْرُ الرَّاكِبِ مُبَارَكٌ নূরুর রকিব মুবারক
৯৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুক্বীমী শান মুবারক نُوْرُ النَّعِيْمِ مُبَارَكٌ নূরুন না‘ঈম মুবারক
৯৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’লীম মুবারক نُوْرُ الْوَحْىِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়াহ্ই মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
আবহমানকাল থেকে আমাদের গ্রাম-বাংলার অভিজাত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে আভিজাত্যের প্রতীক ছিল বাড়ির বাহির আঙিনার কাচারি ঘর। কাচারি ঘর ছিল গ্রাম-বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একটি অংশ। আমাদের গ্রামীণ জনপদের অবস্থা সম্পন্ন অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারিঘর। গেস্টরুম কিংবা ড্রয়িং রুমের আদি ভার্সন কাচারি ঘর এখন আর গ্রামীণ জনপদে দেখা যায় না বললেই চলে।
মূল বাড়ির একটু বাইরে আলাদা খোলামেলা ঘরই হচ্ছে কাচারি ঘর; সাধারণত বাড়ির সামনের দিকটায় থাকতো। কিছু কিছু কাচারি ঘর বাড়ির প্রবেশমুখে পুকুর পাড়ে, ঘাটের পাশেও দেখা যেত। এতে বা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
তাকবীরে তাশরীক কাকে বলে এবং কতবার বলতে হয়?
জাওয়াব:
পবিত্র যিলহজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজর থেকে ১৩ তারিখ আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামাযের পর যে তাকবীর পাঠ করা হয় তাকেই তাকবীরে তাশরীক বলে। জামায়াতে বা একাকী, মুসাফির অথবা মুকীম, শহর অথবা গ্রামে প্রত্যেককেই প্রতি ফরয নামাযের পর উক্ত তাকবীর পাঠ করতে হবে।
“দুররুল মুখতার” কিতাবে উল্লেখ আছে যে, “তাকবীরে তাশরীক” একবার বলা ওয়াজিব, তবে যদি (কেউ) একাধিকবার বলে, তাহলে তা ফযীলতের কারণ হবে। আর “ফতওয়ায়ে শামী” কিতাবে উল্লেখ আছে-
وقيل ثلاث مرات
অর্থ: কেউ কেউ বলেছেন (তাকবীরে তাশ্রীক) তিনবার।” “গ বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ৯ তারিখ পবিত্র ফজর থেকে ১৩ তারিখ পবিত্র আছর পর্যন্ত মোট ২৩ ওয়াক্ত ফরয নামায উনার পর তাকবীরে তাশরীক পাঠ করা সম্মানিত শরীয়ত উনার ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র নামাযের আরকান সম্পর্কিত মাসয়ালা :
১) তাকবীরে তাহরীমা: ‘আল্লাহু আকবার’ এই কালাম দ্বারা নামায আরম্ভ করা হয়, এই প্রথম কালামই তাকবীরে তাহরীমা। এ তাকবীর বলার সাথে সাথে নামাযীর জন্য যাবতীয় পার্থিব কাজ যথা-পানাহার, কথা বলা ইত্যাদি হারাম হয়ে যায়। সেজন্যই উক্ত তাকবীরকে ‘তাকবীরে তাহরীমা’ বলা হয়।
যদি কেউ ‘আল্লাহু’ শব্দের-আ-অক্ষরটিকে টেনে উচ্চারণ করে তাকবীরে তাহরীমা বেঁধে নামায আরম্ভ করে, তার নামায শুদ্ধ হবে না। ইমামের তাকবীরে তাহরীমার পরপরই মুক্তাদীর তাকবীরে তাহরীমা বলতে হবে। ইমামের পূর্বে মুক্তাদী তাকবীর বললে, মুক্তাদীর নাম বাকি অংশ পড়ুন...
৯৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুসাফিরী শান মুবারক نُوْرُ الرَّاكِبِ مُبَارَكٌ নূরুর রকিব মুবারক
৯৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মুক্বীমী শান মুবারক نُوْرُ النَّعِيْمِ مُبَارَكٌ নূরুন না‘ঈম মুবারক
৯৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তা’লীম মুবারক نُوْرُ الْوَحْىِ مُبَارَكٌ নূরুল ওয়াহ্ই মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
দুই কুচক্রী ইহুদীর কঠিন পরিণতি:
সপ্তাহব্যাপী শত সহস্র ভেড়া, দুম্বা, উট যবেহ করে লক্ষ লক্ষ লোককে মেহমানদারী করানো হলো। আর তিনি উনার অনুরোধের উক্তি পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন।
বার বার এই কথা শুনে এক পর্যায়ে পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মুছল্লীগণ সকলেই একবাক্যে বলে উঠলেন, “হে সুলতান! পবিত্র মদীনা শরীফ উনার আশপাশে এমন কোনো লোক আর বাকী নেই, যারা আপনার মেহমানদারীতে শরীক হয়নি।” তখন হযরত নূরুদ্দীন জঙ্গী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি অত্যন্ত বলিষ্ঠ কণ্ঠে বললেন, “আমি বলছি আপনারা ভালোভাবে অনুসন্ধান করুন, এখনো কিছু লোক দাওয়াত খেতে বাকী রয়েছে। কেন তার বাকি অংশ পড়ুন...












